টপিকঃ নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

এই তো কিছুদিন আগে। গরুর মাংসের দাম বাড়তে বাড়তে আকাশ ছুঁতে গিয়েছিলো। আমাদের বিশ্বাসে চিড় ধরতে লাগলো। ভাবলাম, এ নিয়ন্ত্রণের কেউ নেই।
অবশেষে এলো অ্যানথ্রাক্স! দোকানে গরুর মাংস সারাদিন ঝুলে থাকতে থাকতে কালচে খয়েরী হয়ে গেলো। দাম জিজ্ঞেস করার লোকও পাওয়া গেলো না। গোমাংস- গোদুগ্ধ হয়ে গেলো নিয়ন্ত্রণ।
যদিও এ আতঙ্ক কেটে গেছে। কিন্তু পরিমাণে বেশী খেতে চাইলে এখনও কে যেন লাগাম টেনে ধরে। সাবধান! অ্যানথ্রাক্স, এখনও থাকতে পারে।

এমন হয়েছে পোলট্রি মুরগীর ক্ষেত্রে। দামের দিক থেকে দেশী মুরগীর জাতে উঠে গিয়েছিলো। কে ঠেকাবে? আসলো বার্ড ফ্লু। দু'দিনেই জাত নেমে গেলো। পোলট্রি মুরগীর মাংস খাওয়ার পরদিন এখনও যদি কোন কারণে সর্দি জ্বর হয়, ভয় ঢুকে যায়। আর খেতে ইচ্ছে করেনা।

বড়ো মাছ। শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা। কেনার সাহস নেই। একদিন ধরা পড়লো ফরমালিন। বিশাল ডাইনিং টেবিল থেকে এক ধাক্কায় নেমে গেলো ডাষ্টবিনে। সেই যে ফরমালিনের কলঙ্ক লাগলো গায়ে। আর মুছলো না।

চাউলের দামে মজুতদারেরা ভেলকি লাগিয়েছিলো। সময়টা মনে নেই। একটানা বৃষ্টিতে শুধু ঢাকাতেই হাজার হাজার বস্তা চাল গেলো পঁচে। ঘোর বর্ষায় চাল মজুদ করার আগে মজুতদারদের এখন দুবার ভাবতে হয়।

কোন এক সময় ডানো, রেডকাউ- বেবীফুড হয়ে গিয়েছিলো সোনার মতো দামী। দাম বাড়ছে তো বাড়ছেই। নিয়ন্ত্রণের কেউ নেই। কে আসবে? এসে গেলো মেলামিন। বেবীফুডের কোমরে দিলো বাড়ি। মজুতদারদের মাথায় হাত।
সেই মেলামিন আতঙ্ক কিন্তু এখনও রয়ে গেছে মায়েদের মনের এক কোণে। দিনে ৩ বার ৩ গ্লাস টিনজাত দুধ মুখের সামনে ধরতে মায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ এখনো পড়ে, বাচ্চাটার প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে তো?

যেমন ধরুন, সোনা। যার গায়ে এখন প্রচন্ড জ্বর। ভরি ৪০ হাজার ছুঁতে যাচ্ছে। এ জ্বর নামবে অবশ্যই। আসবে কেউ না কেউ। কিছু না কিছু। হয়তো বা এলার্জির মতো। এলার্জির ভয়ে পড়তে চাইবে না সোনা।

You'll never reach your destination if you stop and throw stones at every dog that barks.

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

স্বর্ণের জন্য এরকম কিছু হবে না শিউর থাকতে পারেন। কারণ স্বর্ণ কেউ খায় না। এটা ইনভেস্টমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়।

কোন বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞেস করেন "আপনাকে ১০ কোটি টাকা দিলে কিভাবে তা ১০ বছরের জন্য সংরক্ষন করবেন?"। সে উত্তর দিবে, "২৪ ক্যারেট স্বর্ণ কিনে রেখে দেব"।
২৪ ক্যারেট বা ৯৯.৯% স্বর্ণ ব্যবহার করা হয় ইনভেস্টমেন্টের জন্য।
গয়না বানানো হয় ৯১.৬% স্বর্ণ ব্যবহার করে।  এগুলো ২২ ক্যারেট।
কিন্তু বাংলাদেশে এটা আরও কম!!

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

শিপলু লিখেছেন:

স্বর্ণের জন্য এরকম কিছু হবে না শিউর থাকতে পারেন।...

১। আপনার মতামতের প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধা রেখে জানাচ্ছি যে, আমি শুধু আমাদের নিয়ন্ত্রকের উপর বিশ্বাস রেখেই লিখাটা লিখেছি। কোন যুক্তির বিচারে নয়।
২। তাছাড়া, "জননেত্রী' এবং "দেশনেত্রী' এদেশে যেদিন জেল খাটলো- সেদিন থেকে "ওরকম বা এরকম কিছু হবে না' মর্মে শিউর থাকি না। থাকতে পারি না। শুধু মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, ""তিনি চাইলে যে কোন কিছু হতে পারে''

You'll never reach your destination if you stop and throw stones at every dog that barks.

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

ঈশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লীতে, তারই ইশারায় সব কিছু হয়।  donttell

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৮-১০-২০১০ ০১:৪৩)

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

স্বর্ণের দামের ওপর আসলে সরকার বা কারোই হাত নেই - এটা ওঠানামা করে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের ওপর।

জেনে অবাক হবেন, সারা দুনিয়ার গোল্ড প্রাইসিং নিয়ন্ত্রণ করে ৫টি বৃটিশ বুলিয়ন (Bullion) ট্রেডিং কোম্পানী - এর অফিশিয়াল নাম হলো London gold fixing। এছাড়া আইএমএফ এবং বিভিন্ন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলোও ভূমিকা রাখে।

আমাদের দেশে ভরি প্রতি দাম ৪০,০০০/- পেরিয়ে যাবার সম্ভাবনা কম। মাত্র ৪দিন আগে (১৪ অক্ট) NYMEX-এ স্বর্ণের দাম উঠেছিলো রেকর্ড-ব্রেকিং $১৩৮৮/আউন্স - বলা হচ্ছে এটা গত ২/৩ দশকের মধ্যে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। তবে এখন দাম পড়তির দিকে - এই মূহুর্তে স্পট প্রাইস দেখাচ্ছে $1369.90/আউন্স। একদিকে ইউএস ডলার শক্তিশালী হচ্ছে, আরেকদিকে মোক্ষম সুযোগ বুঝে লাভ করার জন্য স্বর্ণ বিক্রির হুজুগ চলছে - এই দুই কারণে গত কয়েকদিন ধরে দাম পড়তির দিকে আছে (সাপ্লাই বনাম ডিমান্ডের পুরণো খেলা)

শিপলু লিখেছেন:

স্বর্ণের জন্য এরকম কিছু হবে না শিউর থাকতে পারেন। কারণ স্বর্ণ কেউ খায় না। এটা ইনভেস্টমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়।

কোন বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞেস করেন "আপনাকে ১০ কোটি টাকা দিলে কিভাবে তা ১০ বছরের জন্য সংরক্ষন করবেন?"। সে উত্তর দিবে, "২৪ ক্যারেট স্বর্ণ কিনে রেখে দেব"।

ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজী বয়সের সাথে সাথে বদলায়। ২৫ বছরে আপনার যেমন স্ট্র্যাটেজী থাকবে, সেটা ৫০-৬০ বছর বয়সে করা উচিৎ হবে না।

একজন বয়স্ক ব্যক্তির জন্য গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট ঠিক আছে (এখানে লংটার্ম ইনভেস্টমেন্টের কথা বলছি, স্পট ট্রেডিং নয়)। গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট সেফ, রিস্ক খুবই কম। তবে গভর্নমেন্ট বন্ডের মতই গোল্ডের রিটার্নও কম। ১৯৮৫ সালে গোল্ডের দাম ছিলো $৮৫০/আউন্স, ২০০৯-এ ছিলো $১২০০/আউন্স - ৩০ বছরেও দ্বিগুণ হয় নি। বরং এর চাইতে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করলে মনে হয় আরো বেশি লাভ পাওয়া যাবে।

একজন তরুণ ব্যাক্তি যার সামনে দীর্ঘ কর্মজীবন পড়ে আছে - তার ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও হওয়া উচিৎ এ্যাগ্রেসিভ। লস খেলেও সে চাকরী বা অন্য ব্যবসার মাধ্যমে পুষিয়ে উঠতে পারবে (যেটি রিটায়ার করা একজন বৃদ্ধের পক্ষে সম্ভব নয়)। স্টক, ফরেক্স, কমোডিটি ইত্যাদিতে সঠিক ভাবে ইনভেস্ট/ট্রেড করতে পারলে (এবং ভাগ্য বেশ ভালো থাকলে  tongue) ১ বছরেই দ্বিগুণ বা আরো বেশি ROI পাওয়া অসম্ভব কিছু না!

গত রমযান মাসে পড়লাম বাংলাদেশ ব্যাংকও ১০ টন স্বর্ণ কিনেছে - $৪০০ মিলিয়ন ডলারে। এই ব্যাটারা মার্কেট টাইমিং কতটুকু বোঝে কে জানে? এখানে দেখছি তখনকার (সেপ্ট ১১) রেকর্ড প্রাইস $১২৫০ ডলারে কিনেছিলো। বিশ্বের গরীবতম একটি দেশের জন্য এ ধরণের বিলাসিতা মানায় কি? আরো কিছুদিন অপেক্ষা করলে হয়তো শস্তায়ও কেনা যেতে পারতো।

স্বর্ণের দাম পাগলামী করছে কেন? এখন দুবাই এবং গ্রীসের বাবল ইকোনমী কলাপ্স করার সমূহ বিপদে আছে - তাই সম্পত্তি নিরাপদে রাখার জন্য এরা পাগলের মত স্বর্ণে বিনিয়োগ করছে। ডিমান্ডের তুলনায় সাপ্লাই কম, তাই দামও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। আর ফাঁকতালে আমাদের অতি-চালাক কর্মকর্তারা মাতব্বরী করে আগুনে আরো ঘি ঢালছে। তবে এই অবস্থা বেশিদিন তো থাকবে না। What goes up, must come down. স্বর্ণের চন্ডাল দাম যখন $১১০০-১২০০ নরমাল রেন্জে নেমে আসবে তখন বোঝা যাবে ঐ বিশেষ মুহূর্তে ট্রেডে ঢোকার সিদ্ধান্ত কতটুকু সঠিক ছিলো। আবার উল্টোটাও হতে পারে, আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে চীন ৫০০০ টন স্বর্ণ কিনতে পারে বলে গুজব আছে - এটা সত্যি হলে অদূর ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম বাড়তেই থাকবে। কাজেই যাদের ভবিষ্যতে বিয়েটিয়ে করার সম্ভাবনা আছে এখনই মাল মশলা সংগ্রহ শুরু করে দিন - আতিউর রহমান আর ওয়েন জিয়াবাও আপনাদের শান্তিতে থাকতে দেবে না!  lol

আরেকটি কারণ হলো সাম্প্রতিক গ্লোবাল ইকোনমীক ক্রাইসিসের পর থেকে কারণে ইউএস ডলার অনেক দুর্বল হয়ে গেছে, ডলারের দাম পড়ছে তো পড়ছেই। খেয়াল করুন - গোল্ড প্রাইসিং করা হয় ডলারে। গত বছর ১ ট্রয়-আউন্স স্বর্ণ যত ডলারে কেনা যেত, সেই একই পরিমাণ স্বর্ণ কিনতে এখন বেশি ডলার গুণতে হচ্ছে - কারণ ইউএস ডলার তার মূল্যমান হারিয়েছে এবং এখনো হারাচ্ছে। আবার ওয়ার্ল্ড মার্কেটে যে হারে ডলারের পতন হচ্ছে, আমাদের চিরস্থায়ী শীতনিদ্রাক্রান্ত ব্যাংকাররা সে অনুপাতে টাকাকে শক্তিশালী করতে আগ্রহী না (এর পেছনেও যথেষ্ট যুক্তি আছে - আর কেউ না হোক, অন্তত: গার্মেন্টসওয়ালারা চায় না টাকা শক্তিশালী হোক big_smile)। স্বর্ণের দাম লোকাল মার্কেটে স্টেবল থাকবে কি করে?

অবশ্য কেবল বাংলাদেশ ব্যাংককে দোষারোপ করা ঠিক হবে না। আইএমএফ-এর সম্পূর্ণ গোল্ড রিজার্ভ ছিলো ৪০০ টন। গত ডিসেম্বরে এর অর্ধেকেরও বেশি - ২১০+ টন কিনে নিয়ে পাগলা ঘোড়ার পিঠে চাবুক মেরেছিলো ভারত।

একটি মজার তথ্য - দুনিয়ার সবচাইতে বেশি গোল্ড রিজার্ভ আছে নিউ ইয়র্কের ফেডারাল রিজার্ভ ব্যাংকে। এ পর্যন্ত যত স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়েছে তার ৩% এই জায়গায় সংরক্ষিত আছে। এর পরের স্থানে আছে কেনটাকীর ফোর্ট নক্স। ব্রুস উইলিসের ডাই হার্ড সিরিজের একটি পর্বে (সম্ভবত: ডাই হার্ড ৩ - স্যামুয়েল এল জ্যাক্সন এবং জেরেমী আয়রন্স অভিনীত... Simon says...  love )ছিলো ফেডারাল রিজার্ভ ব্যাংক ডাকাতি করার ঘটনা!  tongue_smile

Calm... like a bomb.

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

১০০ বছর আগে কিন্তু রিয়েল স্টেট ব্যাবসা ছিল না।
বিভিন্ন রকম ব্যবসা বিভিন্ন সময় চাহিদা অনুসারে তৈরী হয়।
টাকার মূল্যমানও কমে বাড়ে। কিন্তু স্বর্ণের দ

2 minutes and 50 seconds after:

১০০ বছর আগে কিন্তু রিয়েল স্টেট ব্যাবসা ছিল না।
বিভিন্ন রকম ব্যবসা বিভিন্ন সময় চাহিদা অনুসারে তৈরী হয়।
টাকার মূল্যমানও কমে বাড়ে। কিন্তু স্বর্ণের দাম সেভাবে কমে বাড়ে না। এটা হল পিউর সম্পদ। আপনার কাছে ১০০ কেজি স্বর্ণ আছে। আপনি এখন যেমন বড়লোক আছেন। আশা করা যায় ৫০ বছর পরও একই রকম বড়লোক থাকবেন। কারণ তখন স্বর্ণের দাম অনেক কমে গেলেও সেই কমটাকাতেই আপনি হয়ত বাড়ি বানাতে পারবেন। কারণ বাকি সবকিছুর দামই কমে যাবে।
Economist রা ভাল ব্যাখ্যা করতে পারবে এটা।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

শিপলু লিখেছেন:

এটা হল পিউর সম্পদ। আপনার কাছে ১০০ কেজি স্বর্ণ আছে। আপনি এখন যেমন বড়লোক আছেন। আশা করা যায় ৫০ বছর পরও একই রকম বড়লোক থাকবেন। কারণ তখন স্বর্ণের দাম অনেক কমে গেলেও সেই কমটাকাতেই আপনি হয়ত বাড়ি বানাতে পারবেন। কারণ বাকি সবকিছুর দামই কমে যাবে।
Economist রা ভাল ব্যাখ্যা করতে পারবে এটা।

কথাটা আমার কাছে অনেক যুক্তিযুক্ত মনে হল।

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

Ripon Majumder লিখেছেন:

এ জ্বর নামবে অবশ্যই। আসবে কেউ না কেউ। কিছু না কিছু। হয়তো বা এলার্জির মতো। এলার্জির ভয়ে পড়তে চাইবে না সোনা।

Ripon Majumder, আপনার মেসেজটি আমরা সবাই বুঝতে পেরেছি। কিন্তু আলোচনাটা কেন যেন একটু ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে।

আরাফাত রহমান
Web Application Developer
চি‌ৎকার করতে করতে গলাটা ফাইট্টা গেছে (প্রজন্ম ফোরামে)

আরাফাত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নিয়ন্ত্রণ চলছেই। কখনো টের পাচ্ছি। কখনো পাচ্ছি না।

শিপলু ভাইয়ের কথার সঙ্গে একমত  thumbs_up

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে পছন্দনিয় তাছবিহ হলো "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম"