টপিকঃ হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

http://i.imagehost.org/0772/2010-08-24-15-33-28-080480200-1.jpg





হূৎপিণ্ড বুকের মাঝখানে ও বাঁ পাশের কিছু অংশজুড়ে থাকে। সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের কাজ করে থাকে। হার্ট একমাত্র অঙ্গ, যা সারাক্ষণ কাজ করে, কখনোই বিশ্রাম নেয় না।

হার্টের রক্তনালির কাজ
সারাক্ষণ হার্টের কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় অক্সিজেন ও পুষ্টি। এই অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহের জন্য রয়েছে হার্টের নিজস্ব রক্তনালি। মূলত তিনটি রক্তনালি তাদের শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে রক্ত সরবরাহ করে থাকে হার্টের মাংসপেশিতে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু এই তিনটি রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই হয়।

হার্ট অ্যাটাক কীভাবে হয়
তিনটি রক্তনালির যেকোনো একটি যদি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক হয়। রক্তনালি যদি আস্তে আস্তে অনেক দিন ধরে বন্ধ হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক নাও হতে পারে, কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক হবে।
অনেকের শরীরে বিভিন্ন রক্তনালিতে চর্বি জমে এবং রক্তনালি সরু হতে থাকে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমতে থাকে। হঠাৎ করে রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাবে কি না, তা নির্ভর করে রক্তনালির মধ্যে জমে থাকা চর্বির ভেতরের দিকের যে আবরণ থাকে, তার ধরনের ওপর। ভেতরের দিকের আবরণ ফেটে গেলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালির সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। ফলে হার্টের মাংসপেশি নষ্ট হতে থাকে এবং এটাকেই হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। তবে আট ঘণ্টার মধ্যে যদি রক্তনালি খুলে দেওয়া যায়, তাহলে হার্টের মাংসপেশিকে রক্ষা করা সম্ভব। গবেষণায় বিভিন্ন ফ্যাক্টরকে রক্তনালির ওপরের আবরণ ফেটে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়ে থাকে, যেমন—
 অতিরিক্ত পরিশ্রম করা, যে পরিশ্রমে শরীর অভ্যস্ত নয়।
 অতিরিক্ত খাওয়া ও খাওয়ার পরপর শারীরিক পরিশ্রম করা।
 একসঙ্গে অতিরিক্ত ধূমপান করা।
 নিদ্রাহীনতা।
 অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা।
 হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া বা রেগে যাওয়া।
 শরীরে যেকোনো ধরনের ইনফেকশন।

হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ কী?
সাধারণত বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়। কখনো কখনো বুক চেপে আসা, বুক ভারী লাগা, বুক জ্বলে যাওয়া এ রকম উপসর্গ হতে পারে। বসা, শোয়া অবস্থায়ও ব্যথা হয়, ব্যথাটা বাঁ হাতে, গলায়, পেছনে ছড়িয়ে যেতে পারে। ব্যথার সঙ্গে ঘাম, বমি হওয়া ও শ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক কীভাবে এড়িয়ে চলা যায়?
 যেসব কারণে রক্তনালির আবরণ ফেটে যায়, সেগুলোকে এড়িয়ে চলা।
 নিয়মিত হাঁটা। হাঁটলে হার্টে নতুন নতুন রক্তনালি তৈরি হয়।
 যাঁদের বয়স ৪০ বছর পার হয়ে গেছে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি, তাঁরা নিয়মিত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেতে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে যায়।
 কোলস্টেরল কমানোর ওষুধগুলো রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমানো ছাড়াও রক্তনালির ওপর জমে থাকা চর্বির আবরণ শক্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং হার্ট অ্যাটাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।


আমি  স্বাস্থ্য বিভাগের প্রথম পোস্ট করলাম  yahoo yahoo yahoo। আশা করি কাজে লাগবে।


লিংকঃ http://prothom-alo.com/detail/date/2010 … news/89138

আল্লাহ আপনি মহান

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

প্রথমটাই কপি পেস্ট! বরং নিজে কিছু বা সংকলিত করে লিখলেই সেটা বেশি ভাল হত।

ধন্যবাদ।

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

প্রথমটাই কপি পেস্ট! বরং নিজে কিছু বা সংকলিত করে লিখলেই সেটা বেশি ভাল হত।

ধন্যবাদ।

 

সরি ভাই  dontsee dontsee dontsee

আল্লাহ আপনি মহান

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

আর এসপিরিন খাবার পরামর্শ অত্যন্ত ভয়াবহ  whats_the_matter

seeming is being

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

আর এসপিরিন খাবার পরামর্শ অত্যন্ত ভয়াবহ

সহমত ! তবে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ  big_smile

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

স্বাস্থ্য বিভাগ খোলার জন্য অভিনন্দন। এরকম বিভাগ দেখলেই ভয় লাগে, কবে না জানি সবাই ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বসে! ও হ্যা এই পোস্টটাও কাজের।

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

Sun লিখেছেন:

স্বাস্থ্য বিভাগ খোলার জন্য অভিনন্দন। এরকম বিভাগ দেখলেই ভয় লাগে, কবে না জানি সবাই ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বসে! ও হ্যা এই পোস্টটাও কাজের।

hmm

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

শাহাদাত ০০৮ লিখেছেন:

তিনটি রক্তনালির যেকোনো একটি যদি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক হয়। রক্তনালি যদি আস্তে আস্তে অনেক দিন ধরে বন্ধ হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক নাও হতে পারে, কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক হবে।
অনেকের শরীরে বিভিন্ন রক্তনালিতে চর্বি জমে এবং রক্তনালি সরু হতে থাকে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমতে থাকে। হঠাৎ করে রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাবে কি না, তা নির্ভর করে রক্তনালির মধ্যে জমে থাকা চর্বির ভেতরের দিকের যে আবরণ থাকে, তার ধরনের ওপর। ভেতরের দিকের আবরণ ফেটে গেলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালির সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। ফলে হার্টের মাংসপেশি নষ্ট হতে থাকে এবং এটাকেই হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। তবে আট ঘণ্টার মধ্যে যদি রক্তনালি খুলে দেওয়া যায়, তাহলে হার্টের মাংসপেশিকে রক্ষা করা সম্ভব।

হার্ট থেকে যেমন সমস্ত শরীরে রক্ত সঞ্চালিত হয়, তেমনি হার্টেও রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন পড়ে। আর এই হার্টে যেসকল নালীর মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালিত হয় সেগুলোকে করোনারি আর্টারি বলে। এগুলো অত্যন্ত সরু হয়। এই করোনারি আর্টারিতে চর্বি জমে বা অন্য কোন কারণে রক্ত সরবরাহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে হার্টের মাংস পেশীর মৃত্যু ঘটে। এই পরিস্থিতিকেই হার্ট অ্যাটাক বলে। যাকে মেডিকেল ভাষায় মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলে।

শাহাদাত ০০৮ লিখেছেন:

কোলস্টেরল কমানোর ওষুধগুলো রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমানো ছাড়াও রক্তনালির ওপর জমে থাকা চর্বির আবরণ শক্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়

লাইনটি ঠিক বোধগম্য হয়নি। রক্তনালির ওপর জমে থাকা চর্বির আবরণ শক্ত হলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে কিভাবে?

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে। কাজের পোস্ট। আর স্বাস্হ্য বিভাগে প্রথম পোস্টের জন্য +

হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

প্রথমটাই কপি পেস্ট! বরং নিজে কিছু বা সংকলিত করে লিখলেই সেটা বেশি ভাল হত।

ধন্যবাদ।

ভাই, আমি মনে করি স্বাস্হ্য বিভাগে কপি-পেস্ট লেখা বেশী হবে। কারন রেজিষ্টার ডাক্তারের বক্তব্য ছাড়া স্বাস্হ্য/চিকিৎসা নিয়ে সাধারন মানুষের নিজের মতো লেখার সুযোগ কম।

১১

Re: হার্ট অ্যাটাক কেন হয়

যাক এতদিন পর ফোরামে আমার মনের মত একটি বিভাগ পেলাম।মড়ুদের ধন্যবাদ।  clap clap

রণ_এথিক্যাল হ্যাকার লিখেছেন:

আর এসপিরিন খাবার পরামর্শ অত্যন্ত ভয়াবহ

কথাটি ঠিক নয়।

শাহাদাত ০০৮ লিখেছেন:

যাঁদের বয়স ৪০ বছর পার হয়ে গেছে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি, তাঁরা নিয়মিত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেতে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে যায়।

সত্য কথা।তবে ওষুধের ডোজ কম হতে হবে(40 mg একটি,প্রতিদিন)।আমাদের শরীরে রক্ত জমাট বাধায় প্লেটলেট নামক রক্তকণিকা,এসপিরিন শরীরে প্লেটলেট এর একটি উপাদান thromboxane A2 উৎপাদন কমিয়ে দেয়,যা রক্ত জমাট বাধার অন্যতম উপাদান।এসপিরিন প্রায় ২৫% হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমিয়ে দেয়। এছাড়াও অন্যান্য কার্ডিওভাস্কুলার রোগ এবং স্ট্রোকের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে।
এই প্রসঙ্গে একটি কথা বলে রাখি,কারও যদি হার্ট অ্যাটাক হয় তবে তাকে সাথে সাথে এসপিরিন খাওয়ানো উচিত,কারণ অনেকসময় হার্ট অ্যাটাকের পরপরই আরও একবার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে এবং সেই ক্ষেত্রে রোগীকে বাচানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে,তখন এসপিরিন ২য় বার হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে।
এসপিরিনের গুরুত্বপূর্ণ সাইড ইফেক্টটি হলো,অনেক সময় ওভারডোজের ফলে পাকস্থলী-অন্ত্র থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।