সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তাওহিদ (০৮-০৭-২০১০ ২২:১৮)

টপিকঃ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি পাকিদের দোসররা যা বলেছে ও করেছে (১মপর্ব)

http://1.bp.blogspot.com/_0LMkF0vcSPA/SsY3Uj9WshI/AAAAAAAAAP4/DcynsVY7uYY/s1600/india-bangladesh1.jpg

আত্ম-সমালোচনা:

কি বলব? সবই জানেন আপনারা। সব কিছুর স্বাক্ষী আমাদের পূর্ব পুরুষেরা। সবকিছুই জানেন খালেদা-হাসিনা-এরশাদ প্রমূখ রাজনৈতিক হর্তা কর্তাগন। আমি আর নতুন করে কি বলব, যেখানে স্বাধীন বাংলার রাজপথে আজ ৩৯ টি বছর পরেও ছুটে চলে রাজাকারদের বিলাস বহুল গাড়ি, আমার বাংলাদেশের পতাকা স্পর্শকরার সাহস রাখে চিন্হিত রাজাকারের দল, নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয় পায় আমার দেশেরই মানুষের কাছ থেকে। মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে দম্ভ করে বলে আমাদের দলে রাজাকার নেই। হা হা। এই আমার দেশ। জীবনান্দের রূপসী বাংলা, নজরুলের বিদ্রোহী বাংলা, বঙ্গ বন্ধুর সোনার বাংলা, জিয়ার জাগ্রত বাংলা, রবীন্দ্রনাথের আমার সোনার বাংলা। হাসি পায়, দু:খ লাগে, যখন রাজাকারের হাতে তুলে দেয়া হয় স্বাধীনতা পদক আর মুক্তিযোদ্ধারা ধুঁকে ধুকেঁ মরে।

মাঝে মাঝে মুক্তিযোদ্ধাদের জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, এই জন্যেই কি জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছিলেন? কি লাভ হয়েছে স্বাধীন করে? কোথায় স্বাধীনতা? যুদ্ধের পর কি হাতে চুরি পরে ঘোমটা টেনে বউ বাচ্চা সামাল দিয়েছিলেন? যখন দেখলেন রাজাকারদের সাধারণ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিল কেন মেনে নিয়েছিলেন সেই ঘোষণা? যদি মেনেই নেন, তাহলে যুদ্ধকরে দেশ স্বাধীন করলেন কোন হুজুকে?

জানি আমার এই প্রশ্নগুলো শোনার পর পাঠক আমাকে পাগল, ছাগু বলে গালি দিচ্ছেন, আফসোস করছেন টপিকটা পড়তে এসে নিজের সময় নষ্ট করার জন্য। দিতেই পারেন, স্বাধীন বাংলায় এটা আপনার একটি নাগরিক অধিকার, যে অধিকারের কারণে ৩৯ বছর পরেও রাজাকারদের বিচারের নামে প্রহসন চলছে, রাজাকারের ছেলে মেয়ের সাথে যারা বিচার করবই, বিচার হবেই বলে জন সম্মুখে চিৎকার করে ভাষণ দিচ্ছেন, নিবার্চনি ওয়াদা করছেন, তাদেরই সন্তানদের বিয়ে দিচ্ছেন। ক্ষমতায় আসার জন্য জোট করছেন। দেশটাতো আপনাদেরই। হ্যা জনাব জনাবা, রাজনৈতিক নেতা নেতৃবৃন্দ, দেশটা আপনা বাবার তৈরী, কারও আবার স্বামীর বা কেউ বলবেন তার নিজেরই তৈরী। আমরাতো আপনাদের গোলাম। আপনারা যা বলবেন আমরা গাধার মত তাই করব, দিনে দুপুরে সবার সামনে আমাদের পুচ্ছদেশ দিগম্বর করে খায়েস মেটাবেন, আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নিয়ে তামাশা করবেন, বাপ ভাইদের নির্বিচারে লগি বৈঠা কিংবা গ্রেনেড ছুড়ে কুকুরের মত মারবেন। আপনারা আমাদের প্রভু, ভাগ্য বিধাতা, তাই না। আমরা আপনাদের খাজনা দেব, আপনারা সেই খাজনায় এসি চালাবেন, সন্তানদের বিদেশে সুশিক্ষায় স্বশিক্ষিত বানাবেন, ভাল ভাল কাপড় পরাবেন। আমরা চাষার দল, ভিক্ষুক শ্রেনীর, আপনাদের সুখ দেখে আমাদের চোড় জুড়াবে, ভুবন আলোকিত হবে। আপনারা দুর্গন্ধ বায়ু ছাড়লে আমরা কোউটা নিয়া লাফিয়ে পরব, একে অপরের সাখে মারামরি করব, ভাই ভাইকে খুনকরবে, বাপ ছেলেকে, ছেলে বাপকে এভাবে একে অপরকে খুন করে আপনার পায়ুপথ নিসৃত বায়ু আমরা কোউটায় আটকে নিব, বডি স্প্রে হিসেবে ব্যবহার করব। আহা কি শান্তি। পেটে খাবার থাকবেনা, পরনে কাপড় থাকবে না, চলার শুক্তি থাকবে না, তবু আপনার ডাকে ছুটে যাব, দেশ তোলপড় করে ফেলব। আপনার এক কথায় শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে যা গড়ব, আরেক কথায় পরক্ষনেই তীব্র ঘ্রণা নিয়ে তাই ভাংব। আমরা তো গোলামের জাত। রক্তের কণায় কণায় আমাদের গোলামি উকি ঝুকি দেয়, কখন পাব আপনার দেখা, কখন চাটব আপনার পা। আপনি নাকে ডগায় মূলা ঝুলিয়ে দিবেন, জানি যতই চেষ্টা করি ঐ মূলা পাবনা, তার পরও গাধার মত নাকের ডগায় মূলার লোভে আমরা ছুটব, একে অপরের সাথে প্রতি যোগিতা করব, আর আমাদের গাধামি দেখে আড়ালে দাঁড়িয়ে আপনি হাসবেন। আপনার হসিতে আমাদের ভূবন হাসবে, আপনার দু:খে আমাদের পৃথীবি লন্ড ভন্ড হয়ে যাবে। জানি, আপনার এই হাসি আর দু:খ সবই লোক দেখানো, তারপরেও, আপনি প্রভু, আপনার ইজ্জতের একটা দাম আছেনা!

তাই আপনাদের এই যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার কি সত্যিকারের বিচার, না কি বিচারে নামে নাটক আমি জানি না, জানতেও চাইনা। শুধু জানাতে চাই যুদ্ধঅপরাধীদের সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি। হতে পারে আমি যা জানি সে কথা সবাই জানে, তা আংশিক হোক বা পুরোটাই।

তবে আমার প্রথম পর্বটি শুরু করার আগে যারা এতক্ষণ ধৈর্যধরে এই পাগলের প্রলাপ পড়ছেন, তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন; যুদ্ধঅপরাধী বলে রাজাকারদের কি আড়াল করার কোন কৌশল চলছে নাকি? যুদ্ধঅপরাধীর আর রাজাকরের মানে কি এক? যুদ্ধঅপরাধীদের বিচার মানে কি রাজাকারদের বিচার? ৩৯ বছরে যা হয়নি, তা কি আদৌ হবে ? আপনারা এদেশের জনগন, আপনাদের সংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি, আপনারা জানেন সব কিছুই, ইচ্ছা করলে এক রাতেই বদলে যেতে পারে পুরো দেশের চেহারা, সেজন্যে কি ৩৯টি বছর প্রতিক্ষা করা লাগে?

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি পাকিদের দোসররা যা বলেছে ও করেছে (১মপর্ব)

রাজাকার, যার সঠিক উচ্চারণ হবে রেজাকার, শব্দটাকে এত বেশি ঘৃণা করি যে, কোথায় শব্দটা দেখলে বা পড়লে বা শুনলে আমি ওজু করি। কারণ আমার কাছে মনে হয়, এরা এত বেশি অপরাধি, যে শব্দটা শুনলে নিজেকেই অপবিত্র মনে হয়। আবার অবাকও লাগে যখন দেখি এরাই ইসলাম প্রচার করে, ইসলামের নামে দল চালায়, মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে এদের বক্তব্য শুনতে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়াঁয় থাকে, এমনকি এদের ইমাম মেনে এদের পেছনেই নামাজ পরে! ছি, এইসব পাগল ছাগলদের জন্মনিয়েই আমার সন্দেহ আছে।

রেজাকারদের উৎপত্তি এবং পর্যায় ক্রমিক ক্রমবিকাশ

(আসলে উৎপত্তি বল্লে ভুল হবে, বলতে হবে কাগজে কলমে নাম নিবন্ধনের মাধ্যমে বৈধ করণ)
http://2.bp.blogspot.com/_0LMkF0vcSPA/SsQA-LMPaII/AAAAAAAAAKY/TAKejiPABSI/s1600/bagabondu.gif
৭ই মার্চ বিপুল সংখ্যা গড়িষ্ঠতায় বিজয়ী আওয়মিলীগের অস্তিত্ব অস্বীকার করায়, রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঝাঁজাল ভাষন আর কড়া হুশিয়ারিতে ভূট্টো-জিন্নার পায়ের নিচের মাটি কেঁপে উঠে। পাকিরা বুঝতে পাড়ে রাজত্বের সোনালি দিন শেষ। শুরু হয় ধ্বংসযজ্ঞের প্রস্তুতি। আঁকা হয় হয় ‘অপারেশান সার্চলাইট’ নামে নির্বিচারে বাঙালি হত্যার নীল নকশা। কোথায় কখন কিভাবে কি করা হবে, ২৫সে মার্চ কাদেরকে হত্যা করা হবে এ সবের পরিকল্পনা। রাতের আঁধারে কাপুরুষের মত পিঠে ছুড়ি বসিয়ে নিরস্ত্র অসহায় বাঙালি দমন অভিযান। ওরা জানত দিনের আলোয় বা রাতে আঁধার যাই হোক, সামনা সামনি বাঙালীদের কিছুই করা যাবে না, আর যদি কোন ভাবে বাঙালী হাতে অস্ত্র পায়, তাহলে ওদের মেশিনে ভরে ব্লেন্ডিং করে ছেড়ে দেবে। তাই যতটুকু পারাযায় ওরা ধ্বংস করবে বলে ঝাপিয়ে পড়ে ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, ঘুমন্ত, অসহায়, নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর।

তৎকালীন অপারেশান সার্চলাইট পরিকল্পনাটির বিস্তারিত দেখুন-

অপারেশান সার্চলাইট: প্রথম পাতা
http://img208.imageshack.us/img208/9577/seachlightpage1.jpg
অপারেশান সার্চলাইট: দ্বিতীয় পাতা
http://img805.imageshack.us/img805/3393/seachlightpage2.jpg
অপারেশান সার্চলাইট: তৃতীয় পাতা
http://img443.imageshack.us/img443/8121/seachlightpage3.jpg
অপারেশান সার্চলাইট: শেষ পাতা
http://img88.imageshack.us/img88/903/seachlightpage4.jpg
অপারেশান সার্চলাইটের ঐ দিনে সম্পূর্ণ বাংলাদেশ আক্রমনের নকশা
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/b/b8/March71.PNG
অপারেশান সার্চলাইটের ঐ দিনে ঢাকা আক্রমনের নকশা
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/2/24/Dhakaop2.PNG
অপারেশান সার্চলাইটের ঐ দিনে চট্টগ্রাম আক্রমনের নকশা
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/6/69/Chittagong71.PNG

অতএব কি বুঝলেন? অতর্কিত আক্রমন, না সাজানো গোছানো এক পরিকল্পনা? জ্বি এভাবেই ঘটানো হয়েছিল সেই ২৫সে মার্চের ভয়াল তান্ডবলীলা, ধ্বংসের দাবানল এভাই জ্বলেছিল সেদিন। আর এভাবেই বাংলার আকাশ বাতাস আর্তমানবতার চিৎকারে সেদিন প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল বারংবার।

রাজাকার অর্ডিন্যান্স: রাজাকারদের কর্মকান্ড রাষ্ট্রিৱয ভাবে বৈধ করণের অধ্যাদেশ

২৬ সে মার্চ, বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা, বাঙালীর রক্তে আগুন জ্বলে উঠলো, হিংস্র হায়নার মত জ্বলতে শুরু করল প্রতিশোধ প্রবণ বাঙালী। শুধু একটাই কথা ‘একবার হতে অস্ত্র দিয়ে দেখ, কে শিকার আর কে শিকারী’। ভীত সন্ত্রস্থ পাকি জান্তারা এবার এগুলো দ্বিতীয় ধাপে। ঘোষণা দিয়ে, আইন করে বৈধ করা হল, সৃষ্টিকরা হল ‘রাজাকার অর্ডিন্যান্স’। জন্ম দেয়া হল বাংলাদেশ এমনকি পৃথীবির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য মানুষরূপী কিছু নর পিশাচের।
http://1.bp.blogspot.com/_0LMkF0vcSPA/SsbRYjymMKI/AAAAAAAAARA/-cyaNZcC3b8/s1600/19710822_po_e_pakistan_razakars_ordinance_page_1.jpg
http://4.bp.blogspot.com/_0LMkF0vcSPA/SsbRPji96GI/AAAAAAAAAQ4/E01NOiJkCY0/s1600/19710822_po_e_pakistan_razakars_ordinance_page_2.jpg
অর্ডিন্যান্স পাশ করার পর এবার কাজ শুরু করার পালা। পাকি সামরিক জান্তারা যাতে মুক্তিযোদ্ধা মনে করে মেরে না ফেলে সে জন্যে জানোয়ার গুলোকে দেয়া হয়েছিল ব্যাক্তিগত পরিচয় পত্র। নীচে এক রাজাকারের পরিচয় পত্র দেখুন-
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231169934_3-RazakarsId.jpg
রাজাকরদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য রাষ্ট্রিয় ভাবে ঘটাকরে বেতন দিত। নীচে এর একটি নমুনা দেখুন-
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231170367_1-Razakars_Sallary.jpg
সামরিক জান্তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষনও জরুরি ছিল। তাই ঐ রাজাকার নামক কীটগুলোকে প্রশিক্ষনও দেয়া হয়েছিল-
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231170680_3-Razkrar01.jpg
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231171931_4-Razakar02.jpg
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231172034_5-Razakar03.jpg
প্রশিক্ষণ শেষ হলে শপথগ্রহন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দালালগুলাকে মাঠে নামানো হত, এখানে সেই শপথ গ্রহণের ফর্মের একটি নমুনা প্রদান করা হল যাতে সই করে পিশাচগুলা ওদের কাজটাকে অফিসিয়ালি বৈধ করত-
http://media.somewhereinblog.net/images/1168508129_omipialbl.jpg
পবিত্র কোরানশরিফ ছুয়ে শপথ নিচ্ছে একদল নব্য রাজাকার-
http://media.somewhereinblog.net/images/eskimoblog_1238159185_1-2009-03-26__front01.jpg
পাকিস্তানের জন্য কাজকরতে গিয়ে মারাগেলে ঐগুলোর পরিবারকে রাষ্ট্রিয় ভাবে রেশন বরাদ্দ করার ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছিল এবং দেয়াও হত-
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1571_suvroblog_1231170486_2-RazakarsRlf.jpg
দেশে যখন মানুষ ঘর হাড়া, স্বামী সন্তান হাড়া, মা-বোনেরা সম্ভ্রমহীন, তখন এত সুযোগ সুবিধার লোভ কিভাবে সামাল দেয়া যায় বলেন। তাইতো রাজাকার নামের মুখোশধারী কিছু সুবিধাবাদী বাংলাদেশী নরপিশাচ দলে দলে পাকি সামরিক বাহীনির সাথে কাজ করা শুরু করল। তাদের সংখ্যা নেহায়েক কম ছিলনা বৈকি! তাই স্মারনী তৈরী করে এদের হদিস ঠিকরাখা হত। চলুন দেখাযাক কিছু স্মারনী-
রাজাকার স্মারণী-১
http://media.somewhereinblog.net/images/1168508265_omipialbl.jpg
রাজাকার স্মারণী-২
http://media.somewhereinblog.net/images/1168508449_omipialbl.jpg
রাজাকার স্মারণী-৩
http://media.somewhereinblog.net/images/1168508600_omipialbl.jpg
সংগঠন টিকিয়ে রাখার জন্য ছিল চাঁদা দেয়ার ব্যাবস্থা। আমাদের অতিপ্রিয় গোলাম আজম রাজাকার হলেও চাঁদা প্রদানে বেচারা কোন প্রকার রাজাকারি করে নাই। অফসোস, শুধু তার কার্যকলাপের স্বাক্ষী হিসেবে একটা দলিল রেখে গেছে-
রাজাকারদের চাঁদা প্রদানের রশিদ
http://i615.photobucket.com/albums/tt231/msrchowdhury/golamazom.jpg

চলুন দেখি ১৯৭১-এ আমাদের '৭১ এর ঘৃণ্য দালাল গোলাম আজম, মুজাহিদ, সাঈদী প্রমূখ সন্মানিত রাজনৈতিক নেতাদের নিষ্পাপ চরিত্রের কিছু প্রমাণ।

এপ্রিল ১৯৭১:

দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা পুন:প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৯ই এপ্রিল ঢাকায় এক প্রতিনিধিত্বশীল দালালদের সভায় খাজা খায়েরউদ্দীনকে আহবায়ক করে ১৪০ সদস্য বিশিষ্ট্য বর্বর শান্তিকমিটি গঠন করা হয় (দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১১, ১৯৭১)। কমিটি মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর বায়তুলমোকাররম থেকে চকবাজার এলাকা পর্যন্ত এক মিছিল বের করে । মিছিলে নেতৃত্ব দেয় দালাল গোলাম আযম ও নিজামী (দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১)। মিছিলের শেষে পাকিস্তান রক্ষার জন্য গোলাম আযম মোনাজাত পরিচালনা করে (দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/April/2nd%20Week/NYbangla_71April.jpg

দালাল মৌলবী ফরিদ আহমেদ এক বিবৃতিতে বলে “ভারত মুসলমানদের হিন্দু বানাতে চাচ্ছে, তাই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে”। পরবর্তীতে সে দু’বার চট্টগ্রাম ঘুরে এসে ভারতীয় এজেন্টদের (মীত্র বাহীনির) নৃশংসতার কথাও উল্লেখ করে তা 'হিটলারের বর্বরতার চেয়েও নিষ্ঠুর' বলে উল্লেখ করে (দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৬, ১৯৭১ )।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/April/3rd%20Week/Dalal_April3Week1.jpg

পাকি জান্তার অন্যতম দালাল নুরুল আমিন-এর নেতৃত্বে শান্তিকমিটির প্রতিনিধি দল পূর্বপাকিস্তানের গভর্ণর টিক্কা খানের সাথে দেখা করে নাগরিকদের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতির কথা অবহিত করে এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি তাদের সমর্থন পুন:ব্যক্ত করে (দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১৭, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/April/3rd%20Week/Dalal_April3Week1.jpg

“যেখানে মুক্তি বাহীনি, আলবদর সেখানেই; যেখানে দুষ্কৃতিকারী আলবদর সেখানেই” এমন জঘন্য শ্লোগাণ নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি মুহাম্মদ আশরাফ হুসাইন-এর নেতৃত্বে জামালপুর শহরে প্রথম আলবদর বাহীনি গঠিত হয় (দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ -এপ্রিল ২২/২৩, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/April/4th%20Week/AL-BADR_April4Week.jpg

শান্তি কমিটির আহ্বায়ক দালাল খাজা খায়েরউদ্দীন মুক্তিযুদ্ধের বীরুদ্ধে পাকি সশস্ত্র বাহিনীকে সাহায্যে করার আহ্বান জানায় (দৈনিক পাকিস্তান -এপ্রিল ২৩, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/April/4th%20Week/Dalal_April4Week1.jpg

মে ১৯৭১ :

মুক্তিযুদ্ধকে "ভারতীয় নয়া সম্রাজ্যবাদ" বলে আখ্যায়িত করে তা নস্যাৎ করার জন্য দোসর বর্বর পাকি সশস্ত্র বাহীনিকে সাহায্য করার জন্য দেশের মানুষকে আহবান জানায় দালাল  শাহ্ আজিজ (দৈনিক পূর্বদেশ ৫ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/1st%20Week%20May/May_1Week.jpg

“সামরিক সরকার ২৫ মার্চ রাত্রে পাকিস্তানকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে” এই মর্মে সেই নারকীয় হত্যাকান্ডের স্বপক্ষে ‘দৈনিক সংগ্রাম’ কিছু অযৌক্তিক যুক্তি দাঁড়করায় এবং তীব্র সমালোচনা করে “তিনি শ্রী তাজউদ্দিন হয়ে গেছেন” এই শিরোনামে একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করে রাজাকারদের দোসর পত্রিকাটি (দৈনিক সংগ্রাম ৮ মে, ১৯৭১)।

পরবর্তীতে ১২ই মে “সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশের ইতি হোক” এই শিরোনামে এক সম্পাদকীয়তে “আল্লাহু আকবরের জায়গায় জয় বাংলা দখল করে নিয়েছে” বলে তীব্র সাম্প্রদায় বিদ্বেষী বক্তব্য পেশ করে 'দৈনিক সংগ্রাম' এবং আমাদের জাতীয় চেতনাকে নগ্নতা, হিন্দুয়ানী ইত্যাদি বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে (দৈনিক সংগ্রাম ১২ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/2nd%20Week%20May/May2_DS_1971.jpg

শান্তি কমিটির তৎপরতা শুরু করে দেয়ায় মুন্সিগন্জে পাক সেনাদের কাছ থেকে বিপুল সম্বর্ধনা পায় দালালগুলি (দৈনিক পূর্বদেশ ১২ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/2nd%20Week%20May/May2_COL_1971.jpg

শান্তি কমিটির এক কেন্দ্রীয় মিটিং এ সভাপতিত্ব করার সময় তৎকালীন জামাতের কুখ্যাত নেতা মেজর জেনারেল ওমরাওখান পাকিস্তানের শত্রুদের ধরিয়ে দেয়ার জন্যে সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করার আবেদন করে (দৈনিক আজাদ/পূর্বদেশ ১৭-১৯ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/3rd%20Week%20May/May3_GD1971.jpg

মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের শত্রু বলে আখ্যায়িত করে তাদের মোকাবেলা করার জন্য মিরপুর, লালবাগ এবং চকবাজারে তাদের শান্তিকমিটির কেন্দ্রীয় ঘরোয়া বৈঠকে সহোদর এবং দোসরদের সাহায্য করতে আহবান জানানো হয় (দৈনিক পূর্বদেশ ১৮ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/3rd%20Week%20May/May_3Week2.jpg

“যেকোন মূল্যে ভারতের (মীত্র বাহীনির) চক্রান্ত নস্যাৎ করিব” বলে ঘোষণা দেয় পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে এছলাম ও পূর্ব পাকিস্তান নজামে এছলাম পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী  (দৈনিক আজাদ, ১৯ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/3rd%20Week%20May/Maye_3Week1.jpg

জামাতে ইসলামী-এর সেক্রেটারী জেনারেল রহমতে এলাহী এক বিবৃতে বলে “নতুন করে নির্বাচন চাই” (দৈনিক পূর্বদেশ, ২৪ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/4th%20Week%20May/May_4Week.jpg

পূর্ব পাকিস্তান নজামে এছলাম পার্টির সভাপতি মওলানা সিদ্দিক আহমেদ পাকিস্তানের দুশমন মুক্তিযোদ্ধাদের নিশ্চিন্হ করার জন্য শান্তিবাহীনির হিংস্র হায়নাগুলির প্রতি আহ্বান জানায় (দৈনিক আজাদ, ২৪ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/4th%20Week%20May/May_4Week5.jpg

জামাতের নেতা মওলানা ইউসুফ খুলনার শাহজাহান আলী রোডে অবস্থিত আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন জামাত কর্মী নিয়ে প্রথম রাজাকার বাহিনী গড়ে তোলেন (দৈনিক পাকিস্তান/আজাদ, ২৫-২৭ মে, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/May/4th%20Week%20May/May4_GD1971.jpg

জুন ১৯৭১:

বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো, হাফেজ্জী হুজুর ও মাওলানা মওদুদী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন ‘বিচ্ছন্নতাবাদী’ বলে উপাধি দেয় (দৈনিক পাকিস্তান, জুন ৩, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/1st%20Week/June1_gbb.jpg

রাজাকার নেতা মওদুদী আরও বলে – “শেখ মুজিবের দল গুন্ডামী ও মারামারী করে নির্বাচনে জয়ী হয়” এবং এজন্য পাকিস্তানী বাহিনীর হস্তক্ষেপ যৌক্তিক বলে মন্তব্য করে (দৈনিক পাকিস্তান, জুন ৬, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/1st%20Week/june1_gd.jpg

“পূর্ব পাকিস্তানের মুসলিম জনগন কখনও বিচ্ছিন্নতা চায়নি” এই শিরোনামে ৭ই জুন ‘দৈনিক সংগ্রাম’-এ তৎকালীন জামাতি ইসলামের আমীর মওলানা মওদুদী  এর একটি স্মারকলীপি প্রকাশিত হয় (দৈনিক সংগ্রাম ৭ জুন, ১৯৭১ (দৈনিক সংগ্রাম ৭ জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/1st%20Week/june1_s1.jpg

‘দৈনিক সংগ্রাম’কে স্বাধীনতা বিরোধী বলায় এর সম্পাদকীয়তে একটি প্রতি উত্তর দেয়া হয় যা নিচে দেয়া হল (দৈনিক সংগ্রাম ৮/৯ জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/2nd%20week/june2_s3.jpg

আরও দুইটা সেম্পল দেখুন, কিভাবে পাকি রাজাকারদের বংশদন্ড হতে নির্গত তরল ‘দৈনিক সংগ্রাম’-এর সম্পাদকীয়তে চেটেপুটে পড়ম তৃপ্তী নিয়ে খাওয়া হয় (দৈনিক সংগ্রাম ১৩/১৪ জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/2nd%20week/june2_s2.jpg

সরকারী প্রেসনোটে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের ছুটি বাতিল, ২৪০টি রাস্তার নামকরন হিন্দু থেকে মুসলিম করন, ৬৯টি বই নিষিদ্ধ করা হয় (হিন্দুরা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলোপের কাজ করেছে – এই সংবাদে ‘দৈনিক সংগ্রাম’এর উপসম্পাদকীয়, ১৫-১৭ জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/3rd%20Week/june3_eg.jpg

ভারত ও তাবেদারদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) বিরুদ্ভে প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প নিয়ে বিভিন্ন স্খানে শান্তি কমিটর সভা অনুষ্ঠিত হয় (দৈনিক পাকিস্তান ১৭ জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/3rd%20Week/June3_EG2.jpg

করাচীতে রাজাকার গোলাম আজম বলে “পূর্ব পাকিস্তানীরা সর্বদাই পশ্চিম পাকিস্তানী ভাইদের সাথে একত্রে বসবাস করবে” (গোলাম আযম দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/4th%20Week/June4_EG2.jpg

রাজাকার আজম আরো বলে- “শেখ মুজিব প্রকাশ্যে কখনও স্বাধীনতার জন্যে চিৎকার করেন নি বরং মওলানা ভাষানীই বিচ্ছিন্নতাবাদের দাবী তোলেন। পূর্ব পাকিস্তানের অখন্ডতা বজায় রাখতে সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না” (দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/June/3rd%20Week/June3_EG3.jpg

জুলাই ১৯৭১:

১-৫ জুলাই ‘দৈনিক সংগ্রাম’ এর কিছু নিউজ-
http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/1st%20Week/july1_ds.jpg

জামাত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ধর্ষক, লুটেরা, জংলি সহোদর এবং দোসরদের আহ্বানকরে বলে “গ্রামে গ্রামে রক্ষীদল গঠন করুন” (দৈনিক পাকিস্তান ৩রা জুলাই ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/1st%20Week/july1_eg.jpg

ড: সাজ্জাদ হোসেন 'পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের জীবনের নিরাপত্তা নেই' - একথা ভিত্তিহীন বলে উল্ল্যেখ করে (ড: সাজ্জাদ হোসেন – দৈনিক পাকিস্তান ৯ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/2nd%20week/july2_sd.jpg

মুক্তিযোদ্ধাদরে দুষ্কৃতিকারী ও ডাকাত বলে উল্ল্যেখ করে জামাত নেতা আব্দুল খালেক বলে “জনগণ এখন স্বেচ্ছায় রাজাকার ট্রেনিং নিচ্ছে” (দৈনিক সংগ্রাম ৯ জুলাই, ১৯৭১)। এছাড়া নিচের ছবিতে আরও দেখতে পারবেন কিভাবে ‘দৈনিক সংগ্রাম’ নামক রাজাকারদের দোসর পত্রিকাটিতে '৭০ এর নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে ঘর ভাঙার নির্লজ্জ চক্রান্ত' বলে উল্ল্যেখ করেছে (দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১২ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/2nd%20week/july2_ds.jpg

‘দৈনিক সংগ্রাম’ এর সম্পাদকীয়তে বলা হয় “সেনাবাহিনী কুখ্যাত শহীদ মিনারটি ধ্বংস করে মসজিদ গড়েছে” (দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/3rd%20Week/July3_DSongram2.jpg

দেখি চলুন বরিশালের শান্তিকমিটির সভায় রাজাকার  আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বক্তৃতানিয়ে একটি ছোট আলোচনা (দৈনিক সংগ্রাম ১৮ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/3rd%20Week/July3_DSongram.jpg

মুসলিমলীগের প্রেসিডেন্ট অন্যতম প্রখ্যাত রাজাকার ফজলুল কাদের চৌধুরী  বলে “পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে” (দৈনিক পাকিস্তান ১৮ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/3rd%20Week/July3_SDalil.jpg

জামাত অস্থায়ী আমীর মীর তোফায়েল মোহাম্মদ বলে, "ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রেসিডেন্টের ফর্মূলা বর্তমান সংকটের একমাত্র সমাধান" এবং সেই সাথে সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বিচার শূরুর আবেদন জানায় এই দালাল (দৈনিক পাকিস্তান ২৪ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/4th%20Week/July4_Dalal1.jpg

কাপুরুষ, ভীতসন্ত্রস্থ পাকি সশস্ত্র বাহিনীদের সহযোগিতা করতে রাজাকারদের পক্ষথেকে সকল আলেমদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় (দৈনিক পাকিস্তান ২৬ জুলাই, ১৯৭১)।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/4th%20Week/July4_Dalal2.jpg

সামরিক আইনে রাজাকারদের যে কোন লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রদান করা হয় এবং এর ফলশ্রুতিতে রাজাকারদের অত্যাচার ভীষণ দূর্বিসহ ভাবে বৃদ্ধি পায়।

http://www.nybangla.com/Weekly%201971/July/4th%20Week/july4_rg.jpg

পরবর্তি পর্বে আমাদের বর্তমান ‘দৈনিক সংগ্রাম’, ঘাতক দালাল, রাজাকার এবং যুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিদের আরও আপডেট নিয়ে হাজির হয়ে যাব ইনশা-আল্লাহ। সে পর্যন্ত প্রতিদিন বেশি বেশি করে ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পড়ুন, রাজাকারদের জয় জয়কার শুনতে থাকুন আর খুব খুব বেশি ভাল থাকুন। বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে।

লেখাটি FDL v1.3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি পাকিদের দোসররা যা বলেছে ও করেছে (১মপর্ব)

বেশ তথ্যবহুল। অনেক কষ্ট করেছেন। ধন্যবাদ।

ধানসিঁড়ি'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তাওহিদ (০৮-০৭-২০১০ ২২:২৪)

Re: মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি পাকিদের দোসররা যা বলেছে ও করেছে (১মপর্ব)

ধানসিঁড়ি লিখেছেন:

বেশ তথ্যবহুল। অনেক কষ্ট করেছেন। ধন্যবাদ।

দ্বিতীয় পর্ব পড়ার আমন্ত্রন রইল। সাথে থাকার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। big_smile

লেখাটি FDL v1.3 এর অধীনে প্রকাশিত