টপিকঃ নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

রোগলক্ষণ: এ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হবেন। তিনি মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারেন। এক পর্যায়ে তার খিচুনিও দেখা দিতে পারে। আইইডিসিআরের পরিচালক মাহমুদুর রহমান জানান, এ রোগে মস্তিস্কে ভয়াবহ প্রদাহ দেখা দেয়।
             সাবধানতা: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে খেজুর গুড় ও রস, আখের রস, পেঁপে, পেয়ারা, বরইয়ের মতো ফল না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আইইডিসিআরের পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলেন, "এই অবস্থায় খেজুরের রস না খাওয়াই ভালো।

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

ধন্যবাদ পরামর্শ এর জন্য...
আপনার পোস্টটি সঠিক বিভাগে করা হয়নি....
আর আপনি যেহেতু নতুন তাই বলছি আপনি এই বিভাগে আপনার পরিচয় দিলে ভাল হবে ।

নাবালক'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

এইটা কি সাধারণ ভাইরাস জ্বরের কথা বললেন? নাকি এর থেকে মারাত্নক কিছু? whats_the_matter

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

ROKON85 লিখেছেন:

তিনি মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারেন। এক পর্যায়ে তার খিচুনিও দেখা দিতে পারে। আইইডিসিআরের পরিচালক মাহমুদুর রহমান জানান, এ রোগে মস্তিস্কে ভয়াবহ প্রদাহ দেখা দেয়।

আপনি বোধহয় উপরের লাইন গুলো পড়েননি

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

এইটা কি সাধারণ ভাইরাস জ্বরের কথা বললেন? নাকি এর থেকে মারাত্নক কিছু? whats_the_matter

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

নিপা ভাইরাস সত্যই অাছে http://en.wikipedia.org/wiki/Henipavirus#Nipah_virus

Despise Wisdom

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

কেউ কি বলেছে নিপাহ ভাইরাস নেই?  surprised

অলোক লিখেছেন:

নিপা ভাইরাস সত্যই অাছে http://en.wikipedia.org/wiki/Henipavirus#Nipah_virus

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

পোস্টটা সঠিক বিভাগে সরায় নেয়া উচিৎ!
এডমিন রা যদি একটু নজর দিতেন!

ওয়েব হোস্টিং | রিসেলার হোস্টিং | অনলাইন রেডিও হোস্টিং
টেট্রাহোস্ট বাংলাদেশ - www.tetrahostbd.com

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

এই ভাইরাস নিয়ে বিস্তারিত একটা টপিক খুলতে চেয়েছিলাম। সময় করে উঠতে পারছি না। ROKON ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ বিষয়টা তুলে ধরার জন্য।
আরেকটা বিষয় লক্ষ্যনীয়, যেকোন ফল খাওয়ার পূর্বে ভালমতো দেখে নিতে হবে তাতে অন্য কোন প্রানীর কামড়-ঠোকরানোর দাগ আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে সেই ফল খাওয়া যাবে না। এমনকি ঐ অংশ কেটে ফেলে বাকী অক্ষত অংশও খাওয়া যাবে না।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন কালপুরুষ (০৮-০২-২০১১ ১১:৪৫)

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

নিপাহঃ মালয়েশিয়ায় একটি জায়গা ঐ খানেএ ভাইরাস ছড়াই বলে ঐ জায়গার নামে এর নাম করন করা হয়।

প্রথম সংক্রামনঃ মানুষের মধ্যে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম ধরা পড়ে ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ায়।শুকর এর মধ্যমে তা প্রথম ছড়ায় এবং শুকরের মধ্যে আসে বাদুর থেকে। বাংলাদেশে প্রথম ২০০১ সালে মেহেরপুরে এ ভাইরাস প্রথম দেখা দেয়।

হেন্ড্রাঃ নিপাহ এর সম গোত্রীয় ভাইরাস এবং হোষ্ট প্রানী একই হেন্ড্রা প্রথম ১৯৯৪ সালে অষ্টেলিয়াই প্রথম দেখা দেয়। যেটা ঘোড়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে।

হোষ্ট প্রানীঃ বাদুড় ( যে প্রানীর দেহে এ ভাইরাস থাকে)

http://images.suite101.com/1172991_com_fruitbat.jpg


রোগলক্ষণ:এ রোগের প্রধান প্রধান লক্ষণ গুলো হলো

১। অতিরিক্ত জ্বর
২। বিলাপ বকা
৩। শ্বাস নালীর ও শ্বাস যন্ত্রের প্রদহ
৪। খিচুনি
৫। প্রচন্ড মাথা যন্ত্রনা
৬। জ্বর হলেও শরীর ঘামে

সাবধানতা: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আমাদের করনীয়

১। যথা সম্বভ হোষ্ট প্রানী তথা বাদুড় থেকে দুরে থাকতে হবে।
২। বাদুড়ের উচ্ছিষ্ঠ বা বাদুড়ে খাওয়া কোন জিনিষ খাওয়া যাবে না।
৩। আক্রান্ত ব্যক্তির লালা হাচি কাশি থেকে এটা ছড়াতে পারে তাই এ থেকেও আমাদের সাবধান থাকতে হবে।
৪। সাধারনত বাদুড় ফল খেয়ে থাকে তাই ফল খাবার সময় বাদুড়ে খাওয়া কি না পরীক্ষা করে খেতে হবে।
৫। আমাদের দেশে বাদুড়ে খাওয়া খেজুরের রস খেয়ে এটি ছড়াচ্ছে তাই খেজেরের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

 
আসলে অনেকে এটাকে জাপানি এনকেফালাইটিস বলেও এটা তা নয়। জাপানি এনকেফালাইটিস ছড়াই মাশা মাছির মাধ্যমে। এই দুই ভাইরাসের লক্ষণ গুলো একই হলেও প্রধান পার্থক্য ছড়ানোর সিস্টেম জাপানি এনকেফালাইটিস ছড়াই মাশার কামড়ানোর কারনে আর নিপাহ ছড়াই লালা এর মাধ্যমে।

নাই

১০

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

শেয়ার কারার জন্য ধন্যবাদ।

Blood group = O+ 
কিভাবে ভাল হওয়া যায়?  হিংষা মানুষকে পশু বানায় , লোভ বানায় অন্ধ।
ম্যানপাওয়ার করে বিদেশে যান বৈধ ভাবে এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথে।

১১

Re: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরামর্শ

আরও কত ভাইরাস যে দেখতে হবে! hairpull

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত