টপিকঃ ইউনাইটেড হাসপাতালে লাশ আটকে রেখে টাকা

আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে মৃত মো. আসলামের পরিবারকে ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আজ রোববার ৪৪ হাজার টাকা আগামী শনিবার এক লাখ টাকা দিতে হবে। এই শর্তে লাশ নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে নিহতের পরিবার।

নিহতের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম শীর্ষ নিউজকে এই তথ্য জানান। এখন লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান,  ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছয় লাখ টাকা ছাড় দিয়েছে। বাকি টাকা আগামী ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধের শর্ত জুড়ে দেয় তারা।

তিনি আরো জানান, ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আসলামকে গত ৩ জুলাই বারিধারার ইউনাইটেড হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়। ডা. কায়সার নাসিরুল্লাহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেন তিনি। ভর্তির পর কয়েক ধাপে জুলাইয়ের ২৬ তারিখের মধ্যেই ১২ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করে আসলামের পরিবার।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার বিকেলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিল সেকশনে গিয়ে নিহতের স্বজন শুনতে পায় ৩২ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করে লাশ নিতে। বিল না দেয়া পর্যন্ত রোগীকে ছাড়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ইউনাইটেড হাসপাতালের এ ধরনের অমানবিক আচরণের কথা নিহতের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিমও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছুটা নমনীয় হয়ে আজ লাশ দিতে রাজী হন।

এদিকে সাদিয়া গতকাল অভিযোগ করে জানান, শেষ দিকে আমাদের আর বিলের ব্যাপারে কিছু জানানো হতো না। ওষুধের খরচগুলো আমরা নগদ অর্থেই শোধ করে দিতাম। আর রক্তের বিলও দিয়েছি ৩ লাখ টাকা। দুপুরে বাবা মারা যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের হাতে ৩২ লাখ টাকার বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, পুরো অর্থ পরিশোধ না করে এখান থেকে মৃতদেহ নেওয়া যাবে না। আমাদের অনেক অনুরোধের পর বাবার মৃতদেহকে গোসল করিয়েছে তারা। এবং কফিনে মুড়িয়ে রেখেছে। এ সময় কান্না ধরে রাখতে পারেনি সাদিয়া।

ইউনাইটেড হাসপাতালের ওয়েব সাইটে দেওয়া জরুরি নম্বরে ফোন করে সাদিয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়া হয়।

Re: ইউনাইটেড হাসপাতালে লাশ আটকে রেখে টাকা

খুব দুঃখজনক

কি আর বলবো । সাইট থাকলে ঠিকানা দিতাম ......

Re: ইউনাইটেড হাসপাতালে লাশ আটকে রেখে টাকা

ফেসবুকে দূর্যোধন দূর্যোধন আপনার এই যুক্তি গুলো খন্ডন করেছে।

আইফোন ৫ এস তৈরী করতে লাগে ১৯১ ডলার , বিক্রি করে ফ্রিকিং ৭০০ ডলারে । আপনার স্মার্টফোন দরকার , পকেটে ৮০০০ টাকা থাকলে আপনি অন্য ফোন কিনবেন , আপনি এপলকে গালিগালাজ করতে পারেন না । বিকজ ইউ হ্যাভ চিপার অপশনস ।

একটা মুরগীর দাম ১৮০ টাকার মত । নান্দোজ এমুরগী খাওয়ায় ১০০০০ টাকায় ! ইউ হ্যাভ চিপার অপশনস , ইউ ডোন্ট নিড টু গো দেয়ার ।

একবেলা ভরপেট খেতে আপনি অনেক রেস্টুরেন্টে ঢুকতে পারেন , রিজেন্সী সোনারগাঁও হোটেলেও ঢুকতে পারেন । ইউহ্যাভ চিপার অপশনস , ইউ ডোন্ট নিড টু গো টু অ্যা ফাইভস্টার হোটেলএন্ড ইটস ফ্রিকিং কস্টলি রেস্টুরেন্ট ।

এককাপ কফি খেতে আপনি অনেক চিপার অপশন পাবেন , গ্লোরিয়া জিনসও পাবেন । ইউ ডোন্ট নিড টু গো দেয়ার , ইউ হ্যাভ চিপার অপশন্স ।

কক্সবাজারে থাকবেন , দেয়ার আর লটজ অফ হোটেল টু রিসাইড অন । আপনার পকেট ঠিক করবে আপনি ওশেন প্যারাডাইজে থাকবেন নাকি অন্যকোথাও । ইউ হ্যাভ অপশনস ।

আপনার চিকিৎসার জন্য খোদ ঢাকাতেই বড় বড় সরকারী হাসপাতাল আছে । ফ্রি । অনেক লোক যায় , তাই হয়তো স্বাচ্ছন্দ্যে থাকার ব্যবস্থা হবেনা , কিন্তু ট্রিটমেন্ট দেবেনা - তা কিন্তু না । ইউ ডোন্ড নিড টু ভিসিট এপোলো , ইউনাইটেড , ল্যাবএইড এন্ড আদার ফাকিং কস্টলি হসপিটালস ।

আপনি বলতে পারেন চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আপনার আছে , কিন্তু এইসব ল্যাব এইড এপোলো ইউনাইটেড টাইপ হাসপাতালগুলো কিন্তু ব্যবসার জন্য পসরা খুলেছে , সেইটা আপনিও ভাল জানেন । প্রতিবছরই এদের একটা না একটা ঘটনা আপনি পত্রিকা বা ফেসবুকে দেখেন । নায়ক মান্নার কথাও আপনি জানেন , আপনি জানেন অধ্যাপক মৃদুলকান্তির কথা । আপনি ভাল মতনই এদের খরচ সম্পর্কে অবগত , এবং এরাও এত বেকুব না যে আপনাকে না জানিয়ে তারা চিকিৎসা শুরু করে দেবে , আপনাকে খরচ কত হতে পারে জানিয়েই এরা চিকিৎসায় হাত দেয় , এমন সব ব্যবসায়ী এরা । তাই আপনি যত সহজে সরকারী হাসপাতালে আপনার এক্সরে করতে ২ মিনিট দেরি হলে ভাংচুর চালান , তা কিন্তু এইসব বড়লোকের প্রাইভেট হাসপাতালে করতে পারেন না । আপনি প্রতি বছর এদের এইসব অপকর্ম দেখেও এইসব হাসপাতালে সামর্থ্য না থাকলেও গিয়ে বিপদে পড়বেন আর সামর্থ্যের মাঝের হাসপাতালগুলো কতটা কসাই-জঘন্য-অব্যবস্থাপনার মাঝে চলে তা নিয়ে গল্প করবেন ,কোন মন্ত্রীর কি আপনি সেইটা বলে কোন বেয়াদপ ডাক্তারকে চাবকেছিলেন তারগল্প বলবেন । এখন আপনাকে মুচলেকা দিতে হচ্ছে ৫ মাসে ১৫ লক্ষ টাকা পরিশোধের , কেননা আপনি জানেন আইনতই আপনি বন্দী । ইউ কেইম হেয়ার এট ইওর ঔন জাজমেন্ট , নাউ ইউ হ্যাভ টু পে ।

আমি ডায়রিয়ার চিকিৎসা করতে সরকারী হাসপাতালে যেতে চাই না , কিন্তু আমার সামর্থ্য না থাকলে আমি কেন প্রাইভেটে যাবো ? তারা কিন্তু আমাকে জোর করেনি আসার জন্য ,জোর করেছে আমার "ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স" - সরকারী হাসপাতালের মতন বাজারে (!)গিয়ে চিকিৎসা নেব আমি ? আমার মাঝে বাঙ্গালি সমস্যা , অন্যের চোখে ক্ষুদ্র হয়ে যাবার সমস্যা (অনেকের আত্মীয়রা বলে - কই চিকিৎসা করাইছিলা মিয়া ?সরকারী ? ধুর ধুর ... আমার নিজের চোখেই দেখা ) , আমার সামর্থ্য আর সাধের মাঝে ফারাকবোঝার অক্ষমতা অথবা অনিচ্ছা - এইসবই এইপ্রাইভেট হসপিটালগুলোর কাছে আমাকে শিকার বানিয়ে দিচ্ছে , আমার আত্মীয়ের লাশের জন্য এখন তাদের কাছে হাত পেতে থাকতে হচ্ছে । যাদের টাকা আছে তাদের জন্য ঐসব প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসা আছে , আরো বেশি টাকা যাদের আছে তাদের জন্য বিদেশ আছে । আমার টাকা নেই , ইচ্ছা আছে , আমি কি করবো ?আমি জাজমেন্টাল হবো , অপেক্ষাকৃত কম খরচের হাসপাতালে ভালচিকিৎসা নেব আর আমার কপাল ফেরানোর জন্য চেষ্টা করবো - একদিন যেন আমিও ...... । কিন্তু আমার ক্ষমতা না থাকলে আমি কোন হারামজাদাকে সেই সুযোগ দেব না , আমার আত্মীয়ের লাশটা নিয়ে বানিজ্য করতে পারে ।

মৃদুলকান্তি নামের যেই অধ্যাপক ল্যাবএইডে তার ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকার জন্য গিয়েছিলেন কিন্তু ল্যাবএইড ১১ হাজারটাকা না পেলে চিকিৎসা শুরু করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল , সেই ক্ষেত্রে আমি শুধু এইটুকুই বলবো - ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা নিয়ে ল্যাবএইডে যোগাযোগ করার চাইতে আইসিডিডিআরবি / ঢাকা মেডিকেল সহ অনেক সরকারী হাসপাতালই ভাল অপশন ছিল । এবং অবশ্যই ফ্রি । (আইসিডিডিআর'বিতো লিজেন্ডারী , আর বাংলাদেশেরই ঢাকা মেডিকেলে কিছুদিন আগেই একরোগীর চক্ষুকোটর থেকে ধারালো ধাতব বস্তু বের করার এমন এক অপারেশন করা হয়েছে যা বিশ্বেই বিরল !) আপনার সময়টুকুও বাচতো , ঐ ডাকাতদের কাছে জীবনটা যেত না । প্রচুর রোগী সুস্থ হচ্ছে সরকারী হাসপাতালগুলোতে । হচ্ছে না ?

মনে হচ্ছে আমি ল্যাবএইড/ ইউনাইটেডের পক্ষে বলছি । না , প্রশ্নই আসেনা । মারা যাওয়া রোগীর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েই বলছি - এইসব হাসপাতালে সামর্থ্য না থাকলে ছায়া মাড়ানোর দরকারও মনে করিনা , আই হ্যাভ চিপার এন্ড আদার অপশনস । এরা এত টাকা বিল করে কিভাবে কিভাবে এরা চলছে ? আপনার আশেপাশেই অনেক বিত্তবান আছেন , তাদের টাকা আছে তারাই বিল দিচ্ছেন ,এন্ড দেয়ার ইজ নো ওয়ান টু পয়েন্ট ফিংগার এট দেম । নট ইভেন দ্যা গভার্নমেন্ট । কেননা বিল কত হবে না হবে সেই বিষয়ে কোন আইন কি আছে ? না। তাহলে এই যে আমি আমার আত্মীয়ের লাশটা আটকে রাখার জন্য যে আবেগে ভেসে যাচ্ছি ,একইসাথে আমার এইসব ডাকাতের বিল সম্পর্কে অবগত না হওয়ার দায় কি চাপেনা ? আবেগ থাকবেই , কিন্তু আমরা যদি এইভাবে জাজমেন্টাল নাহয়ে যদি শুধু আবেগেই ভেসে যাই , তবে কিন্তু এইসব ইউনাইটেড/এপোলো/ল্যাবএইড এরা কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না । আপনারও লাভ হচ্ছে না । এদের ব্যবসার মূলধনই যেইখানে আপনার মধ্যবিত্তসূলভ ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স - টাকা না থাকার ক্রোধ আর সামর্থ্যের বাইরে যাবার দুঃসাহস - ঠিক সেইখানেই এইসব হাসপাতালের ব্যবসা ।

যতক্ষন আপনি আপনার সামর্থ্য বুঝে অপশন বেছে নিতে পারবেন না , ততক্ষনই আপনার কিবোর্ড আবেগ ঝড়াবে । কতিপয় সাংবাদিক সংবাদপত্রের কাটতি বাড়ানোর জন্য এই বিলের জন্য ডাক্তারদের দায়ী করবে , কিছু মানুষ এই ফাঁদে পড়বে (যদিও এই বিলে ডিউটি ডাক্তারের একপয়সাও পকেটে আসবেনা) ...... কিছু মানুষ ডাক্তারদের গালিগালাজ করে নেবে (সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা হয়না ব্লা ব্লা ব্লা ......যেন সরকারী হাসপাতালে গেলেই মানুষ মারা যায় ,ডাক্তার কসাই ব্লা ব্লা ব্লা ...... যদিও এই ইউনাইটেড এপোলোর বিল করে তাদের অদরিটি , ডাক্তাররা সেইখানে একধরনের কর্মচারীই - তাদের কথায় কর্তৃপক্ষের কিচ্ছু যায় আসেনা ) ...... কিছু মানুষ আশাহত হয়ে বাংলাদেশকে নিয়েই হতাশ হবে , কিছু মানুষ আবেগের বয়াম খুলে বসবে । কিন্তু এপোলো ইউনাইটেডের কিচ্ছুটি হবে না যতক্ষন পর্যন্ত আপনি আপনার সামর্থ্যের জন্য এদের 'ইগনোর" করতে পারছেন , যতক্ষন পর্যন্ত রোগের চিকিৎসায় বিল কত ধার্য করা যায় তা নিয়ে কোন সরকারী আইন হচ্ছে ।

ইউ ডোন্ট লাইক ইট , ডোন্ট বাই ইট । এইটাই পুঁজিবাদ , এইটাই এখনকার সমাজ । মানেন আর না মানেন । আপনি মোবাইল কেনা , খাওয়া , কাপড় কেনা , ঘুরতে যাওয়া থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রেই এইটা মানেন , কিন্তু নিজের চিকিৎসার মতন সেন্সিটিভ বিষয়ে এইটা মানেন না ?!? অনেকেই বলবেন , আপনার বাবার অবস্থা ঐরকম হলে আপনিও যেতেন । না রে ভাই । আমার ছোটবেলায় পড়ানো শিক্ষাটা আমি মাথা থেকে সরাইনি । কাট ইওর কোট একর্ডিং টু ইওর ক্লদস । মুরুব্বীরা বলতেন , ধার করে ঘি খাওয়া ভাল না । সুচিকিৎসার তুলনামূলক কম ব্যয়ের হাসপাতাল বাংলাদেশে আছে ।

এইটুকুই মনে রাখলে আমি জানি , আমি বা আপনি , অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পাব ।
https://www.facebook.com/duurzodhon/pos … 17?fref=nf

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ইউনাইটেড হাসপাতালে লাশ আটকে রেখে টাকা

এদিকে সাদিয়া গতকাল অভিযোগ করে জানান, শেষ দিকে আমাদের আর বিলের ব্যাপারে কিছু জানানো হতো না। ওষুধের খরচগুলো আমরা নগদ অর্থেই শোধ করে দিতাম।

এই ইনফোমেশন এ গরবর আছে!

দুই-দেড় লাখের উপরে বিল গেলেই একাউন্ট সেকশন থেকে ফোন করে জানায় দিবে টাকা জমা দিতে হবে কিছু! পেন্ডিং রাখতে চাইলে রাখবেন! কিন্তু ওরা ওয়ার্নিং দিতে থাকবে!   

দুইদিনের ঘটনা দেখে যা বুজতেছি এদের সাথে হাসপাতালের কমিউনিকেশনে ল্যাকিন্স ছিল! বিধায় এই জিনিশটা এমন হইছে! হিসাব চাইছে মে বি টাইমলি পায় নাই! নিজেরাও খোঁজ করে নাই! যার কারনে লাস্ট এ এত বড় এমাউন্ট চলে আসছে বলতে পারবে না। 

আব্বাকে দুই মাস এই ccu  te রাখছি এই টুকু তো একপিরিয়েন্স হয়ে গেছে কি কি হইতে পারে!