টপিকঃ কাজের সুযোগ জাতীয় সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত

উৎসঃ উপ-সম্পাদকীয়, দৈনিক ইত্তেফাক, ১১-সেপ্টেম্বর-২০০৭

কাজের সুযোগ জাতীয় সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত

গত সপ্তাহে অধ্যাপক আবুল বায়েসের একটি লেখা ছাপা হয়েছে। লেখাটি অর্থনীতি বিষয়ক। উক্ত লেখায় তিনি দেশের অর্থনৈতিক চালচিত্র তুলে ধরেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিকারের জন্য কিছু দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়। লেখাটির এক জায়গায় বাজারদরের বিষয় উল্লেখ করে বলা হয় যে, ‘মূল্যস্ফীতির ঢেউ এখন ঘরের চালার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’ প্রতীকী অর্থে বাক্যটি ব্যবহৃত। তবে এর মর্মবাণী দুর্বোধ্য কিছু নয়। ঘরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হলে লাফ-ঝাঁপ দিয়ে তবু ধরার একটা চেষ্টা করা যায়। কিন্তু চালার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে ধরে তেমন সাধ্য কার? অন্ততঃ সাধারণ মানুষের তো নয়ই।

সরকার এ পরিস্থিতি সম্যক অবগত ও প্রতিকারে সচেতন। গত ক’মাস ধরে বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখার অব্যাহত চেষ্টা এর নজির। এ সময়কালে একের পর এক বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক, শহজ শর্তে ঋণদান, ব্যাংক ঋণের সুদের হার হ্রাস, শুল্ক ছাড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় দশটি পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক প্রবর্তন, উচ্চ পর্যায়ে মতবিনিময়, ব্যবসায়ীদের অভয়দান, নতুন করে আর কোন দুর্নীতিবাজের তালিকা তৈরি না করার আশ্বাস ইত্যাদি অন্যতম। আগে এ ধরনের একটি কি দু’টি পদক্ষেপ নিলেই সুফল ফলতে শুরু করতো। আস্তে আস্তে বাজারদর নেমে আসতো সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার মধ্যে। কিন্তু এবার তা হচ্ছে না। কেন হচ্ছে না তা বুঝা মুস্কিল। তবে বাংলাদেশে অপকৌশল গ্রহণ করে ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ানোর নজির অনুপস্থিত নয়। কখনো আন্তর্জাতিক বাজার, কখনো ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, আবার কখনো ঘাটে ঘাটে চাঁদা দান ইত্যাদি হরেক রকম অজুহাত খাড়া করে বেশী মুনাফা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এবারও সে রকম কিছু করা হচ্ছে কিনা দেখা উচিত। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সর্বশেষ গত ২রা আগস্ট হতে বিডিআর’-এর মাধ্যমে চালু করা হয়েছে খুচরা ও পাইকারী বাজার। বিডিআর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় একশ খুচরা বাজার চালু করেছে। এছাড়া খোলা হয়েছে তিনটি পাইকারী বাজার। গাবতলী, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী প্রভৃতি স্থানে। বিডিআরের দোকানে শাক-সবজি, তরি-তরকারি ছাড়াও বিক্রি করা হচ্ছে চাল, ডাল, আটা, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ ও সয়াবিন তেল ইত্যাদি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী। শাক-সবজি ও তরি-তরকারি এবং কিছু আমিষ জাতীয় পণ্য সাধারণত গাবতলী, যাত্রাবাড়ি ও উত্তরা দিয়ে শহরে আসে। হয়তো এজন্যই ওইসব স্থানে পাইকারী বাজার স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এবার বন্যায় ফসলের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শাক-সবজির বাগান হয়েছে বিনষ্ট। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থান হতে শাক-সবজি ও অন্যান্য সামগ্রী কতটা আসবে তা বলা কঠিন। তবে চাল ও গমের সরবরাহ ঠিক রাখার জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ইতিমধ্যে প্রায় ৩ লাখ টন চাল ও গম আমদানি করা হয়েছে বলে জানা যায়। খাদ্য পরিদপ্তরের মহাপরিচালক কিছুদিন আগে স্বস্তিবোধ করার মত একটি সংবাদ শুনিয়েছেন। বলা হয়েছে যে, সরকারি গুদামে চালের কোন ঘাটতি নেই। আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মত খাদ্যশস্যের প্রচুর মজুত আছে। সন্দেহ নেই যে, এটি স্নায়ুচাপ হ্রাস করার মত একটি তথ্য। তা আরো এজন্য যে, মূলত প্রধান খাদ্যবস্তুকে কেন্দ্র করে সবকিছু আবর্তিত হয়। অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম ছাড়াও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা এর সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও কালের ইতিহাস এ কথাই বলে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেবে না সে আশা নিয়েই দেশবাসী প্রহর যাপন করছে।

আরও একটি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন অনেকে। সেটি হচ্ছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। জনজীবন স্বস্তিময় ও দেশের আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত করতে হলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার কোন বিকল্প নেই। এ প্রসঙ্গে কর্ম সৌভাগ্যের প্রসূতি প্রবাদ বাক্যটি মনে পড়ে যায়। সরকার যে পদ্ধতিরই হোক কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার সঙ্গে এর সাফল্য যুক্ত। কেননা, কাজের সুযোগ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায়। আয় বৃদ্ধি করে। শিক্ষার প্রসার ঘটায়। শিল্প বিকাশে সহায়ক হয়। সেইসঙ্গে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে। তিন-চার বছর আগে জাপানে বেকার সংখ্যা সাড়ে নয়ভাগ বেড়ে যায়। তটস্থ হয়ে ওঠেন সরকার। মন্ত্রিসভার জরুরী বৈঠক ডেকে পরবর্তী দশ বছরে কাজের চাহিদা কতটা বাড়তে পারে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিসাব করা হয়। এরপর গ্রহণ করা হয় ৩৯ হাজার কোটি ডলারের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী এক পরিকল্পনা। হয়তো এ বোধ হতে যে, যা কিছু সমৃদ্ধি সবই মানুষের কর্ম ও মেধার ফসল।

বাংলাদেশে সব সরকার আমলেই কাজের নিত্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে এমন কোন বাজেট পেশ করা হয়নি যাতে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার কথা ছিল না। প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট গড়মিল দেখা গেছে ঠিক। তবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে কিছু হয়নি, তা নয়। হচ্ছে না হচ্ছে না করেও অনেক কিছু হয়েছে। হাইওয়ে দিয়ে চলাচল করতে গেলে দেখা যায় পাঁচ-সাত বছর আগেও যেখানে জলাশয় ছিল সেখানে এখন ছোট-বড় মিল-কল। এরপরও নির্মম সত্য এই যে, দেশে বেকার সংখ্যা বিপুল। কারো মতে ৩ কোটি, কারো মতে চার কোটি। আবার কেউ কেউ বলেন যে, পূর্ণ বেকার ও অর্ধ বেকার যোগ করা হলে সংখ্যা আরো অনেক বেশী হবে। সমাজে ও অর্থনীতিতে বেকারত্বের একটা বিরূপ ধাক্কা আছে। সে ধাক্কা আরো প্রচণ্ডভাবে অনুভূত হতো বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র প্রস্তুত না হলে। বর্তমানে আশি হাজার গ্রামের মধ্যে সম্ভবতঃ একটি গ্রামও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেই গ্রামের দু’-চারজন প্রবাসে কর্মরত নয়। এদের প্রেরিত রেমিট্যান্স জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। ভয়াবহ আক্রার বাজারেও গ্রামবাংলা জুড়ে হাহাকার সৃষ্টি না হওয়ার মূলে রেমিট্যান্সের অবদান প্রচুর। কিন্তু সবকিছুরই একটা প্রান্ত আছে। প্রবাসে কর্মসংস্থানের সুযোগের ক্ষেত্রেও এক কথা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে। বেতন কড়িও আগের মত লোভনীয় নয়। জনশক্তি রপ্তানির দ্বিতীয় বৃহৎ বাজার মালয়েশিয়ার পরিস্থিতিও সুখকর বলার উপায় নেই। ইউরোপ, আমেরিকা ও দূরপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি কোন সময়েই ব্যাপক ছিল না। এছাড়া পেট্রো বিশ্বসহ সব দেশেই এখন ‘আপন প্রাণ’ বাঁচা ধ্বনি। এ অবস্থায় কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করা না গেলে নিকট ভবিষ্যতে পরিণতি কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।

নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে তা সংশ্লিষ্ট মহলের বিবেচ্য। আমরা কেবল এটুকু বলতে পারি যে, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে এক সময় কৃষিখাতেই কাজের সুযোগ ছিল বেশী। বাড়তি জনসংখ্যার নতুন আবাসন এবং রাস্তাঘাট ও স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ভেতর দিয়ে শুধু খাল-বিল, জলাশয় নয়- আবাদী জমির পরিমাণও দিন দিন কমে যাচ্ছে। ফলে কৃষিখাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ এখন ক্ষয়িষ্ণু। শিল্প খাতও প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। প্রতিষ্ঠিত কল-কারখানা বরং খাবি খাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ক্ষেত্রভেদে। আদমজীসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া বেশ ক’টি পাটকলের কথা বাদ দেয়া যাক। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এরই মাঝে চারটি বেসরকারি চিনিকল ও চারটি চিনি রিফাইনারী কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। পোশাক শিল্প খাতের অবস্থাও আগের মত আছে কিনা তা বলা কঠিন। বিগত সরকারের একটি ভুল সিদ্ধান্ত, করুণ অবস্থা সৃষ্টি করেছে ১৫টি সরকারি চিনিকলের। অবাক করা কাণ্ড এই যে, দেশে চিনির ঘাটতি চাহিদার প্রায় অর্ধেক। অথচ উৎপন্ন চিনি অবিকৃত পড়ে আছে মাসের পর মাস। ফলে শ্রমিক-কর্মচারিদের বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় আগামী কিছুকালের মধ্যে কলগুলো যদি পটল তোলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বেকারে ভরা দেশে নানা অপরিকল্পিত উচ্ছেদ অভিযানে বেকার হয়েছে অনেক। বেকার সংখ্যা যদি বাড়তেই থাকে ফল যে শুভ হবে না তা বলাই বাহুল্য।

বেকার সংখ্যা বৃদ্ধির রাশ টেনে ধরা এবং ক্রমবর্ধমান কর্মক্ষম জনশক্তির কর্মসংস্থানের জন্য আবশ্যক বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি। সেরকম একটি পরিবেশ তৈরি করে এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনোমিক কোঅপারেশন বা এ্যাপেক এক অবিশ্বাস্য নজির স্থাপন করেছে। এ্যাপেকভুক্ত দেশের সদস্য সংখ্যা একুশ। এর মাঝে নিম্নআয়ের দেশ আঠারটি। যেমন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, পাপুয়ানিউগিনি প্রভৃতি। এসব দেশের অবস্থা এই সেদিনও বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত ছিল না। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করার ফলে গত কয়েক বছরে ২২ কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাঝে ১৮ কোটিই স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে। এ্যাপেকভুক্ত দেশগুলোতে কর্মক্ষম কোন ব্যক্তি এখন বেকার নেই বলা চলে। কথায় আছে- কর্মই বল, কর্মই শক্তি ও সম্পদ। বাস্তবে হয়েছেও তাই। নিজ দেশের সম্পদ আহরণ ও সদ্ব্যবহার করে দেশগুলো এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। মৃত্যুহার কমেছে। শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে তিনগুণ।

পাপুয়ানিউগিনি ও কম্বোডিয়া জাতীয় দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতি তাকালে কি দেখা যায়? এই সেদিন ইত্তেফাকে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয় যে, বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে অলস পড়ে থাকা টাকার পরিমাণ পনের হাজার কোটি। স্বাধীনতা-উত্তরকালে দেশে এতো বিশাল অংকের অর্থ আগে কখনো অলস পড়ে থাকতে শোনা যায়নি। এখন কেন পড়ে আছে? নানা ঘটনা-সংঘাতে আতংকিত ব্যবসায়ী-শিল্পপতি ও উদ্যোক্তাদের হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা। কোনটা করতে গেলে কি হয় এ দুশ্চিন্তায় নাকি কেউ ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে উৎসাহ বোধ করে না। এই না করার ফল হচ্ছে বহুবিধ। শিল্প বিকাশ থমকে আছে। আমদানি কমে যাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আয় কমার পাশাপাশি বাজারে সৃষ্টি হচ্ছে সংকট। প্রতি বছর কর্মক্ষম জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সে অনুপাতে কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। বোধগম্য কারণেই সম্পদ বৃদ্ধি বা জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হচ্ছে প্রশ্নসাপেক্ষ। অন্যদিকে ব্যাংকগুলো আছে অসুবিধার মধ্যে। কারণ বিনিয়োগের সাথে ব্যাংকের আয় যুক্ত। এ্যাপেক ছাড়াও কাজের সুযোগ তৈরি করার নানারকম পদ্ধতি অনুসরণের নজির আছে বিভিন্ন দেশে। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর এর মধ্যে অন্যতম।

এসব দেশেও এক সময় প্রচুর বেকার ছিল। মাছ ধরা, গাছ কাটা ও ক্ষেত-খামারে কাজ ছাড়া তেমন কিছু ছিল না। এখন নিজ দেশের লোকদের কর্মসংস্থান করার পর বিদেশ থেকে জনশক্তি আমদানি করতে হচ্ছে। ওইসব দেশের কোন একটির পদ্ধতি হুবহু কপি করতে হবে তা বলছি না। তবে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ-কাল, মাটি ও মানুষের কথা মাথায় রেখে নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেষ্টা করা যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের বন্ধ্যাত্ব দূর করাসহ এমন কিছু করতে হবে যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে। এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যেও একটি কথা না বলে পারা যায় না। হয়তো নানা ঘটনা-প্রবাহে তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু গত ৫ তারিখে প্রদত্ত সুস্পষ্ট আশ্বাসের পর সে শঙ্কা থাকার কথা নয়। সেদিন উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সুস্পষ্টভাবে অভয় দেয়া হয়। দেশে কাজের সুযোগ তৈরী করার দায় তাদেরও আছে তা ভুলে যাবার বা কোন অজুহাতে পাশ কাটিয়ে যাবার মত বিষয় নয়।

ইউনিকোডে রূপান্তরের জন্য কৃতজ্ঞতাঃ মুর্শেদের ইউনিকোড লেখনী ও পরিবর্তক ১.৭.২ (এপ্রিল ২৫, ২০০৭)

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: কাজের সুযোগ জাতীয় সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত

অবশ্যই কাজের সুযোগই জাতীয় সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হতে পারে।

"We want Justice for Adnan Tasin"