সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন NAWAZ (০৭-০২-২০১২ ১৩:৫২)

টপিকঃ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

আজ আমি যে ভিডিওটি পোস্ট করছি সেটি হয়তো অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু আমি বলব, আবার দেখুন। কেন দেখতে বলছি তা দেখার পরেই বুঝতে পারবেন।

ভিডিওটির সম্পর্কে যদি আমি কিছু বলে দেই তাহলে আমার মনে হয় এটির তাৎপর্য কমে যাবে। আর আমার িমনে করি এই ভিডিওটি না দেখলে অনেক বড় একটা মিস করবেন। দেখার পর যদি কারো ভালো না লাগে তাহলে আমাকে যা ইচ্ছ বলবেন কোন সমস্যা নাই।

Re: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

এত বড় ভিডিও দেখার ধর্য  নাই

Re: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

ভিডিওটা সম্পর্কে সামান্য রিভিউ দিলে আমি সহ অনেকেই দেখার আগ্রহ পেত।

Re: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

ধন্যবাদ NAWAZ  clap প্রতিটি সন্তানেরই ভিডিওটি দেখা উচিত,

ইলিয়াস লিখেছেন:

ভিডিওটা সম্পর্কে সামান্য রিভিউ দিলে আমি সহ অনেকেই দেখার আগ্রহ পেত।

ভিডিওটি আসলে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য কেমন হওয়া উচিত সেটাই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়  hug

পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলের ২৩ ও ২৪নং আয়াতে মহান আল্লাহ পাক ঘোষণা দিয়েছেন : ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন, তাকে ছাড়া আর কারো ইবাদত কর না এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে একজন কিংবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদের ব্যাপারে আহ্! শব্দটিও বলো না, তাদেরকে ধমক দিও না এবং তাদের সঙ্গে নম্রভাবে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বল। তাদের সামনে সম্মান ও সহানুভূতির সঙ্গে নম্রভাবে মাথানত করে দাও (আচরণ কর) এবং বল, হে প্রভু! তাদের উভয়ের প্রতি করুণা কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’

ওই দু’টি আয়াতে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে আমাদের সদয় ও সহানুভূতিপূর্ণ আচরণ করতে হবে। তারা বার্ধক্যে উপনীত হলে কোনো রূঢ় ও কর্কশ কথা বলা যাবে না। আমাদের মনে রাখা দরকার, তারা নিঃস্বার্থভাবে শিশুকালে আমাদের সেবা-যত্ন করে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। বৃদ্ধ পিতা-মাতার কাছ থেকে একটু কষ্ট ও বিরক্তিকর কিছু প্রকাশ পেলেই আমরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবো আল্লাহ তা দেখতে চান না।

এক ব্যক্তি নবীজীকে অভিযোগ করল হে আল্লাহর রাসুল! আমার মা বদ মেজাজের মানুষ,কী করব?
নবীজী সা. বললেনঃ ৯ মাস পর্যন্ত যখন তোমার মা তোমাকে পেটে ধারণ করে ঘুরে বেরিয়েছে তখন তো সে খারাপ মেজাজের ছিল না...!!
লোকটি আবার বললঃ আমি সত্যি বলছি।
রাসুল সা. বললেনঃ তোমার জন্য যখন সে রাতের পর রাত জাগ্রত থাকত এবং তোমাকে নিজের দুধ পান করাত তখন তো সে খারাপ মেজাজের ছিল না...!!
লোকটি বললঃ আমি আমার মায়ের সে সব কাজের প্রতিদান দিয়ে দিয়েছি, আমি তাকে কাধে চড়িয়ে হজ্জ করিয়েছি।
রাসুল সা. বললেনঃ তুমি কি তার সেই কষ্টের প্রতিদান দিতে পারবে?? যা সে তোমাকে জন্ম দেয়ার সময় স্বীকার করেছে???

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বাবা-মায়ের অনুগত হওয়া এবং তাদের সন্তুষ্টি বিধানের তওফিক দান করুন।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুক এবং রহমত দান করুক (আমীন)।

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।

Re: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

ভিডিও দেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু নেটের যে স্পিড। brokenheart

Re: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লিপ

masud3011 লিখেছেন:

ধন্যবাদ NAWAZ  clap প্রতিটি সন্তানেরই ভিডিওটি দেখা উচিত,

ইলিয়াস লিখেছেন:

ভিডিওটা সম্পর্কে সামান্য রিভিউ দিলে আমি সহ অনেকেই দেখার আগ্রহ পেত।

ভিডিওটি আসলে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য কেমন হওয়া উচিত সেটাই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়  hug

পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলের ২৩ ও ২৪নং আয়াতে মহান আল্লাহ পাক ঘোষণা দিয়েছেন : ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন, তাকে ছাড়া আর কারো ইবাদত কর না এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে একজন কিংবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদের ব্যাপারে আহ্! শব্দটিও বলো না, তাদেরকে ধমক দিও না এবং তাদের সঙ্গে নম্রভাবে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বল। তাদের সামনে সম্মান ও সহানুভূতির সঙ্গে নম্রভাবে মাথানত করে দাও (আচরণ কর) এবং বল, হে প্রভু! তাদের উভয়ের প্রতি করুণা কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’

ওই দু’টি আয়াতে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে আমাদের সদয় ও সহানুভূতিপূর্ণ আচরণ করতে হবে। তারা বার্ধক্যে উপনীত হলে কোনো রূঢ় ও কর্কশ কথা বলা যাবে না। আমাদের মনে রাখা দরকার, তারা নিঃস্বার্থভাবে শিশুকালে আমাদের সেবা-যত্ন করে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। বৃদ্ধ পিতা-মাতার কাছ থেকে একটু কষ্ট ও বিরক্তিকর কিছু প্রকাশ পেলেই আমরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবো আল্লাহ তা দেখতে চান না।

এক ব্যক্তি নবীজীকে অভিযোগ করল হে আল্লাহর রাসুল! আমার মা বদ মেজাজের মানুষ,কী করব?
নবীজী সা. বললেনঃ ৯ মাস পর্যন্ত যখন তোমার মা তোমাকে পেটে ধারণ করে ঘুরে বেরিয়েছে তখন তো সে খারাপ মেজাজের ছিল না...!!
লোকটি আবার বললঃ আমি সত্যি বলছি।
রাসুল সা. বললেনঃ তোমার জন্য যখন সে রাতের পর রাত জাগ্রত থাকত এবং তোমাকে নিজের দুধ পান করাত তখন তো সে খারাপ মেজাজের ছিল না...!!
লোকটি বললঃ আমি আমার মায়ের সে সব কাজের প্রতিদান দিয়ে দিয়েছি, আমি তাকে কাধে চড়িয়ে হজ্জ করিয়েছি।
রাসুল সা. বললেনঃ তুমি কি তার সেই কষ্টের প্রতিদান দিতে পারবে?? যা সে তোমাকে জন্ম দেয়ার সময় স্বীকার করেছে???

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বাবা-মায়ের অনুগত হওয়া এবং তাদের সন্তুষ্টি বিধানের তওফিক দান করুন।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুক এবং রহমত দান করুক (আমীন)।

ধন্যবাদ মাসুদ ৩০১১ ভাইকে।