সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ??? (১০-১০-২০০৭ ১২:৫৫)

টপিকঃ তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

গত বছর এপ্রিলে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনালে বাংলাদেশকে ৬-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়ে গিয়েছিল তাজিকিস্তান। ১৮ মাস পরে সেই তাজিকিস্তানকেই রুখে দিল বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০১০ বিশ্বকাপ প্রি-কোয়ালিফাইং প্রথম পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ ১-১ গোলে ড্র করেছে তাজিকিস্তানের সঙ্গে। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো অর্জন এটি।
বাংলাদেশ দল গতকালের ম্যাচে পুরোটা সময় তাজিকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো খেলেছে। বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে প্রতিপক্ষের শিবির। সে হিসাবে বাংলাদেশ দলের জয় পাওয়া উচিত ছিল গতকাল কিš‘ সামান্য কিছু ভুলের কারণে জয় বঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা। তাজিকিস্তান যে পেনাল্টি থেকে গোল পরিশোধ করে তা
অনেকটা উপহার হিসাবে দেয় বাংলাদেশের ফুটবলাররা। পেনাল্টি না পেলে গোল পরিশোধ করতে পারতো না সফরকারী, জিতে যেতো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আগামী ২৮ অক্টোবর এ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে তাজিকিস্তান যাবে।
আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হাসান আল মামুন ও কোচ নাইমুদ্দীন বলেছিলেন, জয়ের কোনো আশাই আমরা করছি না, তাজিকদের বিপক্ষে ভালো খেলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভালো খেলার লক্ষ্য ঠিকই পূরণ করেছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা, সঙ্গে বাড়তি পাওয়া হিসাবে ম্যাচটিতে জয় তুলে নিতে পারতো তারা। কিš‘ সামান্য ভুলের কারণে জয় বঞ্চিত হলো বাংলাদেশ। কর্দমাক্ত মাঠে অনুষ্ঠিত গতকালের ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় কাক্সিক্ষত গোল পায় বাংলাদেশ। একটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে গোলটি করেন দলের অন্যতম নবীন সদস্য জুমরাতুল হোসেন মিঠু। বাংলাদেশ দলের গোল উৎসবের আমেজ থামতে না থামতেই তা স্তিমিত করে দেয় তাজিকরা। মাত্র ৭ মিনিট পরই অর্থাৎ খেলার ৫৭ মিনিটে তাজিকিস্তানের পক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল পরিশোধ করেন হাকিমভ। ম্যাচে ১-১ গোলে সমতা ফিরে আসে। তাজিকরা অনেকটা উপহার হিসাবেই পেয়ে যায় পেনাল্টি। কারণ তাজিকিস্তানের একজন মাত্র ফুটবলার বল নিয়ে বাংলাদেশের ডি-বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন। সেখানে বাংলাদেশের চার-পাঁচজন খেলোয়াড় থাকার পরও তাকে ট্যাকল না করে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে রেফারির বাঁশি। পেনাল্টি পেয়ে নিশানা ভেদ করতে কোনো রকম ভুল করেননি হাকিমভ। জিততে না পারলেও তাজিকিস্তানের বিপক্ষে ড্র করতে পারলেই বড় পাওয়া বলে মনে করছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক ও কোচ।

post 2250, Date 10/10/07

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

ইচ্ছে করলে বাংলাদেশও পারে...............:-@

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

তাজিকিস্তান রুখে দিলো বাংলাদেশ। ভুটানের সাথে ড্র করলো বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলংকার সংগে হেরে গেলো বাংলাদেশ। sad

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

স্বপ্ন দেখি কবে যে আমাদের সোনার বাংলা বিশ্বকাপ খেলবে...:-/

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

দত্ত লিখেছেন:

স্বপ্ন দেখি কবে যে আমাদের সোনার বাংলা বিশ্বকাপ খেলবে...:-/

যেদিন বিশ্বকাপ আয়োজন করবে সেদিন স্বাগতিক হিসেবে।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

দত্ত লিখেছেন:

স্বপ্ন দেখি কবে যে আমাদের সোনার বাংলা বিশ্বকাপ খেলবে...:-/

যেদিন সোনার বাংলার নামের আগে পিছে  আরও কিছু নাম যোগ হবে

আমি মানুষটা বড় বেশি রংছুট,চাঁদের ঘরে কড়া নেড়ে, চাঁদকে করি লুট

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

@ তানজিনা এতো পরে একটা টপিকে রিপ্লাই করে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন। angry

তানজিনা লিখেছেন:

তাজিকিস্তান রুখে দিলো বাংলাদেশ। ভুটানের সাথে ড্র করলো বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলংকার সংগে হেরে গেলো বাংলাদেশ। sad

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: তাজিকিস্তানকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

দত্ত লিখেছেন:

স্বপ্ন দেখি কবে যে আমাদের সোনার বাংলা বিশ্বকাপ খেলবে...:-/

স্বপ্ন না, কথাটা বোধহয় কল্পনা হবে। কিংবা বাংলা চলচ্চিত্র হলে আরো ভালো হয়।

শিপলু লিখেছেন:

যেদিন বিশ্বকাপ আয়োজন করবে সেদিন স্বাগতিক হিসেবে।

এইটা কি কোন সাইন্স ফিকশন বাক্য? (বাংলাদেশে ফুটবল খেলার একটা মাঠ নিয়েই তো টানা হ্যাচড়া)

টাট্টুহর্স লিখেছেন:

যেদিন সোনার বাংলার নামের আগে পিছে আরও কিছু নাম যোগ হবে

বিশ্বকবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ,
জীবনান্দের রূপসী বাংলা, রূপের যে তার নেই কো শেষ।

microqatar লিখেছেন:

@ তানজিনা এতো পরে একটা টপিকে রিপ্লাই করে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন। angry

এতদিনের পরের টপিকে পোস্ট করায় আপনার অপমানিত বোধ করার কারণ কী? hehe