টপিকঃ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ
আইএমএফ’র পরামর্শ সতর্কভাবে এড়িয়ে চলতে হবে

--------------------------------------------------------------------

মূল্যস্ফীতি। বর্তমান সরকারের জন্য এটা একটা বড় সমস্যা। জাতীয় অর্থনীতির জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কথা সরকারও স্বীকার করছে কিংবা বলা যায় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। সরকারের বাইরের বিভিন্ন মহল এ নিয়ে বারবার নানা আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোরালো দাবিও তুলে ধরেছে। বিভিন্ন মহল মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার তার নিজের বিবেচনায় এ ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে তবে তা সুফল বয়ে আনেনি, বরং মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো অব্যাহত। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছে গেছে দুই অঙ্কে। আর মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কে পৌঁছার এটাই প্রথম রেকর্ড। আমাদের মতো একটা উন্নয়নশীল দেশে এই হার ৫ শতাংশের নিচে থাকাই বাঞ্ছনীয়। তাই এখন যেমন অর্থনীতিবিদরা উদ্বিগ্ন, তেমনি উদ্বিগ্ন সরকারও। আর মূল্যস্ফীতির বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নাতীত তাগিদ হচ্ছে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মূল্যস্ফীতির হার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা। এর সমাধান করতে হলে আগে কারণ খুঁজে বের করতে হবে। নানাজন এর নানা কারণ দেখেন। সরকার পক্ষ কারণ খোঁজে গা বাঁচিয়ে এবং বলে, মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং স্খানীয়ভাবে কার্যকর সিন্ডিকেট। মূল্যস্ফীতি রোধে সরকার করণীয় পালনে ব্যর্থ হয়েছে, এমন স্বীকৃতি সরকার পক্ষ দিতে চায় না। যা-ই হোক, এর বাইরে যে কারণ থাকতে পারে, সে কথা স্বীকার করে নিয়ে কারণ খুঁজতে হবে। গত ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যংক উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়াকে অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের অর্থনীতির গতিশীলতা। আমরাও মনে করি, এ অনুধাবন যথার্থ। অর্থনীতির অগ্রগতির পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বলা দরকার, মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র পরামর্শে সরকারের সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি অবলম্বন ছিল একটা বড় ভুল। আর সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি কার্যত ঋণপ্রবাহ কমিয়েছে। তা ছাড়া রোধ করেছে নতুন কর্মসংস্খান, যার ফলে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। মোটকথা মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র স্বার্থান্বেষী পরামর্শ এড়িয়ে বাস্তব অবস্খা বিবেচনায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নিতে হবে। তবেই মোকাবেলা করা যেতে পারে মূল্যস্ফীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ।

তথ্য সূএ: দৈনিক নয়া দিগন্ত

বাংলা আমার মা,বাংলা আমার মাতৃভাষা
[img]http://forum.projanmo.com/uploads/2007/12/542_flagmobile.gif[/img]

Re: মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ

খালেকুজজামান লিখেছেন:

মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ
আইএমএফ’র পরামর্শ সতর্কভাবে এড়িয়ে চলতে হবে

--------------------------------------------------------------------

মূল্যস্ফীতি। বর্তমান সরকারের জন্য এটা একটা বড় সমস্যা। জাতীয় অর্থনীতির জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কথা সরকারও স্বীকার করছে কিংবা বলা যায় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। সরকারের বাইরের বিভিন্ন মহল এ নিয়ে বারবার নানা আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোরালো দাবিও তুলে ধরেছে। বিভিন্ন মহল মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার তার নিজের বিবেচনায় এ ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে তবে তা সুফল বয়ে আনেনি, বরং মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো অব্যাহত। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছে গেছে দুই অঙ্কে। আর মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কে পৌঁছার এটাই প্রথম রেকর্ড। আমাদের মতো একটা উন্নয়নশীল দেশে এই হার ৫ শতাংশের নিচে থাকাই বাঞ্ছনীয়। তাই এখন যেমন অর্থনীতিবিদরা উদ্বিগ্ন, তেমনি উদ্বিগ্ন সরকারও। আর মূল্যস্ফীতির বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নাতীত তাগিদ হচ্ছে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মূল্যস্ফীতির হার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা। এর সমাধান করতে হলে আগে কারণ খুঁজে বের করতে হবে। নানাজন এর নানা কারণ দেখেন। সরকার পক্ষ কারণ খোঁজে গা বাঁচিয়ে এবং বলে, মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং স্খানীয়ভাবে কার্যকর সিন্ডিকেট। মূল্যস্ফীতি রোধে সরকার করণীয় পালনে ব্যর্থ হয়েছে, এমন স্বীকৃতি সরকার পক্ষ দিতে চায় না। যা-ই হোক, এর বাইরে যে কারণ থাকতে পারে, সে কথা স্বীকার করে নিয়ে কারণ খুঁজতে হবে। গত ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যংক উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়াকে অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের অর্থনীতির গতিশীলতা। আমরাও মনে করি, এ অনুধাবন যথার্থ। অর্থনীতির অগ্রগতির পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বলা দরকার, মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র পরামর্শে সরকারের সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি অবলম্বন ছিল একটা বড় ভুল। আর সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি কার্যত ঋণপ্রবাহ কমিয়েছে। তা ছাড়া রোধ করেছে নতুন কর্মসংস্খান, যার ফলে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। মোটকথা মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র স্বার্থান্বেষী পরামর্শ এড়িয়ে বাস্তব অবস্খা বিবেচনায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নিতে হবে। তবেই মোকাবেলা করা যেতে পারে মূল্যস্ফীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ।

