টপিকঃ পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘূর্ননের ফলে,পৃথিবীতে দিনের পর রাত রাতের পর দিন আসে।এমনি ভাবে নিজ অক্ষের উপর ঘোরার সাথে সাথে নিজ কক্ষপথে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিন করলে এক বছর পূর্ন হয়।আমরা পৃথিবীকে স্হির মনে করি এবং সূর্যকে দেখি সম্পূর্ন আকাশ প্রদক্ষিন করতে,সূর্যের এই প্রদক্ষিন কালই এক বছর।সূর্য যখন দক্ষিনায়ন থেকে উওরায়নে প্রবেশ করে সেই সময় নতুন বর্ষ বা (Toypical yer) আরম্ভ হয়।পৃথিবীর এই দুটি ঘূর্নন বাদে আরও একটি ঘূর্নন আছে,মেরু অক্ষ বরাবর এই ঘূর্নন কে বলে অয়নচল (Precession) । (Like a rotating toy top ঘূর্নায়মান লাটিমের সাথে এর তুলনা করা যায়)।
পৃথিবীর মেরুঅক্ষ 23.5 ডিগ্রী হেলানো আছে এবং পৃথিবীর এই ঘূর্নন অক্ষ মহাকাশে স্হির নয়।এটি খুব ধীর গতির ঘূর্নন এই ঘূর্নন একবার শেষ করতে সময় লাগে 26,000 হাজার বছর।সূর্য যখন দক্ষিনায়ন থেকে উওরায়নে প্রবেশ করে তখন শীতের অবসান ঘটে এবং বসন্তের আগমন ঘটে।পৃথিবীর এই দুই অয়নের সন্ধি বিন্দুকে বিঁষুবন বিন্দু (Equinox) বলে।এই রকম দুইটি বিষুবন বিঁন্দু আছে।দক্ষিনায়ন থেকে উওরায়ন প্রবেশ বিঁন্দুকে বসন্ত বিষুবন এবং উওরায়ন থেকে দক্ষিনায়নের গমন বিন্দুকে হেমন্ত বিষুবন বিঁন্দু বলে।এই বিঁন্দু দুটি অবশ্য সূর্যপথ ও খ-বিষুবের (Celestial Equator) ছেদ বিঁন্দু।এই বিষুব বিঁন্দুর একটি অগ্রগতি আছে,এই বিঁন্দু প্রতিবছর 50.2 সেকেন্ড পরিমিত জায়গা পশ্চিম দিকে সরে।
যেমন অতীতে এমন এক সময় ছিল যখন বসন্ত বিষুবন মেষরাশির আদি বিঁন্দুতে উপস্হিত ছিল,বর্তমানে বসন্ত বিষুবন বিঁন্দু মেষরাশির আদি বিঁন্দু থেকে প্রায় 26 ডিগ্রী 24 মিনিট পশ্চিমে সরে গিয়ে প্রায় মীন রাশির আদি বিঁন্দুর নিকট উপস্হিত হয়েছে।আর মাত্র 150 বছর পর মীনরাশির আদি বিঁন্দুতে বিষুবন ঘটবে।এবং পরবর্তীতে এখান থেকে আস্তে আস্তে সরে কুম্ভ রাশিতে বিষুবন ঘটবে।পৃথিবীর এই দুই অয়নচলের কারনে আকাশের খ-বস্তু সমুহের বিষুবাংশ (Right Ascension) এবং বিষুবলম্ব (Declination) ও পরিবর্তনশীল।
আমরা ধ্রুব (North pole star) তারাকে আকাশের এক জায়গায় স্হির দেখি,আসলে কিন্ত ধ্রুব তারা স্হির নয়,পৃথিবীর এই অয়নচলের জন্য এই তারার ও অবস্হানের পরিবর্তন হয়।মেরু অক্ষের এই গতির জন্য আজ থেকে 13,000 হাজার বছর পরে বর্তমানের ধ্রুব তারা সরে গিয়ে বীনা (Lyra) মন্ডলের উজ্জল তারা অভিজিৎ (Vega) ধ্রুব তারায় পরিনত হবে।এবং পরবর্তীতে আলফা ড্রাকোনিডস,ডেনেব,আল ডিরামিন,সিফিয়াস মন্ডলের গামা সিফি,বিটা সিফি,এবং আলফা সিফি ধ্রুব তারায় পরিনত হবে।

ছবি দেখতে ক্লিক করুন-
http://www.google.com/search?q=Earth+Pr … mp;bih=578

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

খুব কঠিন, আমার মাথায় ঠুকার কথা নয়।
আমি যেটা বুঝি সেটা হল- আল্লাহর সকল সৃষ্টিই ঘূর্ণায়মান অর্থাৎ স্থির নয়।

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

আমার মাথায় তো কিছুই ঢুকল নাhttp://blaise.us/emots/yikes.gif, পুরাই ব্রেকফেলhttp://blaise.us/emots/drive1.gif

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

মহাকাশ আমার খুব আগ্রহের একটি ব্যাপার, তথ্য পাইলেই পড়ার চেষ্টা করি না বুঝলেও! ধন্যবাদ!

ওয়েব হোস্টিং | রিসেলার হোস্টিং | অনলাইন রেডিও হোস্টিং
টেট্রাহোস্ট বাংলাদেশ - www.tetrahostbd.com

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

এন্টেনার উপর দিয়ে গেল!

roll

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

মোরসেদ ভাই, আপনার লেখাগুলি তথ্যপূর্ণ হয়, তবে উপরের মন্তব্য গুলি পড়ে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন যে আপনার লেখাটা কিছুটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আপনাকে আরো সহজ করে বলার চেষ্টা করতে হবে। অবশ্য আপনি যে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন সেটি সহজে লিখলেও অনেকেই বুঝতে পারবেন না। বিষয়টি আমার খুব ভালো ভাবে জানা ছিলো, সহজ করে বলতে পারলে বাকিদেও বুঝতে সহজ হতো।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

বইয়ের ভাষা এর মত হয়ে গেল  । জিওগ্রাফিতে হালকা পাতলা ধারণা না থাকলে এই ব্যাপারগুলো বুঝা খুব একটা সম্ভব নয় , আসলে সাবলিল ভাষায় বর্ণনা করাটাও জটিল ব্যাপার একটু । মহাকাশ এর ধারণা এতই বিশাল আর এতই কঠিন যে এটা বুঝানোটাও একটু টাফ ব্যপার । আরেকটু সহজে লেখার চেস্টা করুন আসলে আরেকটু বিস্তারিত বলা উচিত  কারণ  উওরায়নে প্রবেশ, খ-বিষুবের ,বিঁষুবন বিন্দু ,ড্রাকোনিডস,ডেনেব,আল ডিরামিন,সিফিয়াস মন্ডলের গামা সিফি,বিটা সিফি,এবং আলফা সিফি এইসব মাথার উপরে দিয়েই যাওয়ার কথা ।

যাই হোক পরবর্তিতে শুভ কামনা smile

"You hate everything you see in me-Have you looked in a mirror'

http://www.priyobd.net/  Live chat with us !!

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

আসলে ঠিক বলেছেন আর একটু সহজ করে লেখা প্রয়োজন ছিল।সামনের লেখাগুলো সহজভাবে লেখার চেস্টা করবো।
ধন্যবাদ ব্যাপারটা ধরিয়ে দেবার জন্য।

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

যারা জানেন না বা আইডিয়া নেই তাদেরকে বলছি। পোলারিস হল ধ্রুব তারা। রাতের বেলা একেবারে উত্তর দিকে তাকালে একটু উপরের দিকে যে তারাটা দেখা যায় সেটাই। অনেকে এমনিতেই চিনে। আর ভেগা চিনতে হলে আপনাকে এই মাসের সন্ধ্যার পর পর (৬-৩০ থেকে ৮ টা) ঠিক উত্তর পশ্চিম দিকে তাকাতে হবে। সেখানে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে তারাটা, সেটাই ভেগা।

Precession এর জন্য ১৩,০০০ বছর পর এই ভেগা, ধ্রবতারার কাছাকাছি চলে যাবে। শুধু ভেগা না আসলে, পৃথিবীটাই ঘুরে যাবে। ফলে রাতের আকাশ পুরোটাই প্রায় ৪০ ডিগ্রি (ধ্রুব তারা থেকে ভেগার দুরত্ব) মুভ করবে।  এই দুরত্বটা কম না। তারা দুটো যদি দেখেন দুরুত্ব সম্পর্কে আইডিয়া হয়ে যাবার কথা।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

শিপলু লিখেছেন:

পোলারিস হল ধ্রুব তারা। রাতের বেলা একেবারে উত্তর দিকে তাকালে একটু উপরের দিকে যে তারাটা দেখা যায় সেটাই।

আমি চিনি। তবে যারা চেনেনা তারা ঢাকার আকাশে ধ্রুবকে খুঁজে পাবেন না মনে হয়।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১১

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

আমি পোলারিস চিনি। বেশিরভাগ লোকই সিরিয়াসকে পোলারিস ভেবে ভুল করে। সিরিয়াস বা লুব্ধক হচ্ছে আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা।

১২

Re: পৃথিবীর অয়নচল (Earth Precession)।

আগন্তুক মিলন লিখেছেন:

সিরিয়াস বা লুব্ধক হচ্ছে আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা।

লুব্ধক কিন্তু একটি জোড়া তারা। লুব্ধক আর ধ্রুব দুটিতো সম্পূর্ন দুইদিকে থাকে, গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নাই।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।