টপিকঃ সত্যি হলো মেক্সিকান তরুণীর স্বপ্ন

ঢাকা, ২২ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডেস্ক): রূপকথাও কখনো কখনো সত্যি হয়ে ধরা দেয় মানুষের জীবনে। তেমনই এক রূপকথা সত্যি হয়ে গেলো দরিদ্র মেক্সিকান তরুণী ইসতেবালিস শেভেজের কাছে। ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তারাধিকারী প্রিন্স উইলিয়ামস ও কেটের রাজকীয় বিয়েতে যোগ দেয়ার দাবিতে টানা ১৬ দিন অনশন করে মেক্সিকো সিটির বৃটিশ দূতাবাসের বাইরে অনশন করে এ তরুণী।
গত ফেব্রুয়ারিতে রাজকীয় বিয়েতে যোগ দেবার দাবি জানিয়ে বৃটিশ দূতাবাসের সামনে কেট ও উইলিয়ামসের ছবি এঁকে অনশন শুরু করে ইসতেবালিস। দারিদ্র্যতা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, ক্ষুধাপীড়িত মেক্সিকোর মানুষ তার এই অনশনকে স্রেফ পাগলামি বলেই হেসে উড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাতে দমে যাননি ইসতেবালিস। বিয়ের অনুষ্ঠানে না হলেও ওয়েস্টমিনিস্টার এ্যবি'র বাইরে থেকে হলেও সে অনুষ্ঠান দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করে। অনশনের এই ১৬ দিনে ১৯ বছরের ওই তরুণী শুধু পানি খেয়েই কাটায় এবং এ ক'দিনে তার ওজন প্রায় ১৯ পাউন্ড কমে যায়। তবু কোনো মানুষ বা সংগঠন তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।
হঠাৎ করেই ইসতেবালিসের কাছে খুশির সুবাতাস হয়ে এগিয়ে আসেন বৃটেনে মেক্সিকান কংগ্রেসের লবিস্ট অকটাভিও ফিতস লাজো নামের এক ভদ্রলোক। তিনি সেই বিয়েতে আমন্ত্রিত এবং ওয়েস্টমিনিস্টার এ্যবিতে ঢুকতে সক্ষম। তিনি ইসতেবালিসকে নিজ খরচে লন্ডন পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এ প্রসঙ্গে ফিতস বলেন, কেউ মেয়েটাকে বুঝতে পারল না দেখে আমি দুঃখিত।
তবে প্রিন্স উইলিয়ামসের ব্যাক্তিগত সেক্রেটারির কাছে ইসতাবালিসের দাওয়াতের জন্য আবেদন করা হলে সেখান থেকে ইতিবাচক কোনো খবর আসেনি। পরে ফিতসের একান্ত প্রচেষ্টায় অবশেষে বৃহস্পতিবার ইসতেবালিস লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
যাবার আগে ইসতেবালিস তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, আমি খুবই উত্তেজিত। এটি প্রকৃত অর্থেই স্বপ্ন সত্যি হবার মতো ঘটনা। কিন্তু আমি জানতাম এটি অসম্ভব কিছু নয়। মেক্সিকার মানুষেরা আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছে, পাগল বলেছে। তবু আমি আমার সংকল্পে অটল ছিলাম। এখন আমার স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে বলে আমি আনন্দিত।

Re: সত্যি হলো মেক্সিকান তরুণীর স্বপ্ন

হায়রে ।। hairpullহাসব না কাদব বুঝতে পারছি না। smile

Re: সত্যি হলো মেক্সিকান তরুণীর স্বপ্ন

clap

Despise Wisdom