৪১

Re: বিষন্নতা

zahidprimex লিখেছেন:

ধন্যবাদ ভাই। আমি পরীক্ষার কারনে খুব ব্যাস্ত অাছি। অাপনি চালিয়ে যান।অার অামার পরীক্ষার জন্য দোয়া করার অনুরোধ থাকল।

দোয়া করছি। ফী আমানিল্লাহ!

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৪২

Re: বিষন্নতা

শিপলু লিখেছেন:

মেডিটেশন নিয়ে কিছু বই পড়েছি। নিজে নিজে করেছিও একসময় (স্কুল থেকে কলেজ)। ভাবছি, কোর্স করব।
কেমন হবে?
কেউ বলতে পারেন??

ভালই হবে । আমার করার ইচ্ছে ।
ঢাকাতে কোথায় করায় জানাতে পারবেন?

চেষ্টার কোন শেষ নাই !!!!

৪৩

Re: বিষন্নতা

আকাশ লিখেছেন:

ভালই হবে । আমার করার ইচ্ছে ।
ঢাকাতে কোথায় করায় জানাতে পারবেন?

ঠিকানা দেয়াটা অফটপিক হবে কিনা বুঝতে পারছি না। বার্তা পাঠালাম।

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৪৪

Re: বিষন্নতা

এটা জানি, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করতে হবে।
পত্রিকায় কয়দিন নিয়মিত চোখ রাখলেই ওদের বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

৪৫

Re: বিষন্নতা

রুমন লিখেছেন:

প্রায় সব মেডিকেলগুলোতেই এখন সাইকোথেরাপি সেন্টার থাকে। সাইকোথেরাপিস্টরাই কাউন্সেলিং করেন।

সাইকোথেরাপি আর কাউন্সেলিং এক জিনিশ না। আমাদের যারা সাইকোথেরাপিস্ট আছেন, তারা রাশভারী চেহারারা নিয়ে রোগীদের মন কতটা জয় করতে পারেন জানি না।

ট্রমা বলতে শ্যামলীর হাসপাতালের কথা বুঝিয়েছেন যেখানে সাধারনত হাড়ের চিকিৎসা দেওয়া হয় ? confused

ঠাট্টা করে থাকলে কথা নেই। কিন্তু আপনি ট্রমা আর কোমা প্যাচ দিয়ে ফেলছেন মনে হয়।

হিপনোসিস কোনো বিদ্যা না।:) এটি মানুষের স্বাভাবিক একটি ক্ষমতা। আপনি বনের মধ্য দিয়ে হাটছেন। হঠাৎ দেখলেন একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আপনার দিকে জ্বল-জ্বলে চোখে তাকিয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে। আপনি  ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যেই সম্মোহিত হয়ে পড়বেন।;D

আমি হিপনোসিসকে হাতুড়ি বিদ্যা বলিনি। বলেছি যেসব ডাক্তার সেটা সাজেস্ট করে তাদের বিদ্যা হাতুড়ির পর্যায়ের।

আলমগীর

৪৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (১০-০৩-২০০৮ ০৭:৪৭)

Re: বিষন্নতা

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:

[@ আলমগীর ভাই, আপনার উত্তরগুলোতে মনে হয়েছে আপনি একটু আহত হয়েছেন। আপনাকে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য আমার ছিল না। তারপরও যদি নিজের অজান্তে  মনে কোন কষ্ট দিয়ে থাকি তবে ছোটভাই হিসেবে মাফ করে দেবেন প্লিজ। ]

আমি আমার কথা হয়ত ঠিক মতো উপস্থাপন করতে পারিনি। উপরের পোস্টটা দেখুন দয়া করে। আহত হওয়ার প্রশ্ন কেন?

দেখুন, আমাদের দেশের ডাক্তারদের সম্পর্কে আমাদের খুব বাজে ধারনা। এটা যোক্তিক কারনে। কারন তারা খুব বেশী অর্থলিপ্সু, রোগির ভালোর দিকে তাদের কোন দৃষ্টি নেই। (ব্যতিক্রম বাদে।)

ডাক্তাররা এমবিবিএস ছাড়া অন্য কাউকে ডাক্তারের যোগ্যই মনে করেন না। ডেন্টিস্টরা বহুদিন ধরে আন্দোলন করেছে বিসিএস কোটার জন্য। গতবছর ফিজিওথেরাপিস্টরা আন্দোলন করেছে তাদের ডিগ্রির স্বীকৃতির জন্য।

স্পিচ প্যাখোলজিস্ট, ওকুপেশনাল থেরাপিস্ট যে কী করতে পারেন তা আমাদের দেশের ডাক্তারদের ধারনাই নেই। তারা মনে করেন তারা ছাড়া মানুষের রোগমুক্তির কেউ নেই। আমরা যে কোন ধরনের বিপদ হলে সর্বজ্ঞানী মনে করে তাদের কাছেই দৌড়াই।

এখন বাস্তব অবস্থার দিকে তাকাই। আমি আমার জীবনে কিছু খারাপ সময় পেরিয়ে এসেছি। মেডিটেশনের তো প্রশ্নই আসে কারন আমার নিজের উপর আমার নিজের নিয়ন্ত্রণ ছিলো না। আমি বন্ধু বান্ধব কারো কথা শোনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না কারন কাউকেই আমার বিশ্বস্ত মনে হয়নি। আমাকে ডাক্তারের কাছে নেয়া হলে যা দেয়া হয়েছিল তা হলো নিউরোলজিক্যাল ড্রাগ যেটা খেলে আমার আর চিন্তা (ভালো বা মন্দ) করার কোন উপায় থাকত না। বলতে পারেন হাওয়ার উপর ভাসার মতো অবস্থ। এখন আমি সে অবস্থা থেকে বের হয়ে এসেছি, কিন্তু বলতে পারি না যে ঐ ওষুধ আমার ভাল করেছে। তার চেয়ে একজন কাউন্সেলর হয়তো অনেক বেশী সাহায্য করতে পারত আমাকে। সে যাই হোক। আমি মেডিটেশকে কোন কিছুর সমান্তরালে দাড়া করাচ্ছি না।

আমার কথা হলো, মেডিটেশন আপনাকে যা দিবে তা নেয়ার জন্য আপনার মানষিক অবস্থা থাকতে হবে। আর, ইয়োগা, প্রার্থনা ইত্যাদিও একই উপকার দিতে পারে আপনাকে। মহাজাতকের বই একসময় আমিও পড়েছি।

আমারদের দেশের বাস্তব অবস্থা আমরা সবাই জানি। ধরা যাক, কোন অজানা কারনে একটা মেয়ের ঠিক হয়ে যাওয়া বিয়েটা একদম শেষ মুহুর্তে এসে ভেস্তে গেল। আপনার কি ধারণা, বন্ধু বান্ধব, পাড়া পড়শী সবাই আহ উহ করে সান্ত্বনা দিতে আসবে? যদি আসেও, অগোচরে তারাই আবার ১০১টা কারন উদঘাটন করতে নেমে যাবে। মেয়ের তো ওই সমস্যা ছিলো, ইত্যাদি ইত্যাদি। এখনম ঐ অবস্থায় পড়ে, বাবা মার উপর নির্ভরশীল একটা মেয়ে কী করতে পারে?

বেশী বলে ফেললে দুঃখিত। (আমরা কেউই ঝগড়া করতে আসিনি, কেবল নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।)

ধন্যবাদ যারা কাউন্সেলিংএ জড়িতদের নামগুলো দিয়েছেন।
আলমগীর

৪৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমন (১০-০৩-২০০৮ ১৩:৪৩)

Re: বিষন্নতা

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:

আপনার ধারণাও পুরোপুরি ঠিক নয়। ১৭৭০ সালে ডা. ফ্যাঞ্জ মেসমার এই রকম কিছু ধারণা দিয়েছিলেন যা "animal magnetism" বা "mesmerism" নামে পরিচিত। পরবর্তীতে গবেষকগণ এই ধারণা বাতিল করে দিয়েছেন।   এই ব্যাপারে আরো বলতে গেলে বড় বেশি অফটপিক হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে।  পরবর্তীতে কখনো সুযোগ পেলে আরো বলব।

ব্যাপারটি যা বুঝাতে চেয়েছিলাম, তা হল প্রচন্ড ভয়েও মানুষ সম্মোহিত হয়ে পড়ে। ইলেক্ট্রো এনসেলোগ্রাফ ব্রেন ওয়েভের পুরো ব্যাপারটি আমাদের জন্যে সহজ করে দিয়েছে। হিপনোটিজমে একজন অংশগ্রহনকারী ডেল্টা লেভেলে ( ব্রেন ওয়েভ<৩ সিপিএস) চলে যাচ্ছেন। তার মন সচেতন থাকছে না।

কিন্তু, একজন মেডিটেশন চর্চাকারী তার মনের সচেতন অংশ ব্যবহার করেই অবচেতন অংশকে সাজেশন দিচ্ছেন কিংবা ছবি কল্পনা করছেন। পুরো নিয়ন্ত্রনটি তার হাতেই।


@আলমগীর ভাই,
ট্রমা লিখেছেন। তাই, বুঝতে না পেরেই প্রশ্নটা করেছিলাম। ঠাট্টা নয়।
আপনার যুক্তি বুঝতে পেরেছি। তবে, কাউন্সেলিং-ও একজন অংশগ্রহনকারীর প্রক্রিয়াটি রিসিভ করার পর্যায়ে থাকতে হয়।

টাইমস ম্যাগাজিন একটি চমৎকার প্রচ্ছদ রচনা করেছিল ব্যাখা দিয়ে। "দ্য সায়েন্স অফ মেডিটেশন"। 
মূল রিপোর্টটি এইখানে

রংধনু দেখতে হলে বৃষ্টিকেও হাসিমুখে বরণ করতে হয়। বৃষ্টি নিজেই তখন রূপান্তরিত হয় আনন্দের উৎসে।

রুমন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৪৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (১০-০৩-২০০৮ ১৩:৪৩)

Re: বিষন্নতা

আমার কথা হলো, মেডিটেশন আপনাকে যা দিবে তা নেয়ার জন্য আপনার মানষিক অবস্থা থাকতে হবে।

আসলে এটাও খুবই সত্য কথা। মেডিটেশন শিখতে সময় লাগে। এটা সাধনার ব্যাপার। আর মেডিটেশন, বাংলায় যাকে বলে ধ্যান, নিয়ে আমাদের দেশের মানুষের যথেষ্ট অবিদ্যা রয়ে গেছে। মানুষের ধারণা ধ্যান অতি প্রাকৃতিক একটা ঘটনা। বনে-জংগলে গিয়ে না করলে ধ্যান হয় না। অনেকে আবার ধ্যানের সাথে হিন্দুইজমের খুব মিল পান। অর্থাৎ ধ্যান করলেই হিন্দু হয়ে গেলো। আমাদের উপমহাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসীরা এর চর্চা বেশি করেছেন বলেই মনে হয় এই রকম ধারণা।

আমাদের দেশে মুসলিমদের ভেতরে এই অবিদ্যা চরম। একরকম ধরেই নিয়েছেন ধ্যান = হিন্দুইজম। একটু ভাবলেই বোঝা যাবে ইসলামেও ধ্যানের একটি বিশেষ স্থান আছে। শুধু একটা উদাহরণ দেই, আমাদের মহানবী (স.) যখন নবুয়ত পান তখন তিনি কোথায় ছিলেন? হেরা গুহায়। তিঁনি হেরা গুহায় কি করছিলেন? আমার মনে হয় উত্তরটা সবারই জানা।

আসল সত্য হচ্ছে সব ধর্মেই কম বেশি ধ্যানের উপস্থিতি পাওয়া যাবে। ধ্যান হচ্ছে নিজের অন্তরের মাঝে ডুব দিয়ে অতিচেতনা বা অতীন্দ্রিয়তার নাগাল পাওয়া।

কয়েকদিন আগে এক বড়ভাইয়ের প্রেমিকা চলে তাকে ছেড়ে চলে গেছে, কারণ বড়ভাই মেডিটেশন করেন। তার প্রেমিকার ধারণা মেডিটেশন করে পাগলরা। এই পাগলদের আবার নাকি যে কোন সময় সন্ন্যাস রোগ আক্রমণ করতে পারে... তবেই বুঝুন... এইদেশের লোকের মনোভাব কেমন...

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৪৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (১০-০৩-২০০৮ ১৫:১৩)

Re: বিষন্নতা

রুমন লিখেছেন:

ট্রমা লিখেছেন। তাই, বুঝতে না পেরেই প্রশ্নটা করেছিলাম। ঠাট্টা নয়।
আপনার যুক্তি বুঝতে পেরেছি। তবে, কাউন্সেলিং-ও একজন অংশগ্রহনকারীর প্রক্রিয়াটি রিসিভ করার পর্যায়ে থাকতে হয়।

আমার নিকটাত্নীয়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া একটা উদাহরন দিই।
স্বামী স্ত্রী দুজনেই ডাক্তার, একটা মেয়ে বয়স ৬ আরেকটা ছেলে বয়স ৪। গভীর রাতে গ্রিল কেটে ডাকাত ঢুকে বাসায়। বাচ্চা দুটির গলায় ছুরি ধরে রাথা হয়। স্বামীর মাথায় পিস্তল, আর মহিলার পেছন থেকে গলায় চাকু। তাকে এঘর ওঘর সব আলমিরা খুলে গয়না বের করানো হয়। এতসব যখন করে, ডাকাতরা কথাবার্তাও চালাও ভংয়কর পর্যায়ের।

ভাগ্য ভালো, কোন রকম শারীরিক ক্ষতি ছাড়াই তারা, এ যাত্রা নিস্তার পায়।

এখন, শিশুদুটির উপর দিয়ে যা ঘটে গেল তা কত দিনে এবং কী করে স্বাভাবিক হবে? কাউন্সেলিং ছাড়া তাদের ট্রমা কাটানোর কোন উপায় নেই।

আমার কথা ছিল, মেটিডেশন নিয়ে আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি, কিন্তু কাউন্সেলিংএ আরো সচেনতা বাড়ানো দরকার। ছোট শিশুদের মেটিডেশন করাবেন কীভাবে?

@উন্মাতাল_তারুণ্য
ধর্ম যে কোন ধরনের আলোচনার জন্য খুবই স্পর্শকাতর, আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না পাছে কে কীভাবে নেয়।

আলমগীর

৫০

Re: বিষন্নতা

ব্যাপারটি যা বুঝাতে চেয়েছিলাম, তা হল প্রচন্ড ভয়েও মানুষ সম্মোহিত হয়ে পড়ে।

এইখানে একটু কথা আছে। প্রচণ্ড ভয় (এক ধরনের আবেগ) বা প্রবল মানসিক ধাক্কা/mental shock আসলে মানুষের নার্ভাস সিস্টেমকে (আরো ভাল করে বলতে গেলে অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমকে) সাময়িকভাবে অকেজো করে দেয়। নার্ভাস সিস্টেম কাজ না করায় মানুষ এক জায়গায় পাথরের মত জমে যায় কিংবা বলা যায় মানুষের সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা লোপ পায়। অনেক সময় চিন্তা করার ক্ষমতা থাকলেও নির্দেশ অনুযায়ী অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো কাজ করে না।


হিপনোসিসের ক্ষেত্রে কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক এই রকম নয়। হিপনোসিসে একজন হিপনোসিস্ট আপনাকে সাহায্য করবেন মনের অবচেতন অংশের সাথে যোগাযোগ করতে। এইখানে একটা কথা বলে রাখা ভাল, সকল প্রকার সম্মোহন কিন্তু আত্মসম্মোহন। অর্থাৎ আপনি নিজে যদি সচেতনভাবে সম্মোহিত হতে না চান তবে কারো পক্ষেই আপনাকে সম্মোহিত করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় আপনার নার্ভাস সিস্টেম সকেজো থাকে।

দুটো ব্যাপারের মধ্যে পার্থক্য কি? মূল পার্থক্য হচ্ছে নার্ভাস সিস্টেমের সক্রিয়তা। আমাদের মস্তিষ্ক যে নির্দেশ তা নার্ভাস সিস্টেমের মাধ্যমে অঙ্গ পর্যন্ত পৌঁছায়। তারপর সে মোতাবেক আমাদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো কাজ করে। প্রথমবারের ক্ষেত্রে আপনি নির্দেশ দিলেও নার্ভাস সিস্টেম সেটা অঙ্গ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় থাকার কারণে একজন হিপনোসিস্ট আপনাকে যদি ডান হাতটি উপরে তুলতে বলে তবে আপনি ডান হাতটি উপরে তুলবেন। ঘুমিয়ে পড়তে বললে ঘুমিয়ে পড়বেন। জেগে উঠতে বললে আপনি জেগে উঠবেন।

এবার আসি ব্রেন ওয়েভের ব্যাপারে। ব্রেন ওয়েভ দিয়ে কিন্তু মস্তিষ্কের সক্রিয়তা মাপা হচ্ছে। নার্ভাস সিস্টেম এখানে উহ্য রয়ে গেল। সংজ্ঞাহীন অবস্থায়ও কিন্তু ব্রেন ওয়েভ <৩ সিপিএস -এ থাকছে। কিন্তু নার্ভাস সিস্টেম কাজ করছে না। এটাকে কি হিপনোসিস বলা যাবে? আমার মতে, না। কারণ হিপনোসিসে কিন্তু হিপনোসিষ্ট বা ক্ষেত্র বিশেষে আপনি নিজেও এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন। এই ক্ষেত্রে পারছেন না। একই বিষয় কোমায় থাকাকালীনও ঘটে। আপনি হয়ত অনেক কিছু শুনছেন কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারছেন না বা হাত পা নাড়াতে পারছেন না।

ক্লিনিকাল ডেথ এবং ব্রেন ডেথ বা লিগ্যাল ডেথ এই রকম কিছু কারণে আলাদা ভাবে ভাগ করা হয়েছে।



আলমগীর লিখেছেন:

আমার কথা ছিল, মেটিডেশন নিয়ে আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি, কিন্তু কাউন্সেলিংএ আরো সচেনতা বাড়ানো দরকার।

আরো একবার সহমত প্রকাশ করছি।

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত