সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (৩১-১২-২০১০ ২৩:১৪)

টপিকঃ রোবট এখন স্কুল টিচার!

জাপানিরা রোবটকে বানিয়েছে গৃহকর্মী, কলকারখানার শ্রমিক আর দক্ষিণ কোরিয়ায় রোবট করছে শিক্ষকতা। স্কুলের খুদে খুদে বাচ্চারা ‘ম্যাম’ বলে ডাকছে তাদের, জেনে নিচ্ছে বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের উচ্চারণ আর মানে। গুজব নয় খবরটা, দেশটির শিক্ষা বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন একথা। তবে নাসেন্ট রোবট ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজাইন করা রোবট দিয়ে ইংরেজি শেখানোর এই প্রকল্প এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন

http://i1230.photobucket.com/albums/ee492/Shanto_Balok/Lp_robot-shekhasse-ingreji5.jpg

ইংকি নামের রোবট শিক্ষিকা দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর দায়েগুর ২১টি প্রাইমারি স্কুলে বাচ্চাদের ইংরেজি শেখানোর কাজ শুরু করেছে। সাদা রঙের ডিমাকৃতির মুখওয়ালা ইংকিকে কোরিয়ান ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির উদ্যোগে ইংরেজি শিক্ষাদানের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।
শুধু ইংকিই নয়, এরকম আরও ২৯টি ইংরেজির শিক্ষক রোবট তৈরি করা হয়েছে। এদের উচ্চতা এক মিটার করে। মুখের জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে একটি টেলিভিশন, যেখানে ফুটে ওঠে ইংরেজি অক্ষর ও চিহ্নসংবলিত নানা তথ্য। শিক্ষক রোবট এক জায়গায় দাঁড়িয়ে না থেকে পুরো ক্লাসে চক্কর দিতে দিতে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলে, ছড়া-কবিতা আবৃত্তি করে শোনায়। শুধু শুকনো পুঁথিগত বিদ্যাই নয়, বিদ্যাদানের পাশাপাশি বাচ্চাদের আনন্দ দেয়ার উদ্দেশে সুমিষ্ট বাজনা এবং বাজনার তালে আবার মাথা দুলিয়ে ও হাত নেড়ে নেড়ে নাচের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অর্থাত্ একই সঙ্গে পড়াশোনা ও বিনোদন—দুটোরই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রোবটগুলোর মুখের জায়গায় যে টেলিভিশন, তার পর্দায় যে মুখ দেখানো হয়েছে, সেগুলো কোনো মঙ্গোলয়েড নারীর নয়, ককেশিয়ান মহিলার মুখ। ফিলিপাইন থেকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে চালানো হয় ইংরেজির শিক্ষিকা রোবটগুলোকে। টেলিভিশনের পর্দায় পর্যবেক্ষণ করা হয় শিক্ষার্থীদের মুখ। এতে বোঝার চেষ্টা করা হয়, একজন রোবট ম্যাডামকে তারা কীভাবে নিচ্ছে।

পড়াশোনা ছাড়াও রোবটগুলোর মস্তিষ্কে প্রোগ্রামিং করা আছে গান, নাচ আর বাচ্চাদের সঙ্গে শব্দ নিয়ে খেলা করার নানা কলাকৌশল। রোবট শিক্ষক যাতে তাদের কাছে বোরিং না হয়ে দাঁড়ায়, তাই এ মানবীয় ক্রিয়াকর্মের ব্যাপার-স্যাপার। দায়েগু শহরের এক কর্মকর্তা কিম মি ইয়ং বলেন, এমনিতে বাচ্চারা রোবটের সুন্দর মহিলা মুখ দেখতে পছন্দ করে, তাই তারা রোবট শিক্ষক বলে অস্বস্তি প্রকাশ করেনি। তবে এর মধ্যে আমরা কিছু বয়সী মানুষের মনেও রোবট শিক্ষিকা নিয়ে আগ্রহ দানা বেঁধে উঠতে দেখেছি। তারা চাইছে রোবটের কাছ থেকে দ্রুত ইংরেজি শিখে নিতে। এর কারণ হলো, বুড়ো বয়সে কোনো মানুষের কাছে শিখতে গেলে তারা যেরকম লজ্জা পাবে কিংবা নার্ভাস অনুভব করবে, সেটা রোবটের বেলায় হবে না বলেই ভাবছেন। কিম মি ইয়ং বলেন, তবে প্রকল্পটা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। আরও নানা কাজ করার সুযোগ রয়ে গেছে এ নিয়ে।

চার মাস মেয়াদি এই পাইলট প্রকল্পখাতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সূত্র : http://www.amardeshonline.com/pages/det … 2/30/60599

রোবট দেখছি শিক্ষকতাও শুরু করেছে। ভালই কিন্তু বিষয়টা কয়েকটা কারনে পছন্দ হলো না। প্রথমত এই টিচারের পেছনে খরচ অনেক বেশী। দ্বিতীয়ত, কোরিয়ায় তো শিক্ষিত বেকার অনেক রয়েছেন -তাদের কর্মসংস্হান কমে গেল/যাবে।
আরেকটা কথা ভাবছি, বাংলাদেশে কখনও রোবট টিচার হয়ে আসলে এখানকার ক্লাসরুম কন্ট্রোল করতে পারবে তো?

Re: রোবট এখন স্কুল টিচার!

বাহ্! বেশ ভালো প্রযুক্তি! thumbs_up

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: রোবট এখন স্কুল টিচার!

কত কিছু হবে রে ভাই ! মাত্র না শুরু

আল্লাহ আপনি মহান

Re: রোবট এখন স্কুল টিচার!

শান্ত বালক লিখেছেন:

আরেকটা কথা ভাবছি, বাংলাদেশে কখনও রোবট টিচার হয়ে আসলে এখানকার ক্লাসরুম কন্ট্রোল করতে পারবে তো?

বিরাট চিন্তার বিষয়। big_smile  thinking  big_smile

♣ "ভাগ্যকে দোষ দিয়ে আমরা পাপীরা নিজেদেরকে হালকা করতে চাই। অথচ একই পাপ আরেকজন করলে ওকে অপবাদ দিতে, সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে বাধে না আমাদের। ভাগ্যে লেখা ছিলো- বলে ক্ষমা করে দেই না লোকটাকে" ♣