সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন পরিবেশ প্রকৌশলী (১২-০২-২০১৪ ২৩:৩৯)

টপিকঃ ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

১-২
মাথাটা পুরা খারাপ হয়ে গেল। এ্যাত ইমপর্টেন্ট জিনিষ আমি কিভাবে হারালাম। পকেট, মানিব্যাগ, নিজের ব্যাগ, বউয়ের ব্যাগ সব তন্ন তন্ন করে খোঁজা হল। ব্যাগ, মানিব্যাগ একটা টেবিলে উল্টিয়ে সব বের করে চেক করা হল; পারলে শার্ট-প্যান্ট খুলে চেক করি এমন অবস্থা। নাই নাই নাই .... ... ওফ। নিশ্চয়ই হাতে ধরে ছিলাম, সেখান থেকে বেখেয়ালে মেঝেতে পড়েছে। কিন্তু টাইলস বসানো বিরাট মেঝে ঝকঝকা ফাঁকা। তাও হাঁটু গেড়ে মেঝেতে মাথা ঠেকিয়ে এদিক সেদিক দেখলাম -- হাত থেকে পড়ে, ড্রপ খেয়ে মেশিনের নিচে চলে গেল নাকি। নাহ ... ...পুরাই গায়েব। কার্ডটাতো এটিএমে আটকায় নাই। এদিকে আমার পর এক লোক ঐ এটিএমে ব্যালেন্স চেক করেছে। তারপর বিশাল লম্বা বিদেশিনি ঐ মেশিন থেকে ট্রানজাকশান করে গেছে। আমার কার্ড ওখানে আটকে থাকলে নিশ্চয়ই অন্যরা করতে পারতো না।

১-১
রাত সোয়া আটটা প্রায়। আজকে স্বাভাবিকের চেয়ে একঘন্টা আগেই অফিস থেকে বের হয়ে আসলাম। সারাদিনের ক্লাস, ফালতু মিটিং আর পরীক্ষার খাতা দেখা ও গ্রেড দেয়ার ডেডলাইনের চাপে প্রচন্ড স্ট্রেস্ড। বউ (নিজের) গত চার মাস যাবৎ একই অফিসে কর্মরত বলে -- সেটা আরেক স্ট্রেস; কারণ নিজের সুবিধামত আগে রাতে ক্লাস শেষের পরও এক-দেড় ঘন্টা অতিরিক্ত সময় নিয়ে জমানো কাজগুলো করার চেষ্টা করতাম, যা বাসায় বাচ্চা আর একত্রে ফেরার চক্করে এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। অফিস থেকে বেরোলেই বড় রাস্তার ওপারে এইচ.এস.বি.সি ব্যাংক, যেটাতে আমাদের বেতনের টাকা আসে। সেখানে হাজির হয়ে পাশাপাশি দুটো এটিএম মেশিনে দুজন একাউন্ট চেক করলাম।

বউ খালি জমাবে, আর টাকা তুলবো আমি  surprised । বেশ ভাল ব্যাপার হল কয়েক মাস অনিয়মের পর এ মাসে শুরুতেই আমার বেতন চলে এসেছে। বাড়ি ভাড়ার জন্য টাকা তুললাম। তারপর একটু একাউন্টের এক্টিভিটি ডিটেল দেখবো। কিন্তু এটিএম মেশিন ব্যাটা বড়ই ত্যাঁদোড়, একবারে একটার বেশি দুইটা কাজ করবে না -- অন্য কাজের সুযোগ বন্ধ করতে প্রথমেই কার্ডটা বের করে দিলো, তারপর টাকা। তাই আবার কার্ড ঢুকিয়ে পাসওয়র্ড দিয়ে এক্টিভিটি চেক করলাম, প্রিন্ট নিলাম। এর মধ্যে পাশের মেশিন থেকে বউ বলছে ট্রানজাকশানগুলো কেমনে দেখে? -- বেচারির একাউন্ট হয়েছে মাসখানেক হল তাই সব অপশন গুতাগুতি করার তেমন অভিজ্ঞতা হয়নি। আমি এক পা সরে এসে ওকে দেখিয়ে দিলাম কোন অপশনে গুতাতে হবে। এরপরে আমার স্টেটমেন্টটা দেখালাম -- দুই দিন আগ পর্যন্ত হিসাব দেখায় সেখানে; তাই কলম দিয়ে সেখানেই আজকের পরিমানটা লিখে রাখলাম। তারপর সব রাখতে গিয়ে দেখি আমার কার্ড নাই।

১-৩
মাথা পুরা ফাঁকা লাগছে! নিজেরে কত্ত স্মার্ট ভাবতাম, মোবাইল, ল্যাপটপের মত জিনিষ হারালেও কখনো কার্ড হারাইনাই আগে। আর এ্যাতদিন পরে এ্যাত বড় গাড়লপনা আমার দ্বারাই সম্ভব ... ...। সাধারণত বিপদে পড়লে কুল থাকার চেষ্টা করি। তাই এবার অস্থির চেচামেচিরত বউকে বললাম "খামোশ"। না মানে ঐটা তো আর বলা যায় না -- যখন তিনজন গার্ড চেয়ে আছে অদ্ভুদ চোখে; তাই আস্তে করে বলেছিলাম --- ওকে, অনেক রাত হয়েছে, তাড়াতাড়ি বাসায় যাওয়ার জন্য আগে বের হলাম, আর এখানেই ৯টা বেজে গেল। চল বাসায় যাই, কাল সকালে এসে ব্যাংকে মিসিং রিপোর্ট করবো, আর বাকী টাকা চেক দিয়ে তুলে নেব। ফিরতে ফিরতে সিএনজিতে বসে আনমনে মাথা নাড়ছিলাম আর বিড়বিড় করছিলাম -- পুরা ম্যাজিক ... ... পুরাই ম্যাজিক!

১-৪
পরদিন সকালে ব্যাংকের সামনের এটিএমে দেখি ভিন্ন তিনজন গার্ড। জিজ্ঞেস করলাম যে মাঝে মাঝে মেশিনে কার্ড খেয়ে ফেললে সেটা দিয়ে পরে অন্য কেউ ট্রানজাকশন করতে পারে কি না? ওরা জানালো হ্যাঁ পারে। বুক থেকে একটা দুশ্চিন্তা নেমে যাওয়ার পায়তারা শুরু করলো ... ...। ভেতরে গিয়ে চেকে টাকা তুললাম, আর জানলাম এখনও এটিএমের লোক আসেনি, ওনারা আসলে, ভেতরে আটকা পরা কার্ডগুলো বের করবে, তখন আমারটা থাকলে সংগ্রহ করা যাবে। আমি অবশ্য ভেতরে জানাতে কার্পন্য করিনি যে, গত রাতে আমি পুরাই উদ্দিশমোল্লার মত হয়ে গেছিলাম -- জানিই না কার্ড কোথায় গেল, মেশিন থেকে নিছি কি না সেটাই খেয়াল নাই।

অফিসে আসার আধাঘন্টা পরে অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসলো। আমার ভাগ্য ভাল যে সেই ফোনটা ধরলাম। কারণ সদাসর্বদা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে, ডিস্টার্বড হই --- তাই ইচ্ছা করেই সাইলেন্স করে রাখি এবং ফোন ধরি না মাঝে মাঝে। (ইয়ে অপরিচিত নম্বর মানে ছাত্রগণ ফোন করে)
ফোনে জানালো আমার কার্ড পাওয়া গেছে। আমি শিওর, একটু আগে ব্যাংকে ওদেরকে আমার কোনো ইনফর্মেশন দিয়ে আসিনি -- কাজেই একাউন্ট নম্বর দেখে ইনফো বের করেই ফোন করেছিল।

১-৫
সিস্টেমটা কিন্তু ভাল। টাকা তোলার সময়ে এটিএম থেকে আগে কার্ড বের হয়, কার্ড নিলে পরে তারপর টাকা বের হয় -- তাই ভুলে কার্ড ফেলে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই। কিন্তু পরেরবার যখন ট্রানজাকশন চেক করছিলাম তখন প্রিন্ট আউট নেয়ার পরেও হয়তো অন্য কাজ করার অপশন ছিল। তাছাড়া ঐ মেশিনটার বিপ শব্দগুলো এ্যাতই কম যে সামনে দাঁড়িয়েও খেয়াল না করলে শোনা যায় না। তাই হয়তো উদ্দিশমোল্লারে ডাকাডাকি শুনিনি, আর কিছুক্ষণ পরেই সেটা সেফটির জন্য মেশিনের ভেতরে চালান করে দিয়েছিলো।

==
২-১
অফিসে ঢুকে কম্পিউটার অন করতে গিয়েই দেখলাম, যা ভেবেছিলাম তাই ... ... ঠিকই ইউএসবি পোর্টে আমার ছোট্ট পেনড্রাইভটা ছেড়ে গিয়েছিলাম আগেরদিন। পেনড্রাইভটা খুলে সামনে রেখে মেশিন স্টার্ট দিলাম। তারপর অন্য কাজে ব্যস্ত। ক্লাস নিয়ে এসে আর ঐ পেনড্রাইভ খুঁজে পাই না। আমার রুমে অনেক ছাত্রের আসা-যাওয়া --- কিন্তু ওটা অসম্ভব। কারণ টেবিলে আমার ফোন সহ বউয়ের কাছ থেকে ধার করা আরো দুইটা পেন ড্রাইভও পড়ে আছে। তার মানে, আবার ম্যাজিক শুরু হইছে ... ...

২-২
তন্ন তন্ন করে সমস্ত বইখাতা, কাগজপত্রের চিপা, ড্রয়ার, ওয়েস্ট বাস্কেট, পকেট, ব্যাগ খুঁজলাম। অফিস রুম থেকে পাশের ফ্যাকাল্টি রুমের চাবি এনে ওটা খুলে সেখানেও খুঁজে আসলাম -- -- মানে একবার ঐ রুমে গিয়েছিলাম কি না (ওটাতে নিজের বউ বসেন)। নাই নাই নাই ... ... ... বয়সটা আসলেই বেধড়ক বেড়ে গেছে। আশা ছেড়ে দিলাম।

২-৩
সন্ধ্যার দিকে মাউসটা যেই কাগজের উপরে দৌড়ায় ওটার এক কোনায় কাগজের তলে পেনড্রাইভ বেচারাকে হঠাৎ করেই পেলাম ... ... ... ঘটনাটা কিরাম হইলো!!

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

প্যাডে পুরোটা পড়েছি সকালেই। কিন্তু ফোনেটিকে মন্তব্য করা চরম পেইন। ক্ষান্ত দিয়েছিলাম তখন।
আমার অফিসে এরকম ভুলোমনের পরিচয় দিলে তার মাশুল গুনতে হয়। মাশুল গোনার এ দৃশ্য পেনড্রাইভের জন্যে অতি পরিচিত। কারও পেনড্রাইভ অনাথের মতন পিসির সাথে পড়ে থাকলেই হলো। তা অন্যের জিম্মায় চলে যায়। অতঃপর কফি খাওয়ানো সাপেক্ষে তা ফেরত দেয়া হয়। আমি অবশ্য পেলে এমনি এমনিই ফেরত দিয়ে দেই। তাই আমার পেনড্রাইভের ক্ষেত্রেও মাশুল গুনতে হয় না  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

আমাদের এখানকার এ.টি.এম মেশিনগুলোও আগে কার্ড খেয়ে ফেলতো৷ অ্যাক্সিক ব্যঙ্কের মেশিন ২বার আমার কার্ড খেয়েছিল৷ কিন্তু এখনকার মেশিনগুলো কার্ড খায় না৷ একবার সোয়াপ করিয়েই বার করে নিতে হয়, নইলে অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট হয় না৷

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

খুব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম ভাবলাম কি না কি চমক থাকবে, অথচ পড়ার পর বুঝা হল আমার ক্ষেত্রেওতো নিত্য-নৈমিত্তিক এই ঘটনাগুলো ঘটে। যাই হোক খুব গুছিয়ে লিখেছেন  thumbs_up  clap

...Finding...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন পরিবেশ প্রকৌশলী (১১-০২-২০১৪ ১৭:১২)

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

@ তার-ছেড়া-কাউয়া
এখানে আমার আর তোমার ভাবীর ইনডিভিজুয়াল রুম। তাই সেই লকার ফী নাই। তোমাদের মত হইলে কাফফারা সিস্টেম হয়তো এখানেও জারি থাকতো।

@ অরুণ
হুমম, ভালোই তো! আপনাদের ওখানকার সিস্টেমটা এই ঝামেলামুক্ত মনে হচ্ছে। সব সিস্টেমেরই কিছু ভাল আর কিছু খারাপ দিক আছে নিশ্চয়ই। সোয়াইপ কার্ড কিংবা জাস্ট স্ক্যান করার সিস্টেম (অনেক মেট্রোতে এই ধরণের কার্ড ইউজ করে) অনেক ফাস্ট -- কিন্ত ওগুলোরও কিছু সিকিউরিটি ফ্ল আছে।
এইচএসবিসি তো হংকং-এর ব্যাংক। এখানে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএমগুলোতে দুই ধরণের কার্ড নেয় --- আমারটা ম্যাগনেটিক স্ট্রিপওয়ালা। আরেকগুলো আছে চিপওয়ালা। ম্যাগনেটিক স্ট্রিপওয়ালা কার্ড মেশিনে ব্যবহার হতে হতে ভেঙ্গে যায়। আর পকেটে থাকতে থাকতে যাতে না ভাঙ্গে সেজন্য আমি একটা শক্ত মেটাল বক্সে রেখে তারপর পকেটে রাখি (এই বাক্সে হাতে বানানো সিগারেটের কাগজ রাখা হয়, ভিজিটিং কার্ড রাখা হয়)।

@ তিতাস
হতাশ করার জন্য স্যরি। চমক থাকলে সাহিত্যতে ঢুকিয়ে দিতাম। smile

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Jol Kona (১১-০২-২০১৪ ১৬:৩৯)

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

আহারে! মেশিন না কোন দিন  মানুষ খেয়ে ফেলে!  hehe kidding

জিনিস পত্র তো আজকাল ভালোই ম্যাজিক দেখাইসে দেখি    tongue_smile

big_smile big_smile big_smile

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

এটিএম-এ তেমন কোনো বিপদে পড়ি নাই এখন পর্যন্ত; তবে একবার হাজার চারেক টাকা বেশি দিয়ে দিয়েছিল আমাকে। :পি

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

পড়তে গিয়ে দেখতে পেলুম ম্যাজিকগুলো ট্র্যাজিক,
প্রতিবারেই চলবে নাকি ভুলোমনের লজিক? roll
এরপরেতে সুযোগ মত জিনিষ তুলে নিয়ে,
আর দেবোনা, যতই ত্যালাও চা-কফি বা ঘিয়ে।  tongue

ছড়াবাজ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

@ Jol Kona
মেশিন মানুষ খাবে না। তবে কেউ কেউ মেশিনম্যান হিসেবে বেশ নাম করেছে; এছাড়া রকেট-টকেট ছাড়াই মেশিনম্যানরা এই বিশ্বব্রক্ষ্মান্ড ঘুরে বেড়ায়।  kidding

@ গৌতম
আমাকে প্রায়ই দোকানদার বেশি টাকা ফেরত দেয় কিংবা রেস্টুরেন্টে কম বিল করে, যা তাঁদেরকে আবার বুঝিয়ে শুনিয়ে ফিরিয়ে দিতে হয়  hehe
দুইবার এটিএমে টাকা তোলার পর ভেতরে টাকা না থাকলে স্যরি মেসেজ দিছে, আবার ব্যালেন্সে দেখায় যে টাকা ক্রেডিট হয়ে গেছে, ফলে সেদিনের ক্রেডিট লিমিট কমে বা শেষ হয়ে যায় - ফলে অন্য এটিএম থেকেও প্রয়োজনীয় টাকা তুলতে পারি না সেদিন; একবার এজন্য বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলাম - একজনকে প্রতিশ্রুত টাকা দিতে পারিনি সময়মত। তবে এতে টাকা খোয়া যায় না, ২৪ ঘন্টার মধ্যে অটোমেটিক এডজাস্ট করে ফেলে। hmm

@ ছড়াবাজ
notlistening আপনারে আমার আশেপাশে যেন না দেখি।  angry

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

আমি অনার্স প্রোজেক্ট ও মাষ্টার্স থিসিসে মোট ৩টা পেন্ড্রাইভ হারাইছি।
দোকান থেকে রাফ ড্রাফট করিয়ে স্যারকে দেখানোর জন্য দৌড় বা প্রিন্ট বাইন্ডিং করায় দৌড়, পেনড্রাইভ ফেরত নিতে মনে নাই sad sad দুই একজন দোকানদার ফেরত দেয় বাকি সবাই  angry

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

১১

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

যে অবস্থা তাতে তো দেখতেছি শামীম ভাই আর কদিন পরে চোখে চশমা লাগিয়েই চশমা খুজতে লেগে যাবেন hehe নাকি এখনই হয়? tongue

অ.টঃ ছড়াবাজের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ আরো ঘনীভূত হল hmm

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

১২

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

পেনড্রাইভগুলো এখন থেকে বেল্টের সাথে ফিতা দিয়া আটকায় রাখার চিন্তা করতেছি  isee খালি এইখানে সেইখানে রাইখা আসি :'( বর্তমানে আমাদের আসিফ সাহোর বাসায় একপিস রাখা আছে  donttell

   নেই, আছে এবং নৈবচ নৈবচ . . . . .
   দেশ, দশ, দুনিয়া তথা বিশ্ব ব্রম্মান্ড হইতে নহে ষাইফ ঋাষেল আপাতত ফেসবুক হইতে আনা গাইয়েবুন

১৩

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

ভুলে বউয়ের হাইহিল পরে ক'বে যে ছাত্র পড়াতে চলে যান... খুব খেয়াল করে, হ্যাঁ!  donttell hehe চল্লিশায় এরকম হয় নাকি? ইলিয়াস ভাই এবং আউল ভাই ক্যন কনফার্ম দিস!  tongue_smile অবশ্য আউল ভাইয়ের যদি আওয়ামি ভূত মেরে কিছু স্পেয়ার টাইম থেকে থাকে  lol

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

১৪

Re: ভুলোমন ম্যাজিকস্ ... ...

@ সমালোচক
পেনড্রাইভ জনিত সমবেদনা। আমি মাঝে মাঝেই পেনড্রাইভ অফিসের পিসিতে রেখেই ভুলে চলে আসি। আর কয়েকদিন আগে ক্লাসরুমের পিসিতে লাগানোমাত্র একটা পেনড্রাইভ যে অক্কা পেয়েছে সেটা রিকভার করতে পারিনি। স্কুলের বাচ্চাদের যেমন লম্বা সুতা দিয়ে পেন্সিল বেঁধে দেয়া হত, পেনড্রাইভেও তেমনি সুতা সিস্টেম করতে হবে। বলা যায়না কয়দিন পর হয়তো পেনড্রাইভে বিল্ট ইন বিপার থাকবে, বডিতে লাগানো পার্ট থেকে ড্রাইভটা দুই মিটারের বেশি দুরে গেলেই বিপ দেয়া শুরু করবে।

@ ছায়ামানব
খুবই সম্ভব। চশমা তো দুই পিস - একটা চোখে দিয়ে আরেকটা খুঁজতেই পারি।  wink
তবে হ্যাঁ যা বলছেন তেমন ঘটনা ঘটেনি তা কিন্তু নয়, চশমা মাথার উপরে তুলে কিংবা বুক-পকেটে রেখে খুঁজে হয়রান হওয়ার কাহিনী ঘটেছিলো আগে  donttell

@ RUSSEL13
আইডিয়াটা দ্রুত পেটেন্ট করে ফেলেন। ভালো রয়্যালটি পাবেন।  big_smile

@ উদাসীন
সম্ভাবনা শূণ্য। ওর হাইহিল আমার পায়ে আঁটবে না। বউ আর আমার জুতার সাইজে ৪ সেন্টিমিটারের তফাৎ। এছাড়া আমার পায়ের সাইজ বেশ চওড়া -- আগে চুরি করে আব্বার জুতা/স্যান্ডেল পড়লেও টের পেয়ে গিয়ে ঝাড়ি দিত যে, ওনারটা নাকি ঢিলা হয়ে গেছে। dream

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত