সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (২৫-০৪-২০১১ ১৩:১০)

টপিকঃ 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

ঈশ্বর কণা' এবার ধরা দিয়েছে সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের (এলএইচসি) সুড়ঙ্গে! এমনই এক রটনা ছড়িয়ে পড়েছে বিজ্ঞানের বিশ্ব দরবারে। রটনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতবিদ পিটার ওইটের একটি ব্লগ। সেখানে প্রকাশ করা হয়েছে এলএইচসির অভ্যন্তরীণ গোপন গবেষণার প্রতিবেদন।
'ঈশ্বর কণা' বিষয়টি বুঝতে হলে যেতে হবে বিগ ব্যাংয়ের অব্যবহিত পরের সময়কালে। প্রচলিত মহাকাশ বিজ্ঞানে ধারণা করা হয়, প্রায় ১৩ হাজার ৭০০ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের। সার্নের বিজ্ঞানী জেমস গিলিস বলেন, বিগ ব্যাংয়ের ঠিক পর মুহূর্তেই অতি ঘনত্বের শক্তিসমৃদ্ধ পদার্থের সমষ্টি এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছিল বলে মনে করা হয়। মহাবিস্ফোরণের ঠিক পর মুহূর্তে পদার্থের একটি বিশেষ 'অবস্থা' ছিল। এই বিশেষ 'অবস্থা' বর্তমান বিশ্বজগতের বিদ্যমান পদার্থের 'অবস্থা'র মতো নয়। মহাবিস্ফোরণের সময় খুব সামান্য সময়ের জন্য পদার্থের একটি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, এ অবস্থার নাম 'হিগস-বোসন' কণা। এর নিগূঢ় তাৎপর্য এতই ব্যাপক যে এই 'হিগস-বোসন' কণার 'স্বরূপ' বুঝতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অমীমাংসিত অনেক জটিলতার সমাধানসূত্র মিলবে। কিন্তু অতি জটিল এ কণার অস্তিত্ব। সেকেন্ডের মাত্র লাখো-কোটি ভগ্নাংশ সময়জুড়ে এর স্থায়িত্ব। এমন পালিয়ে বেড়ানো কণার অস্তিত্ব খুঁজতে বিশ্বের হাজার হাজার বিজ্ঞানীকে নিয়ে ইউরোপের সার্ন (ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ) সংস্থা ২৫ বছর ধরে তৈরি করেছে এই এলএইচসি। বিশ্বের সবচেয়ে জটিল ও ব্যয়বহুল এ যন্ত্র জেনেভা শহরের কাছে ফ্রান্স-সুইজারল্যান্ড সীমান্তের ১০০ মিটার নিচে তৈরি করা একটি কংক্রিট-ঘেরা সুড়ঙ্গ। এর পরিধি ২৭ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৭৫ মিটার।
কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কলাইডারের ভেতরে 'ঈশ্বর কণা' নামে খ্যাত হিগ্স বোসন তৈরির চেষ্টা করে এসেছেন, কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই সফলতার স্বাদ পাওয়া সম্ভব হয়নি। এটাই একমাত্র মৌলিক কণা, যাকে এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা যায়নি। গণিতবিদ পিটার ওইটের ব্লগের এই প্রতিবেদন যদিও নিশ্চিতভাবে প্রামাণিক নয়, এর পরও এটি 'ঈশ্বর কণা' সৃষ্টির প্রাথমিক তথ্য বলে উড়িয়ে দিচ্ছে না বিজ্ঞানী মহলের একাংশ।
ফাঁস হওয়া এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলাইডারে চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা হচ্ছে। এগুলো হলো অ্যালাইস, অ্যাটলাস, সিএমসি ও এলএইচসি। এর ভেতরে অ্যাটলাস পরীক্ষাটি সংঘটনের সময় এই 'ঈশ্বর কণা' শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
নিউ ইয়র্কের সাইরাকিউস বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী শেলডন স্টেন বলেন, 'এ ঘটনা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে তা অভাবনীয় প্রভাব রাখবে।'
শেলডন মনে করেন, "এলএইচসির বিজ্ঞানীরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা কখনোই ঘোষণা করবেন না। সেদিক থেকে এটি আপাতত রটনাই। তবে তা 'ঈশ্বর কণা' শনাক্তের পূর্বাভাসও হতে পারে।"
সূত্র: কালের কন্ঠ

