২১

Re: ৭১ এর ইতিহাস শিক্ষা (বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিব না মেজর জিয়া)

আমি পোষ্ট টি লিখেছিলাম সত্য কি তা জনার জন্য। আমরা ইতিহাস পড়ি, এক সরকার একেক রকম তথ্য দেয় একই বিষয়ে। তাহলে আসল সত্য কি।

গোলাম মাওলা , ভাবুক, সাপাহার, নওগাঁ

২২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (২৬-০৭-২০১৩ ১৫:৪৪)

Re: ৭১ এর ইতিহাস শিক্ষা (বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিব না মেজর জিয়া)

উপল বাংলাদেশ @ ভালো করে দেখেন,আওয়ামীলীগের নেতারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে গেলেন এবং শেখ মুজিব বলেছিলেন তিনি ফ্রি আছেন।আর পাকিস্তানীরাও কেনো যেনো মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস কোন এক বিশেষ কারণে শেখ মুজিবের সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি।

চমৎকার তথ্য , মুল কথা হচ্ছে সত্যকে বাধদিয়ে রাখা যায় কিন্ত সত্যকে পরিবর্তন কনা যায় না

"We want Justice for Adnan Tasin"

২৩

Re: ৭১ এর ইতিহাস শিক্ষা (বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিব না মেজর জিয়া)

যার যার সন্মান তাকে না দেওয়া হলে এবং রাষ্টের ইতিহাস ইসুতে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো একমত না হলে এই রকম সারা জীবন লিখা যাবে ঝগরা করা যাবে কিন্তু বলবে

বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার...................

২৪

Re: ৭১ এর ইতিহাস শিক্ষা (বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিব না মেজর জিয়া)

তুলনা করাটা ঠিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না, তবুও:
আমার কাছে মুজিব আর ইমরান, এই দু'ই মানুষকে একই ধরণের মনে হয়।
এই দুই মানুষ কি করলেন, তারা কেমন মানুষ জনগণ তা নিয়ে খুব একটা প্রভাবিত নয়।
'৭১ এ জনগণের দাবি ছিল স্বাধীনতা; জনগণ তাই ৭ মার্চের ভাষণ থেকে কেবল নিল: যার যা আছে, তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়।" মানুষ কেবল এই নেতার কথায় তাদের মনোভাবের সাদৃশ্য খুঁজতে সচেষ্ট হয়। গণভবনে ইয়াহিয়ার কাছ থেকে মুজিবকে কী শিখিয়ে দেওয়া হল তা নিয়ে মানুষ ব্যস্ত ছিল না। মানুষ চাইছিল, মুজিব কবে স্বাধীকার ঘোষণা দিবেন। আমার তাজউদ্দীনকে পছন্দ গণভবনের সেই মিটিংগুলোতে তার ভূমিকার কারণে। ইয়াহিয়া মুজিবকে বুঝিয়ে-সুজিয়ে বের করে দিত, আর তাজউদ্দীন মাথা কেবল এদিক-সেদিক ঘুরিয়ে না করতেন। একটা পর্যায়ৈ ইয়াহিয়া বলতে বাধ্য হয়, "If that young man is here in this meeting, I shall not say anything from now on"

তেমনি শাহাবাগে মানুষ কিন্তু ইমরানের পেছনে ছুটেনি। মানুষ কেবল দীর্ঘদিনে চেয়ে আশা দাবীর সাদৃশ্য তার কথায় খুঁজতে যায়। মানুষ চায় রাজাকারের সাজা, মানুষ চায় গোঁড়া ধর্মান্ধদের মূল উৎপাটন। দেশ এখন পর্যন্ত গোঁড়াদের মানদন্ডে নিয়ন্ত্রিত। '৭১ তো বটেই, দুই নেত্রীও তাদের সরকার এই গোঁড়াদের নিয়ে গড়েছেন। আর এখন তো দেশের রাজনীতির একটা বড় ইস্যু হেফাজত। বুড়ো হাবড়াদের কারণে আজ বিএনপি কোন শক্ত কারণ ছাড়াই জামাআতের সাথে জুড়ে আছে। কিন্তু কেবল ঢাবিতেই শিবিরের ব্রেইন-ওয়াশড ছেলেগুলো সবচে' বেশি মার খেয়েছে, ছাত্রদলের ছেলেদের হাতে। অর্থাৎ রাজনৈতিক মতাদর্শ যদি ভুলে থাকা যায়, দেশের মানুষ সাধারণত রাজাকার/জামাআতকে ঘৃণা করে। শাহাবাগে যে মানুষগুলো গিয়েছিল, তারা যতটা না ইমরানকে সমর্থন দিতে গিয়েছিল তার চে' বেশি গিয়েছিল তাদের দাবি জানাতে।

আফসোস শাহাবাদের আন্দোলন আলোর মুখ দেখেনি। আফসোস লাগে, শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জিতেও কোন দেশ-দরদী নেতা হতে পারেন নি। তার সুযোগ ছিল, মহাত্না গান্ধী হওয়ার/ মাহাথির হওয়ার। নেতা না হয়ে তিনি হয়েছেন, আমাদের হতাশারই প্রতিচ্ছবি। কে না জানে যে, বিএনপি এলে রাজাকার সব ফুলের মালা গলায় দিয়ে ঘরে ফিরবে না? আমরা সবাই জানি। কিন্তু তারপরেও আমরা এবার বিএনপি'কে ভোট দিব। কারণ আওয়ামী সরকার অন্তত এ কথা আমার মনে গেঁথে দিতে পেরেছে যে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশের শেয়ার বাজার বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যায়।

এসব বিবেচনা, দেশে ছেড়ে পালাতে চাই। কারণ বিএনপি এলে যখন গোঁড়াদের মাথা চাড়া দিবে তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা হয়তো পাকিস্তান/লেবাননের মত কোন রাষ্ট্র হয়ে যাব। দেখা যাবে অনেক দেশ আমাদের আর ভিসা দিবে না। দেখা যাবে মার্কিন MQ9-Reaper/ X-47B ঠুস-ঠাস বোমা ফেলে যাবে, আর আমরা বলব:
"তুমি চলে গেলে, চেয়ে চেয়ে দেখলাম। তুমি চলে গেলে.., চেয়ে চেয়ে দেখলাম।
আমার বলার কিছু ছিল না..... না গো ..."

কত কি শিখতে ইচ্ছা করে। এখনও শেখা হলো না কিছুই।

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত