টপিকঃ আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

শিশুরা কিন্তু একটা ভয়হীন পবিত্র পরিবেশের মধ্যে দিয়ে বড় হয়। সবাই তাকে ভালোবাসে, আদর করে। কিন্তু একটু বড় হবার পর সে বুঝতে পারে আসলে পরিবেশটা মোটেও তত পবিত্র বা ভাল না। সমস্যা হল, কোন করুণ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে বুঝতে পারার আগে সে এই বিষয়ে মোটেও সতর্ক থাকে না। কারণ তাকে কেউ এই সব কুৎসিত বিষয়ে সতর্ক করে না। বলেন না তোমাকে বিকৃত ভাবে ব্যবহারের জন্য কিছু পশু (পুরুষ/মহিলা) মুখিয়ে থাকে।

কিন্তু এই যে শিশুটা সতর্ক হতে পারে না। তার দায় কার? কে তাকে সতর্ক করবে এবং কত বয়সে?

আমার মতে এই দায় বাবা-মার। তাদের অনেক সতর্ক থাকা উচিত শিশু যৌন নিপীড়নকারীদের ব্যাপারে। লক্ষ্য রাখা উচিত তার আদরের সন্তান যেন কারও বিকৃতির শিকার না হয়। আবার সন্তানকে খুব ছোট বয়স থেকে তার বোঝার উপযোগী করে তাকে সতর্ক করা দরকার। নিরীহ গোছের প্রশ্ন করে জানা দরকার কেউ তাকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে কিনা। আর এ বিষয়ে কথাবার্তা খুব স্পষ্ট আর খোলামেলা হওয়া দরকার। অহেতুক লজ্জার কারণে নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসের সর্বনাশ করাটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না।

থ্যাংকস গড! আমার মা এ বিষয়ে অসাধারণ স্মার্ট ছিলেন। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া তিনি আমাকে এমন প্রজ্ঞাবান মা দিয়েছেন। ছোট বেলার একটা ঘটনা বলি। আমি তখন অনেক ছোট, স্কুলেও ভর্তি হইনি। বাবার সাথে তার অফিসে গেলাম। তার এক কলিগ আমকে কোলে নিবেন। কোলে উঠার পর খুব অস্বস্তি লাগা শুরু করল এবং এক পর্যায়ে আমি জোর করে তার কোল থেকে নেমে বাবার কাছে গেলাম। তিনি বারবার ডাকছিলেন। কিন্তু আমি যাব না।

কিছু দিন পর বাবা মাকে বললেন, সেই লোকটি নাকি বাচ্চাদের খুব আদর করেন। আমাকে খুব পছন্দ করেছেন এবং নিয়ে যেতে বলেছেন। আমি তো শুনেই বললাম যাব না। বাবা একটু বিরক্তই হচ্ছিল। মা বললেন যখন যেতে চাচ্ছে না, নিয়ে যাওয়ার দরকার নেই। এরপর আমাকে অনেক প্রশ্ন করে জানতে চাইলেন কেন যাব না। আমার উত্তর শুনে তিনি বললেন যাওয়ার কোন দরকার নেই। পরে বাবাকে আলাদা ভাবে কি যেন বললেন। আমাকেও আর যেতে হয়নি।

আস্তে আস্তে যখন বড় হয়েছি মা সব সময় খুব স্পষ্ট ভাবে কথা বলেছেন এ সব বিষয়ে। যেন বিপদে না পড়ি। ভুল না হয়।

সবচেয়ে খারাপ লাগে যে শিশুরা ছোট বেলায় এসব ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যায়। তাদের অনেকে পরে মানসিক বিকৃতির শিকার হয়। কলেজে যখন পড়তাম, আমার এক সহপাঠী ছিল। দেখতাম সে বাচ্চাদের একদম সহ্য করতে পারত না। এমনকি নিজের বোনের বাচ্চাদেরও সুযোগ পেলেই মারত। পরে একদিন সে বলে তার ছোট বেলার কিছু অসম্ভব কষ্টের কথা। সে বাচ্চাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, কারণ সে চায় না বাচ্চারা তার কাছে আসুক। কারণ এখন তার মাথায় বিভিন্ন চিন্তা আসে।

কোন এক বিচিত্র কারণে আমার চারপাশের মানুষরা মনে করে আমার কাছে কষ্টের কথা বলা যায়। অনেকের কষ্টের কথাই শোনার সুযোগ হয়েছে। আমি জানি বিপদ ছেলে শিশু বা মেয়ে শিশু উভয়ের জন্য। আর বিপদ গুলি পুরুষদের কাছ থেকে বেশি আসলেও মহিলারা একেবারে বাদ যায় না।

তবে অবশ্যই মেয়ে শিশুদের জন্য পরীক্ষাটা অনেক বেশি দিতে হয়। আর সবচেয়ে খারাপ বিষয় হল, এমন একজন পুরুষ (সাধারণত) তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়। যে মেয়েটির পরিবারে গুরুত্বপূর্ণ/প্রিয়। সাধারণভাবে সেই লোক সম্পর্কে মেয়ের আপত্তি বাবা-মা আমলে আনেন না। আর মেয়েটিও সব কিছু শেয়ার করার সুযোগ বা পরিবেশ পায় না। আমি এমনও দেখেছি কোন লোক সম্পর্কে আপত্তি করায় মেয়ে "বেশি বুঝে" বলা হচ্ছে। কারণ মেয়েটির পরিবারে লোকটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাবা-মা লোকটির অনুগ্রহ হারাতে চান না।

আবার শিশুদের খুব ভাল বাসেন। খুব আদর করেন। এরকম ব্যক্তির ব্যাপারেও আমি মনে করি বাবা-মার অনেক সতর্ক হবার বা খোঁজ খবর করা দরকার। বাবার চাকুরীর সুবাদে আমরা তখন জয়পুরহাট সুগার মিলে থাকি। বুয়েট থেকে পাস করা এক দারুণ মেধাবী ছেলে সুগার মিলে জয়েন করলেন। আমি তখন সিক্সে পড়ি। সে লোক দেখি আমাদের বয়সী সবাইকে তার বাসায় ডাকতো টিভি দেখার জন্য। পড়া দেখিয়ে দেবার জন্য। লোকটি আসার পর পরই বাবার বদলির কারণে আমরা জয়পুরহাট থেকে পঞ্চগড়ে চলে যাই। পরে শুনি সেই লোক ৪-৮ ক্লাসে পড়া ছেলেদের নিয়ে নিয়মিত ব্লু-ফ্লিম দেখতেন। যেহেতু বাবা-মারা জানতেন তার ছেলে বুয়েটের মেধাবী ছাত্রর কাছে পড়া দেখিয়ে নিতে যাচ্ছে। তারা কখনও বিষয়টা খুব বেশি খতিয়ে দেখেননি। শিক্ষিত মেধাবী! কি বলেন!

আবার তথাকথিত শিশু সংগঠক বা কিশোর সংগঠকদের ব্যাপারেও খোঁজ নেয়া দরকার। নিজেদেরও সতর্ক থাকা উচিত। তবে নিঃসন্দেহে প্রচুর মানুষ আছেন যারা সত্যিকার অর্থেই বাচ্চাদের ভাল বাসেন। এমন অনেকের কথাই জানি। কিন্তু তারপরও কিছু পিশাচ থেকেই যায়। তাদের জন্য সতর্ক থাকা দরকার।

অনেক কথাই লিখে ফেললাম। সব শেষে আমার মনে হয় বাবা-মা এর সর্তক আর বুদ্ধিমান থাকাটা খুব দরকার। প্রয়োজন স্পষ্ট কথার। সন্তানদের এই ভরসা দেয়া দরকার যেন তারা তাদের কষ্টের কথা, লজ্জার কথা বাবা-মার সাথে নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারে। তারা যেন তাদের কথা শেয়ার করতে পারেন, সেই পরিবেশও থাকা দরকার। সন্তানদের বিশ্বাস করতে হবে। প্রয়োজনে দোষী ব্যক্তির ব্যাপারে কঠোর হতে হবে।

আমার বন্ধুদের (সহপাঠী) সাথে কথা বলে দেখেছি এ বিষয়ে। প্রায় সবারই কিছু না কিছু খারাপ অভিজ্ঞতা আছে। বিশেষত তারা যদি একটু সুন্দর হয়। কাজেই বিষয়টা একেবারে ফেলে দেয়ার মত না। আর আমি তাদের সরাসরি জিজ্ঞাসা করে জেনেছি - তাদের বাবা-মার এ বিষয়ে কোন সতর্কতাই ছিল না।

তাই বাবা-মার উচিত সতর্ক হবার। অপ্রয়োজনীয় লজ্জা বা সংকোচ দূর করার। নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটির কল্যাণে।

আমি আমার চারপাশে এরকম অসুস্থ, বিকৃত মানুষ দেখি। তাদের দেখে, তাদের আচার দেখে আমি বুঝতে পারি তারা অসুস্থ। কখনও দেখি শিকার নিজেই শিকারী হয়ে উঠছে। ধীরে ধীরে আর একটা সুন্দর জীবন অহেতুক বিকৃত হচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমার কিছু করা থাকে না। সতর্ক হওয়া খুব দরকার। খুবই।



[বিষয়টা ইদানিং খুব ভাবায়। আর কি করণীয় থাকতে পারে দয়া করে আলোচনা করবেন।]

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

খুবই ভালো পোস্ট.
এমন কিছু ব্যাপার শুনেছি.
কিন্তু আমার চোখে একটাও পড়েনি.

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

প্রতিদিন নিউজপেপার খুললে এরকম বিষয় অনেক চোখে পড়ে। আসলেই সচেতনতা প্রয়োজন, তা নাহলে ভবিষ্যতে এর চরম মূল্য দিতে হতে পারে neutral

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

নুশেরা লিখেছেন:

প্রকাশিত খবর

শিশুর ওপর যৌন নির্যাতনের অনেক খবর পত্রিকার পাতার আনাচে-কানাচে জুড়ে প্রতিদিনই প্রকাশিত হয়। কিছু কিছু চোখে পড়ে, তার মধ্যে কয়েকটি হয়ত কিছুদিন মনেও থাকে।

এ বছরের মে মাসের একটি খবর। রাঙামাটি জেলার লংগদুতে আদিবাসী শিশুকে পাহাড়ি ছড়ার ওপরে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। খবরটি মনে থাকার একাধিক বিশেষ কারণের মধ্যে একটি হলো ঘাতক ধর্ষক এর আগে এই শিশুটিরই মামাতো বোনকে ধর্ষণের দায়ে জেলে আটমাস কাটিয়ে মহামান্য হাইকোর্টের বদান্যতায় কিছুদিন আগে জামিনে মুক্ত হয়ে এসেছে।

জুন ২০১২-এর একটি খবর মনে করা যাক। এবারের ঘটনাস্থল কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী। নানার বাড়ি যাবার পথে স্কুলপড়ুয়া শিশুটিকে ফুসলে চালকলের একটি কক্ষে নিয়ে যায় মিলের মালিক, সেখানে সারাজীবনের জন্য তার শরীর-মনে বর্বরতার চিহ্ন গেঁথে দেয়।

দেশজুড়ে বীভৎসতার এই ধারা জুলাই ২০১২তেও অব্যাহত। টাঙ্গাইলের সখীপুরে ছয় বছরের শিশুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে ধর্ষক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী। টাঙ্গাইলেরই নাগরপুরে নিজের বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা হতভাগ্য শিশুটি ধর্ষণের কিছুদিন পর মৃত্যুবরণ করে; রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত মা ও দাদী প্রবল বৃষ্টির শব্দে প্রতিবেশী দুষ্কৃতীর আগমন টের পাননি। মৌলভীবাজারের রাজনগরের কিশোরীর খবরটি স্রেফ আরেকটি নিয়মিত ধর্ষণসংবাদ। স্থানীয় সংবাদদাতার বরাতে আমরা জানতে পারি পিরোজপুরের জিয়ানগরে ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রীটি ধর্ষিত হয়েছিল রাস্তায় চলার সময়। বগুড়ার কাহালুতে দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তার মাদ্রাসারই এক অভিভাবক সদস্য কর্তৃক কচুক্ষেতে ধর্ষণচেষ্টার মুখে চিৎকার করলে নরপশুটি পালিয়ে যায়।

অপ্রকাশিত খবর

এতশত সংবাদের মধ্যেও ধর্ষণ এবং ধর্ষণচেষ্টার বহু খবর স্থানীয় প্রভাব, ভীতি, লোকলজ্জা ইত্যাদি কারণে গোপন থেকে যায় অথবা গোপন রাখা হয়। সে হিসেবে বিকৃত স্পর্শের মাধ্যমে যৌন হয়রানির বলতে গেলে কোনরকম নিউজ-মেটেরিয়ালই নেই। গ্রাম ও মফস্বলের মতো শহরেও এর শিকাররা প্রায় সবাইই এই বিশ্রী অভিজ্ঞতাটি নিয়তির অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে শরীর-মনে জন্মদাগের মতো বয়ে বেড়াতে বাধ্য হয়। শিক্ষিত মেয়েদের মধ্যে দুচারজন বড়জোর দৈনিক পত্রিকার নারীবিষয়ক সাপ্লিমেন্টে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পত্রপ্রেরক হিসেবে ক্ষোভটুকু জানান দেয়ার চেষ্টা করেন।

এরকম একটি চিঠির বক্তব্য দেখা যাক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অনামী তরুণী জানাচ্ছেন তার কিশোরীজীবনের অভিজ্ঞতা-- মা আর মামার সঙ্গে রাতের বেলা একই টেবিলে খাওয়ার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে মামা ব্যক্তিটি তার গায়ে হাত দেয়। ঠিক পরের লাইনটি ব্র্যাকেটবন্দী; তাতে লেখা- কী আশ্চর্য, আমি "বুকে" না লিখে "গায়ে" লিখলাম, এখনও কীরকম সংকোচ কাজ করে! তাৎক্ষণিকভাবে তার গলা দিয়ে শব্দ বেরোয়নি প্রচণ্ড শক ও আতঙ্কে। এরপরের ঘটনা খুব প্রেডিক্টেবল- মাকে বলার পর তিনি ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে মেয়েকে বকেছেন আঁধারে আচমকা স্পর্শ নিয়ে বাড়াবাড়ি করার দায়ে।

এবং সরবতা

পত্রিকার নারীপাতায় চিঠি লেখা মেয়েটি অন্য মেয়েদের পরামর্শ দিয়েছে এ ধরনের ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করতে।
একটু ওপরে উদ্ধৃত প্রকাশিত সংবাদগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি আরেকবার দেখি; সেখানেও প্রায় নিশ্চিত ধর্ষণের ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত ঘটেনি, কারণ মেয়েটি চিৎকার করেছিল।

বাস্তবতা

উন্নত-অনুন্নত নির্বিশেষে সব দেশেই পারভার্ট লোকজন কমবেশি ঘোরাফেরা করে। আমাদের চারপাশে অনেক অবোধ শিশু এদের কুৎসিত বিকৃতির শিকার হয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে বাংলাদেশে স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের প্রায় ৭ শতাংশ এবং মেয়েদের ১৬ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এবং শহরের তুলনায় গ্রামের শিশুরা বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছে। জরিপ থেকে পাওয়া উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো, পরিচিতজনেরাই সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে শিশুদের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করছেন। এসব ভুক্তভোগী শিশু আত্মীয়স্বজন ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

পিতা-মাতা-শ্রোতা
গবেষক ফারাহ দীবা বাবা-মায়ের প্রতি শিশুদের কথা বলার পরিবেশ তৈরি করার অনুরোধ জানিয়েছেন। কারণ, সমীক্ষার আওতায় আসা শিশুরা অনেক সময় তাদের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করতে চায়নি। এদের আতঙ্ক বা অনিচ্ছার কারণ সহজেই অনুমেয়। আবার বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাত্রছাত্রীদের সমীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আক্রান্ত শিশু নেই এমনটা ভাবা কঠিন; যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকও আছেন দুর্বৃত্তের তালিকায়।

সমীক্ষার আওতাভুক্ত যেসব ছেলে ও মেয়ে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে অথবা বন্ধুবান্ধব ও নিকটাত্মীয়কে হয়রানির শিকার হতে দেখেছে তাদের ২৫ শতাংশ মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে, ২০ শতাংশ চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে এবং ৫৭ দশমিক ২ জন বিষণ্নতায় ভুগছে। এই ভয়াবহ যন্ত্রণার ভার বয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। এই শিশুদের সুস্থ ও সুষ্ঠু বিকাশের জন্য অভিভাবকদের সক্রিয় সহযোগিতার বিকল্প নেই।

এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের চিত্রও খুব উন্নত নয়। গত নভেম্বরের খবর, ইউএসএ-তে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ গ্রেডের ছাত্রছাত্রীদের অর্ধেকের বেশি যৌন হয়রানির শিকার হয়, যার কয়েকটি প্রকরণের মধ্যে “অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনুচিত স্পর্শ”ও রয়েছে। সামাজিক পটভূমিতে যতই তফাত থাকুক, সেদেশেও আক্রান্ত শিশুদের প্রতিক্রিয়া একই ধরনের।

প্রতিরোধই উত্তম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিকাল সাইকোলজির শিক্ষক ও গবেষক ফারাহ দীবা বলেন, শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার শিশুরা ভবিষ্যতে নিজেরা নির্যাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে। তাদের যৌনকর্মী, মাদকাসক্ত হওয়া ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। আমেরিকার জরিপের উপসংহারে বলা হয়েছে, অল্প বয়সে এ ধরণের ঘটনার শিকার হলে প্রায় সারাজীবনের জন্যই মনের ওপর চাপ পড়ে যায়, অনেকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, পরিণত বয়সেও এর প্রভাব থেকে যায়। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশু সন্তানকে এ বিষয়ে সাবধান করে দেয়ার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সুত্রঃ http://www.choturmatrik.com/blogs/%E0%A … C%E0%A7%87

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন এবি আল মামুন (৩১-১০-২০১২ ১৯:৫০)

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

ভাইয়া
এটা একটা সামাজীক সমস্যা এটা রোধ করা খুব কঠিন । আর এজন্য প্রয়যন আপনার ও আপনার পরিবারের সর্তাকতা অবলম্বন করা এবাং ওদেরকে সারাখন চোখের সাবনে রাখা । যদি কিছুটা ফলপাওয়া যায় ।

বাস, ট্রেন এবং মেয়ে এদের পেছনে কোন সময় দৌড়াবেন না কেননা এগুলো একটা গেলে আর একটা আসবেই । {ধন্যবাদ} 

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

এবি আল মামুন লিখেছেন:

ভাইয়া
এটা একটা সামাজীক সমস্যা এটা রোধ করা খুব কঠিন । আর এজন্য প্রয়যন আপনার ও আপনার পরাবারের সর্তাকতা অবলম্বন করা এবাং ওদেরকে সারাখন চোখের সাবনে রাখা । যদি কিছুটা ফলপাওয়া যায় ।

আমার মতে এটা অসম্ভব। দরকার সচেতনতা বিপদ সম্পর্কে। সে যেন জানে এরকম বিপদ হতে পারে। আর খোলাখুলি কথা বলতে পারার মত পরিবেশ। যেন সে তার আশাঙ্কা আর সমস্যার কথা অকপটে বলতে পারে।

সন্তানকে ননীর পুতুল বানিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা আর বেশি আত্মঘাতি হতে পারে। সন্তান হবে স্মার্ট। প্রতিকুল পরিবেশে লড়াই করার শক্তি যেন তার থাকে।

@ফায়ার ফক্স: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

সত্যি বলতে আমি নিজেও এরকম পরিস্থিতি দেখেছি!!

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

অতন্ত্য প্রাসঙ্গিক একটা টপিক।কিছুদিন আগেই ভারতের আমির খানের উপস্থাপনায় একটা অনুষ্ঠান "সত্যমেবে জয়তে" এটা নিয়ে একটা পর্ব হয়েছিল।আমাদের দেশে এধরণের অনুষ্ঠান কবে হবে কে জানে। hairpull নিজের জীবনে ঘটেছিল এরকম।তখন ক্লাস ৩-৪এ পড়ি খুবই গেম খেলার নেশা।আমি আর আমার এক বন্ধু "মোস্তফা" নামে এক গেম খেলতে দোকানে যেতাম।ঐ দোকানের আংকেল ছিলেন এরকম বিকৃত মানসিকতার।এছাড়াও খুব কাছের একটা বন্ধু তার খালুর মাধ্যমে এরকম ঘটনার শিকার হয়েছিল।
আপনি জানতে চেয়েছেন কিছু করণীয় নিয়ে।আমাদের যত সচেনতা খালি ব্লগে আর ফোরামে।কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষই এসবে যুক্ত তাই টিভিতে এই ধরণের বিষয় বেশী এলে তা আরো কার্যকর হবে।লেখাটার জন্য  thumbs_up

seeming is being

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু হিডেন একটা বিষয় তুলে ধরেছেন। আমার পরিচিত অনেকেরই এই ধরনের বাজে অবস্থার শিকার হতে শুনেছি। মেয়েরাই বেশি শিকার হয় এবং আপনার সাথে একমত। পরিবারের সচেতনতা এর জন্য প্রধানত দ্বায়ী।

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

একটা ওপেন সিক্রেটকে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন, আসলেই কিছু বিকৃতমনা মানুষ শিশুদের উপর নিজেদের মানসিক বিকৃতির প্রকাশ ঘটায় এই ভেবে, যে তারা কিছু বুঝবে না বা কারুকে কিছু বলবে না।

খালি নিজের ফ্যামিলির বাচ্চাদের সচেতন করাই নয়, তার সাথে এই  বিকৃতমনা কীটদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে দূর করে দেওয়া উচিত  angry

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

অসাধারন লেখা। আমি চেলে, তাই এরকম অবস্থায় পরতে হয়নি। কিন্তু, মেয়ে শিশুদের বেলায় অবস্থা অন্যরকম। আসলেই পৃথিবীটা যে কতটা নোংরা তা একটা শিশুর পক্ষে বোঝা কঠিন। বাবা মাকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। আর ছেলেমেয়ের সাথে বন্ধুর মত মিশতে হবে। শিশুরা সরল হয়। তাই তারা যেন তাদের মনের কথা গুলো বলে হালকা হতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
এইদিক থেকে আপনার মত আমিও লাকি। ভার্সিটির থার্ড ইয়ারে পড়ি। এখনও মার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করি। সব কথাই শেয়ার করি। সব পরিবারেই এমনটা হওয়া উচিত।

অন্তহীন এই পথ চলার শেষ কোথায়?

১২

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট । সমাজের আনাচে কানাচে প্রতিনিয়ত এরকম ঘটনার শিকার হচ্ছে শিশুরা । পোষ্টটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

স্বাধীন কন্ঠ
সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা...

১৩

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

এ ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলাটাই বড় চ্যালেঞ্জ! আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে পিতা-মাতা/অভিভাবক আর সন্তানদের মধ্যে এক ধরণের অদৃশ্য দেয়াল থাকে, সেটা খুব কমজনই ডিঙ্গাতে পারে। এটা না পারলে কিছুই হবে না। এজন্য দরকার অভিভাবকদের সন্তানদের সাথে সহজ হওয়ার - অনেকটা বন্ধুর মত।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আহমাদ মুজতবা (০১-১১-২০১২ ০০:০৯)

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

আমাদের সোসাইটিতেও আসলেও পেডোফায়ল মার্কিং শুরু করা দরকার। এখানে যেমন একবার লিস্টে নাম উঠে গেলেই আপনি সন্দেহভাজণ থেকে যাবেন সারাজীবন এবং এতে প্যরেন্টসরাও আরো সতর্ক হতে পারবে আমার মনে হয়।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

অরণ্যক ভাই,খুবই দরকারি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।আমার মনে হয়,সমাজ সম্পর্কে এবং করণীয় সম্পর্কে সচেতন করিয়ে দেয়াটা বয়ঃসন্ধিকালই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।আজকের আইটিয়ের যুগে বিষয়টা আরো ভয়াবহ।এই সময়ে মায়েরা এবং বড় বোনেরা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

১৬

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

এখন ইন্টারনেট, মোবাইলের যুগে ১২ /১৩ বছরের বাচ্চারাও এখন এডাল্ট ভিডিও দেখে। এসব ঠেকানো আসলেই অনেক কঠিন।

আমি যখন স্কুলে পড়ি তখন কিছু ফাজিল পোলাপান কিছু চটি বই নিয়ে আসতো। টিফিন পিরিয়ডের সময় পড়তো। স্কুলের টয়লেটের দেয়ালে বিকৃত ছবি এঁকে অশ্লীল কথা লিখে রাখতো। একবার টিচাররা হাতে নাতে দুই একজন কে ধরে বেত দিয়ে পিটিয়ে আধমরা করে ফেলেছিলো। স্কুল থেকেও বের করে দিয়েছিলো কয়েকটাকে। এরা নিশ্চয়ই এমনি এমনি এইসব বিকৃত জিনিসের প্রতি আকৃ্ষ্ট হয় নি। বড়রাই এদের নষ্ট করার পিছনে দায়ী।

১৭

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

উদাসীন লিখেছেন:

এ ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলাটাই বড় চ্যালেঞ্জ! আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে পিতা-মাতা/অভিভাবক আর সন্তানদের মধ্যে এক ধরণের অদৃশ্য দেয়াল থাকে, সেটা খুব কমজনই ডিঙ্গাতে পারে। এটা না পারলে কিছুই হবে না। এজন্য দরকার অভিভাবকদের সন্তানদের সাথে সহজ হওয়ার - অনেকটা বন্ধুর মত।

সেটাই।

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

আমাদের সোসাইটিতেও আসলেও পেডোফায়ল মার্কিং শুরু করা দরকার। এখানে যেমন একবার লিস্টে নাম উঠে গেলেই আপনি সন্দেহভাজণ থেকে যাবেন সারাজীবন এবং এতে প্যরেন্টসরাও আরো সতর্ক হতে পারবে আমার মনে হয়।

হ্যা এটা একটা ভাল বিষয় হতে পারে।

রণ_এথিক্যাল হ্যাকার লিখেছেন:

অতন্ত্য প্রাসঙ্গিক একটা টপিক।কিছুদিন আগেই ভারতের আমির খানের উপস্থাপনায় একটা অনুষ্ঠান "সত্যমেবে জয়তে" এটা নিয়ে একটা পর্ব হয়েছিল।

অনুষ্ঠানটা আমার দেখা হয়নি। আমার পরিচিত একজন অনুষ্ঠানটা দেখে খুবই প্রভাবিত হয়েছিলেন। তার কাছ থেকে পরে অনুষ্ঠান সম্পর্কে শুনেছিলাম। এই রকম একটা প্রোগ্রাম করতে পারলে মানুষ অনেক বেশি সচেতন হতে পারত।

এই জঘন্য অপরাধটা হচ্ছে। একে পাশ কাটানর চেষ্টা করার কিছু নেই। এর মুখোমুখি হতে হবে। আমাদের কল্যাণেই।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৮

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

খুব সুন্দর একটি পোস্ট ভাই... ধন্যবাদ শেয়ার করেছেন বলে... smile

© ORIGINAL PROFILE by Tauki Tahmid
▌││ │▌▌▌▌ ║││▌ ││▌▌│®
█║¢σρчяigнт © 1993 - till End of my life.. ᵀᴴᴱ ᴼᴿᴵᴳᴵᴻᴬᴸ ®™ >FLICKR> Soundcloud

১৯

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

সবচেয়ে বেশি যৌন নিপীরনের শিকার হয় টিনএজার মেয়েরা। কিছু লোক আছে, যারা বাসে কোন স্কুল কলেজের মেয়ে দেখলেই গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করে। ঈদের এক সপ্তাহখানেক আগেও সায়েদাবাদে এক মধ্যবয়সী লোক, দাড়ি-টুপি পড়া(!!!) একটা কলেজের ড্রেস মেয়ের গায়ে হাত দিতে গিয়ে ধরা পড়ে পাবলিকের গণপিটুনী খেয়েছে আমার চোখের সামনে।

২০

Re: আপনার সন্তান কি যৌন বিকৃতির শিকার হচ্ছে? আপনি সচেতন তো?

অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে লেখার জন্য আরণ্যককে ধন্যবাদ। এ ধরণের হিডেন বিষয় নিয়ে যত লেখা-লেখি করা যায় সমাজের ততই মঙ্গল হবে।

আমি আমার ছেলে-মেয়ের সাথে মোটামুটি ফ্রি তারপরেও অদৃশ্য একটা দেয়াল যেন আছে সেটা ছেলে-মেয়ে বা আমি কোনমতেই ডিঙ্গাতে পারছি না।