টপিকঃ যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

কয়েক বছর ধরেই খবরটা বাজার গরম করে রেখেছে, একটি বিশেষ দিনে পৃথিবী নাকি ধ্বংস হয়ে যাবে, এটা প্রায় কেউ-ই বিশ্বাস করতে চায়না, যে ঐ দিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে, কারণ অাগেও এরকম গুজব শোনা গেছে, যদিও তেমন ঘটনা ঘটেনি।
কিন্তু বিজ্ঞানীরা ভালোভাবেই এটা বোঝে যে পৃথিবী একদিন ধ্বংস হবেই! তবে প্রাণ তার বহু অাগেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, অাসুন দেখি কি কি ঘটনার জন্য পৃথিবীতে প্রাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে----

সবচেয়ে যৌক্তিক কারণটি হল--
অ্যাস্টরয়েড বা গ্রহানুর অাঘাত যদিও এই ঘটনা ঘটার বহু অাগেই অামরা জানতে পারব যে অ্যাস্টরয়েড ধেয়ে অাসছে, ছোটখাটো হলে ব্যাপারটা হাল্কার ওপর যাবে, কিন্ত বড় অ্যাস্টরয়েড হলে পৃথিবী দুটুকরো হয়ে যেতে পারে! এই ঘটনা অাগেও ঘটেছে, মেক্সিকোর ইউকাটান অঞ্চলে ডাইনোসরের যুগে একটা উল্কা পড়েছিল, যার ফলে ডাইনোসরেরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
http://cdn.media.discovermagazine.com/~/media/Images/Issues/2007/nov/meteorcrater.jpg?mw=900

সোলার ফ্লেয়ার বা সৌরঝড় এটা হটাৎ অাঘাত হানতে পারে, এর ফলে পৃথিবীর উপরিতলের ওজোন গ্যাসের স্তর নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে, ফলস্বরূপ প্রাণিজগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
http://discovermagazine.com/~/media/import/images/3/8/2/sun_opener
বৃহৎ অাগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ পৃথিবীতে অনেক বড় বড় অাগ্নেয়গিরি সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে, যেগুলোর কোন একটা ফেটে পড়লে, পৃথিবীর বায়ুমন্ডল ধোঁয়া, ছাই ও বিষাক্ত গ্যাসে ভরে যাবে, ফলস্বরূপ গ্রীণহাউস এফেক্ট হয়ে তাপমাত্রা খুব বেড়ে গিয়ে পৃথিবী প্রাণের অযোগ্য হয়ে যাবে।
http://blockheadnews.com/wp-content/uploads/2010/10/The-number-of-deaths-from-the-tsunamis-and-volcanic-eruptions-in-Indonesia-according-to-recent-data-was-300.jpghttp://www.windows2universe.org/earth/interior/images/volcanic_ash_cloud_big.jpg
এছাড়া অারও সম্ভাব্য কারণগুলি হল-
পৃথিবীর কাছাকাছি গামা-রে বিস্ফারণ, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, ব্ল্যাকহোলের টান

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

ভালো খবর, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার বাধা গ্রস্ত করার আরেকটি নাষকতা

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

amu লিখেছেন:

ভালো খবর, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার বাধা গ্রস্ত করার আরেকটি নাষকতা

লাইক

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

ভালই।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

গতকাল রাতেই আমাদের দফারফা হয়ে যেত!

http://ttbtsdisclose.files.wordpress.com/2012/12/4179-toutatis-asteroid.jpg

গ্রহাণু ৪১৯৭ প্রায় কানের গোড়া দিয়ে চলে গেল!

এটা একটা বিশাল গ্রাহাণু, ৩ মাইলেরও বেশী চওড়া। চলে গেল ৪.৩ মিলিওন মাইল দুর দিয়ে প্রায় ২৫ হাজার মাইল/ঘন্টা বেগে!

এটা আরেকটু কাছ দিয়ে গেলেই ডিসেম্বর ২১ এর আগেই কর্ম সারা হয়ে যেত  ;

thespacereporter
independent

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

সদস্য_১ লিখেছেন:

গতকাল রাতেই আমাদের দফারফা হয়ে যেত!
গ্রহাণু ৪১৯৭ প্রায় কানের গোড়া দিয়ে চলে গেল!
এটা একটা বিশাল গ্রাহাণু, ৩ মাইলেরও বেশী চওড়া। চলে গেল ৪.৩ মিলিওন মাইল দুর দিয়ে প্রায় ২৫ হাজার মাইল/ঘন্টা বেগে!
এটা আরেকটু কাছ দিয়ে গেলেই ডিসেম্বর ২১ এর আগেই কর্ম সারা হয়ে যেত  ;

মায়ানদের ওপর বিশ্বাস জন্মে যাচ্ছে।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (১৪-১০-২০১৩ ২০:৫৭)

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

গত কাল অনেক কাগজেই নীচের খবরটি এসেছে

পৃথিবী তে ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ  "ডিএ-১৯৫০" নামে এক গ্রহাণু আঘাত হানতে পারে। তবে এর সম্ভাবনা 0.3% ।

http://i.dailymail.co.uk/i/pix/2013/10/11/asteroid_animation.gif

পৃথিবী কবে নাগাদ ধ্বংস হবে তার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ ধ্বংস হবে পৃথিবী। এর কারণ এদিন ডিএ-১৯৫০ নামে এক গ্রহাণু সজোরে আঘাত হানবে পৃথিবীর বুকে।  এটির আঘাত হানার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ, এ যাবৎকালের যে কোনো গ্রহাণুর চেয়ে এটির আঘাতের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বেশি।

গ্রহাণুটি ১৯৫০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আবিষ্কৃত হয়। সে সময় ১৭ দিন দৃশ্যমান ছিল এটি। এই গ্রহাণুটি আবারো ধরা দিয়েছে বিজ্ঞানীদের চোখে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ কিলোমিটার (৯ মাইল) বেগে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। পৃথিবীতে আঘাত হানার পর এটি আছড়ে পড়বে আটলান্টিক মহাসাগরে। আছড়ে পড়ার সময় গ্রহাণুটির ওজন দাঁড়াবে ৪৮ হাজার মেগাটন TNT.

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিজ্ঞানী সান্তাক্রুজ দেখিয়েছেন, গ্রহাণু আছড়ে পড়লে আটলান্টিকের পানি ৪০০ ফুট উপরে উঠে আসবে। যার ফলে বড় ধরণের সুনামি দেখা দেবে।

তবে গ্রহাণুটির আঘাত হানার সম্ভাবনা একদম নাকচ করে দেওয়া যায় না। ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে এমন এক আঘাতের ফলে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে।

নাসার বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটির আঘাত প্রতিরোধের উপায় খুঁজছেন।
http://www.poriborton.com/article_detai … e_id=34308

অপরূপ বৈচিত্র্যতায় ভরা এই পৃথিবী যে চিরস্থায়ী নয়, সেই ধারণাটি বোধহয় মানব সভ্যতার একেবারে প্রথম থেকেই চালু ছিল। বিভিন্ন ধর্মই এই দিনটিতে অনিবার্য সত্য হিসেবে প্রচার করে এলেও প্রতিষ্ঠিত ধর্মগুলোর প্রায় কোনোটিই এই দিনটি আসলে কবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কোনো ধারণা দিতে পারেনি। মায়া সভ্যতার প্রাচীন ক্যালেন্ডার অনুসারে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বরকে পৃথিবীর শেষ দিন হিসাবে দাবি করা হয়েছিল। এ নিয়ে পৃথিবীজুড়ে কম হৈচৈ হয়নি। নিজেকে ভবিষ্যৎদ্রষ্টা হিসেবে দাবি করা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি এ নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করলেও সবকিছুকে টপকে পৃথিবী এখনো তার অনন্ত বৈচিত্রতা নিয়ে বহাল তবিয়তে 'বেঁচে-বর্তে' আছে। 'ডুমস ডে' বা 'কেয়ামতের দিন' গণনায় মায়া সভ্যতার হিসাব ব্যর্থ হওয়ার পর এবার নতুন সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে এলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বেশ হিসাব-নিকাশ করেই তারা দেখেছেন, আসছে ২৮৮০ সালের মার্চের ১৬ তারিখই হতে পারে পৃথিবীর শেষ দিন।
নাসার বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ২৮৮০ সালে '১৯৫০ডিএ' নামে একটি গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীতে মহাপ্রলয় কা- ঘটতে পারে। ১৯৫০ সালে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের কাছে এই গ্রহাণুটির অস্তিত্ব ধরা পড়ে। প্রায় ১.১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই গ্রহাণুটি তখন ১৭ দিন ধরে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। গতিশীল এই গ্রহাণুটি এরপরই বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিসীমার বাইরে সরে যায়। দীর্ঘদিন পর ২০০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর এটিকে আবারো শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এর কয়েক সপ্তাহ পর ২০০১ সালের মার্চে আবারো এটি ধরা পড়ে বিজ্ঞানীদের চোখে। প্রতি সেকেন্ডে ১৫ কিলোমিটার গতিতে এটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। সবকিছু হিসাব-নিকাশ করে দেখা যায়, ধাবমান এই গ্রহাণুর পৃথিবী স্পর্শ করার সম্ভাবনা ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ।
নাসার বিজ্ঞানীদের কাছে বর্তমানে প্রায় ১৪০০ গ্রহাণুর তালিকা রয়েছে, যেগুলোর পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অন্যসব গ্রহাণুর তুলনায় এই গ্রহাণুটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ বেশি। বিজ্ঞানীদের করা হিসাবে মতে, সেদিন ঘণ্টায় ৩৮ হাজার মাইল বেগে ধেয়ে এসে আটলান্টিক মহাসাগরে আঘাত হানবে গ্রহাণুটি। আর একবার যদি আঘাত হানেই, প্রায় ৪৪ হাজার মেগাটন টিএনটির সমান শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটতে পারে পৃথিবীর বুকে। এ ছাড়া গ্রহাণুর আকর্ষণে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ঘটতে পারে সুনামিও।
এবার শোনা যাক, একটা আশার বাণী। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এই গ্রহাণুটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা মাত্র ০.৩ শতাংশ বলে মনে করছেন। এ ছাড়া আঘাত যদি অবিশ্যম্ভাবী হয়েই ওঠে, তবে হাতে থাকা কয়েকশ বছরে গ্রহাণুকে ভিন্ন পথে পাঠিয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন তারা। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল, ফক্স নিউজ
http://www.dailymail.co.uk/sciencetech/ … -hour.html

http://www.jjdin.com/?view=details& … 14-10-2013

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

গত কাল অনেক কাগজেই নীচের খবরটি এসেছে

পৃথিবী তে ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ  "ডিএ-১৯৫০" নামে এক গ্রহাণু আঘাত হানতে পারে। তবে এর সম্ভাবনা 0.3% ।



এর কারণ এদিন ডিএ-১৯৫০ নামে এক গ্রহাণু সজোরে আঘাত হানবে পৃথিবীর বুকে।  এটির আঘাত হানার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ, এ যাবৎকালের যে কোনো গ্রহাণুর চেয়ে এটির আঘাতের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বেশি।
http://www.poriborton.com/article_detai … e_id=34308

৩০% হবে না?

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

arnob216 লিখেছেন:
দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

গত কাল অনেক কাগজেই নীচের খবরটি এসেছে

পৃথিবী তে ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ  "ডিএ-১৯৫০" নামে এক গ্রহাণু আঘাত হানতে পারে। তবে এর সম্ভাবনা 0.3% ।

৩০% হবে না?

নাহ 0.3% হবে
সুত্রঃ
http://www.dailymail.co.uk/sciencetech/ … -hour.html

এবার শোনা যাক, একটা আশার বাণী। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এই গ্রহাণুটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা মাত্র ০.৩ শতাংশ বলে মনে করছেন। এ ছাড়া আঘাত যদি অবিশ্যম্ভাবী হয়েই ওঠে, তবে হাতে থাকা কয়েকশ বছরে গ্রহাণুকে ভিন্ন পথে পাঠিয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন তারা। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল, ফক্স নিউজ
http://www.jjdin.com/?view=details& … 14-10-2013

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

এসবের আগে নিয়ুক ওয়ার অথবা গ্লোবাল/ক্লাইমেট চেঞ্জ এর কারণে ধ্বংস হবে... যে হারে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তাতে  neutral sad
সবচেয়ে প্লজেবল মনে হয় নিউক্লিয়ার ওয়ার অথবা বায়োলজিক্যাল/জিনেটিক ওয়াপোন  notlistening

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

১১

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

অন্তত কয়েক লাখ বছর আগে পৃথিবী ধ্বংস হবে না। প্রযুক্তি যে হারে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে ছোটখাট গ্রহাণুর মোকাবিলা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা আর মাত্র ৫০ বছর পরই করতে পারবেন বলে আশা রাখি।

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

১২

Re: যে ভাবে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে।

amu লিখেছেন:

ভালো খবর, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার বাধা গ্রস্ত করার আরেকটি নাষকতা

ভাল উত্তর দিয়েছেন।  লাইক.........