টপিকঃ 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

এই টপিক খোলার উদ্দেশ্য ফোরামের জ্ঞানীদের জন্য এখানে তারা ধর্ম + ঈশ্বর নিয়ে আলোচনা করবেন।

আমি আস্তিক মানুষ এটা আমি স্বীকার করি , কিন্তু কেন তা ব্যখ্যা করি না আর করার প্রয়োজন ও অনুভব করি না ।

এখানে অনেকে আছেন যারা যুক্তি দিয়ে "ধর্ম + ঈশ্বর" এর অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করেন তাদেরকে এই টপিকে আমন্ত্রণ । তবে যারা জাস্ট কিছু না বুঝে কমেন্ট করেন তারা কমেন্ট করবেন না । এখানে যুক্তি দিয়ে আলোচনা হবে গায়ের জোরে নয়।

**বাক্তিগত ভাবে কাউকে হেয় করার চেস্টা করবেন না

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

চমৎকার বিষয়, তবে এই ফোরামে মনে হয় চলবে না।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফারহান খান (২৮-০৭-২০১২ ০০:২৫)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

চমৎকার বিষয়, তবে এই ফোরামে মনে হয় চলবে না।

http://forum.projanmo.com/topic37941-p2.html
এখানে যুদ্ধ সুরু হয়ে গেছে অলরেডি । নিজের কথা গুছাতে পারছিনা তাই কিছু বলতেও পারছিনা  nailbiting

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৮-০৭-২০১২ ০০:২৯)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সাইফুল ভাইকে ধন্যবাদ এই শ্রাবণের ঠান্ডায় ফোরামে কাঠকুটো জড়ো করায়।

মতান্তর তো আছেই, তবে আপনি যে পাড়েরই অধিবাসী হোন না কেন - ফাইনাল এ্যাগ্রিমেন্ট একটাই: গড ইয আনপ্রুভেবল।

ঈশ্বরের অস্তিত্ব আপনি প্রমাণও করতে পারবেন না, আবার তিনি নেই এটাও নাকচ করতে পারবেন না।

জঁ বার্ত্রঁ রাসেল-এর একটি খুব ফেমাস এ্যানালজী আছে এ ব্যাপারে - "রাসেল'স কসমিক টীপট"।

ধরুণ, রহমান ভাই দাবী করলেন তাঁর শাইনপুকুর কোম্পানী নির্মিত একটি বোনচায়না চায়ের কেটলী এই মূহুর্তে মহাকাশে পৃথিবীর চারপাশে আবর্তিত হচ্ছে। তার দাবীর সত্যতা প্রমাণের দায়িত্ব আপনার উপর ছেড়ে দেয়া হলো।

আপনি প্রমাণ করতে পারবেন না যে কেটলীটি সত্যিই এ মূহুর্তে মহাকাশে হাওয়া খাচ্ছে - এত ক্ষুদ্র অবজেক্ট ডিটেক্ট করতে পারে এমন টেলিস্কোপ মানুষ তৈরী করতে পারে নি।

আবার মহাকাশে যে আদৌ কোনো কেটলী নেই সেটাও আপনি প্রমাণ করতে পারছেন না।

ঈশ্বর ঐ কসমিক কেটলী। তাঁর অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব সাইন্সের নাগালের বাইরে। এ ব্যাপারে সবাই একমত।

Calm... like a bomb.

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

ফারহান খান লিখেছেন:
মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

চমৎকার বিষয়, তবে এই ফোরামে মনে হয় চলবে না।

http://forum.projanmo.com/topic37941-p2.html
এখানে যুদ্ধ সুরু হয়ে গেছে অলরেডি । নিজের কথা গুছাতে পারছিনা তাই কিছু বলতেও পারছিনা  nailbiting

এই কথার পর তো ওখানে কমেন্ট করতে রুচি হবে না অনকেরই।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আরণ্যক লিখেছেন:
ফারহান খান লিখেছেন:

http://forum.projanmo.com/topic37941-p2.html
এখানে যুদ্ধ সুরু হয়ে গেছে অলরেডি । নিজের কথা গুছাতে পারছিনা তাই কিছু বলতেও পারছিনা  nailbiting

এই কথার পর তো ওখানে কমেন্ট করতে রুচি হবে না অনকেরই।


দুঃখিত । আপনি বুঝতে পারেন নি আমি কি মিন করেছি । আর আপনার এমন ধারণার জন্য খানিকটা হলেও কস্ট পেলাম বৈকি।

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

টেকনিক্যালি সঠিক কাজ করেছেন সাইফুল ভাই। কারণ ঐ টপিক ঠিক এরকম আলোচনার উপযুক্ত না। অ্যাটলিস্ট শিরোনাম সেটা ইণ্ডিকেট করছেনা। কিন্তু এই টপিকের শিরোনাম দেখেই কোনও ফোরামিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি আলোচনায় অংশ নেবেন কিনা।

যাইহোক, বিশ্বাস জিনিসটাই যুক্তির পথে বাধা। কারণ যুক্তি দিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেলে সেটা আর কারও বিশ্বাস করা লাগেনা। এখনো কেউ কেউ বিশ্বাস করতে পারেন যে সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করতে পারেন পৃথিবী সূর্য়ের চারিদিকে ঘোরে। এধরণের "বিশ্বাস" গুলোর ইতিহাসে কোন স্থান নেই। বরং একটা "প্রমাণিত" সত্যকেই ইতিহাস ধরে রাখে।

ধর্মের বিষয়টা অনেক জটিল। বিশ্বাস তো আছেই, কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছু আছে "ধর্ম" কনসেপ্টটায়। অল্পকথায় এব্যাপারে কিছু বলা সম্ভব নয়। বরং ঈশ্বরকে পুরোপুরি বিশ্বাসের উপর তৈরি একটা কনসেপ্ট বলা যেতে পারে।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

এখানে এর আগে কাছাকাছি বিষয় নিয়ে ইনভারব্রাসের সাথে আলোচনা চলছিল কিন্তু অজানা কারণে টপিকের অপমৃত্যু ঘটে।  hairpull

hit like thunder and disappear like smoke

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আল্লাহ কোরানে ফেরাউন সম্পর্কে যা বলেছেন সেটা ত প্রমানিত। আজও তার লাশ দুনিয়াবাসী দেখছে। আর কিছু বলার আছে কি?

http://www.flixya.com/files-photo/u/m/a/umarh-1755944.jpg

শুনলাম ফেরাউনের লাশ নাকি কয়েক হাজার নাকি শত বছর সুমুদ্রের নিচে হারিয়ে গিয়েছিলো। আবার সেটা পাওয়া গিয়েছে।কুরআন এর সুরা/আয়াত টা সত্যি প্রমান করার জন্যই। এটা কি একটা উপযুক্ত প্রমান নয় ?

I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরণ্যক (২৮-০৭-২০১২ ০১:০৮)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

বিশ্বাস যাই হোক, ঈশ্বর না মানার মধ্যে অনেক সুবিধা আছে।

ঈশর কে বিশ্বাস করি এটা বলার সাথে সাথে অনেক জবাবদিহির সাথে নিজেকে যুক্ত করে ফেলা। এইটা করতে হবে, এইটা করা যাবে না।

আর নিজেকে বাঁদরের বংশধর মনে করতে পারলেই কেল্লাফতে! যা ইচ্ছা তাই করতে পারা যাবে। কোন জবাবদিহি নাই বা নিজের ইচ্ছা মত জবাবদিহি। thumbs_up




গুজব কে প্রমান হিসাবে চালানর চেষ্টা ভাল লাগে না...................

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আহমাদ মুজতবা (২৮-০৭-২০১২ ০১:৩৫)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আরণ্যক লিখেছেন:

বিশ্বাস যাই হোক, ঈশ্বর না মানার মধ্যে অনেক সুবিধা আছে।

ঈশর কে বিশ্বাস করি এটা বলার সাথে সাথে অনেক জবাবদিহির সাথে নিজেকে যুক্ত করে ফেলা। এইটা করতে হবে, এইটা করা যাবে না।

আর নিজেকে বাঁদরের বংশধর মনে করতে পারলেই কেল্লাফতে! যা ইচ্ছা তাই করতে পারা যাবে। কোন জবাবদিহি নাই বা ইজের ইচ্ছা মত জবাবদিহি। thumbs_up

সে জবাবদিহিতা কে ধিক্কার না জানালেই নয় যেই জবাবদিহিতা থাকার পরেও মানুষজন তার দোহাই দিয়ে দুনিয়ার খারাপ কাজ করে বেড়াচ্ছে। এই জবাবদিহিতা থেকে কি করে এত বোমাবাজি এত ধ্বংস এত হত্যা এত কিছু?

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
আরণ্যক লিখেছেন:

বিশ্বাস যাই হোক, ঈশ্বর না মানার মধ্যে অনেক সুবিধা আছে।

ঈশর কে বিশ্বাস করি এটা বলার সাথে সাথে অনেক জবাবদিহির সাথে নিজেকে যুক্ত করে ফেলা। এইটা করতে হবে, এইটা করা যাবে না।

আর নিজেকে বাঁদরের বংশধর মনে করতে পারলেই কেল্লাফতে! যা ইচ্ছা তাই করতে পারা যাবে। কোন জবাবদিহি নাই বা ইজের ইচ্ছা মত জবাবদিহি। thumbs_up

সে জবাবদিহিতা কে ধিক্কার না জানালেই নয় যেই জবাবদিহিতা থাকার পরেও মানুষজন তার দোহাই দিয়ে দুনিয়ার খারাপ কাজ করে বেড়াচ্ছে। এই জবাবদিহি থেকে কি করে এত বোমাবাজি এত ধ্বংস এত হত্যা এত কিছু?

  thumbs_up thumbs_up thumbs_up

তাহারাও আসলে পরের দলে। জবাবদাহির নিজস্ব ব্যাকারণ আবিষ্কার করিয়াছে। নিজের নিয়ম তৈরী করেছে। এদের অন্তর থেকে ঘৃণা করি। এরকম হওয়ার চেয়ে বাঁদর হওয়াও ভাল। hug

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৩

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আরণ্যক লিখেছেন:

আর নিজেকে বাঁদরের বংশধর মনে করতে পারলেই কেল্লাফতে! যা ইচ্ছা তাই করতে পারা যাবে। কোন জবাবদিহি নাই বা নিজের ইচ্ছা মত জবাবদিহি।

যতদূর জানি বিবর্তনবাদের উপরেই আধুনিক কালের গোটা জীববিদ্যা দাঁড়িয়ে আছে। জেনেটিক্সের উপর এতো গবেষণা হচ্ছে। ল্যামার্কিজম, ডারউইনিজম, মিউটেশান তত্ব, এবং আধুনিক সংশ্লেষ মতবাদ এগুলো তো 10+2 সিলেবাসেই অবশ্যপাঠ্য আছে।

গুগল সার্চ দিয়ে একটি বাংলা প্রবন্ধ পেলাম।
প্রজন্ম ফোরামেও আলোচনা হয়েছিলো। ইনভারব্রাস ভাইয়ের কিছু অসাধারণ যুক্তিযুক্ত পোস্ট আছে ঐ টপিকে।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

হৃদয় লিখেছেন:
আরণ্যক লিখেছেন:

আর নিজেকে বাঁদরের বংশধর মনে করতে পারলেই কেল্লাফতে! যা ইচ্ছা তাই করতে পারা যাবে। কোন জবাবদিহি নাই বা নিজের ইচ্ছা মত জবাবদিহি।

যতদূর জানি বিবর্তনবাদের উপরেই আধুনিক কালের গোটা জীববিদ্যা দাঁড়িয়ে আছে। জেনেটিক্সের উপর এতো গবেষণা হচ্ছে। ল্যামার্কিজম, ডারউইনিজম, মিউটেশান তত্ব, এবং আধুনিক সংশ্লেষ মতবাদ এগুলো তো 10+2 সিলেবাসেই অবশ্যপাঠ্য আছে।

গুগল সার্চ দিয়ে একটি বাংলা প্রবন্ধ পেলাম।
প্রজন্ম ফোরামেও আলোচনা হয়েছিলো। ইনভারব্রাস ভাইয়ের কিছু অসাধারণ যুক্তিযুক্ত পোস্ট আছে ঐ টপিকে।

এটা উনাদের দোষ না আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দোষ  neutral কোনো একটা বায়ো বইতেও কিছু লেখা ছিলো না কোনো কালে এ ব্যাপারে  angry সুতরাং একটা ভ্রান্ত ধারনা

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরণ্যক (২৮-০৭-২০১২ ০১:৫৩)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
হৃদয় লিখেছেন:

যতদূর জানি বিবর্তনবাদের উপরেই আধুনিক কালের গোটা জীববিদ্যা দাঁড়িয়ে আছে। জেনেটিক্সের উপর এতো গবেষণা হচ্ছে। ল্যামার্কিজম, ডারউইনিজম, মিউটেশান তত্ব, এবং আধুনিক সংশ্লেষ মতবাদ এগুলো তো 10+2 সিলেবাসেই অবশ্যপাঠ্য আছে।

গুগল সার্চ দিয়ে একটি বাংলা প্রবন্ধ পেলাম।
প্রজন্ম ফোরামেও আলোচনা হয়েছিলো। ইনভারব্রাস ভাইয়ের কিছু অসাধারণ যুক্তিযুক্ত পোস্ট আছে ঐ টপিকে।

এটা উনাদের দোষ না আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দোষ  neutral কোনো একটা বায়ো বইতেও কিছু লেখা ছিলো না কোনো কালে এ ব্যাপারে  angry সুতরাং একটা ভ্রান্ত ধারনা

হুম!
আচ্ছা এটা কি ১০০% ভাগ প্রমানিত যে মানুষ বানরের থেকে এসেছে?

আমি খুব বেশি জানি না এ বিষয়ে- আমার ধারণা এটা একটা হাইপোথেসিস। আর মিসিং লিংক (বানর আর মানুষের দেহ কাঠাম পরিবর্তনের) কি এখন পাওয়া গেছে?

দেহের কিছু অপ্রয়জনীয় অংশ থাকাটা কি খুব বড় প্রমাণ। confused

আর একটা হাস্যকর (?) কথা মাথায় ঘুরছে- "আচ্ছা আমরা যদি বানারের বংশদভূত হই। তাহলে এটা কিভাবে প্রমান করে ঈশ্বর নেই?"
হয়ত ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই আমরা বাঁদার সদৃশ প্রজাতি ছিলাম।   neutral  tongue  lol

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৬

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

রাশ লিখেছেন:

আল্লাহ কোরানে ফেরাউন সম্পর্কে যা বলেছেন সেটা ত প্রমানিত। আজও তার লাশ দুনিয়াবাসী দেখছে। আর কিছু বলার আছে কি?

আমার একজন পরিচিত হুজুর মিশরে ফেরাওনের লাশ দেখেছেন। তার কাছে সম্পূর্ণ বর্ণনা শুনে অবাক হই। ফেরাওনের নাকের ভেতর আমার মত একজন মানুষ অনায়াসে বসে থাকতে পারবে।


এখনে কিছু সঙ্কলিত পোস্ট দিলাম- নাস্তিকদের জন্য
নাস্তিকতা বিষয়টি নতুন কোন বিষয় নয়, মানব জাতির ধর্মীয় অবস্থা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সুদূর প্রাচীন কাল থেকেই একদল মানুষ আল্লাহকে "রব" হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে তারা প্রকৃতিবাদী হয়েছে। হুদ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জাতির মধ্যে এই জাতীয় চিন্তা-ভাবনা বিরাজমান ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। জীবন ও জগত সম্পর্কে তাদের ধারণার বহিঃপ্রকাশ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, তারা বলতোঃ

“(তারা বলে, কিসের আবার পুনরুত্থান) দুনিয়ার জীবনইতো হচ্ছে আমাদের একমাত্র জীবন, আমরা (এখানে) মরবো, (এখানেই) বাঁচবো, আমাদের কখনই পুনরুত্থিত করা হবে না"। (সূলা আল-মুমিনূন : ৩৭)

বর্তমানে সময়ে বিশ্বে এদের উত্তরসূরীদের অভাব নেই। কিন্ত জ্ঞানের এ অভিনব অগ্রগতির যুগে একদল চিন্তাশীল মানুষ যেমন আল্লাহকেই তাদের 'রব' বলে স্বীকার করে নিচ্ছে, তেমনি আরেকদল মানুষ আল্লাহকেই অস্বীকার করে বলেছে- আল্লাহ বলতে কিছুই নেই। এ জগত মহা বিস্ফোরণের ফল। আল্লাহ বলতে কেউ এসব সৃষ্টি করেনি; বরং মানুষই আল্লাহকে সৃষ্টি করেছে।

পূর্বের কুরআন অবিশ্বাসীরা কুরআন সম্পর্কে যা বলতো:
“আমরা চাইলে এধরণের কথাতো নিজেরাও বলতে পারি, এগুলো তো আগের লোকদের উপকথা ছাড়া আর কিছুই নয়”। (সূরা আল আনফাল : ৩১)
বর্তমান সময়ে নাস্তিকরা এই কথাগুলোই বলে থাকে।

নবীরা যখন অবিশ্বাসীদের এক আল্লাহর দিকে ডাকতো তখন তার জবাবে তারা বলতো:
“আমরা তো দেখছি যে, তুমি সুস্পষ্ট গুমরাহীতে লিপ্ত রয়েছ” (সূরা আল আ’রাফ: ৬০)
“আমরা তো তোমাকে নির্বুদ্ধিতায় লিপ্ত মনে করি” (সূরা আল আ’রাফ: ৬৭)
“তোমরা যা মেনে নিয়েছ আমরা তা অস্বীকার করি, অমান্য করি” (সূরা আল আ’রাফ: ৭৬)
কেউ যদি বর্তমানে কোন নাস্তিককে আল্লাহর দাসত্ব কবুল করে নেওয়ার কথা বলে তখন তারা এই কথাগুলোই বলে থাকে যেমন: তোমরা বোকা, তোমরা যা মান আমরা তার অস্বীকার করি।

হঠকারিতা বক্তব্য হিসেবে তারা যা বলতো:
“আচ্ছা, তাহলে নিয়ে আস সেই আযাব, যার তুমি আমাদেরকে ভয় দেখাচ্ছ”। (সূরা আল আরাফ: ৭০)
আযাবের ভয় দেখালে বর্তমান সময়ের নাস্তিকরা বলে থাকে, আযাব যদি সত্যিই থাকতো তাহলে তা আমাদের পাকড়াও করে না কেন?

যারা আল্লাহতে বিশ্বাসী তাদের বিরুদ্ধে তারা যা বলতো:
“এই লোকদিগকে তো এদের দ্বীন (ধর্ম) ধোকার কবলে নিক্ষিপ্ত করেছে” (সূরা আল আনফাল: ৪৯)
আল্লাহতে বিশ্বাসীদের এরা বোকা এবং ধোকার কবলে নিক্ষিপ্ত রয়েছে বলে একই মন্তব্য করে যাচ্ছে।

শুধু পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু অবিশ্বাসী উত্তরসুরীদের কথাগুলো একই রয়ে গেছে। যেমন: ফিরাউন সুউচ্চ প্রাসাদ বানিয়ে তাতে আরোহন করে মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেছিল, কই তোমার আল্লাহ, তাকে তো খুজে পেলাম না, ঠিক একই কথা বলেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক নিক্ষেপ করার পর, তারা বলেছিল, কই তোমাদের আল্লাহ, তাকে তো খুজে পেলাম না।
এখন দেখুন তো এই দুই শক্তির কোনটি টিকে আছে?
সোর্স ঃ  http://www.somewhereinblog.net/blog/man … n/29020557



নাস্তিক ভাইদের কাছে কিছু প্রশ্ন।
আস্তিক নাস্তিক তর্ক বিতর্ক চলছেই। এসবের মাঝে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে আবার অনেক কিছু জানাও যাচ্ছে এবং ভুল শোধরানো যাচ্ছে। কিন্তু এসব তর্কের প্রায় সবগুলোই ইসলাম, কোরআন এবং হাদিস অথবা ইসলামের কোন আইন নিয়ে, যার সবটাই আস্তিকের বিশ্বাসের ভিত্তি। কিন্তু নাস্তিকের বিশ্বাসের ভিত্তি কি? এটা নিয়ে কেন কোনো আলোচনা হয় না? উনাদের প্রশ্ন করলেও উনারা পাল্টা প্রশ্ন করে এরিয়ে যান। প্রশ্নের সোজা সরল উত্তর দেন না। শুধু অন্যের বিশ্বাসের ভুল ধরলে ত হবে না, নিজের বিশ্বাসটাও তো তুলে ধরতে হবে। কিন্তু তেমন কিছু দেখছিনা। তাই নিজেই নাস্তিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন করছি। কারন উনাদের বিশ্বাস সম্পর্কে আমার জানতে ইচ্ছে করছে। আশা করি উনারা পাল্টা প্রশ্ন না করে সহজ সরল ভাবে আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। প্রশ্ন গুলো হচ্ছেঃ-



১) আপনাদের বিশ্বাসের ভিত্তি বা মূলকথা কি?



২)আপনি কি আপেক্ষিক নৈতিকতায় বিশ্বাস করেন নাকি পরম নৈতিকতায়? বুঝিয়ে বলছি, আপনি কি বিশ্বাস করেন একজন মানুষের চারপাশ, সমাজব্যবস্থা,পরিবার ইত্যাদি তার মধ্যে নৈতিকতার সৃষ্টি করে এবং গড়ে তোলে? যদি তেমনটাই হয় তাহলে কিন্তু আপনি একটা বিশ্বাসে থেকে অন্য বিশ্বাস কে বিচার করতে পারেন না। কারন আপনার এখনকার সমাজ ব্যাবস্থার ফলে যে নৈতিকতা গড়ে উঠেছে তা চীন বা আফ্রিকায় থাকা একজন লোকের চেয়ে আলাদা। আপনার কাছে যেটা ভাল তা ঐ লোকটার কাছে নাও হতে পারে। তাই একটি বিশ্বাসে থেকে অন্য বিশ্বাসের ভুল ধরতে যাওয়া টা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। তার বিশ্বাসের ভুল বের করতে হলে আপনাকে তার বিশ্বাসের মূলনীতি গুলো মেনে নিতে হবে অথবা বুঝতে হবে, বিচার করতে হবে।



আবার, আপনি যদি পরম নৈতিকতায় বিশ্বাস করেন , মানে, আপনি যদি বিশ্বাস করে যে নৈতিকতা জন্ম থেকেই মানুষের মধ্যেই থাকে অর্থাৎ মানুষ নিজেই ঠিক করতে পারে কোনাটা সঠিক কোনটা খারাপ এবং চারপাশের সমাজব্যবস্থা সেটাকে ঠিক ভাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে তাহলে একটা প্রশ্ন এসে যায় যে এই নৈতিকতা কথা থেকে আসে? কিভাবে এর সৃষ্টি? মানুষের মধ্যে কি আছে যেটা ভাল মন্দ সঠিক ভুল এসব নির্ণয় করে?



৩) আপনার বিশ্বাসের ভিত্তি যদি ডারউইন তত্ত্ব হয় তাহলে আরও কিছু প্রশ্ন এসে যায়। তা হচ্ছে, প্রথম জৈব কোষের সৃষ্টি কিভাবে? বিজ্ঞানীরা আজ পর্যন্ত কি কো জৈব বস্তুর বা প্রানের সাহায্য ছাড়া পরীক্ষাগারে অজৈব থেকে প্রান কোষের বা প্রানের সৃষ্টি করতে পেরেছে? না পারলে আপনি কিভাবে বিশ্বাস করেন যে অজৈব বস্তু থেকে প্রানের সৃষ্টি? তাহলে এটা কি আপনার অন্ধ বিশ্বাস নয়?



৪) যদি পরকাল বলে কিছু না থাকে যেখানে আমাদের ভাল কাজের পুরস্কার এবং মন্দ কাজের শাস্তি দেয়া হবে তাহলে মৃত্যুর পর হিটলার, মাদার তেরেসা এবং একটা কুকুরের মধ্যে পার্থক্য কথায়? কেন আমি ভাল কাজ করব ভাল থাকব যেখানে খারাপ কাজ অথবা অসাদুপায় অবলম্বন করে বেশী অর্থ উপার্জন এবং আয়েশি জীবন যাপন করতে পারি?



৫) একজন স্মাগ্লার অথবা সন্ত্রাসিকে কিভাবে আপনি বুঝাবেন যে সে যা করছে তা খারাপ এবং এতে তার ক্ষতি হতে পারে? (ধরুন আইন সে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে এবং সে বডি গার্ড দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, যেটা সচরাচর ঘটছে এখন)



৬) একজন লোক ১০০ টি খুন করে ফাসির শাস্তি পেল আর আরেকজন এক ই শাস্তি পেল ১ টি খুন করে। এটা কি গ্রহণযোগ্য আপনার কাছে? কারন আমি বিশ্বাস করি একমাত্র আল্লাহই পারেন তাকে পরকালে যতবার প্রয়োজন ততবার জীবিত করে মৃত্যু যন্ত্রনা ভোগ করাতে। এটাই আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়।

আশাকরি আমি এই প্রশ্নগুলোর সহজ সরল উত্তর নাস্তিক ভাইদের কাছে পাব। ধন্যবাদ।

source: http://www.amarblog.com/mahadime88/posts/131509

Hoststorebd.com ... ওয়েব হোস্টিং বছরে ৩০০ টাকা থেকে শুরু, মাত্র ৬৫০ টাকয় রিসেলার হোস্টিং। এছারাও  সুলভ মুল্ল্যে ওয়েব সাইট ডিজাইনের অর্ডার দিতে পারেন এখানে।

১৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন @m0N (২৮-০৭-২০১২ ০২:০৭)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আরণ্যক লিখেছেন:

আর একটা হাস্যকর (?) কথা মাথায় ঘুরছে- "আচ্ছা আমরা যদি বানারের বংশদভূত হই। তাহলে এটা কিভাবে প্রমান করে ঈশ্বর নেই?"
হয়ত ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই আমরা বাঁদার সদৃশ প্রজাতি ছিলাম।   neutral  tongue  lol

‘ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেছেন’ এই তত্ত্বটির মধ্যে রয়েছে ধর্মের সবচেয়ে বড় ফাঁকি। আদমের উৎপত্তি কাল থেকে বাইবেলের হিসেব অনুযায়ী আব্রাহাম জন্মগ্রহণ করেছিলেন আদমের ১৯৪৮ বছর পর। এবং আব্রাহামের জন্ম থেকে যীশুর আবির্ভাব ঘটেছিলো ১৮৫২ বছর পর। অর্থাৎ আদম থেকে যীশুর সময়ের ব্যবধান ৩৮০০ বছর। বাইবেলে বিশ্বসৃষ্টির সময়কাল যেমন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তেমনি পৃথিবীতে কবে মানুষের আবির্ভাব হয়েছিলো তাও নির্দিষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে। আজকের ২০১২ সনকে ভিত্তি হিসেবে হিসেবে ধরে নিলে ওই হিসেব অনুসারে দেখা যায় আজ থেকে মাত্র ছয় হাজার বছর আগে (যীশুর জন্মের ৩/৪ বছর পর থেকে খ্রীষ্টীয় সন গণনা শুর হয়, সেই হিসেবে) বিশ্বসৃষ্টির সূচনা ঘটেছিলো। আর মানুষ সৃষ্টি হয়েছিলো, অর্থাৎ প্রথম মানব আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে- এর মাত্র দিন কয়েক পরেই। বাইবেলের এই সৃষ্টিতত্ত্বকে ইসলাম সমর্থন করে। কিন্তু এই সৃষ্টিতত্ত্ব আজ বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত মিথ্যে।

এখন থেকে প্রায় ২৫০০০ বছর আগে বিশুদ্ধ আধুনিক মানুষ ক্রোম্যাগনন্‌ মানুষ বা হোমস্যাপিয়েন্স -এর উদ্ভব। তার আগে পর্যন্ত বহু হাজার বছর ধরে নিয়ানডার্থাল মানুষ পৃথিবীর নানা  প্রান্তে টিকে ছিলো।ক্রোম্যাগনন্‌ মানুষের মতো বুদ্ধিমান মানুষের অস্তিত্বের পর্যাপ্ত ও সঠিক প্রমান বিজ্ঞানের হাতে এখন মজুত আছে। আজ এ সব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাবের কাল ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত গল্প-কথার প্রথম আদম সৃষ্টির সময়কালের চেয়েও অনেক-অনেক বেশী প্রাচীন।

hit like thunder and disappear like smoke

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৮-০৭-২০১২ ০৩:০৮)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

রাশ লিখেছেন:

আল্লাহ কোরানে ফেরাউন সম্পর্কে যা বলেছেন সেটা ত প্রমানিত। আজও তার লাশ দুনিয়াবাসী দেখছে। আর কিছু বলার আছে কি?

http://www.flixya.com/files-photo/u/m/a/umarh-1755944.jpg

শুনলাম ফেরাউনের লাশ নাকি কয়েক হাজার নাকি শত বছর সুমুদ্রের নিচে হারিয়ে গিয়েছিলো। আবার সেটা পাওয়া গিয়েছে।কুরআন এর সুরা/আয়াত টা সত্যি প্রমান করার জন্যই। এটা কি একটা উপযুক্ত প্রমান নয় ?

আপডেট: আপনার ছবিটি সঠিক আছে - এটি ফ্যারো রামসেস ২-এর মামীর ছবি। তবে তার মামী পাওয়া গেছে ভ্যালী অব দ্যা কিংস-এর একটি সমাধিতে। তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছিলেন। মামীটির গলায় একটি কাঠের কীলক প্রোথিত পাওয়া গেছে - সম্ভবত: মামীফিকেশনের সময় কোনো মিস্ত্রী অসাবধানে মেরে দিয়েছিলো। তিনি যে আর্থ্রাইটিসে ভুগতেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে স্পাইন দেখে। দাঁতেও এ্যাবসেস ছিলো। এছাড়া আর কোনো শারিরীক দুর্যোগের প্রমাণ পাওয়া যায় নি।

ইসরাইল ফিংকেলশ্টাইন এবং নীল এ্যাশার সিলবারম্যানের বেশ কিছু চমৎকার ডকুমেন্টারী এবং বই আছে - তাঁরা তেল আবিব ইউনিভার্সিটির আর্কিওলজীর প্রফেসর। গত আড়াই দশক ধরে বাইবেলের বিভিন্ন ঘটনার সত্যতা তাঁরা সরেজমিনে যাচাই করার চেষ্টা করেছেন - বেশিরভাগ ঘটনারই কোনো প্রমাণ তাঁরা পান নি।

মোসেস ও ফ্যারোর ব্যাপারে তাঁরা যা দেখিয়েছিলেন তা এইরকম:

প্রথমত:, বিবলিকাল মোসেস-এর জীবদ্দশায় ঠিক কে ফ্যারো ছিলেন তা নিশ্চিৎভাবে জানা যায় না। টাইমলাইন হিসাব করে ইতিহাসবিদরা মনে করেন ফ্যারো ২য় রামসেস (ওরফে রামসেস দি গ্রেট) ছিলেন বাইবেলের আলোচ্য ফ্যারো - মতান্তরে সেটি ১ম ছিলেন সেই ফ্যারো।

দ্বীতিয়ত: হিব্রু বাইবেলে বিভিন্ন বর্ণনায় এই ঘটনার অসামন্জস্য আছে। কোনো জায়গায় বলছে ৫/৬ লাখ লোককে নিয়ে মোসেজ এক্সোডাস করেন, আবার কোথাও বলছে ১ লাখ লোক বেরিয়ে গেছিলো মিশর থেকে। বাইবেলের মতে, এরা সিংহভাগ শ্রমিকশ্রেণীর লোক ছিলো। বাইবেল অভিযোগ করছে, ফ্যারো-র নির্দেশে মিশরীয়রা তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করতো, অত্যাচার করতো।

প্রত্নতাত্বিকরা বিভিন্ন ফ্যাক্টর হিসাব করে বের করেছেন ঐ সময় মিশরের সামগ্রিক জনসংখ্যা ১০ লাখের কাছাকাছি ছিলো। এখন, পপুলেশন ডাইনামিক্স যা বলে - ১০ লাখের মধ্যে ৫-৬ লাখ তো বাদই দিলাম, এমন কি ১-১.৫ লাখ লোক ঝরে গেলেই পুরো ইকোনোমী কলাপ্স করবে। বাইবেলই জানাচ্ছে এরা নিপীড়িত ওয়ার্কিং ক্লাস সিটিযেন ছিলো। অণ্য কথায়, মিশরীয় সাম্রাজ্যের চাকা ছিলো এরাই। এত বৃহৎ সংখ্যক ওয়ার্কার হারিয়ে ফেলা মানে গ্লোবাল ক্যাটাস্ট্রফি - রাতারাতি মিশরীয় সভ্যতা ধুলোয় লুটিয়ে পড়ার কথা - সাম্রাজ্য জুড়ে টোটাল এ্যানার্কী, টোটাল কলাপ্স।

প্যাট্রিয়ট এ্যাক্ট আর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি নিয়ে প্রেসিডেন্ট বুশ বহু গলাবাজী করলেও অবৈধ মেক্সিকান অধিবাসীদের টিকিটিও ছুঁতে পারেন নি - তিনি ভালৈ জানতেন ওয়ার্কিং ক্লাসের মর্যাদা - এদেরকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া মানে আমেরিকান ইকোনমীর নিজের পায়ে কুড়াল মারা।

কিন্তু মিশরীয় সভ্যতা ঐ ভাবে হঠাৎ করে ধ্বংস হয় নি। ধীরে ধীরে নীল নদে সূর্য অস্ত গিয়েছে। মোসেযের হাজার বছর পরেও সভ্যতা টিকে ছিলো - গৃক এবং রোমানরা এসে জুড়ে বসেছিলো। টলেমীদের আমলেও মিশর ব্যাপক প্রভাব শালী সাম্রাজ্য ছিলো।

তৃতীয়ত:, মিশরীয়রা একটি ব্যাপারে বিশ্বে অদ্বিতীয় ছিলো। হায়ারোগ্লিফিক্স ও প্যাপাইরাসের কথা আমরা সবাই জানি - মিশরীয়রা খুব পুংখানুপূংখভাবে দৈনন্দিন কার্যকলাপ, ঘটনাবলী হায়ারোগ্লিফিক্সে লিপিবদ্ধ করে রাখতো। কত দামে কি শস্য কেনা হয়েছে, রাজপরিবারের কোন সদস্য কোথায় ভিজিট করেছেন, কোন বিচারে কার কি শাস্তি হয়েছে ইত্যাদি খুটিনাটি তথ্য তারা ম্যানিয়াকের মত লিপিবদ্ধ করে রাখতো।

এক্সোডাসের মত এত বিরাট, ব্যাপক একটা ঘটনা ঘটে গেলো, অথচ এর ব্যাপারে একটি শব্দ পর্যন্ত কোথাও নেই। রেড সী দুই ফাঁক হয়ে গেলো, তাদের ফ্যারো ঐ সাগরে ডুবে পটলও তুললেন - সে ব্যাপারে কোথাও কোনো মেনশন নেই। হাজার হাজার হায়ারোগ্লিফিক্স ট্যাবলেট আবিষ্কৃত হয়েছে মিশরের বিভিন্ন স্থানে। ইয়েট, নট এ্যা সিংগল ওয়ার্ড এ্যাবাউট দ্যা এক্সোডাস... অদ্ভূত নয় কি?

বাইবেল বলছে হাজার হাজার ইহুদী পূত্র সন্তান হত্যা করা হয়েছিলো - ইজিপশিয়ান রেকর্ডসে কোনো মেনশন নাই। মোসেজ তার মনিবকে মার্ডার করে মিডিয়ান নগরীতে পালিয়ে যান - যেখানে চোরছ্যাচোড়দের শাস্তির উল্লেখ থাকে, সেখানে একটি মার্ডার কেসের ব্যাপারে কোনো তথ্য নাই। এরপর মোসেজ এবং এ্যারণ মিশরের উপর পরপর দশটি প্লেগ আনলীশ করেন - নীল নদের পানি রক্তে পরিণত হওয়া, খরা, পংপালের আক্রমণ, প্রচন্ড ঝড়, মিশরীয়দের গা থেকে পুজ গড়িয়ে পড়া ইত্যাদি ইত্যাদি ফ্যান্টাস্টিক সুপারন্যাচারাল ঘটনাবলী .... যার ফলে প্রবল প্রতাপশালী ফ্যারো শেষপর্যন্ত মানসিকভাবে বিদ্ধস্ত হয়ে পড়েন এবং অবশেষে ইসরাইলীদের মুক্তি দিতে বাধ্য হন - আবারও কোনো রেকর্ড নাই। জলবায়ুর রেকর্ড বলতে নীলনদের বার্ষিক বন্যার কথা (আমাদের ক্লাস ফাইভের বাচ্চাও যা জানে) আর মাঝে মধ্যে কিছু খরার উল্লেখ পাওয়া গেছে - রেগুলার বিজনেস।

চতুর্থত:, বাইবেল জানাচ্ছে মিশর থেকে বেরিয়ে গিয়ে মোসেয ও তাঁর দলবল চল্লিশ বছর ধরে ডেজার্টে ঘোরাঘুরি করেছেন। ঐ সময় মিশর ছিলো রিজিওনাল সুপার পাওয়ার - তাদের চরম শত্রু ছিলো ব্যাবীলনীয়রা। এই দুই অক্ষশক্তি মিলে ইসরায়ল এবং কেনান অন্চল ভাগাভাগি করে দখল করে রেখেছিলো। নর্দার্ণ এবং সাদার্ণ কিংডমের প্রায় পুরোটা জুড়ে ছিলো মিশরীয় মিলিটারী প্রেজেন্স। পুরো লেভান্ট অন্চল জুড়ে কমসে কম একশরও বেশি মিশরীয় গ্যারিসন এবং আউটপোস্ট ছিলো। এবং এসব ক্যাম্প নিয়মিত একে অপরের সাথে খবর আদান প্রদান করতো। বিরাট সাপ্লাই চেন নেটওয়ার্ক ছিলো পুরো লেভান্ট ব্যাপী - হাজার হাজার সৈন্যকে খাওয়ানো পরানো এবং অন্যান্য লজিস্টিকাল সাপোর্ট দেয়া চাট্টিখানি কথা না। এসব ক্যাম্পে প্রচুর হায়ারোগ্লিফিক্স ট্যাবলেট পাওয়া গেছে যেখানে দৈনন্দিন সব বোরিং তথ্য, হিসাবপাতি ইত্যাদি লিপিবদ্ধ আছে।

মোসেয এবং লাখ লাখ জনসংখ্যা যদি চল্লিশ বছর ধরে ডেজার্টে ঘোরাফেরা করতে থাকেন, তাহলে অন্তত: একটি হলেও গ্যারিসনের সাথে এনকাউন্টার হবার কথা। মেইনল্যান্ড থেকে এত বিরাট সংখ্যক ডিফেক্টর পলাতক হয়েছে, অথচ এরা কিছুই জানে না। তার উপর ইসরাইলী জনগোষঠি নিশ্চয়ই আফ্রিকার দিকে রওনা হবে না, ঘরের ছেলে ঘরেই ফিরে যাবে - এরা মিলিটারী অধ্যুষিৎ এলাকা দিয়েই পাস করবে। অথচ কোনো ক্যামপে রেকর্ড নেই। কয়েক লক্ষ ইনভিজিবল ম্যান ওদের চোখে ধুলো দিয়ে চল্লিশ বছর কাটিয়ে দিলো - আর রামসেসের বিরাট নৃশংস ব্যাটালিয়ন ঘুণাক্ষরেও টের পেলো না?

পন্চমত: তেল আবিব ইউনিভার্সিটির ছেলেপেলেরা একদম পায়ে হেঁটে লেভান্ট বেসিনের প্রতিটি ইন্চি সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়েছে। এত বিরাট সংখ্যক লোক যেহেতু ঘোরাফেরা করেছে, অনেকগুলো সেটেলমেন্টের অস্তিত্ব পাওয়ার কথা। যা পাওয়া গেছে তা হলো কিছু ছোট্ট পাড়া-গায়ের ধ্বংসাবশেষ - এদের কোনোটারই জনসংখ্যা শ'পাচেকের বেশি হতে পারে না। এত বিরাট ওয়ান্ডারিং পপুলেশন ডেজার্টে কিছু না কিছু ট্রেস রেখে যাওয়ার কথা - কিছুই পাওয়া যায় নি। এ ছাড়াও স্যাটেলাইট জিও-ইমেজিং করে পুরো অন্চলের টপোলজী এ্যানালাইয করেছে - কোথাও কোনো বড় সেটেলমেন্টের নিদর্শন পাওয়া যায় নি।

এরকম আরো বেশ কিছু অকাট্য যুক্তি তাঁরা দিয়েছিলেন - অনেকদিন আগে দেখা সিরিজ, সবগুলো পয়েন্ট মনে নাই।

এ্যাব্রাহাম, নোয়া, মোসেস, ডেভিড, সলোমন, জোশুয়া এদের কাহিনী বেশিরভাগই মিথোলজী, তবে কিছু আংশিক সত্য লুকিয়ে আছে।

Calm... like a bomb.

১৯

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

কোনো একটা বায়ো বইতেও কিছু লেখা ছিলো না কোনো কালে এ ব্যাপারে

সেটা অনুমান করেছি। বই লেখক বা শিক্ষকদের দোষ দেওয়া যায়না। মনে করুন শিক্ষক ক্লাসে পড়াতে ঢুকেছেন, আর ছাত্ররা সমস্বরে প্রতিবাদ করছে যে তারা ঐ টপিক পড়বেনা। তাহলে কার সাধ্য পড়ায়? জোর করে পরীক্ষায় কম্পালসরি প্রশ্ন দিলেও প্রশ্নকর্তার প্রাণের আশঙ্কা!  worried

+2 লেভেলে একটা রেট্রোভাইরাস কিভাবে ভ্যাকসিনগুলোকে প্রতিহত করতে পারে সেটার ব্যাখ্যা থেকে ডিএনএ রেপ্লিকেশানের সেমি কনজারভেটিভ মডেল - সবকিছুতেই তো ইভোলিউশন ঢুকে বসে আছে। ও চ্যাপ্টার ছাড়া +2 এর বায়ো সিলেবাসই দাঁড় করানো সম্ভব নয়। যদি না লেখক বিভিন্ন বিষয়গুলির ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় সুচতুরভাবে কিছু কিছু তথ্য আড়াল করে যান!

আরণ্যক লিখেছেন:

আচ্ছা এটা কি ১০০% ভাগ প্রমানিত যে মানুষ বানরের থেকে এসেছে?

ঠিক "বানর" বলা যায়না। তবে বানর সদৃশ (প্রাইমেট) একধরণের প্রাণী বটে। হ্যাঁ, বিবর্তন হয়েছে বা এখনো হয়ে চলেছে সেটা 100% প্রমাণিত। মতভেদ আছে যেটা নিয়ে তা হল অ্যাকচুয়ালি বিবর্তনের প্রসেসটা কি। ডারউইনিজম যতখানি বায়োলজিক্যাল, তার চেয়ে অনেক বেশী ম্যাথেমেটিক্যাল। খুব মেথডিক্যালভাবে একের পর এক লজিক সাজিয়ে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত। সেটা নিয়ে দ্বিমত নেই। মতভেদ আছে এর বায়োলজিক্যাল ডিটেইল নিয়ে। তবে সেটাও অনেকখানি দূরীভূত করা হয়েছে Synthesis Theory দিয়ে। অত্যন্ত রাফ ধারণায় যেটুকু জানি এটাতে বিবর্তনের প্রক্রিয়ার সাথে মিউটেশান আর জিনপুল সংক্রান্ত ডিটেইল অ্যাড করা হয়েছে।

আরণ্যক লিখেছেন:

দেহের কিছু অপ্রয়জনীয় অংশ থাকাটা কি খুব বড় প্রমাণ।

খুব ছোট একটা প্রমাণ। তবে আরও অজস্র প্রমাণ আছে। আপাতত কয়েকটা উল্লেখ করছি।

Evidences from comparative anatomy (তুলনামূলক শারীরস্থানঘটিত প্রমাণ): Chordata পর্বের Vertebrata উপশ্রেণির ক্লাসিফিকেশানের Pisces (মাছ), Amphibia (উভচর), Reptilia (সরীসৃপ), Aves (পক্ষী) এবং Mamalia (ম্যামেলিয়া) শ্রেণিতে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে (2 -> 3 -> 3.5 -> 4)। এছাড়া এই শ্রেণিগুলিতে পর্যায়ক্রমে গুরুমস্তিষ্কের (cerebrum) ক্রমোন্নতি দেখা গেছে।

Homologous and analogous organs - গুগল সার্চ করলে অনেক তথ্য পাবেন।

Vestigial organs - যেটার ব্যাপারে বলছিলেন। মানুষের অ্যাপেন্ডিক্স (আমরা ঘাস খেতাম  big_smile ), কক্সিক্স (আমাদের লেজ ছিল  big_smile big_smile ), তাছাড়া পাইথন সাপের পশ্চাৎপদ, কালিকাসুন্দা পাতার স্ট্যামিনোড (staminode) ইত্যাদি অনেক আছে।

মিসিং লিংক এর কথা বলতে গেলে পেরিপেটাস, ডাকবিল প্ল্যাটিপাস, আর্কিওপটেরিক্স, লাংফিশ, অজস্র প্রাণী যুগযুগ ব্যাপী বিবর্তনের পক্ষে নীরব সাক্ষ্য দেয়।

Palaeontological এভিডেন্সগুলোর কথা বলতে গেলে তো ঘোড়ার জীবাশ্মের কথা বলতেই হবে। ইওহিপ্পাস থেকে ইকুয়াস পর্যন্ত পুরো বিবর্তনের রূপরেখাটি পাওয়া সম্ভব হয়েছে জীবাশ্ম থেকে। এই বিবর্তনে সবচেয়ে প্রকট যে বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে তা হল উচ্চতা বৃদ্ধি এবং সম্মুখ ও পশ্চাৎপদে আঙুলের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাওয়া।

তা ছাড়া HIV ভাইরাসের বিবর্তন (এবং তার ভয়াবহ ফলাফল) তো মানুষের চোখের সামনেই ঘটেছে।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

২০

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

ঐ পোষ্টে যে কমেন্ট করেছি, সেটাই এইখানে কপি করে দিচ্ছিঃ

বিজ্ঞান জানে - আজকে যা বলছে - কালকে সেটা ভুল ও হতে পারে। আজকের ভুল কালকে সত্য হতে পারে। এক সীমাহীন ভাঙ্গা গড়ার খেলার মধ্য দিয়েই বিজ্ঞান এগিয়ে চলছে।  বিজ্ঞানে ধ্রুব সত্য বলে কিছুই নেই।
সমস্যা হচ্ছে এই বিজ্ঞানকেই অনেকে একটা ধর্ম বানিয়ে ফেলে। বিজ্ঞান যেটা প্রমান করতে পারেনি - তারা সেটাকে পুরোপুরি অস্বীকার করে. যেনবা - বিজ্ঞান যে পর্যন্ত যেতে পারেনি - সেই বিষয়গুলি এই মহাবিশ্বেই নেই.
বিজ্ঞান কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বলত আলোই মহাবিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে চলে। আপনি যদি বলতেন এর চেয়েও দ্রুতগতির জিনিস মহাবিশ্বে আছে - আপনাতে তখন সেই বিজ্ঞানের অন্ধভক্তরা পাগল বলত। কিন্তু যারা সত্যিকারের বিজ্ঞানমনস্ক, তারা কথাটাকে একটা "সম্ভবনা" এর বিভাগে ফেলত - সরাসরি বিরোধিতা করত না।
সত্যিকারের বিজ্ঞানমনস্করা সম্ভাবনার কথাটি সবসময় মাথায় রাখবে - আর বিজ্ঞানের অন্ধভক্ত তথা অপবিজ্ঞানের ফেরিওয়ালারাই বলে বেড়াবে বিজ্ঞান এইটা বলেছে - তাই এইটাই ধ্রুব। এর বাইরে কিছুই হতে পারে না।

ভার্চুয়াল দিনমজুর আমি