তথ্য সূএ: দৈনিক নয়া দিগন্ত

মুদ্রানীতি কী ধরনের জিনিস?

Re: মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ

না বোঝার মত কিছু না। আমরা বাজারে গেলে যে অবস্থা দেখি।

সীমান্তের লক্ষে...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ??? (০৩-১০-২০০৭ ১৩:৩১)

Re: মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ

তানজিনা লিখেছেন:
খালেকুজজামান লিখেছেন:

মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ
আইএমএফ’র পরামর্শ সতর্কভাবে এড়িয়ে চলতে হবে

--------------------------------------------------------------------

মূল্যস্ফীতি। বর্তমান সরকারের জন্য এটা একটা বড় সমস্যা। জাতীয় অর্থনীতির জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কথা সরকারও স্বীকার করছে কিংবা বলা যায় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। সরকারের বাইরের বিভিন্ন মহল এ নিয়ে বারবার নানা আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোরালো দাবিও তুলে ধরেছে। বিভিন্ন মহল মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার তার নিজের বিবেচনায় এ ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে তবে তা সুফল বয়ে আনেনি, বরং মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো অব্যাহত। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছে গেছে দুই অঙ্কে। আর মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কে পৌঁছার এটাই প্রথম রেকর্ড। আমাদের মতো একটা উন্নয়নশীল দেশে এই হার ৫ শতাংশের নিচে থাকাই বাঞ্ছনীয়। তাই এখন যেমন অর্থনীতিবিদরা উদ্বিগ্ন, তেমনি উদ্বিগ্ন সরকারও। আর মূল্যস্ফীতির বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নাতীত তাগিদ হচ্ছে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মূল্যস্ফীতির হার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা। এর সমাধান করতে হলে আগে কারণ খুঁজে বের করতে হবে। নানাজন এর নানা কারণ দেখেন। সরকার পক্ষ কারণ খোঁজে গা বাঁচিয়ে এবং বলে, মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং স্খানীয়ভাবে কার্যকর সিন্ডিকেট। মূল্যস্ফীতি রোধে সরকার করণীয় পালনে ব্যর্থ হয়েছে, এমন স্বীকৃতি সরকার পক্ষ দিতে চায় না। যা-ই হোক, এর বাইরে যে কারণ থাকতে পারে, সে কথা স্বীকার করে নিয়ে কারণ খুঁজতে হবে। গত ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যংক উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়াকে অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের অর্থনীতির গতিশীলতা। আমরাও মনে করি, এ অনুধাবন যথার্থ। অর্থনীতির অগ্রগতির পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বলা দরকার, মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র পরামর্শে সরকারের সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি অবলম্বন ছিল একটা বড় ভুল। আর সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি কার্যত ঋণপ্রবাহ কমিয়েছে। তা ছাড়া রোধ করেছে নতুন কর্মসংস্খান, যার ফলে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। মোটকথা মুদ্রাস্ফীতি রোধে আইএমএফ’র স্বার্থান্বেষী পরামর্শ এড়িয়ে বাস্তব অবস্খা বিবেচনায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নিতে হবে। তবেই মোকাবেলা করা যেতে পারে মূল্যস্ফীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ।

তথ্য সূএ: দৈনিক নয়া দিগন্ত

মুদ্রানীতি কী ধরনের জিনিস?

আগে সাধারন মানুষ মূল্যস্ফীতি বা মুদ্রানীতি বা অর্থনীতি এ সব বুঝতো না- কিন্ত বর্তমান অসৎব্যবসায়ীদের লাহামহীন দ্রব্যমূল্যর চাপে- সাধারন মানুষ এখন সবই বুঝে - কিন্ত বলার কিছু নেই।

"We want Justice for Adnan Tasin"