সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ঝামেলা (১৫-০৮-২০১৪ ২২:০৪)

টপিকঃ হা! হা! হি! হি! - সুবর্ণ জয়ন্তী

ভাবতেই পারছি না পঞ্চাশ হয়ে গেল। চেষ্টা করেছি সব সময় নতুন কিছু জানানোর , একটু হাসানোর । জানি না সফল কিনা। তবুও প্রচেষ্টা থাকবে হাসানোর । শুধুই হাসি হা! হা! হি! হি!


### ক্যাপ্টেন সৈনিকদের ক্লাশ নিচ্ছিলেন, একজন সৈনিক দাঁড়িয়ে বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন বললেন, না, কুমির উড়তে পারেনা।

ক্যাপ্টেন ক্লাশের পড়ানোয় মন দিলেন। সৈনিকটি দাঁড়িয়েই রইলো। কিছুক্ষণ পর আবার বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, যাদের বুদ্ধি হাটুতে তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না।

যথারীতি ক্যাপ্টেন পড়াচ্ছেন আর সৈনিক দাঁড়িযেই আছে। আবার একটু পর সৈনিক বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন এবার রেগে গিয়ে বললেন, যাদের মাথায় গোবর ভরা তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না।

এবার সৈনিকটি বললো, কিন্তু স্যার, জেনারেল স্যার যে বলছিলেন, কুমির উড়তে পারে!

ক্যাপ্টেন এবার কয়েক মূহুর্ত ভেবে বললেন, ও জেনারেল স্যার বলেছেন নাকি? তাহলে কুমির উড়তে পারে তবে খুব নিচ দিয়ে!

***************

### একটা মা উট আর বাচ্চার মধ্যে কথা হচ্ছে।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের পা এত লম্বা কেন?

মা উটঃ মরুভুমিতে ভালমত দৌড়ানোর সুবিধার জন্য আমাদের পা এত লম্বা।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের চোখের পাপড়ি এত বড় বড় কেন?

মা উটঃ মরুভুমির বালু যেন আমাদের চোখের মধ্যে না ঢুকে সেই জন্যে আমাদের চোখের পাপড়ি এত বড় বড়।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের পিঠের উপর এত বড় কুজ কেন?

মা উটঃ আমাদের এই কুজের মধ্যে পানি জমা থাকে। যেন আমরা মরুভুমিতে অনেকদিল পানি ছাড়া চলাফেরা করতে পারি।

বাচ্চা উটঃ মা, আমাদের মরুভুমিতে চলাফেরা করার জন্য এত কিছু আছে, কিন্তু মা……

মা উটঃ কি বাবা?

বাচ্চা উটঃ এত কিছু থাকার পরও আমরা ঢাকা চিড়িয়াখানায় কেন?


*******************

#### ”exam” দেয়ার পর একটি মেয়ের চিন্তাঃ

*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।

*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো,কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।

*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।

*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।

*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।


**********************

### এক লোক তার বন্ধুর বাসায় গেল। কলিং বেল টিপল। বল্টু দরজা খুলল।

লোক : তোমার বাবাকে একটু ডাক তো।

বল্টু : বাবা বাসায় নেই, বাজারে গেছে।

লোক : তাহলে তোমার বড় ভাইকে ডাক।

বল্টু : বড় ভাই তার বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলতে মাঠে গেছে।

লোক : তোমার মাকে ডাক, তিনি তো বাসায় আছে???

বল্টু : না। মা বিউটি পার্লারে গেছে.

লোক : (বিরক্ত হয়ে বলল) সবাই যখন বাইরে গেছে তখন তুমি ও কোথাও চলে যাও।

বল্টু : জ্বি, তাই তো আমি আমার বন্ধুর বাসায় চলে এসেছি…


***************************

###  ‘সুপারম্যান’ কেন স্টুপিড?!?

>কারণ ব্যাটা প্যান্টের উপ্রে আণ্ডারওয়্যার পড়ে

¤’ব্যাটম্যান’ কেন আরো বড় স্টুপিড?!?

>কারণ এই ব্যাটা প্যান্টের উপ্রে আণ্ডারওয়্যার তো পড়েই; সেই আণ্ডারওয়্যার আবার বেল্ট দিয়া আটকাইয়া রাখে

‘স্পাইডারম্যান’ কেন এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্টুপিড?!?

>কারণ এই উজবুক তার আণ্ডারওয়্যার মাথার উপরে পড়ে…


*********************

###  ১ম জন > এ দেশের শিক্ষাব্যবস্হা নারীজাতিকে একদম রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে।

২য় চন > মানে?

১ম জন > মানে , দেখিস না, প্রতিটি স্কুলের সামনে মা’য়েরা কেমন রাস্তায় বসে থাকে।


****************************

#####  এক লোক কিছু কাগজ ফটোকপি করে খুব মন দিয়ে অরিজিনাল কাগজগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখতে লাগল। আরেকজন প্রশ্ন করল, “এত মনোযোগ দিয়ে কি দেখছেন?”

লোকটি বলল, ” দেখছি ফটোকপিতে কোন ভুল হয়েছে কি না।”


************************

###  আবুল: কাল রাতে ঘরে চোর এসেছিল।

মফিজ: বলিস কী!

আবুল: ঘুম ভেঙে গেলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কী করছে? বলল, টাকা-পয়সা খুঁজছে।

মফিজ: তুই চোরটাকে ধরে পুলিশে দিস নাই?

আবুল: না…

মফিজ: তবে?

আবুল: আমিও তার সাথে টাকা-পয়সা খুঁজতে শুরু করছিলাম।


***********************

####  এক অন্ধ লোক টেক্সাসে বেড়াতে গেছে। ট্রেনে সিটটাকে অনুভব করে পাশের যাত্রীকে সে বললো, ট্রেনের সিটটা তো নরমাল ট্রেনের চেয়ে বড়!

পাশেরজন জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

হোটেলে ওঠার পর লোকটি বারে গেলো কিছু পান করতে। অনুভব করে বুঝলো গ্লাসটা অনেক বড়। সে বললো, গ্লাস তো আসলেই বড়!

বারটেন্ডার জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

একটু পর লোকটির বাথরুমে যাবার প্রয়োজন হলো। বারটেন্ডারকে জিজ্ঞেস করতেই সে টয়লেটে যাবার দিকনির্দেশনা দিয়ে দিলো।

অন্ধ লোকটি কিছুদূর ঠিকমতো গিয়ে এক জায়গায় ভুল মোড় নিয়ে নিলো আর সোজা গিয়ে পড়লো হোটেলের সুইমিং পুলে। ভয়ে আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘কেউ ফ্লাশ কোরো না, ফ্লাশ কোরো না।’


**************************

### যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক সৈনিক পালিয়ে চলে আসল। সবাই বলতে লাগল-শেষ পর্যন্ত তুমি তাহলে ভয়ে কাপুরুষের মত পালিয়ে চলে এলে।

সৈনিকের উত্তর: ঠিক তা নয়। আমার যুক্তি শুনলেই তোমরা তা বুঝতে পারবে-

দেয়ার আর টু পসিবিলিটি ইন ফ্রন্ট। যুদ্ধে আমি শত্রুকে মারব, নয়ত শত্রু আমাকে মারবে। আমি শত্রুকে মারলে নো প্রবলেম।

কিন্তু শত্রু আমাকে মারলে এগেন দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমি আহত নতুবা নিহত হব। আহত হলে নো প্রবলেম।

কিন্তু নিহত হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় ওরা আমাকে জ্বালিয়ে দেবে নয়ত কবর দেবে। জ্বালিয়ে দিলে নো প্রবলেম।

কিন্তু কবর দিলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমার কবরের উপর বড় বড় গাছ জন্মাবে, নয়তো ঘাস জন্মাবে। ঘাস জন্মালে নো প্রবলেম।

কিন্তু বড় গাছ জন্মালে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। গাছের কাঠ দিয়ে হয় ফার্নিচার তৈরী হবে নতুবা কাগজ তৈরী হবে। ফার্নিচার তৈরী হলে নো প্রবলেম।

কিন্তু কাগজ হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। ভাল কাগজ হলে তা দিয়ে সংবাদপত্র ছাপা হবে কিন্তু বাজে কাগজ হলে তা দিয়ে টয়লেট পেপার তৈরী হবে।

লোকজন বাথরুমে তাদের বটম সাফ করার জন্য আমাকে ব্যবহার করবে। যা আমি একজন সৈনিক হয়ে কিছুতেই সহ্য করতে পারবনা। তাই আমি যুদ্ধ করতে আগ্রহী নই। করো পায়ুর জন্য আমি আমার আয়ু বিসর্জন দিতে রাজী নই।

ঝামেলা'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হা! হা! হি! হি! - সুবর্ণ জয়ন্তী

লাস্টটা মজা পাইলাম smile

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।