জীবনে চলার পথে কখনও কখনও উদাসীন হতে হয় , তা না হলে জীবন জটিল হয়ে যায় ।

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

প্রথম আলো ও ফেইসবুক থেকে

সুইজারল্যান্ডের ভূগর্ভস্থ পরীক্ষাকেন্দ্র লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে (এলএইচসি) গবেষণারত বিজ্ঞানীরা ‘ঈশ্বর কণিকা’ বলে পরিচিত ‘হিগস্ বোসন পার্টিকল’ নামের অতি পারমাণবিক (সাব অ্যাটমিক) কণিকা শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। ইন্টারনেটে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
‘হিগস্ বোসন’ বা ‘ঈশ্বর কণা’র মাধ্যমে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ঠিক পরের মুহূর্তের অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের সমাধান মিলবে। পরমাণু গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন নিউক্লিয়ার রিসার্চ (সার্ন) নামের যে পরমাণু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধীনে এ পরীক্ষা চলছে। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত না করলেও এটিকে সরাসরি নাকচও করেনি।
মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে সার্ন ফ্রান্স-সুইজারল্যান্ড সীমান্ত এলাকায় ২৭ কিলোমিটারের বৃত্তাকৃতির এলএইচসি স্থাপন করে। এটি ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে চালু করা হয়। প্রায় আলোর সমান গতিতে পরস্পর বিপরীতমুখী দুটি প্রোটনস্রোত এর সুড়ঙ্গপথে সক্রিয় করে প্রোটন কণিকার মধ্যে সংঘর্ষ ঘটানো হয়। দুটি স্রোতের সংঘর্ষে প্রোটনের কণাগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে নতুন কণার সৃষ্টি করে।
সংবাদমাধ্যমগুলো বলেছে, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী পিটার উয়োইট তাঁর ইন্টারনেট ব্লগে একটি নথি জুড়ে দিয়ে সেটিকে এলএইচসিতে কর্মরত চারজন বিজ্ঞানীর লেখা গোপন নথি বলে দাবি করেছেন। নথিতে বলা হয়েছে, এলএইচসিতে স্থাপিত সূক্ষ্ম পদার্থকণিকা শনাক্তকারী অনেকগুলো যন্ত্রের একটিতে নতুন ধরনের একটি অতি পারমানবিক কণিকা ধরা পড়েছে। গবেষকেরা মনে করছেন, ওই অতি পারমানবিক কণিকাটিই হচ্ছে ‘হিগস্ বোসন’। নথিতে আরও বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীরা হিগস্ বোসনকে যতটুকু বলে ধারণা করেছিলেন, তার চেয়ে এই কণিকাটি ৩৪ গুণ বড়।
কয়েকজন বিজ্ঞানী প্রাথমিকভাবে এ নথির বিষয়টিকে ‘ধোঁকাবাজি’ বলে উড়িয়ে দেন। তবে সার্নের পক্ষ থেকে নথিটি আসল বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু নথিতে হিগস্ বোসন ধরা পড়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছে, সে বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেনি।
সার্নের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র জেমস গিলিস বলেছেন, এলএইচসিতে প্রায় তিন হাজার বিজ্ঞানী কাজ করছেন। নিরবচ্ছিন্নভাবে তাঁরা হাজার হাজার নথি ও প্রতিবেদন তৈরি করে যাচ্ছেন। এত নথির মধ্য থেকে একটি নথির বক্তব্যকে হুট করে স্বতঃসিদ্ধ বলে রায় দেওয়া সম্ভব নয়। নথির বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত অথবা প্রত্যাখ্যান করার আগে বিজ্ঞানীরা সেটিকে কয়েকটি পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করবেন। সমন্বিত বিশ্লেষণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে সার্নের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হবে।
গত বছরের জুনে এলএইচসির বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, তাঁরা মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন। এলএইচসি আগের তুলনায় দ্বিগুণ হারে প্রোটনকণিকা চূর্ণ করছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে খুব শিগগির তাঁরা ‘বিগ ব্যাং থিউরি’ বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বের প্রামাণ্য ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারবেন। একই সঙ্গে ‘হিগস্ বোসন পার্টিকল’ও শনাক্ত করা যাবে। তাঁরা জানান ২০১৩ সালের মধ্যে তাঁরা এলএইচসিতে ১৪ ট্রিলিয়ন ইলেক্ট্রোভোল্টের শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলএইচসি কাজ করলে হিগস্ বোসন শনাক্ত করা যাবে। এ ছাড়া মহাবিস্ফোরণের পর কীভাবে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল, তার একটি ধারণাও তাঁরা পাবেন।
টেলিগ্রাফ ও

অবশেষে এল সেই বহু প্রত্যাশিত মাহেন্দ্রক্ষণ। বিশ্বের ৩০ দেশের ১০০টি প্রতিষ্ঠানের এক হাজার বিজ্ঞানীর মিলিত প্রচেষ্টা আর বিপুল অর্থ ব্যয়ে শেষ পর্যন্ত ঘটল সেই ঘটনা_বিগ ব্যাং। অবশ্য তা ছোট পরিসরেই। সেই জন্য একে বলা হচ্ছে 'মিনি বিগ ব্যাং'।
যতই ছোট হোক, এ সাফল্য কিছুতেই ফেলনা নয়। কারণ আজ থেকে প্রায় এক হাজার ৪০০ কোটি বছর আগে এমনই এক বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্টি হয়েছিল মহাবিশ্বের। অসীম শূন্য এক অবস্থায় ঘটেছিল মহাবিস্ফোরণ_বিগ ব্যাং। এর থেকেই সূচনা হয় স্থান আর সময়ের। এরপর বিবর্তিত ও বিবর্ধিত হতে হতে আজকের অসীম মহাজগৎ।
ফ্রান্স-সুইজারল্যান্ড সীমান্তে মাটির ৩২৮ ফুট নিচে বসানো লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে ঘটানো হয়েছে কৃত্রিম এই মহাবিস্ফোরণ। বিস্ফোরণ বলতে প্রায় আলোর গতিতে ছোটা কণাদের মধ্যে সংঘর্ষ। ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বৃত্তাকার একটি টানেল হলো এই কলাইডার।
ঠিক ছিল ফোটন কণাদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটানোর, এর বদলে বিজ্ঞানীরা ছোটালেন সিসার আয়ন। আয়ন হলো এক ধরনের অণু বা মলিকিউল, যাদের ইলেকট্রন ও প্রোটনসংখ্যা সমান নয়। লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে আলোর গতিতে ছোটা এই সিসা আয়নের সংঘর্ষে সৃষ্টি হয় ওই মিনি বিস্ফোরণ পরিস্থিতি। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই সংঘর্ষে এমন উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা পৃথিবীতে এর আগে তৈরি সম্ভব হয়নি। ওই সংঘর্ষে উৎপন্ন হয়েছে আমাদের সূর্যের চেয়েও ১০ লাখ গুণ
বেশি উত্তাপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমনই উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল মহাবিশ্ব সৃষ্টিলগ্নেও। তাই ঘটনাটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সে কারণেই বিজ্ঞানীরা কোমর বেঁধে নেমেছিলেন। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল, একটি মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়ে ঈশ্বর কণার সন্ধান করা। ঈশ্বর কণা বা গড পার্টিকেলস বলা হয় হিগ বোসনকে। এ ধরনের কণার স্থায়ীত্ব ভীষণ কম। চোখের পলকে সৃষ্টি এদের, চোখের পলকেই নাশ। ফলে তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে মানুষের কোনো ধারণাই নেই। মহাবিশ্ব সৃষ্টির সেই মহাবিস্ফোরণে উৎপাদিত হিগ বোসনের বিরাট একটা ভূমিকা ছিল বলেই বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস।
হিগ বোসনের সন্ধান মিললে পদার্থবিজ্ঞানের নতুন একটি ধারা সৃষ্টি হবে_এ বিষয়ে নিশ্চিত বিজ্ঞানীরা। এ সংঘর্ষে হিগ বোসন বা সেই ঈশ্বর কণার দেখা মিলবেই_এমনই বিশ্বাস তাঁদের।
বিজ্ঞানীরা গত ৭ নভেম্বর গ্রিনিচ মান সময় ৭টা ২০ মিনিটে এ সংঘর্ষ ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন। এ গবেষণায় যুক্তরাজ্যের গবেষক ডেভিড ইভানস তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'আমরা অভিভূত। এ এক বিশাল অর্জন। খুব নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে আমরা সাব-অ্যাটমিক আগুনের গোলা তৈরি করেছি, যার উত্তাপ অবিশ্বাস্য। এর আগে এমন পরিস্থিতি একবারই ঘটেছিল, সেই বিগ ব্যাংয়ের সময়।' এখন বিজ্ঞানীরা আগামী চার সপ্তাহ ধরে ওই মিনি বিগ ব্যাংয়ের পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তাঁরা আশা করছেন, এ গবেষণা থেকে তাঁরা স্ট্রং ফোর্স সম্পর্কে আরো বিশদ ধারণা পাবেন। এই ফোর্স বা বলই অণুর নিউক্লিয়াসের খুদে পরমাণুগুলোকে শক্ত বাঁধনে বেঁধে রাখে। আর তা জানা গেলেই সৃষ্টি রহস্যের অনেকটাই উন্মোচন হয়ে যাবে।

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ ।এবং রেপু ধুর !সম্মাননা ।

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

ধন্যবাদ লেখা গুলো এইখানে শেয়ার করার জন্য।

ওয়েব হোস্টিং | রিসেলার হোস্টিং | অনলাইন রেডিও হোস্টিং
টেট্রাহোস্ট বাংলাদেশ - www.tetrahostbd.com

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

অনেক ধন্যবাদ লেখা শেয়ার করার জন্য।

এই গরমে স্বাক্ষর আর কি দিমু........

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

ঈশ্বর তাহলে শেষমেষ কণা হয়ে ধরা দিলেন !

Despise Wisdom

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

ঈশ্বর তাহলে শেষমেষ কণা হয়ে ধরা দিলেন

বিজ্ঞানের অমিমাংসিত বিষয়গুলোর উত্তর পাওয়া গেলে হয়ত সৃষ্টি আর স্রষ্ঠা নিয়ে বিতর্ক থাকবে না...

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

ইন্টারনেটের যতজায়গায় সুইস হ্যাড্রন কলাইডারের লেখা দেখি, সবখানেই ভালর চেয়ে নেগেটিভ মন্তব্য বেশি দেখি। 'ঈশ্বরের সাথে মানুষের তুলনা হচ্ছে', 'এইসব বিজ্ঞানীরা নরকে যাবে',  'পুড়িয়ে মারা উচিৎ' ... ইত্যাদি ইত্যাদি। ভাল লাগল অনেক পজিটিভ মন্তব্য দেখে।

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

Sun লিখেছেন:

ইন্টারনেটের যতজায়গায় সুইস হ্যাড্রন কলাইডারের লেখা দেখি, সবখানেই ভালর চেয়ে নেগেটিভ মন্তব্য বেশি দেখি। 'ঈশ্বরের সাথে মানুষের তুলনা হচ্ছে', 'এইসব বিজ্ঞানীরা নরকে যাবে',  'পুড়িয়ে মারা উচিৎ' ... ইত্যাদি ইত্যাদি। ভাল লাগল অনেক পজিটিভ মন্তব্য দেখে।

শুনেন "মোল্লার দৌড় কিন্তু মসজিদ পর্যন্তই" এটা মাথায় রেখেন ।  hehe

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

এন্টি ম্যাটারকে বলা হয় গড পার্টিকেল।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

১১

Re: 'ঈশ্বর কণার' সন্ধান মিলেছে!

একটা জিনিস আমার মাথায় ঢুকছে না , যদি সুর্য্যের চেয়ে ১০ লক্ষ গুন বেশি তাপ হয়ে থাকে তবে গবেষণাগারটি টিকে আছে কি করে? সব কিছুই ত গলে যাবার  কথা এমনকি এই পৃথিবী ।!!!!!!!!!!!!!!!!!

আমি এক অন্যন্য মানুষ, আমার আত্নিক  ক্ষমতা অসীম,
সারা পৃথিবী আমার, যেখানে দরকার সেখানে যাব,
যা প্রয়োজন তাই নেব,জাতি,ধর্ম ,বর্ণ, গোত্র,নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ করব ।