টপিকঃ হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

০১. স্টকহোমে আসছি প্রায় ৩ সপ্তাহ হয়ে গেল। প্লেনে একটা সেইরকম সীট পাইয়া সারারাত ঠান্ডায় ঠক ঠক কইরা কাঁপলাম, এবং যথারীতি জ্বর বাধাইলাম। আমি অতিরিক্ত ইশমাট হওয়ায় জানতাম না যে এসি বাড়ানো কমানো বা ওরিয়েন্টেশন চেঞ্জ করা যায়। ওয়ার হোস্টেসগুলারে কইতেও লজ্জা লাগতেছিল, আমি যে এত খ্যাত, সেইটা বুইঝা যদি হাসাহাসি করে?

০২. আসার আগে নেটে দেখলাম, সুইডেনে এখন সামারের শেষ চলতেছে (অটাম টু বি প্রেসাইস), টেম্পারেচার ২১-২৬ এ ওঠানামা করে। মনে মনে কইলাম, মামা, এইটা ঠান্ডা হইল নি? লাগেজের ওজনের কথা চিন্তা কইরা প্লাস এই টেম্পারেচার দেইখা শীতের কাপড়চোপড় আনলেও সামার জ্যাকেট আনি নাই। খালি একটা টিশার্ট পইরা প্লেনে উইঠা পড়লাম। ফলশ্রুতিতে পুরা ধরা। জ্বর বাধাইলাম করাচি আসতে না আসতেই, ইস্তাম্বুলে গিয়া পুরাই কাঁপুনি শুরু হইল, আসার পর থিকা ৫ দিন বিছানায় শুয়া সাদা সিলিং দেখলাম এবং সাথে আনা ৩০ টা প্যারাসিটামল শেষ কইরা ফেললাম।

০৩. আরলান্ডা এয়ারপোর্ট থেকে বাইর হইয়াই ঠান্ডা বাতাসের হলকা খায়া মনে মনে কইলাম, মায়রে বাপ, এইডা সামার? এইডা তো মাঘ মাইসা শীত!!! আসলেও তাই, দুপুরের পরেই টেম্পারেচার নামে ১৬ তে, (আর এখন? পরশু রাত্রে ছিল ৯ ডিগ্রি)। এমনেই জ্বর, তারপরে এই ঠান্ডা, সাথে ৩৮ কেজির খ্যাতা বালিশ লাগেজ, বিরস বদনে বিড়ি ধরাইতে গিয়া খিয়াল হইল লাগেজ গুছানোর টাইমে বাপে পাশে বইসা খিয়াল করছে কি কি নেই না নেই, বিড়ি তাই আব্বার ডরে লাগেজের এক্কেবারে তলের চিপায় লুকাইয়া রাখছিলাম, বাইর করতে মিনিমাম আধাঘন্টা লাগবো। sad

০৪. জ্বর হওনের পরেই মনে হইল, আমার তো হেলথ ইন্সুরেন্স আছে, কিন্তু জানলাম, হেলথ ইনসুরেন্স থাকলেও সেইটা আরেক মামা জিনিস, ফার্স্টে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া লাগবো, দেন ডাক্তারের পুরা ফিস পে করা লাগবো, তারপর ডাক্তারের অ্যাসিসটেন্টের কাছ থিকা ইন্সুরেন্স ক্লেইম ফর্ম নিয়া সেইটা ফিল আপ কইরা সাবমিট করা লাগবো ইন্সুরেন্সের অফিসে। সেইটা তারা ইনভেস্টিগেট কইরা যদি মনে করে, আমার আসলেই অসুখ হইছিল, তাইলে তারা আমার কার্ডে টাকা ভইরা দিবো।

০৫. আমার তখনো সিভিক রেজিস্ট্রেশন নাম্বার (আমেরিকায় যেইটারে সোশাল সিকিউরিটি নাম্বার কয়) হয় নাই, আর সিভিক রেজিস্ট্রেশন নাম্বার না থাকলে আমাকে ডাক্তারকে দশগুণ বেশি পে করতে হইতো, বাংলাদেশী টাকায় সেইটা প্রায় ২৫ হাজার টাকার মত। আর থাকলে দিতে হইতো ২৫০ ক্রোনা (প্রায় ২৫০০ বাংলাদেশী টাকা)। দেশ থিকা মাত্র ৩৫০ ইউরো নিয়া আসছিলাম (কনভার্ট কইরা হইছিল মাত্র ৩০০০ ক্রোনার মত), ২৫০০ ক্রোনা দিয়া ডাক্তার দেখাইলে বাকি দিন হাওয়া খাইয়া থাকতে হইতো। তখনো স্কলারশীপের ট্যাকা পাই নাই। ল্যাপটপ কিনতে পারি নাই, দেশে কথা বলতে পারি না, কাউরে চিনি না, রান্না করতে পারি না, রাস্তাঘাট চিনি না, প্যারাসিটামল খাইয়া ঘুমায়া থাকা ছাড়া আমার হাতে আর অপশন ছিল না। sad

যেই দিন জানলাম এইদেশে কুত্তারও সিভিক রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আছে, আর একটা কুত্তা তার দেখভালের জন্য সরকার থিকা মাসে ১০০০০ ক্রোনা পায়, আর আমি পাই ৮০০০, নিজেরে তখন পাদটীকা গল্পের পন্ডিতমশাইয়ের মত মনে হইতে ছিল।

০৬. রান্না করতে পারি না, বাসার নিচের ম্যাকডোনাল্ডের ১৫ ক্রোনার ঠান্ডা বার্গার খাইয়া দিন পার করছি টাকা পাবার আগ পর্যস্ত। একটা ব্যাপার বুঝি না, হালাগো দেশ এমনেই ঠান্ডা, এরা খাবারও খায় সব ঠান্ডা, বার্গার, স্যান্ডউইচ, কোক সব ঠান্ডা। এবং এদের খাবারে কোন স্বাদ নাই, না মিষ্টি, না ঝাল, সবই জাস্ট নোনতা। যেন, নোনতা ছাড়া আর কোন টেস্টের নামই এরা জানে না।
মুখ পঁইচা গেছিল এইসব হাবিজাবি খাইতে খাইতে।

০৭. একদিন ওই ঠান্ডা বার্গারে এক কামুড় দিয়াই মাথায় রক্ত উইঠা গেল, বালের বার্গার খাইলাম না, যাহ। একটা বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট আছে আশেপাশে শুনছিলাম, থু থু কইরা বার্গার মুখ থিকা ফালায়া দিয়া বাইর হইয়া দোকানটা খুজতে লাগলাম। আইজকা যদি ১০০ ক্রোনাও লাগে (প্রায় ১২০০ বাংলাদেশী টাকা) তবুও আইজকা কব্জি ডুবায়া ডাইল দিয়া ভাত খামু, লগে শুকনা মরিচের ঝাল আলু ভর্তা, আর পাতলা কইরা ভাজা গরম ডিম ভাজি।
খুইজা বাইর করার পরে দোকানটা দেইখা রাগে মাথায় রক্ত উইঠা গেল। শালারা বাঙ্গালী রেস্টুরেন্ট হইলেও খাবারের মেনু সব ইন্ডিয়ান। মসলা দোসা, চিকেন তান্দুরী, ব্লা ব্লা ব্লা... দামও মাশাআল্লাহ ১৫০ ক্রোনা, ১৮০ ক্রোনা, সর্বনিম্ন ৯৫ ক্রোনা।

আমি তখন খিদায় দিশেহারা, উদভ্রান্তের মত একটা দোকানে ঢুকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাইস কই পামু, রাইস কুকার কই পামু? ডাইল কই পামু? সুইডিশরা খুবই ভাল এবং হেল্পফুল, আমি পরে খেয়াল করছি, যেই দোকানে এইগুলা জিগাইছিলাম, সেইটা ছিল একটা ঘড়ির দোকান, এবং লোকটা দেখেই বুঝছে যে খিদায় আমার অবস্থা টাইট। সে আমাকে বলে, আগে তুমি ম্যাকডোনাল্ডসে গিয়া কিছু খাও, আই ডোন্ট থিঙ্ক ইউ আর অলরাইট! আমি কইলাম, আমি ঠিক আছি, তুমি খালি আমারে কও এইগুলা কই পামু।

বাকি কাজ করছি ঘোরের মইধ্য। চাইল-ডাইল, আলু, তেল, রাইস কুকার সবকিছু কিনলাম, রুমে আইসা চুলা ধরায়া রান্না করলাম। ১৫ মিনিটের মাথায় যখন ভাত হইয়া গেল, ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত দেইখা আমার চোখে পানি আইসা গেছিল। বাকিটা সবাই বুঝতে পারতেছেন...

০৮. একদিন হঠাৎ কইরা মেইল চেক কইরা দেখি কার্ডে আগামী দুইমাসের টাকা একবারে আইসা পড়ছে। সেই সাথে প্লেন ফেয়ারের ১০০০০ ক্রোনা। পাক্কা ২৬০০০ ক্রোনা। বাঁইচা গেলাম, কারণ আমার হাতে আর মাত্র ৪৫০ ক্রোনা বাকি ছিল।
সাথে সাথে দোকানে গিয়া সবার আগে যেইটা কিনলাম, সেইটার নাম ল্যাপটপ। দুই মাসের বাড়ি ভাড়া দিলাম, টুকটাক শপিং করলাম, সামার জ্যাকেট কিনলাম। ততদিনে ভাও বুইঝা গেছি কিছুটা, চলতে পারি।

খালি দুঃখের কথাই কইতেছি, এইবার কিছু গা জ্বালাইনা সুখের কথা কই। হিংসা কইরেন না।

০১. নেটের স্পীড এইখানে ধুন্দুমার! দেইখা মাথা খারাপ হইয়া গেল, ওয়্যার দিয়া কানেক্ট করলে 12 MBPS পাই, (জ্বী না মামা, ছোট b না, বড় B, মানে বাইট, ১২ মেগাবাইট পার সেকেন্ড big_smile ) কিন্তু ওয়াই ফাই দিয়া কানেক্ট করলে একটু কইমা যায়, অ্যারাউন্ড ৫-৬ মেগাবাইট পার সেকেন্ড। জিপি ইন্টারনেটের কচ্ছপ নেট ব্যবহারকারীর জন্য এইটা পাগল হইয়া যাওয়ার মত ঘটনা।
মুভি টুভি আর নামাই না, স্ট্রিমিং দেখি। লর্ড অফ দা রিংস ট্রিলজির ৩ টা ব্লু রে নামাইতে দিছি, এক একটা ২৫ গিগা কইরা, টোটাল সাইজ ৭৮ গিগা। রাত্রে দিয়া ঘুমাইছি। পরের দিন ক্লাস থিকা সন্ধ্যায় ফিরা দেখি হয়া গেছে। খ্যাক খ্যাক!

০২. ভার্সিটির সবাই কমভিক কোম্পানীর সিম ব্যবহার করে। কমভিক টু কমভিক সব মুবাইলে কল, এসএমএস ফ্রি। প্লাস ডেইলি ৩ ট্যাকায় আনলিমিটেড ইন্টারনেট।

০৩. একদিন আবার মাথা খারাপ হইল। মনে হইল, দোকানে যাই, যা পামু কিনা আনুম, দোকানে গিয়া প্রথমেই দেখলাম Apple Ipad 2. দ্বিতীয়বার চিন্তা না কইরা কিনা ফেললাম, অসাম জিনিস। সেই সাথে স্টুডেন্ট কার্ড পাইলাম কালকে। স্টুডেন্ট কার্ড দেখাইলেই ভার্সিটি থিকা কমপ্লিমেন্টারি ৭০০ ক্রোনা দিবে, আইফোন/আইপ্যাডের অ্যাপ্লিকেশন কিনার জন্য, প্লাস যে কোন অ্যাপল প্রোডাক্টে ১৫% ডিসকাউন্ট। big_smile

০৪. মেয়েরা এইখানে অতিরিক্ত সুন্দর। আমি একটা মেয়েকেও খারাপ দেখি নাই। ইরানি মেয়েরা দেশে হিজাব পড়লেও এইখানে আইসা পুরা ঢিশটিং ঢিশটিং। আমি অবাক হইয়া ভাবি, কেমনে সম্ভব এইটা? তার ওপর সামার চলে এখন, বাকিটা কি আর বলতে হবে?? wink

শেষ করি। সেই দিন সকাল ৮ টা থেকে ক্লাস করতেছি। বিকাল ৪টা থেক ৬টা পর্যন্ত লাস্ট ক্লাস। ৪ টার দিকে এক বন্ধু এসএমএস করল, "দোস্ত, পুরা কয়লা হইয়া গেছি ক্লাস করতে করতে, I hate KTH." (কেটিএইচ আমার ভার্সিটির নাম)।
৫ মিনিট পরেই পুলা আবার এসএমএস করল। "দোস্ত, আমার পাশের মাইয়াটার নাকি গরম লাগতেছে ক্লাসে, তাই **** (বাকিটুকু সেন্সরড, লিখলে ব্যান খাওয়ার চান্স আছে ... ) দোস্ত, I love KTH. big_smile "

আর আমি? ৬ বছর ক্যাডেট কলেজ, কোন মেয়ে নাই, ৪ বছর আইইউটি ওইখানেও মেয়ে নাই, এইবার KTH, অনেক মেয়ে থাকলেও আমার প্রোগ্রামে একটাও নাই, ক্লাসেও তাই কোন সুন্দরী ললনা বইসা বলে না যে তার গরম লাগতেছে। আপচুচ!

Gentlemen, you can't fight in here, this is the war room!

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

ওয়েলকাম ব্যাক! অনেকদিন পরে দেখা। তাও আবার বৈদেশের মাটি থেকে। লেখার ইন্টারন্যাশনাল ধাঁচটা ভালোই ধরে রেখেছেন। big_smile

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

চরম লিখেছেন। হিংসা করার মত  tongue। তো যাই হোক চালিয়ে যান  smile

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

lol2 lol2 lol2 lol2 চ্রম চ্রম। গ্রমে চ্রম একখান লেখা। ছুইডেনে আমার এক স্কুল-ফ্রেন্ড থাহে। ভার্ছিটির নাম ভুইলা গেছিগা। কিন্তুক KTH চ্রম।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন faysal_2020 (১২-০৯-২০১১ ০৯:৩০)

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত হয়ে অনেক রাতে বাসায় ফিরে আর পিসির সামনেই বসতে মনে চাইছিল না, মোবাইলে থেকেই এই টপিকটা পড়ছিলাম আর নিজের অজান্তেই খ্যাক খ্যাক করে হাসছিলাম । পাশে থাকা আব্বা আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়েছিলেন । তিনি তো জানেন না আমি পারলে হোহো করে হাসি...
একটা রেপু দিলে কম হয়ে যায়...

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

এইবারও মনে হয় সেরা রম্য লেখকের পদবীটা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।  smile
চমৎকার লেখা, অনেক কিছু চোখের সামনে দেখতে পেলাম। (আপনার ফ্রেন্ডের পাশের মেয়েকেও বোধহয়  tongue  )

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

এতদিন পর angry

লেখাটা দারুণ thumbs_up

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

লাস্টের প্যারাগুলো পড়ে  donttell donttell
lol2 lol2 lol2

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

big_smile big_smile big_smile big_smile big_smile
We also love KTH big_smile big_smile

সারিম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

lol2 lol2 দারুন লাগলো ভাইয়া

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

১১

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

mcctuhin লিখেছেন:

০৪. মেয়েরা এইখানে অতিরিক্ত সুন্দর। আমি একটা মেয়েকেও খারাপ দেখি নাই। ইরানি মেয়েরা দেশে হিজাব পড়লেও এইখানে আইসা পুরা ঢিশটিং ঢিশটিং। আমি অবাক হইয়া ভাবি, কেমনে সম্ভব এইটা? তার ওপর সামার চলে এখন, বাকিটা কি আর বলতে হবে??

lol lol lol lol lol lol

রম্য'র পুরষ্কারটা মনে হয় দ্বিতীয়বারের মত আপনিই পাচ্ছেন!

সেরাম লেখা লিখছেন বস! চালায়া যায়েন!!!  thumbs_up thumbs_up thumbs_up

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD

১২

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

জেলাল লিখেছেন:

ওয়েলকাম ব্যাক! অনেকদিন পরে দেখা। তাও আবার বৈদেশের মাটি থেকে। লেখার ইন্টারন্যাশনাল ধাঁচটা ভালোই ধরে রেখেছেন। big_smile

টাইম পাই নাই রে ভাই, চাকরীতে রিজাইন, শপিং, ভিসা এইসব মিলা লাস্ট কয়েক মাস কুত্তা দৌড়ে আছিলাম।

ত্রিনিত্রির রাশিমালা লিখেছেন:

চরম লিখেছেন। হিংসা করার মত  tongue। তো যাই হোক চালিয়ে যান  smile

লাস্টের পার্টে হিংসা হইলে দোষের কিছু নাই, হিংসা হওনের লাইগাই লেখছি।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

lol2 lol2 lol2 lol2 চ্রম চ্রম। গ্রমে চ্রম একখান লেখা। ছুইডেনে আমার এক স্কুল-ফ্রেন্ড থাহে। ভার্ছিটির নাম ভুইলা গেছিগা। কিন্তুক KTH চ্রম।

বাঙ্গালীর অভাব নাই এইখানে, পুরা সুইডেনে মাত্র ৯ মিলিয়ন মানুষ, এর মইধ্যে ত্রিশ হাজার বাঙ্গালী।

faysal_2020 লিখেছেন:

ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত হয়ে অনেক রাতে বাসায় ফিরে আর পিসির সামনেই বসতে মনে চাইছিল না, মোবাইলে থেকেই এই টপিকটা পড়ছিলাম আর নিজের অজান্তেই খ্যাক খ্যাক করে হাসছিলাম । পাশে থাকা আব্বা আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়েছিলেন । তিনি তো জানেন না আমি পারলে হোহো করে হাসি...
একটা রেপু দিলে কম হয়ে যায়...

পুরান কথা মনে করায়া দিলেন ভাই, আমি যখন রাত সাড়ে এগারটায় বাসায় ফিরতাম, তখন আর মোবাইল টিপতেও মন চাইত না, ঘুম ছাড়া আর কোন কিছুই মাথায় থাকত না তখন। যাক, হাসাইতে পাইরা ভাল্লাগ্লো। big_smile big_smile big_smile

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

এইবারও মনে হয় সেরা রম্য লেখকের পদবীটা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।  smile
চমৎকার লেখা, অনেক কিছু চোখের সামনে দেখতে পেলাম। (আপনার ফ্রেন্ডের পাশের মেয়েকেও বোধহয়  tongue  )

পাশের মেয়েটারে দেখার আমারও শখ ছিল, আপনে আমার আগেই দেইখা ফেললেন, কিমুন লাগলো? surprised surprised ঢিশটিং পুরা?

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

এতদিন পর angry

লেখাটা দারুণ thumbs_up

ওই যে কইলাম, লাস্ট কয়েক মাস বিয়াপোক বিয়াস্তো ছেলাম তো, হের লাই মনু, মুই আইবার পারি নাই। তয় আওনের আগে মুই একখান আকাম কইরা আইছি, বোজলেন, হেই গল্প আরেক দিন হইবো।

বোরহান লিখেছেন:

লাস্টের প্যারাগুলো পড়ে  donttell donttell
lol2 lol2 lol2

এত দুষ্কের মইধ্যে লাস্টের কয়েক লাইনের জন্যই বাঁইচা আছি, বিদেশের লাইফ খুব মজার না, আমার মন খারাপ হইলেই নেটবীনস ডাউনলোড দিয়া নেটের স্পীড দেখি, আর মন ভাল হয়া যায়।  big_smile big_smile big_smile big_smile big_smile

সারিম লিখেছেন:

big_smile big_smile big_smile big_smile big_smile
We also love KTH big_smile big_smile

মি ঠু, ঢূঢ, মি ঠূ ...

অপরিচিত লিখেছেন:

lol2 lol2 দারুন লাগলো ভাইয়া

ধইন্না ভাই, অনেক ধইন্না।

সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:
mcctuhin লিখেছেন:

০৪. মেয়েরা এইখানে অতিরিক্ত সুন্দর। আমি একটা মেয়েকেও খারাপ দেখি নাই। ইরানি মেয়েরা দেশে হিজাব পড়লেও এইখানে আইসা পুরা ঢিশটিং ঢিশটিং। আমি অবাক হইয়া ভাবি, কেমনে সম্ভব এইটা? তার ওপর সামার চলে এখন, বাকিটা কি আর বলতে হবে??

lol lol lol lol lol lol

রম্য'র পুরষ্কারটা মনে হয় দ্বিতীয়বারের মত আপনিই পাচ্ছেন!

সেরাম লেখা লিখছেন বস! চালায়া যায়েন!!!  thumbs_up thumbs_up thumbs_up

চলবে বস, এইখানে চলবে, নেটে হাজার হাজার প্লাটফর্মের ভীড়ে প্রজন্মই একটু সুস্থ আছে।
-----------

যারা কমেন্ট করছেন, পিলাচ দিছেন সবাইরে অসংখ্য ধইন্না।
বিঃদ্রঃ ধইন্না পাতা এইখানে ব্যাপক দামী জিনিস, সম্ভবত ৪০ ক্রোনা প্রতি কেজি (৪৮০ টাকার সমান), শিওর না।

Gentlemen, you can't fight in here, this is the war room!

১৩

Re: হুদাই গ্যাঁজাইলাম (বৈদেশ ভার্সন)

mcctuhin লিখেছেন:

মুই একখান আকাম কইরা আইছি, বোজলেন, হেই গল্প আরেক দিন হইবো।

আরেকদিন কবে? তাড়াতাড়ি লিইখা ফেলেন। কি আকাম করছেন আবার  hehe

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD