টপিকঃ পরিবেশ: ধূলাবালি দিয়ে দুষিত বায়ু

সপ্তাহখানেক আগে শিক্ষাসফরে মাওয়া যেতে হয়েছিলো। পথের মধ্যে নির্মানাধীন যাত্রাবাড়ি গুলিস্থান উড়াল রাস্তার অংশটুকু পার হতে হয়েছিল। ঐ এলাকায় বাতাস ধূলাবালি দিয়ে ভর্তি - এক অসহ্য অসভ্য অবস্থা; অথচ আমি প্রায় নিশ্চিত যে ঐ প্রকল্প অনুমোদন দেয়ার সময়ে নির্মানকালে এই ধরণের বায়ু দূষণ রোধ করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা দেয়া হয়েছিল - এই ধরণের অঙ্গীকারনামা ছাড়া কোন প্রকল্পই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পায় না। একই রকম ধূলা ধুসরিত কাজ কারবার দেখা যায় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের নির্মানাধীন হাতিরঝিল প্রকল্পেও। অথচ কঠোরভাবে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলার বৈশিষ্টের অধিকারীদের (অন্ততপক্ষে সেনাবাহিনীর এমনই প্রোপাগান্ডা) কাছ থেকে এমনটা কাম্য নয়।

আমার ভাইয়েরা, মা, ভাইয়ের বউ, চাচা, ফুফু সকলেই ঢাকায় থাকে এবং ভেন্টোলিনের গ্রাহক - অর্থাৎ অ্যাজমা রোগী। অ্যাজমা রোগীর প্রশ্বাসের সাথে গলার ভেতর দিয়ে যখন ধূলিকণা ঢুকতে থাকে তখন সেটা ঠেকানোর জন্য শরীর ঐ পথ সংকুচিত করে বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করে; তাই শীতকালে বা ধূলাবালিতে অ্যাজমা রোগীদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তাই ঢাকার ধূলিধূসরিত বাতাসের বদলে অন্য কোন জায়গার (মফস্বল শহর, গ্রাম) কম ধূলিকণাযুক্ত অপেক্ষাকৃত ভাল বাতাসে তাঁদের কষ্ট কম হওয়াই স্বাভাবিক। এয়ার কন্ডিশনারে ধূলিবালি ফিল্টার হয়ে যায় বলে সেখানেও ওনারা ভাল থাকেন।

কিছুদিন আগে একটা বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে ঢাকার বায়ুদূষণের জন্য দায়ী দানাদার পদার্থগুলোর শতকরা ৩০ ভাগই ইটভাটার ধোঁয়া থেকে আসে বলে দেখেছিলাম। অবশ্য সেই প্রবন্ধ প্রকাশের সময়ে যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার কিংবা হাতিরঝিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। বর্তমানে দূষণকারী ইটভাটাগুলো বন্ধ করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে বেশ কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি, যা সামগ্রীকভাবে উপকারী হবে বলেই আশা করি। তবে অন্য উৎসগুলোও নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়া হলে এবং নিজের মধ্যে সভ্য মানুষের সচেতনতা না জন্ম নিলে এই দূষণের থাবা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এস্থান ত্যাগ করে সভ্য দেশে চলে যাওয়া ছাড়া গতি থাকবে না।

বাতাসে যে সকল সমস্যার কারণে আমরা অসুবিধায় থাকি সেগুলোকে পদার্থগুলোর ভৌত অবস্থার ভিত্তিতে মূলত: দুইভাগে ভাগ করা যায় - দানাদার (particulates) ও গ্যাস (gas)। গ্যাসীয় দূষণ চরম ক্ষতির কারণ হতে পারে। ১৯৮৪ সালে ভারতের ভূপালের ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানার গ্যাস দূর্ঘটনার কথা নিশ্চয়ই মানুষ ভুলে নাই - এই ঘটনায় প্রায় ৪০০০ মানুষ মারা গিয়েছিলো। ঐ দূর্ঘটনায় বাতাসের চেয়ে ভারী গ্যাস মিথাইল আইসোসায়ানেট ছড়িয়ে পড়েছিলো। আমাদের বিভিন্ন কারখানায় কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানী পুড়ালে তা থেকে বাতাসে সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড গ্যাস নির্গত হতে পারে, এই গ্যাসসমূহ বাষ্প বা অন্য কোন জলীয় অংশের সংস্পর্শে সালফিউরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিডের মত এসিড উৎপন্ন করে। তাই তা একদিকে যেমন এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে অন্যদিকে ওরকম গ্যাসে শ্বাস প্রশ্বাস নিলে ফুসফুসের ঝিল্লিতে প্রদাহ হয় (ভেজা কোষের সংস্পর্শে এসিড তৈরী হয় বলে)। একইভাবে দূষিত বায়ুতে মানুষের চোখ জ্বালা করা ছাড়াও অন্য অনেক রকম অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

