টপিকঃ সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

মনে পড়ে পরীক্ষার সময় টেনশন কমাতে মাঝে মাঝে বন্ধু বান্ধব মিলে বিডিআরে চলে যেতাম। ১০-১২ জন এক লাইনে বসে ৬ টাকার টিকেটের সিনেমা দেখছি। সিরিয়াস সিনেমায় নায়িকা নাচছে, পেছনে এক দঙ্গল সখি। একজন বললো দ্যাখ্ দ্যাখ্ সৌরভের বান্ধবী  lol - কারণ সৌরভের টি-শার্টও হলুদ, আর নায়িকার নৃত্যরত সখিদের পোশাকও হলুদ -- খবরটা একজন থেকে আরেক জন হয়ে রিলে হতে হতে গ্রুপের সকলের কাছে গেল ---- সৌরভসহ সকলেই উচ্চস্বরে হাসাহাসি ..... পেছনে সিরিয়াস দর্শকদের রক্তচক্ষু। কিংবা চাকুরী বঞ্চিত নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ডায়লগ - "কী লাভ হল এ্যাত ভাল পরীক্ষা দিয়ে ৭টা লেটার নিয়ে এইচএসসি পাশ করে ........... "  lol2 - আরেক দফা হাসির ঝড়, পেছনের সিরিয়াস দর্শকগণ মহা বিরক্ত। কারণ তাঁরা জোকটি ধরতে পারেননি (--- মনে হয় কখনই পারবেন না। ক্লু: এইচ এস সিতে সব মিলিয়ে ৬ সাবজেক্ট, অথচ নায়ক ৭ লেটার পায়)। কিংবা ধরুন, গ্রামের ষোড়শী (ধুমসী) নায়িকা গাছের ডাল না ভেঙ্গে surprised, সেখানে বসে সদ্য আগত নায়কের মাথায় ছোট্ট ইট মারে --- গ্রামের ষোড়শী হলে কি হবে মুখে পুরু মেক-আপ, শ্যাম্পু-আয়রন করা খোলা চুল আর পুরু লিপস্টিক  surprised দেখে হাসাহাসি হবে নাই বা কেন? বাংলা ছবির নাচ মানে তো ওয়ান টু ওয়ান টু করে জগিং স্টাইলে নড়াচড়া, উঠাবসা  hairpull - দেখলে হাসি ছাড়া গালিও আসে না। বন্ধু বান্ধব ছাড়া বাংলা ছবির পুরা মজা নেয়া যায় না --- বন্ধু বান্ধব নাই তো বাংলা সিনেমা দেখাও নাই। dream

ছোট বেলায় বিটিভিতে ছুটির দিন দুপুরে বাংলা ছবি দেখাতো। ওহ্ সেই একই প্যান প্যান, ঘ্যান ঘ্যান, দূঃখ কষ্টের কাসুন্দি  worried। এক ভুল মানুষ বার বার করে না, তাই ঐ সিনেমাগুলো তেমন দেখা হত না। কিন্তু কার্টুন মিস করতে চাইতাম না। ব্যক্তিগতভাবে সিনেমা হল আমার কাছে বিনোদনের মাধ্যম। হয় এটা আমাকে একটা কল্পনার জগতে নিয়ে যাবে নাহলে হাসাবে ---- কান্নাকাটি মার্কা সিনেমা আমার দুই চোখের বিষ। সময়, অর্থ খরচ করে সিনেমা হলে কিংবা টিভিতে কান্নাকাটি মার্কা সিনেমা দেখার কোন মানে হয় না - কারণ কান্নাকাটি করার জন্য আমার এবং আমাদের জীবনে দূঃখ কষ্টের তেমন একটা ঘাটতি নাই।

এজন্য সায়েন্স ফিকশন আর কমেডি (humor) আমার প্রিয় সিনেমার ধরণ। প্রিয় নায়ক জ্যাকি চ্যান - এ্যাকশন আর মুখভঙ্গি দেখে হাসি আসবেই, কোনো টেনশন নাই -- কারণ আল্টিমেটলি নায়ক জিতবে, কেউ মারা যাবে না; আর হিন্দি হলে গোবিন্দ -- নো টেনশন মার্কা সিনেমা, ডায়লগ শুনে খালি হাসতে হবে। এছাড়া সায়েন্স কিংবা ফিকশন: Star Trek, Star Wars, Day after tomorrow, 2012, The Da Vinci Code, The Lord of the Rings ইত্যাদি টাইপের কিংবা অ্যানিমেটেড কার্টুন - Kungfu Panda, Ice Age, Avatar the last air bender ইত্যাদি দেখতে ভাল লাগে।

নো টেনশন মার্কা সিনেমাও খারাপ লাগে না। যেমন: The Five Man Army, The lost platoon (অনেকটা ভুতের), Roman Holiday, Chocolat (চকলেট নয় বরং এটাকে উচ্চারণ করেছিলো "শোকোলা"), You've got mail ইত্যাদি। আর জ্যাকি চ্যান বাদে কমেডির মধ্যে অ্যাডাম স্যান্ডলারের মুভি পাইলেই দেখি। বেন স্টিলারের মুভিগুলোও খারাপ লাগে না। এছাড়া কমেডির মধ্যে The Gods must be crazy (সিকুয়েল ২ টাও ভাল লেগেছে, ৩ নং টা ভাল লাগেনি), Three Stooges, Mr. Bean ইত্যাদি ভাল লাগে। হ্যারি পটার এবং জেমস বন্ডের সিনেমায় টেনশন, খুনাখুনি বেশি - তারপরেও একবার দেখি।  smile

আমার সম্বন্ধী কিংবা বউ সকলেই সিরিয়াস টাইপের সিনেমা দেখে। যেমন: Enemy at the gates, The Shawshank Redemption, Forrest Gump ইত্যাদি (এওয়ার্ড পাওয়া ছবি লিস্ট ধরে সংগ্রহ করে।)। ওদের পাল্লায় পরে আমাকে মাঝে মাঝে এগুলোও দেখতে হয়। সিঙ্গাপুর সফরের সময়ে যেই মুভিগুলো কিনলাম সেগুলোতে Who am I, The Gods must be crazy'র পাশাপাশি সেই Sunflower, Roman Holiday, দহন, মাসুম - টাইপের সিনেমায় ভর্তি যা আমি কখনই দুইবার দেখতে আগ্রহী না।

বাসায় দেখা যায়, চ্যানেল ঘুরিয়ে শেষ পর্যন্ত কার্টুন চ্যানেল (কার্টুন চ্যানেল, ডিজনি চ্যানেল, পোগো, নিকলোডিয়ান ইত্যাদি) দেখছি। অনেকবার এমন ঘটেছে যে মেয়েকে (২+ বয়স) সঙ্গ দেয়ার জন্য ওর সাথে কার্টুন দেখতে বসেছি ................. তারপর মেয়ে কখন অন্য ঘরে চলে গিয়ে নিজের মত খেলছে সেটা জানিনা - ধেড়ে শিশু (আমি) কার্টুন চ্যানেলের সামনে ঘন্টা পার করে দিয়েছি।  blushing

ঢাকায় বেড়াতে আসা ছোট্ট চাচাতো ভাইয়ের আব্দার রাখতে তাঁকে খোঁজ দ্যা সার্চ দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম সিনেপ্লেক্সে। মনে পড়ে, অন্য হলগুলোতে ভালো ভালো ইংলিশ ও বাংলা মুভিও ছিল, কিন্তু ভাইয়ের ডিমান্ড অনুযায়ী তাঁর সাথে খোঁজের হলেই যেতে হয়েছিলো। হলে সিনেমা চলাকালীন সময়ে চেষ্টা করেও চোখ বন্ধ করে রেস্ট নিতে পারিনি। কারণ নায়ক যখনই কোনো ডায়লগ দিচ্ছে হল ভর্তি (হাউজফুল ছিলো) দর্শক উচ্চস্বরে হেসে উঠছে। আমিও হাসছি, কারণ চোখ বন্ধ হলে কি হবে কান তো খোলাই ছিল। এরপর চোখ খুলতে বাধ্য হয়েছিলাম - ঐ এপিক সিনেমা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করতে মন চায়নি। এ্যাতদিন পর বন্ধু বান্ধব ছাড়াই হল ভর্তি দর্শক উচ্চস্বরে হাসতে দেখে - বাংলা ছবি দেখার আনন্দটা আবার ফিরে এল। ধন্যবাদ হে অনন্ত জলিল, তোমার কল্যানে হল ভর্তি বন্ধু পাওয়া গেল।

প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদের নাটকগুলোর মধ্যে হাস্যরস ছিল একটা অন্যতম আকর্ষণ - অবশ্য সেটার উপস্থাপনা হত অন্য রকম উপায়ে। আমি চাই অনন্ত জলিল সাহেব এভাবেই সিনেমা করুক - বাচনভঙ্গি অপরিবর্তিত রাখুক। অশ্লীলতামুক্ত, সুন্দর গান, চরম অ্যাকশন, ইফেক্টসের মাঝে কমেডি একটা আলাদা আকর্ষণ তৈরী করে। উনার মুখ খুললেই কমেডি, নড়াচড়াতেই কমেডি .... আমার মত অনেকেই শুধুমাত্র এই বিনোদন টুকুর জন্যই জলিল সাহেবের ছবি দেখতে হলে যাব।

পূর্বপ্রকাশ: সচলায়তন, খিচুড়ী ব্লগ

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

ঠিক বলেছেন। দুঃখ কষ্টতো জীবনে অনেক আছে। সিনেমাতেও এসব দেখতে ভাল লাগেনা। জলিল সাহেব আরও সিনেমা আমাদের উপহার দেবেন এটাই আশা করি  big_smile

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন জেলাল (০৬-০৯-২০১২ ২৩:২৮)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

একমত আপনার দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে। ভাষা, ফ্যাশন ও প্যাশনের পার্সোনালাইজ্‌ড প্রয়োগ হলেই সেটা বিনোদনের সাথে বেশি যায়। তবে বিকৃতি কিংবা অন্ধ অনুকরণ কাম্য নয়। জলিল সাহেবের সিনেমাটিক ক্যারেক্টারটিতে এটা (বিকৃতি কিংবা অন্ধ অনুকরণ) নেই বলেই আমার বিশ্বাস।

তবে এফএম রেডিওতে প্রায়ই দেখি (নাকি "শুনি") বাংলা ভাষার যাচ্ছেতাই বিকৃত ব্যবহার, এমনকি বাংলালায়নের মত একটি স্বনামধন্য টেলিকম কোম্পানীকে ডাটা (data) ফ্রী দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিতে যেয়ে "ডাঁটা" (ডাঁটাশাক)-কে "ডাটা" বলে চালিয়ে দিতে দেখলাম। ভাষাটা আমাদের বড্ড গরবের, সেটার যত্ন আমাদেরকেই নিতে হবে, অন্তত যখনই আমরা সেটার কেতাবী প্রয়োগ ঘটাই। কপিবুক স্টাইলে ব্যাটিংয়ের কথা বলে সমানে ভুল ফুটওয়ার্কে ও ক্রস-ব্যাটে ব্যাটিং করাটা ঠিক নয়।

বাই দ্যা ওয়ে (কিছুটা অফটপিক), আজাইরাতে সারিমের দেয়া একটা লিংক থেকে আধা ঘন্টাখানেক দেখেছিলাম ছবিটি। অন্তত ওই আধাঘন্টায় আমার কাছে একসময়ের নায়ক আলমগীরকে ভিলেইন হিসেবে খুব একটা সপ্রতিভ মনে হয়নি। পার্শ্ব কিংবা ভিলেইন চরিত্রে অভিনয় করতে গেলে মনে হয় আরেকটু চৌকষ কিংবা সব্যসাচী হতে হয়। তবে আলমগীর তাঁর মেইনস্ট্রিম রোল "নায়ক" কিংবা "আদর্শ বাবা" ইত্যাদি চরিত্রে বেশ ভালোই করেন।

অবশ্য ব্যতিক্রমও আছেন। অমিতাভ বচ্চন কিংবা সঞ্জয় দত্তরা কিন্তু ভিলেইন হিসেবে খারাপ করেনা না।

শামীম লিখেছেন:

বাসায় দেখা যায়, চ্যানেল ঘুরিয়ে শেষ পর্যন্ত কার্টুন চ্যানেল (কার্টুন চ্যানেল, ডিজনি চ্যানেল, পোগো, নিকলোডিয়ান ইত্যাদি) দেখছি। অনেকবার এমন ঘটেছে যে মেয়েকে (২+ বয়স) সঙ্গ দেয়ার জন্য ওর সাথে কার্টুন দেখতে বসেছি ................. তারপর মেয়ে কখন অন্য ঘরে চলে গিয়ে নিজের মত খেলছে সেটা জানিনা - ধেড়ে শিশু (আমি) কার্টুন চ্যানেলের সামনে ঘন্টা পার করে দিয়েছি।  blushing

বোকা ছেলে। tongue আমি নই, ভাবী কিংবা নীলিয়ার সম্ভাব্য উক্তি। বাই দ্যা ওয়ে, আমিও কার্টুণ দেখি মাঝে সাঝে। blushing

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

Tan to she juger banglachobi... Bortoman juger shakib khaner chobi dekhle obostha kharap hoya jai.

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

শামীম লিখেছেন:

ক্লু: এইচ এস সিতে সব মিলিয়ে ৬ সাবজেক্ট, অথচ নায়ক ৭ লেটার পায়)

lol2 lol2 বেপুক। আসার আগে অনেক ইচ্ছা ছিলো ফ্রেন্ড দের নিয়ে বাংলা সিনেমা দেখবো জীবনে একবার হলেও একেবারে হলে গিয়ে। কিন্তু কেন জানি আর দেখা হয়ে উঠে নাই এখন মনে হচ্ছে বেশ মিস করেছি  thinking কিন্তু নেক্সট টাইম মিস নাই।

আমিও মাঝে মাঝে আমার বাসার পোলাপান গুলার সাথে বসে বসে কার্টুন দেখতে থাকি টেরও পাইনা কখন সময় কেটে যায় যদিও আমি কার্টুন একেবারে অপছন্দ করি। তাও কোনো একটা অজানা কারণে ঐ সময়টুকু ভালই কাটে।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

আজকে বউ মোস্ট ওয়েলকাম দেখবে বলে আমাকে ধরে সিনেপ্লেক্সে নিয়ে গেল। আজ ওটার শেষ শো; কিন্তু ওখানে সারা দিনের কোন শো-এরই টিকিট নাই। বাধ্য হয়ে ১:৪৫ মিনিটের দা অ্যাভেঞ্জারস দেখে আসলাম। চরম এ্যাকশন মুভি, ভাল্লাগলো।  smile

বাসায় আসার পর কেন জানি বলেছিলাম জলিল সাহেবের ছবি ডলবি সাউন্ড সিস্টেমের হল ছাড়া মুক্তি পায় না, হয়তো মধুমিতায় আছে। এতে পাগলকে সাঁকো নাড়াতে মানা করার মত অবস্থা হল। ফেসবুকে মধুমিতার পেজ পেয়ে সেখান থেকে ফোন নম্বর নিয়ে ফোন করে আজকে ওখানেও লাস্ট শো চলছে জানা গেল। একটু আগে মধুমিতায় শেষ শো রাত ৯-১১টা দেখে আসলাম। মোস্ট ওয়েলকামও পিওর বিনোদনের সিনেমা নিঃসন্দেহে।  big_smile

জেলাল লিখেছেন:

বাই দ্যা ওয়ে (কিছুটা অফটপিক), আজাইরাতে সারিমের দেয়া একটা লিংক থেকে আধা ঘন্টাখানেক দেখেছিলাম ছবিটি। অন্তত ওই আধাঘন্টায় আমার কাছে একসময়ের নায়ক আলমগীরকে ভিলেইন হিসেবে খুব একটা সপ্রতিভ মনে হয়নি। পার্শ্ব কিংবা ভিলেইন চরিত্রে অভিনয় করতে গেলে মনে হয় আরেকটু চৌকষ কিংবা সব্যসাচী হতে হয়। তবে আলমগীর তাঁর মেইনস্ট্রিম রোল "নায়ক" কিংবা "আদর্শ বাবা" ইত্যাদি চরিত্রে বেশ ভালোই করেন।

ওহ্ নো .... আপনি বলার আগ পর্যন্ত ভিলেনটা যে আলমগীর ছিল সেটা চিনতে পারিনি  surprised

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

আজকে একটা সাইটে দেখলাম দ্যা স্পীডের উপরে ইংরেজিতে ছোট্ট একটা রিভিউ টাইপের লেখা। লেখার ভাষা দেখুন:

The dependable Director Sohanura sohana of ‘The Speed’ have been released today. Big budget of the film producer hero MA Jalil, which is eternal and 4 grand theaters throughout the country. Attractive location in Malaysia Picturised ‘The Speed’ is internationalized photos. Stories, songs, action we have all the tools to attract visitors.Monsoon film production company created the new banner ‘The Speed’ – the ending of the film, Miss Malaysia Parvin, of Russian stars, Italy trilena Nino, the Don, litila Star lakeand screen star parsonaliti Alamgir. ‘The Speed’ – a feature unique to the
dialogue onPhotography, Imaging Asaduzzaman majanu, ekaramula editing and, dance jojo Khan(Mumbai),
Babul and Masum Habib, Shawkat Ali Speak key, reserved, and heartphoyada Khan.

এটার বাংলা অর্থ করে ফোরামে দিলে ক্যামন হয়? big_smile অনন্ত জলিল সাহেবের "আই এ্যাম পম ঘানা" ভার্শণটা বরং আরো ভালো ছিলনা?

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

শামীম লিখেছেন:

ক্লু: এইচ এস সিতে সব মিলিয়ে ৬ সাবজেক্ট, অথচ নায়ক ৭ লেটার পায়)

এখনকার অবস্থাও যে খুব ভাল তা কিন্তু না। এখনকার সিনেমায় শাকিব খান বুয়েট থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে!!!
এর চেয়ে জলিল সাহেবের সিনেমা ঢের ভাল।

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

শামীম ভাইয়ের দেখি আমার মতন কার্টুন দেখার ঠিক রোগ আছে। আমি এই কার্টুন আর জাপানিজ এনিম ছাড়তেই পারি না।  lol তবে শামীম ভাই আপনার লিখাটা অনেক সুন্দর হয়েছে। smile

১০

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

শামীম লিখেছেন:

ছোট বেলায় বিটিভিতে ছুটির দিন দুপুরে বাংলা ছবি দেখাতো। ওহ্ সেই একই প্যান প্যান, ঘ্যান ঘ্যান, দূঃখ কষ্টের কাসুন্দি  worried। এক ভুল মানুষ বার বার করে না, তাই ঐ সিনেমাগুলো তেমন দেখা হত না। কিন্তু কার্টুন মিস করতে চাইতাম না। ব্যক্তিগতভাবে সিনেমা হল আমার কাছে বিনোদনের মাধ্যম। হয় এটা আমাকে একটা কল্পনার জগতে নিয়ে যাবে নাহলে হাসাবে ---- কান্নাকাটি মার্কা সিনেমা আমার দুই চোখের বিষ। সময়, অর্থ খরচ করে সিনেমা হলে কিংবা টিভিতে কান্নাকাটি মার্কা সিনেমা দেখার কোন মানে হয় না - কারণ কান্নাকাটি করার জন্য আমার এবং আমাদের জীবনে দূঃখ কষ্টের তেমন একটা ঘাটতি নাই।

সব টুকুই ভাল হয়েছে। আর এই টুকু আমার কাছে বেশি ভাল লেগেছে।
সিনেমা নিয়ে অনেক চুল-চেরা বিশ্লেষন করেন দেখছি। আমি সিনেমা দেখি টাইম পাস করার জন্য। বাংলা সিনেমা কবে দেখেছি মনে নাই। ইদানিং কেন জানি ওপারের বাংলা সিনেমা দেখতে মন চাইছে।

Allah is a better planner... so whenever u'r plan fails, cheer up... Allah has a better plan for you

Shahanur79'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফায়ারফক্স (০৭-০৯-২০১২ ১২:৫৩)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

আপনার কথার মধ্যে স্ববিরোধীতা আছে   wink wink tongue tongue

শামীম লিখেছেন:

এছাড়া  Day after tomorrow, 2012, The Da Vinci Code ইত্যাদি দেখতে ভাল লাগে।নো টেনশন মার্কা সিনেমাও খারাপ লাগে না। যেমন: Roman Holiday

আমার সম্বন্ধী কিংবা বউ সকলেই সিরিয়াস টাইপের সিনেমা দেখে। যেমন: Enemy at the gates, The Shawshank Redemption Forrest Gump


Forrest Gump এর চেয়ে Roman Holiday তো অনেক সিরিকাস টাইপ মুভি।  isee isee

ছোট বেলায় বিটিভিতে ছুটির দিন দুপুরে বাংলা ছবি দেখাতো।

আপ্নাদের সময় তো মুভি অব দ্যা উইক দেখাতো মনে হয়।  clap clap

সুখপাঠ্য লেখার জন্য http://forum.projanmo.com/extensions/reputation/plus.gif

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মামুন.pb (০৭-০৯-২০১২ ১৫:২৩)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

আপনার মুভি বিশ্লেষনটা ভালো লাগল।মুভিতে অসংঙ্গতি আমারও অপছন্দের।মাঝে মধ্যে বছরে দুই একটা ভালো মুভি দেখে মনে হয় যেন বাংলা মুভির মনে হয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন হবে,কিন্তু বিকল্পধারা নামে পরিচিত এসব মুভি খুব আল্প স্বল্পই বছরে দেখা যায়।
ব্যাক্তিগতভাবে আমি প্রেফার করি কমেডি এবং সিরিয়াস টাইপের মুভিগুলো।তবে মুভি ভালো হলে যেকোন টাইপই ভালো লাগে,তবে কমিকস হিরো এবং মিউজিক্যাল মুভি সধারনত এড়িয়ে চলি।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

১৩

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

মামুন.pb লিখেছেন:

আপনার মুভি বিশ্লেষনটা ভালো লাগল।মুভিতে অসংঙ্গতি আমারও অপছন্দের।মাঝে মধ্যে বছরে দুই একটা ভালো মুভি দেখে মনে হয় যেন বাংলা মুভির মনে হয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন হবে,কিন্তু বিকল্পধারা নামে পরিচিত এসব মুভি খুব আল্প স্বল্পই বছরে দেখা যায়।
ব্যাক্তিগতভাবে আমি প্রেফার করি কমেডি এবং সিরিয়াস টাইপের মুভিগুলো।তবে মুভি ভালো হলে যেকোন টাইপই ভালো লাগে


আপনার মত আমার ও অবস্তা আর্ট ফ্লিম ই আমার সবচেয়ে পছণ্দের। কলকাতায় ইদানিং প্রচুর হয় বাংলা দেশের গুলো ইদনিং জনপ্রিয়তা(ব্যবসা সফল) পাচ্ছে(থার্ড পারসন সিন্গুলার নামবার , মনপুরা(পুরোপুরি আর্ট ফ্লিম না )). এই মুভি গুলোর মেসেজ কি্ন্তু সবাই নিতে পারে না।

শামীম ভাই আমি ও আপনার মতো অ্যনিমেশন ও কার্টুনের ভক্ত। আপনার সুন্দর বর্ননার জন্য পিলাস। clap clap

ভালোবাসা উষ্ণতা জাগায় বটে......
তবে এ কাজটি দ্রুততার সাথে করে ভদকা.......

১৪

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

আপনার কথার মধ্যে স্ববিরোধীতা আছে   wink wink tongue tongue

শামীম লিখেছেন:

এছাড়া  Day after tomorrow, 2012, The Da Vinci Code ইত্যাদি দেখতে ভাল লাগে।নো টেনশন মার্কা সিনেমাও খারাপ লাগে না। যেমন: Roman Holiday

আমার সম্বন্ধী কিংবা বউ সকলেই সিরিয়াস টাইপের সিনেমা দেখে। যেমন: Enemy at the gates, The Shawshank Redemption Forrest Gump


Forrest Gump এর চেয়ে Roman Holiday তো অনেক সিরিকাস টাইপ মুভি।  isee isee

ছোট বেলায় বিটিভিতে ছুটির দিন দুপুরে বাংলা ছবি দেখাতো।

আপ্নাদের সময় তো মুভি অব দ্যা উইক দেখাতো মনে হয়।  clap clap

সুখপাঠ্য লেখার জন্য http://forum.projanmo.com/extensions/reputation/plus.gif

হুম তাইতো!
আমার সম্বন্ধীর হাত হয়ে মুভি আমার কাছে আসলে সেটাকে প্রথমেই সিরিয়াস মনে হয়। ফরেস্ট গাম্প ঠিকমত দেখি নাই -- তবে যতদুর মনে পড়ে এটা আসলে একটা খুবই সিরিয়াস কিন্তু মজার ডায়লগে ভরা সিনেমা -- টম হ্যাংকসের একটা ডায়লগ কখনও ভোলার নয় -- ওর বন্ধু ভেজিটেবলের ব্যাবসা করে অনেক বড়লোক হয়ে গেছে। অ্যাপেল নামক কোম্পানির শেয়ার কিনেছিলো সে। এছাড়া ও যখন দৌড়ায় তখন আমাদের হাঁটা বাবার মত ওর পেছনেও হুদাই লোকজন দৌড়ায়  big_smile

===

মুভিতে অসংগতি খুঁজতে গেলে তো নামকরা ইংলিশ মুভিগুলোও এই দোষ মুক্ত না। একটা মজার স্যাটায়ার সমালোচনায় একজন মোস্ট ওয়েলকামের ব্যাপারে লিখেছিলো কত্ত গুলি চলে কিন্তু নায়ক অনন্ত জলিলের গায়ে গুলি লাগে না। আমি তো দেখি অ্যাভেঞ্জারস, জেমস বন্ড কিংবা টম ক্রুজও তাই .... । আবার অন্য আরেক ছবিতে নাকি কক্সবাজারে ভাতিজি গুলি খাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ঢাকার কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসে -- এই দৃশ্যে ভাস্তি মারা গেলেও কক্সবাজার-টু-ঢাকা দেখে লোকে হাসে; কিন্তু এই ফোরামেই আরেকটা পোস্ট থেকে একটা কোট করি:

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ঘোস্ট প্রটোকল একটু রিভিউয়ের চেষ্টা করি। চরম একশন-প্যাকড একটা মুভি। অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো সেই রকম দারুণ। তবে কিছু কিছু জিনিস দেখে বড়ই চমকিত হয়েছি। সিনেমার একটা জায়গায়, হিরো গ্যাং ভিলেইন গ্যাংকে ধরার জন্য সুদুর দুবাইয়ের বুর্জ খলিফাতে যায়। যাওয়ার যে রাস্তাটা ছিলো সেটা মাত্র দুই লেনের!! আমি বুর্জখলিফার আশে-পাশে কোন দুই লেনের রাস্তা দেখি নাই। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, সেই রাস্তায় গাড়ি সহসাই হার্ড ব্রেক করতে হলো নায়কদের। কেন? কারণ সামনে এক উটপালক তার উটের পাল নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো!! আবুধাবি থেকে দুবাই গেলাম, শারজা গেলাম, আলাইনে গেলাম। চিড়িয়াখানা ছাড়া কোন জায়গায় মাইক্রোস্কোপ লাগায়ও উট দেখতে পারলাম না, আর ক্রুজ ভাই, দুই লেনের হাইওয়ের উপর উটের পাল দেইখা ফেলাইলো!! আবার ক্রুজ ভাই, বুর্জখলিফার গ্লাস খুলে, ঝুলে ঝুলে এক ফ্লোর থেকে আরেক ফ্লোরে গেলেন। স্প্যাইডারম্যানের দোয়া ছিলো কিছু হয় নাই। এমনকি উপরের ফ্লোর থেকে যখন নিচের ফ্লোরে ঝুলে নামতে গিয়ে মাথার মধ্যে বাড়ি খাইলেন, তখনও ওনার কিছু হইলো না। এইবার মনেহয় আয়রনম্যানের দোয়া ছিলো ওনার সাথে। এখানেই শেষ নয়। ভিলেইনকে তাড়া করার জন্য ক্রুজ ভাই বুর্জখলিফা থেকে বের হলেন। এর বালিঝড় শুরু হইলো। বালিঝড়তো না, যেন মহাপ্রলয়। এই ঝড়ের মধ্যে উনি ভিলেনের পিছে দৌড়াইতে দৌড়াইতে একটা ঝুপড়ি ঘর সমৃদ্ধ বাজারের মধ্যে ঢুইকা গেলেন! বিশ্বাস করেন, আমি বুর্জখলিফার চারপাশ ভালো করে ঘুরেছি। ওখানে অত্যাধুনিক দুবাই মল আছে। কিন্তু কোন ঝুপড়ি বাজার নাই।

এই অভিযোগ মুভি মিসটেকস ওয়েব সাইটেও দিয়েছে দেখলাম।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (০৭-০৯-২০১২ ২৩:৪৩)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

মিসটেকসের লিঙ্কে গিয়ে ঘোস্ট প্রোটকল সার্চ দিয়ে দেখলাম। বড়ই মজা পেলাম lol আমেরিকারদের মধ্যে অন্যদের নিচু দেখানোর একটা প্রবণতা আছে। এর জন্যে ওদের ফিল্মগুলোতে এই ধরনের মিসটেকস ইচ্ছে করেই রাখে বলে আমার ধারণা। তা নাহলে বুর্জখলিফার পাশে ছাপড়া-মার্কেট দেখানোর কোন কারণ নেই।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মামুন.pb (০৮-০৯-২০১২ ০০:৩৮)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

তার-ছেড়া-কাউয়া ভাইয়ের সাথে সহমত। শামীম ভাইয়ের সাথেও সহমত,থিলাম মুভিতে রমাঞ্ছকর দৃশ্য তৈরী করতে ওরকমটা একটা কমন বিষয়।দেশী হোক বা বিদেশী হোক স্থূল আসংঙ্গতিগুলো ভালো লাগে না,তবে শামীম ভাইয়ের মতো হাসি পায়।ছোট্ট একটা বোমে বিশাল অট্টালিকা বিস্ফোরন মতো ঘটনাগুলো আজব লাগে।তবে ছোট খাটো বিষয়গুলো ধরি না।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

১৭

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

অসাধারণ অসাধারণ মুভি দেখার অসাধারণ একটি সাইট http://www.vk-streaming.com আমি বেশ কয়েক মাস হতে প্রতিদিন এখান হতে মুভি দেখেতেছি। সব অসাধারণ অসারণ মুভি। আশা করি আপনারও ভাল লাগবে। ধন্যবাদ।

http://allbdweb969.blogspot.jp/ ওয়েব সাইট ডাইরেটরী। সাবমিট করুন আপনার সাইট। একদম ফ্রি সার্ভিস।

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন problogger99 (২২-০৯-২০১২ ২২:২৬)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

নর্মাল কার্টুন এখন টানে না তবে টম এন্ড জেরী হলে এখনো দারুন লাগে। মানুষের নিজের জীবনে এতো কষ্ট তারপরো টাকা দিয়ে দুঃখের মুভি কেন দেখে মাথায় ধরে না (গেরিলার মতো মুভি হলে ভিন্ন কথা)। শামীম ভাই Priyadarshan এর হিন্দী মুভিগুলো দেখেছেন? নির্মল বিনোদন। হিন্দী ভাষা ভাল বুঝতে পারলে Hungama মুভিটা দেখতে পারেন। আমি জীবনে এতো হাসি নাই কোন মুভি দেখে। এই মুভির প্রান হোল অনবদ্য ডায়ালগ। এছাড়া আরেকটা প্রিয় হিন্দী কমেডি Malamaal Weekly-অসাধারন...

হেরাফেরী আর গোলমাল সিরিজটাও দারুন। ইদানিং প্রচুর এনিমেশন মুভি দেখছি। আশা করি খুব দ্রুত আবার প্রিয় কমেডি মুভির জগতে ফেরত আসতে পারব...

answering-islam টাইপের সাইট এর লেখাগুলো পড়ে পড়ে মুসলাম থেকে নাস্তিক হবার আগে পালটা যুক্তিগুলো জানতে ভিজিট করুন http://www.islamic-awareness.org/আশা রাখি মুসলমান হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে মনের সন্দেহ দূর হবে ইনশাল্লাহ।

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২২-০৯-২০১২ ২২:৪৮)

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

problogger99 লিখেছেন:

নর্মাল কার্টুন এখন টানে না তবে টম এন্ড জেরী হলে এখনো দারুন লাগে। মানুষের নিজের জীবনে এতো কষ্ট তারপরো টাকা দিয়ে দুঃখের মুভি কেন দেখে মাথায় ধরে না (গেরিলার মতো মুভি হলে ভিন্ন কথা)। শামীম ভাই Priyadarshan এর হিন্দী মুভিগুলো দেখেছেন? নির্মল বিনোদন। হিন্দী ভাষা ভাল বুঝতে পারলে Hungama মুভিটা দেখতে পারেন। আমি জীবনে এতো হাসি নাই কোন মুভি দেখে। এই মুভির প্রান হোল অনবদ্য ডায়ালগ। এছাড়া আরেকটা প্রিয় হিন্দী কমেডি Malamaal Weekly-অসাধারন...

হেরাফেরী আর গোলমাল সিরিজটাও দারুন। ইদানিং প্রচুর এনিমেশন মুভি দেখছি। আশা করি খুব দ্রুত আবার প্রিয় কমেডি মুভির জগতে ফেরত আসতে পারব...

পৃয়দর্শনের Muskurahat অন্যতম পৃয় ছবি!  love অর্ধেক ছবিটা মনে হয় ১০০ বার দেখেছি - অমরেশ পুরী, জগদীপ আর আন্নু কাপুরের কাজ কারবার দেখে হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে পড়ে যাবার জোগাড়!  lol2 lol2 lol2 পুরো ছবি দেখি না কেননা শেষের অংশটা এতই অখাদ্য যে মুভির আমেজটাই তিক্ত করে দেয়। brokenheart

যতদূর মনে পড়ে মুভিটা বক্স অফিসে মোটামুটি ফ্লপই করেছিলো। তবে সিভিয়ারলী আন্ডার-রেটেড মুভিটি না দেখলে ভীষণ মিস করবেন।

এছাড়া, আমির সালমানের আন্দাজ আপনা আপনা-ও ঐ সময়কার অন্যতম হাসির ছবি ছিলো।

গল্প নষ্ট করা বোধহয় পৃয়দর্শনের স্বভাবরোগ। বছর খানেক আগে অক্ষয় কুমারের খাট্টা মিঠা রিমেক দেখছিলাম - শুরু হয়েছিলো চমৎকারভাবে, বেশ মজার কমেডী। আরেকটা পৃয়দর্শনীয় মাস্টারপীস দেখতে যাচ্ছি বলে যেই আশা জেগেছিলো অমনি গুড়ে বালি! ঘন্টাখানকের মধ্যেই এমন ফালতু প্যাচাপেচি শুরু হয়ে গেলো যে মেজাজই গরম! মুভিদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিস বলে কিছু যদি থাকে তাহলে এই ছবি হলো অন্যতম নিদর্শন - না কমেডি, না এ্যাক্সন, না পলিটিকাল ছবি, না ক্রাইম মুভি, না রোমান্স - আবার সবই হতে চায়।

Calm... like a bomb.

২০

Re: সিনেমা দেখে হাসতে বেশি ভালো লাগে

এখন একটা কার্টুন দেখছি। সিম্পসনস। ডায়লগ বুঝলে বেশির ভাগ ইংলিশ মুভি দেখে হাসতে বাধ্য। কারণ ওরা অনেক হাস্যরসাত্বক কথা বলে। হিউমার প্রচুর। সবার মাথায় হিউমার ঢোকে না। সিম্পসন দেখে আমি হাসতে হাসতে শেষ। আরেকটা কার্টন আমার বেশ পছন্দ ছিল, হিউমারের জন্য। গারফিল্ড। চোখে দেখে স্থুল হাস্যরস টম-এন্ড-জেরিতে ভালই আছে। স্থুল হাস্যরসের ক্যাটাগরিতে আরও কিছু মজার কার্টুন আছে। ল্যুনি টুনস শো, উডি উডপেকার (এই কার্টুনটা দারুন মিস করছি ইদানিং)।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত