সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ডার্কলর্ড (২৯-০৬-২০০৭ ০৩:৪৮)

টপিকঃ Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

হ্যা গুগল ডেক্সটপ সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন এটি একটি সার্চিং টুল যা আপনার পিসির ফাইল গুলো গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মত খুঁজে বের করে দেয়।

Google অবশেষে তার Google Desktop টুল টি রিলিজ করল লিনাক্সের জন্য। লিন্ক http://desktop.google.com/linux/

http://desktop.google.com/en/linux/images/desktop_scrshot.jpg

জানিনা এটা লিনাক্সের বেগলি কে কমপিট করতে পারবে কিনা!!

এ সম্বন্ধিত আরো লিন্ক

http://news.softpedia.com/news/Google-D … 8500.shtml

http://www.desktoplinux.com/news/NS8313017510.html

http://www.pcworld.com/article/id,133543/article.html

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

চমৎকার খবর। লিনাক্সের গ্রহনযোগ্যতা আরো কিছু লোকের কাছে বাড়বে এতে।

অবশ্য, ব্যক্তিগত ভাবে আমি কোন অতিরিক্ত ডেস্কটপ প্রোগ্রামই ব্যবহার করি না .... আমার নিজস্ব ইনডেক্সিং সিস্টেম ... অর্থাৎ ফাইলকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গায়/ফোল্ডারে রাখা -- এটাই ভাল লাগে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

শামীম লিখেছেন:

চমৎকার খবর। লিনাক্সের গ্রহনযোগ্যতা আরো কিছু লোকের কাছে বাড়বে এতে।

অবশ্য, ব্যক্তিগত ভাবে আমি কোন অতিরিক্ত ডেস্কটপ প্রোগ্রামই ব্যবহার করি না .... আমার নিজস্ব ইনডেক্সিং সিস্টেম ... অর্থাৎ ফাইলকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গায়/ফোল্ডারে রাখা -- এটাই ভাল লাগে।

আচ্ছা এই পানবিবি মানে পানবৌ এর এডিটরের সাইজটা বাড়ানো সম্ভব ( যতটুকু সম্ভব) এতে মনে হয় অন্যদের সমস্যা নাই বরং তারা খু্শিই হবে। বড় লেখা লেখতে গেলে খুবই সমস্যা হয় বিশেষ করে  #   BBCode: দিতে গেলে (যেমন বোল্ড ইউআরএল) লেখার  প্রথম লাইনে চলে আসে । পরে আবার স্ক্রোল করে নীচে যাওয়া লাগে। যেটা খুবই বিরক্তিকর

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

শামীম লিখেছেন:

চমৎকার খবর। লিনাক্সের গ্রহনযোগ্যতা আরো কিছু লোকের কাছে বাড়বে এতে।

অবশ্য, ব্যক্তিগত ভাবে আমি কোন অতিরিক্ত ডেস্কটপ প্রোগ্রামই ব্যবহার করি না .... আমার নিজস্ব ইনডেক্সিং সিস্টেম ... অর্থাৎ ফাইলকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গায়/ফোল্ডারে রাখা -- এটাই ভাল লাগে।

আপনের এই কারন.....


আর আমি তো এগুলা কখনো ইউজ করিনা। অন্তত যেগুলো ইনডেক্সিং এর নামে আর্ডডিস্ক স্পেস খায়। আমি আবার একটু অতিরিক্ত স্পেস কনশিয়াস। হার্ডডিস্স্কের অপ্রয়োজনীয় ১ মেগা স্পেস ও আমার কাছে ১ গিগাবাইট মনে হয় । খুজে বেরকরে ডিলিট না করা পর্যন্ত মাথার উপর ভনভন করে ঘুরতে থাকে lol2
ফাইলটা মুছে ফেললেই পরে শান্তি। সো ইয়ে ইন্ডেক্সিং সার্চটুল মেরেলিয়ে নেহি হ্যায় lol

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

ডার্কলর্ড লিখেছেন:

আপনের এই কারন.....

আর আমি তো এগুলা কখনো ইউজ করিনা। অন্তত যেগুলো ইনডেক্সিং এর নামে আর্ডডিস্ক স্পেস খায়। আমি আবার একটু অতিরিক্ত স্পেস কনশিয়াস। হার্ডডিস্স্কের অপ্রয়োজনীয় ১ মেগা স্পেস ও আমার কাছে ১ গিগাবাইট মনে হয় । খুজে বেরকরে ডিলিট না করা পর্যন্ত মাথার উপর ভনভন করে ঘুরতে থাকে lol2
ফাইলটা মুছে ফেললেই পরে শান্তি। সো ইয়ে ইন্ডেক্সিং সার্চটুল মেরেলিয়ে নেহি হ্যায় lol

হা.. হা..
আমি আগের মেসেজটি লেখার সময় যে অংশটি টাইপ করেও পরে মুছে দিয়েছিলাম সেটি দিলাম:

মেইনফ্রেম নেটওয়র্কের টার্মিনালে বসে এক ফ্লপি থেকে বুট করিয়ে আরেক ফ্লপিতে কাজ করা পাবলিক আমি (১৯৯৫: ফোর্ট্রান শিখতে হয়েছিল)। মেমেরী তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমার কাছে।

ইনডেক্সিং বলতে বুঝাতে চেয়েছিলাম, আমি নিজেই নিজের ডকুমেন্ট/ফাইলগুলোকে অর্গানাইজড ভাবে রাখি; এমনকি নামকরণের সময়ও কিছু ট্রিকস ব্যবহার করি, যেমন আজ কোন জায়গায় ১০০টা ছবি তুললাম ... নাম দেই এভাবে 2007-06-29_Miyzaki_### আর রাখি এই ফোল্ডারে: Photo\Our Album\2007\2007-06 JP\ or, Photo\Our Album\2007\06Jun2007 JP\। তাই দরকারের সময়ে ফাইল খুঁজে বের করতে কোন সমস্যাই হয় না। ২০০৭ সালের ছবি ঐ ফোল্ডারে, তারপর জুনমাসের ফোল্ডার। আর ঐ ফোল্ডারে ইউনিক নামের কারণে সব সিরিয়াল মেইনটেইন করবে... তাছাড়া প্রতিটি ফাইলের ইউনিক নাম। আগে ফোল্ডারের নাম দিতাম এভাবে: 06Jun2007 JP অর্থাৎ জুন ২০০৭ -জাপানে। আর আগের ০৬ দিতাম যেন, ডিকশনারী স্টাইলে সাজালে যেন সিরিয়াল মেইনটেইন করে। তবে এখন, ফোল্ডারগুলোর নাম সব 2007-06 JP এই স্টাইলে দেই। একই ভাবে অন্যান্য বিষয়ের ফোল্ডারগুলোও সেরকমভাবে ফাইলিং করি।

খুঁজতে কয়েকটা ক্লিক খরচ করা লাগে, কিন্তু নিশ্চিতভাবেই নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পাওয়া যায়। খুব সম্ভবত এই ধরনের ইনডেক্সিং সিস্টেম কম্পিউটার আবিষ্কারের আগে থেকেই লাইব্রেরী এবং অফিসে ব্যবহৃত হয়।

আর, পারতপক্ষে অতি প্রয়োজনীয় ছাড়া কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করি না। আগে কম্পিউটারে গেম থাকতে ১/২ টা। ঐটা খেলা শেষ। ব্যাস আন-ইনস্টল। আর আমার আগের উইন্ডোজেও দেখা যায় প্রোগ্রাম মেনু খুব ছোট কারণ হাতে গোনা কয়েকটা অতি দরকারী সফটওয়্যার ছাড়া কিছু নাই। আগে থাকতো: অফিস .. শুধু ওয়র্ড, এক্সেল আর পাওয়ার পয়েন্ট; ফটোশপ, অটোক্যাড -- আর এখন আছে: অফিস-ওয়র্ড, এক্সেল, পা.পয়েন্ট; GIMP; ProgeCAD; Foxit PDF reader; Firefox; PDF creator; Captura; অভ্র; ISO burner ... + আরো ৩/৪টা - কোন গেম নাই।কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পর ইনস্টলও শেষ, ব্যাকআপ মোছাও শেষ! অবশ্য ভাল লাগলে সিডি বার্ন করে রাখি। কিন্তু হার্ডডিস্ক ফ্রী রাখি ... এটা মনে হয় কম্পিউটারের জন্যও স্বাস্থ্যকর।

আর বাসার লিনাক্স মেশিনতো আরো ফ্রী।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

শামীম লিখেছেন:
ডার্কলর্ড লিখেছেন:

আপনের এই কারন.....

আর আমি তো এগুলা কখনো ইউজ করিনা। অন্তত যেগুলো ইনডেক্সিং এর নামে হার্ডডিস্ক স্পেস খায়। আমি আবার একটু অতিরিক্ত স্পেস কনশিয়াস। হার্ডডিস্স্কের অপ্রয়োজনীয় ১ মেগা স্পেস ও আমার কাছে ১ গিগাবাইট মনে হয় । খুজে বেরকরে ডিলিট না করা পর্যন্ত মাথার উপর ভনভন করে ঘুরতে থাকে lol2
ফাইলটা মুছে ফেললেই পরে শান্তি। সো ইয়ে ইন্ডেক্সিং সার্চটুল মেরেলিয়ে নেহি হ্যায় lol

হা.. হা..
আমি আগের মেসেজটি লেখার সময় যে অংশটি টাইপ করেও পরে মুছে দিয়েছিলাম সেটি দিলাম:

নেটওয়র্কের টার্মিনালে বসে এক ফ্লপি থেকে বুট করিয়ে আরেক ফ্লপিতে কাজ করা পাবলিক আমি (১৯৯৫: ফোর্ট্রান শিখতে হয়েছিল)। মেমেরী তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমার কাছে।

ইনডেক্সিং বলতে বুঝাতে চেয়েছিলাম, আমি নিজেই নিজের ডকুমেন্ট/ফাইলগুলোকে অর্গানাইজড ভাবে রাখি; এমনকি নামকরণের সময়ও কিছু ট্রিকস ব্যবহার করি, যেমন আজ কোন জায়গায় ১০০টা ছবি তুললাম ... নাম দেই এভাবে 2007-06-29_Miyzaki_### আর রাখি এই ফোল্ডারে: Photo\Our Album\2007\2007-06 JP\ or, Photo\Our Album\2007\06Jun2007 JP\। তাই দরকারের সময়ে ফাইল খুঁজে বের করতে কোন সমস্যাই হয় না। ২০০৭ সালের ছবি ঐ ফোল্ডারে, তারপর জুনমাসের ফোল্ডার। আর ঐ ফোল্ডারে ইউনিক নামের কারণে সব সিরিয়াল মেইনটেইন করবে... তাছাড়া প্রতিটি ফাইলের ইউনিক নাম। আগে ফোল্ডারের নাম দিতাম এভাবে: 06Jun2007 JP অর্থাৎ জুন ২০০৭ -জাপানে। আর আগের ০৬ দিতাম যেন, ডিকশনারী স্টাইলে সাজালে যেন সিরিয়াল মেইনটেইন করে। তবে এখন, ফোল্ডারগুলোর নাম সব 2007-06 JP এই স্টাইলে দেই। একই ভাবে অন্যান্য বিষয়ের ফোল্ডারগুলোও সেরকমভাবে ফাইলিং করি।

খুঁজতে কয়েকটা ক্লিক খরচ করা লাগে, কিন্তু নিশ্চিতভাবেই নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পাওয়া যায়। খুব সম্ভবত এই ধরনের ইনডেক্সিং সিস্টেম কম্পিউটার আবিষ্কারের আগে থেকেই লাইব্রেরী এবং অফিসে ব্যবহৃত হয়।

ঝাক্কাস ট্রিকস। আমি বলি উইন্ডোজের ডিফল সার্চতো ইন্ডেক্সিং কইরা জায়গা খায়না । তাই  একটু বেশী সুবিধার জন্য  আমি আমার মূল্যবান স্পেস কেন খরচ করবো

শামীম লিখেছেন:

আর, পারতপক্ষে অতি প্রয়োজনীয় ছাড়া কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করি না। আগে কম্পিউটারে গেম থাকতে ১/২ টা। ঐটা খেলা শেষ। ব্যাস আন-ইনস্টল। আর আমার আগের উইন্ডোজেও দেখা যায় প্রোগ্রাম মেনু খুব ছোট কারণ হাতে গোনা কয়েকটা অতি দরকারী সফটওয়্যার ছাড়া কিছু নাই। আগে থাকতো: অফিস .. শুধু ওয়র্ড, এক্সেল আর পাওয়ার পয়েন্ট; ফটোশপ, অটোক্যাড -- আর এখন আছে: অফিস-ওয়র্ড, এক্সেল, পা.পয়েন্ট; GIMP; ProgeCAD; Foxit PDF reader; Firefox; PDF creator; Captura; অভ্র; ISO burner ... + আরো ৩/৪টা - কোন গেম নাই।কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পর ইনস্টলও শেষ, ব্যাকআপ মোছাও শেষ! অবশ্য ভাল লাগলে সিডি বার্ন করে রাখি। কিন্তু হার্ডডিস্ক ফ্রী রাখি ... এটা মনে হয় কম্পিউটারের জন্যও স্বাস্থ্যকর।
আর বাসার লিনাক্স মেশিনতো আরো ফ্রী।

আর বইলেন না ভাই। আজকালকার গেম ৩-৪ গিগাবাইটের নীচে নামতেই চায়না। তাই অসম্ভব ভালো গেম না হলে  গেম কিনিও না। আমি অবশ্য আগে গেম পাগল ছিলাম তবে দিনদিন এর স্পেস আর সিস্টেম রিকয়ার মেন্ট আমাকে পাগলামী ছাড়তে বাধ্য করেছে। তবে এখনো কিছু গেম আমাকে স্পেস খালি করতে বাধ্য করে

১) Grand Theft Auto :  vice city or  any new release

২) Call Of Duty

৩) Need For Speed - any new release

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

এই যুগেও হার্ডডিস্কের স্পেস নিয়ে হাহাকার!!:o
হাসাইলেন আপনারা।=))

জোবায়ের সুমন
রক্তের গ্রুপ: B(-)

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

ভাইরে, চাহিদার কোন শেষ নাই। আমার নিজস্ব হার্ডডিস্ক স্পেস আছে মোট ১৬০+২০০+১৬০ গি বা। তারপরও আমি মাঝেমধ্যেই ফাইল রাখার জায়গা পাই না! অথচ এক সময় ৬গিবা এর হার্ডডিস্ক দিয়ে কম্পিউটার চালিয়েছি আর শামীম ভাইয়ের মত আলফা ডেকও চালিয়েছি।

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

কৃপন না হিসেবী বলব? নাকি মিতব্যায়ী?

...ঈশ্বরের মত
ভবঘুরে স্বপ্নগুলো.....                                                                        রক্তের গ্রুপঃ A+

১০

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

তবে হার্ডডিস্ক স্পেসের চাইতেও যেটা সবচেয়ে বড় ব্যাপার আমার কাছে, সেটা হচ্ছে সিপিইউ এবং রযাম -এর ব্যবহার। লিনাক্সের নিজস্ব ইন্ডেক্সিং সার্ভিস বিগল (beagle) ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এটা পর্দার আড়ালে এত বেশী কাজ করে যে, শেষ পর্যন্ত বাদ দিয়ে দিলাম। আর গুগল ডেস্কটপ উইন্ডোজেও ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু এর যন্ত্রণায় এমএস ওয়ার্ড খুলতেও বছরখানেক লাগতো surprised

অন্যদিকে ম্যাকের ডিফল্ট ইন্ডেক্সিং এর প্রচণ্ড ভক্ত আমি। এর নাম স্পটলাইট। এর দক্ষতার কাছে অন্যান্য ইন্ডেক্সিং সার্ভিস নগন্য।

১১

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

একটু পড়ে দেখুন -
একটা দারুণ মন্তব্য

১২

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

অফটপিক তবে অপ্রাসঙ্গিক নয় wink

সুমন লিখেছেন:

এই যুগেও হার্ডডিস্কের স্পেস নিয়ে হাহাকার!!:o
হাসাইলেন আপনারা।=))

ব্যাপারটা হলো ম্যানেজমেন্ট, অপটিমাইজেশন, ইত্যাদি।

ছোটকালে (২য় বর্ষে) ফোর্ট্রান প্রোগ্রামিং করার সময় একটা সমস্যা ছিল: প্রাইম/মৌলিক সংখ্যা বের করার প্রোগ্রাম। একটা প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর কাছ থেকে দুইটা ইনপুট নেবে এবং ঐ রেঞ্জের মধ্যে যতগুলো মৌলিক সংখ্যা আছে বের করে দেবে।

বইয়ে যেই এলগরিদম দেয়া আছে, সেটাতে লুপের ভেতরে প্রতিটি সংখ্যাকে ২ থেকে ঐ সংখ্যার অর্ধেক মান পর্যন্ত প্রতিটি পূর্ণসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে দেখে, যে কোন একটার ভাগশেষ শূন্য হলেই বাদ, পরের সংখ্যা টেস্ট করবে। (ধরুন, ৯৭ কে পরীক্ষা করার সময়, ২, ৩, করে করে, ৪৯ পর্যন্ত সবগুলো দিয়ে ভাগ করে দেখবে... তারপর সিদ্ধান্ত হবে... হ্যা এটা মৌলিক সংখ্যা - একটা অ্যারেতে স্টোর করে রাখবে)

আমি এলগরিদমে সেটা পরিবর্তন করে দিলাম, ২ থেকে বিবেচ্য সংখ্যাটার বর্গমূলের মান পর্যন্ত প্রতিটা দিয়ে ভাগ করবে। (অর্থাৎ ৯৭ কে পরীক্ষা করার সময় ২, ৩, এভাবে ১০ পর্যন্ত পরীক্ষা করেবে... কোনটা দিয়েই ভাগ না গেলে সিদ্ধান্ত ... হ্যা এটা মৌলিক সংখ্যা) এখানে, অপারেশনের পরিমান কিন্তু অনেক কমে গেল।

যেহেতু মেইনফ্রেম নেটওয়র্কে কাজ করতাম, এক ফ্লপি দিয়ে টার্মিনাল বুট করে আরেক ফ্লপি থেকে প্রোগ্রাম লোড করে কাজ ও সেভ করতে হত, তাই ওখানে স্পীড বা সময়ের পার্থক্যটা বুঝা যেত। বইয়ের এলগরিদমে করা প্রোগ্রাম যেটা সমাধান করতে ১০ সেকেন্ড লাগাতো, সেটা পরের এলগরিদমে ২ সেকেন্ড লাগত। তখনকার প্রসেসিং ক্ষমতার তুলনায় এখনকার প্রসেসরগুলো হাজার গুন দ্রুত ... তাই সময়ের পার্থক্য বোঝা যাবে না... কারণ ২ মিলিসেকেন্ড আর ১০ মিলিসেকেন্ডের পার্থক্য বোঝা যায় না। --- কিন্তু ঐ অভিজ্ঞতা শিখিয়েছে যে পার্থক্য আছে... এবং সেটা ভাল পরিমাণেই আছে।

সুতরাং, অফুরন্ত প্রসেসিং পাওয়ার, অফুরন্ত হার্ডডিস্কের যুগে মানুষ যে মিতব্যয়িতার একথা শুনে ছ্যা ছ্যা করতে পারে ... তাতে অবাক হই না। কিন্তু এই লাইট ওয়েট প্র্যাকটিসটা স্বভাবের মধ্যে ইনস্টল হলে আপনি যখন ওয়েব এপ্লিকেশন বানাবেন তখনও সেটা লাইট-ওয়েট হবে।

এখানে, জাপানের দূর্দান্ত ব্রডব্যান্ডে যেটা হাস্যকর, সেটা বিটিটিবির নেটওয়র্কে কষ্টকর .... তবুও হাসবেন? ..হাসেন ... অসুবিধা নাই।

তাছাড়া, মিতব্যয়িতার অভ্যাস অভিযোজন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ------------ এক লাইনে খুব সহজে বললাম.. কিন্তু কথাটা যথেষ্ট ওজনদার।

ধর্মের দর্শনেও মিতব্যয়িতা উৎসাহিত করে।চাহিদা কম থাকলে সে ধনী। চাহিদা বেশি হলে সে গরীব .... ... আর সেই বর্ধিত চাহিদা মেটানোর জন্য তো কামড়াকামড়ির কোন শেষ নাই ...:rolleyes:

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: Google Desktop এবার লিনাক্সে Desktop এবার লিনাক্সে

স্বপ্নবাজ লিখেছেন:

কৃপন না হিসেবী বলব? নাকি মিতব্যায়ী?

মিতব্যায়ী