বায়ুদূষণে দায়ী দানাদার পদার্থগুলো কঠিন বা তরল হতে পারে। দানাদার পদার্থগুলো ধূলাবালি (dust) হতে পারে যা বড় বড় পাথর বা অন্য কঠিন পদার্থ ভেঙ্গে গুড়া গুড়া হওয়ার ফলে উৎপন্ন হয়; ধোঁয়া (smoke) হতে পারে যা কার্বনভিত্তিক বিভিন্ন জ্বালানী পুড়ানোর ফলে কারখানা, বাসাবাড়ি বা গাড়ি থেকে উৎপন্ন হতে পারে; ছাই জাতীয় পদার্থ (fly ash) হতে পারে; ফিউম (fume) বা রাসায়নিক বাষ্প ঘনীভবনে তৈরী দানা হতে পারে। এছাড়া তরল দানাদার পদার্থ হিসেবে কূয়াশার (mist) কথা বলা যেতে পারে যা পানির বাষ্প ঘনীভবনের মাধ্যমে তৈরী হয় আর দৃষ্টিসীমাকে কমিয়ে দিয়ে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে বিভিন্ন দূর্ঘটনার আশংকা বাড়িয়ে দেয়; তরল পদার্থকে বাতাসের চাপে স্প্রে (spray) আকারেও বাতাসে ছাড়া হয় বিশেষত বিভিন্ন কীটনাশক হিসেবে যা উদ্দিষ্ট কীট ছাড়াও অন্য প্রাণীদের জন্যও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বাতাসে দানাদার পদার্থ থাকলে তা দৃষ্টিসীমা কমিয়ে দেয়। কুয়াশার কারণে বিভিন্ন সময়ে গাড়ি এবং নৌ দূর্ঘটনার খবর কিংবা যাত্রায় অতিরিক্ত সময় লাগার অভিজ্ঞতা আমাদের কাছে অজানা নয়। এছাড়া ধূলিকণাগুলো চলমান যন্ত্রাংশের মধ্যে জমা হলে ঘর্ষণজনিত অতিরিক্ত ক্ষয় ও তাপ উৎপন্ন হয়ে যন্ত্রপাতির ক্ষতি হয়। কিছুদিন আগে আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে পুরা ইউরোপে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো এমন কারণেই। সোভিয়েট ইউনিয়নের চেরনবিল পারমানবিক দূর্ঘটনার ফলে ধোঁয়ার মাধ্যমে তেজষ্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল।

আমাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি এবং যন্ত্রপাতির ঘর্ষণজনিত ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়া ছাড়াও দানাদার পদার্থগুলো গাছের পাতার উপর জমলে সেই পাতার সালোক সংশ্লেষণ অনেক কমে যায়, ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যহত হয়, ফসলের উৎপাদনশীলতা কমে যায়। এছাড়া ঐ দানাদার পদার্থের রাসায়নিক ধর্মের কারণে এটা ধারণ করা অংশে অনাকাঙ্খিত রাসায়নিক বিক্রিয়াও ঘটতে পারে। ইটভাটার এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত এলাকায় বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষের ফলন কমে যাওয়ার রিপোর্ট এদেশের পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে। বায়ুদূষণের ফলে পরিচ্ছন্নতার সমস্যার কথা নতুন করে বলার কিছু নাই, ঢাকায় একটা কাপড় ১ দিন ব্যবহার করে না ধুয়ে আরেকবার ব্যবহার করা যায় না অথচ জাপানে এক সপ্তাহেও শার্টের কলার বা হাতাগুলোতে ময়লা জমতো না। জামাকাপড়, পর্দা, আসবাবপত্র, বইপত্র আর জানালার গ্রীল, ঘরের মেঝে এগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখতে ধূলিময় স্থানে অনেক বেশি সময় এবং শ্রম খরচ করতে হয়।

কোন এলাকায় কতটুকু বায়ুদূষণ হচ্ছে সেটা ওখানকার আসবাবপত্রের উপর প্রতিদিন জমে থাকা ধূলাবালি খালিচোখে দেখেই সহজে অনুমান করা যায়; এক এলাকা হতে অপর এলাকার পার্থক্যও এভাবে তুলনা করা যায়। তবে বাতাসের নমুনা সংগ্রহের জন্য ল্যাবরেটরীর পদ্ধতিও আছে। তবে সেই পদ্ধতি বেশ ঝামেলাজনক -- বিশালাকার যন্ত্র গাড়িতে টেনে নিয়ে যেতে হয়, আর সেই সংগ্রাহক ফিল্টারের ভেতর দিয়ে নির্দিষ্ট বেগে বাতাস টানতে হয় টানা ৮ ঘন্টা; ফলে সাথে জেনারেটরও নিয়ে যেতে হয়, এরপর নমুনা পরীক্ষাগারে এনে পরীক্ষা করতে হয়। বায়ুদূষণের এরকম চুলচেরা পরিমাপ করা যথেষ্ট ব্যয়বহুল এবং অচিন্তনীয়। আর এতে দীর্ঘমেয়াদী দূষণের প্রকৃতি বুঝতে চাইলে নিয়মিত এবং বিরতিহীনভাবে পরিমাপ করা দরকার। ঢাকা শহরে বেশ কয়েকটি জায়গায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এমন নমুনা সংগ্রাহক চালু আছে। কোন এলাকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপাত্ত (বিভিন্ন বছরে নির্দিষ্ট কিছু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, রোগী ভর্তির সংখ্যা, ঔষধ বিক্রির পরিমান ইত্যাদি) বিশ্লেষণ করলেও ঐ এলাকায় বায়ু দূষণের প্রকোপ বোঝা যেতে পারে। তবে, আরেকটা বিকল্প পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি হল প্রাকৃতিক নির্দেশক (ecological indicator) ব্যবহার করা। কিছু কিছু প্রাণী ও উদ্ভিদ ওখানকার পরিবেশের সামান্য পরিবর্তনের ফলে আক্রান্ত হয় এবং সেটা দেখা যায়। যেমন কিছু মাছ আছে যারা পানির গুণগত মান সামান্য খারাপ হলেই সেই এলাকা থেকে ভেগে যায় - এই ধরণের মাছকে খাবার পানির জলাধারে রেখে জলাধারের প্রবেশ পথের আশেপাশে ওগুলোর গতিবিধি রেডার দিয়ে লক্ষ্য করা হয় (সবসময় পানি পরীক্ষা করার চেয়ে এটা অনেক কম খরচের); কখনও মাছ জলাশয়ের পানি প্রবেশ পথ থেকে পালিয়ে গেলে সাথে সাথে পরীক্ষার জন্য পানির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। একই ভাবে কিছু গাছ/লতাগুল্ম আছে যাদের বৃদ্ধি, পাতার আকার, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট বায়ু দূষণের সাথে সাথে প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন হয়ে যায়। ব্যাংকক শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাতাসের গুনাগুণ পর্যবেক্ষণের জন্য এরকম কিছু গাছ লাগানো হয়েছে।

মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে সৃষ্ট দানাদার পদার্থ দিয়ে বায়ু দূষণ এর উৎসেই ঠেকানো খুব কঠিন কিছু নয়। কারখানার দানাদার কনা যুক্ত ধোঁয়াকে সরাসরি চিমনীতে আসতে না দিয়ে পানি ভর্তি একটা লম্বা হাউজের উপর দিয়ে প্রবাহিত করে তারপর চিমনীতে আসতে দিলে স্বাভাবিক অভিকর্ষ বলের কারণেই বেশিরভাগ দানাদার পদার্থ পানিতে পড়ে যাবে। পানির উপর একবার পড়ে গেলে ভেজা কনাটা অনেক ভারী হয়ে যায় বলে সেটা আবার বাতাসে ফেরৎ আসতে পারে না। ঠিক এই উপায়টা অনুসরণ করে ইদানিং বেশ কিছু ইটভাটা (২০০+) কাজ করছে বাংলাদেশে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে নতুন ইটভাটা তৈরী না করে সামান্য খরচেই (পানির হাউজ ও সংযোগকারী পাইপের জন্য) পুরাতন ইটভাটাগুলো থেকে দূষণ কমানো সম্ভব।

বিভিন্ন নির্মাণস্থলে কাঁচা রাস্তা থেকে এবং জমিয়ে রাখা নির্মাণ সামগ্রী (বালু, মাটি) বাতাসে ছড়িয়ে যেন না পড়ে সেজন্য এর প্রশমন ব্যবস্থা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের ফরমেই দেয়া আছে (বাংলা ফর্ম, চেকবক্সে টিক দিতে হয়)। কাঁচা রাস্তা থেকে ধূলা উড়া রোধে কম গতিতে গাড়ি চালানো ছাড়াও নিয়মিত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখার উপায়টা পৃথিবীর সব সভ্য জায়গাতেই মানা হয়। এজন্য অত্যন্ত বিশুদ্ধ ও পানযোগ্য পানি ব্যবহার করার প্রয়োজন নাই। অথচ পানির অভাব নাই এমন দেশেও হাতিরঝিল লেকপাড়ে কিংবা যাত্রাবাড়ির উড়াল সড়ক নির্মানস্থলে ধূলিময় নারকীয় অবস্থা ভোগ করতে হচ্ছে সকলকে। এছাড়া মাটি বা বালুর মত নির্মাণ সামগ্রী জমিয়ে রাখার স্থলের চারপাশে বায়ু প্রবাহ থেকে রক্ষার জন্য উঁচু বেড়া দিতে হয়। বালু বা মাটি পরিবহণের ট্রাকগুলোকো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে নিতে হয়।

বাসাবাড়িতে ধূলার উপদ্রব থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেতে গাছপালার আবরণ একটা চমৎকার পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি হতে পারে। গাছপালা সূর্যের তাপ শোষণ করে গরম থেকে রক্ষা করা ছাড়াও এর ঘন সন্নিবেশিত পাতাগুলো ধূলিকণা থিতিয়ে জমা হওয়ার জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে কাজ করে, যা পরবর্তী বৃষ্টিতে (বা স্প্রে করে পানি দিলে) ধুয়ে নেমে যাবে। প্রতি বর্গমিটার ঝোপে এভাবে বছরে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ধূলাবালি বায়ু থেকে দুর হতে পারে। ফলে বায়ুপ্রবাহ গাছের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এর তাপ ও ধূলাবালি অনেক কমে যায়। প্রধাণ সড়কগুলোর মত গলিগুলোও যদি নিয়মিত ঝাড়ু দিয়ে এর মাটিগুলো সরিয়ে ফেলা হয় তাহলেও ধূলাবালির উপদ্রব অনেক কমে যাবে।

সহায়ক তথ্যসূত্র সমূহ:
পরিবেশ দূষণের শিকার হলে প্রতিকার প্রার্থণার আবেদনপত্র: http://www.doe-bd.org/form1_B.pdf
পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য ভবনের প্রাথমিক সমীক্ষার চেকলিস্ট: http://www.doe-bd.org/iee_building.pdf
কারখানার পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার চেকলিস্ট: http://www.doe-bd.org/emp_format_industries.pdf
অ্যাজমা: http://en.wikipedia.org/wiki/Asthma
ইটভাটা সংক্রান্ত আইনকানুন: http://www.doe-bd.org/Major_decisions_on_Brick_Fields_to_conserve_the_environment.pdf
ভূপালের দূর্ঘটনা: http://en.wikipedia.org/wiki/Bhopal_disaster
আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি: http://en.wikipedia.org/wiki/2011_eruption_of_Grimsvotn
চেরনোবিল দূর্ঘটনা: http://en.wikipedia.org/wiki/Chernobyl_disaster
প্রাকৃতিক নির্দেশক:
http://en.wikipedia.org/wiki/Indicator_ … _pollution
http://en.wikipedia.org/wiki/Bioindicat … indicators
http://en.wikipedia.org/wiki/Lichen#Air_pollution

পূর্বপ্রকাশ:
সচলায়তন, ব্লগস্পট

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পরিবেশ: ধূলাবালি দিয়ে দুষিত বায়ু

দারূন পোস্ট, অনেকদিন পর লিখলেন। ধন্যবাদ ভাইয়া smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পরিবেশ: ধূলাবালি দিয়ে দুষিত বায়ু

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

দারূন পোস্ট, অনেকদিন পর লিখলেন। ধন্যবাদ ভাইয়া smile

ধন্যবাদ মুজতবা। হ্যাঁ অনেকদিন পর কিছু লিখলাম ...... আসলে অনেকদিন ধরে চরম দৌড়ের উপর ছিলাম। এখন কিছুটা ভারমুক্ত, তবে দৌড় আরও বাকী আছে। এই মাসের শেষে হয়তো কিছুটা রেস্ট পাব।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুন (০৬-১২-২০১১ ২০:২০)

Re: পরিবেশ: ধূলাবালি দিয়ে দুষিত বায়ু

চমৎকার একটা পোস্ট!  thumbs_up

এখন, টেকনিক্যাল টার্মে না হোক, ডিটেইলস এ না হোক। এর বেশির ভাগই ত জানি বা বুঝতেছি। সবার হয়ত এজমা হয় না, সর্দি-কাশি অন্য কোন কিছু ত লেগেই থাকে। স্পেশালী বাচ্চাদের।

বায়ু দূষণ প্রতিরোধে আমার/ আমাদের কি কিছু করার নেই? কিছু করতে না পারাটাও খুব হতাশাজনক। কিন্তু ... বড্ড বেশি সীমাবদ্ধতা। ঘুপচি বাড়িতে, একটা যে গাছ লাগাবো, না থাকে রোদ, না থাকে জায়গা। কীট নাশক কখনও ব্যবহার করি না, হয় অন্য কোন প্রিকোরশন নেই নয়ত তেলাপোকা আর মশার সাথেই বসবাস করি তবু..!  roll

হয়ত চোখের সামনে দেখতে হচ্ছে চন্দ্রিমা উদ্যান কেটে ছাফা হয়ে যাচ্ছে। আচ্ছা তোদের যে নামে খুশি ডাক, বিরান করা কেন? দূর-দূরান্ত পর্যন্ত কোন গাছই চোখে পড়ে না। একটু পুরোনো ধাঁচের বাসাগুলো যত দ্রুত ডেভেলপড হয়ে যাচ্ছে, তত দ্রুত নতুন বাসাগুলো গাছহীন অন্ধকার ঘুপচি ঘর হচ্ছে। একটা গাছ থাকলে একটা গাড়ি থাকার যায়গা কমে যায় না? হাজার হাজার টাকা অপচয় হয়ে যায় না?

আমি ত সত্যি অন্য কোথাও চলে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করণীয় দেখতে পাই না।  sad

ও হ্যা এর পরবর্তি পর্ব চাই...। বায়ুর পরেই ত আসে পানি দূষনের কথা।  isee

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

Re: পরিবেশ: ধূলাবালি দিয়ে দুষিত বায়ু

মুন লিখেছেন:

....
বায়ু দূষণ প্রতিরোধে আমার/ আমাদের কি কিছু করার নেই? কিছু করতে না পারাটাও খুব হতাশাজনক। কিন্তু ... বড্ড বেশি সীমাবদ্ধতা। ঘুপচি বাড়িতে, একটা যে গাছ লাগাবো, না থাকে রোদ, না থাকে জায়গা। কীট নাশক কখনও ব্যবহার করি না, হয় অন্য কোন প্রিকোরশন নেই নয়ত তেলাপোকা আর মশার সাথেই বসবাস করি তবু..!  roll

সচেতনতা একটা বড় অস্ত্র হতে পারে। কারণ মানুষ সচেতন হলেই এ নিয়ে কথা উঠবে, পেপার পত্রিকায় চিঠিপত্র যাবে, এই সমস্যাকে ফোকাস করে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতেও প্রতিবেদন হবে ... ... ... ... সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙ্গবে না।

আশা করছি গাছের ব্যাপারে পোস্ট আসবে এই মাসেই। donttell

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত