সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন aliakbarnl (১২-০৩-২০০৯ ২১:১৮)

টপিকঃ এ কী শাস্তি?

জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে।জাহাজের ক্রু অফিসারদের জন্যে কোন নারী অতিথি আপ্যায়ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তারপরেও এই আদিম ও বরাবর নিষিদ্ধ আপ্যায়নটি নীরবে সংঘটিত হয়ে যায়। নিজের ভেতরের শাসনটি কোন কারনে উঠে গেলে বাইরের শাসন কোন কাজে আসে না। চতুর নাবিকদের বেলায় নোনতা এই ভালোবাসার টার্গেটটি কেবিনে যাবে মেয়ে, রিস্ক বিবেচনায় করে না নাবিক।এক নাবিক অতিরিক্ত ডলার ওয়াদা করায় এক মেয়ে রাজী হয় । কাজের পরে নাবিকটি ওয়াদা করা ডলার দিতে গড়িমসি করে । মেয়েটি ক্যাপটেনকে জানালে ক্যাপটেন পড়ে মহা বিপদে। তখন পোর্ট থেকে জাহাজ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচেছন ক্যাপটেন। মেয়েটির অভিযোগ, ক্যাপটেন তোমার জাহাজের এক নাবিক আমাকে ব্যবহার করে এখন ওয়াদামত ডলার দিচেছ না।বন্দর ছাড়ার মুহুর্তটি এমনিতেই অত্যন্ত ব্যস্তময়। কাজেই এই মুহুর্তে এই কথাটি শোনে ক্যাপ্টেনের মেজাজ সঙ্গত কারনেই বিগড়ে যায়।তার কঠিন নজরদারীকে এড়িয়ে এই কর্মটি সংগঠিত হয়ে গেছে অপরাধের বিচার বেশ কঠিন। এই সংবাদে ক্যাপটেন নিজেই দ্বিধায় পড়ে গেছে যে সে কোন অপরাধের বিচার করবে। তাই রাগের বশে বলেন, বেশ করেছে । এখন এখখুনি আমার চোখের সামনে থেকে বিদায় হও। মেয়েটি রাগে ক্ষোভে ক্যাপটেনকে বলে, ক্যাপটেন কেউ যদি তোমার নিজের মা বোনকে আমার মতো ভোগ করে এভাবে ওয়াদামত টাকা না দিয়েই বিদায় করতো তখন কি তোমার খারাপ লাগতো না।একজন মানুষের মনোবেদনাটি সহজেই অনুমেয়।মেয়েটি বুঝতে পারে নাই তার এই মানবিক আবেদনটি ক্যাপটেনের হৃদয়টিকে আর্দ্র না করে কেন আরো কঠিন করে দিয়েছে। সত্যি এক জটিল ক্যালকুলেশন । কার দৃষ্টিতে কে অপরাধী ?মেয়েটির দৃষ্টিতে নাবিককে প্রশ্রয়দানকারী ক্যাপ্টেন অপরাধী। ক্যাপ্টেনের দৃষ্টিতে মেয়েটি অপরাধী।মেয়েটি তখন বার্থের পাশে দাড়িয়ে চলন্ত জাহাজটিকে অভিশাপ দিচেছ। মেয়েটির সেই খিস্তি খেওড়ের সাথে প্রতারিত মেয়েটি তার মূল্যবান জিনিসটি প্রদান করে ফেলছে আর মেয়েটির দৃষ্টিতে নাবিককে প্রশ্রয়দানকারী ক্যাপ্টেন অপরাধী। ক্যাপ্টেনের দৃষ্টিতে মেয়েটি অপরাধী।
তেমনি আমরাও আমাদের ঘর শব্দটিতে স্মৃতির ওপর বসে মেয়েদের দিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ক্যাপটেনের মত অপরাধী মনে করি।মনে করি বিয়ের
পর মেয়েটির মত মূল্যবান জিনিসটি প্রদান করে ফেলছে তারা, ভালোবাসা আর ভালোবাসার ওয়াদার কথা ভুলে উপেক্ষার ভাষায় ঘৃণার আক্রোশ অবহেলা করি।'মেয়েটির মত মূল্যবান জিনিসটি প্রদান করে অনেক পথ অতিক্রম করে অনেক মেয়ে।

Re: এ কী শাস্তি?

কি দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন, বুঝতে পারলাম না।:-O:-O:-O

ছবিটিই বা কার? লেখার সাথে এর তেমন সম্পর্ক আছে বলে তো মনে হয় না।[-X[-X

Re: এ কী শাস্তি?

আমিও এটার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলাম না!
ছবির মহিলার সাথে ঘটনার কী সম্পর্ক? আজব! surprisedkidding

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: এ কী শাস্তি?

উদাসীন লিখেছেন:

আমিও এটার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলাম না!
ছবির মহিলার সাথে ঘটনার কী সম্পর্ক? আজব! surprisedkidding

"ছবিটি একর্টি প্রতিক"।মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে নারীর উপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ৷ এই সম্পর্কে তথ্য দিয়েই প্রভাবিত আর্টিকেলর্টি।ছবিটির আড়ালে জগত্ মুগ্ধ বাস্তবের নারীর বস্তুপুঞ্জে ঠাসা বাস্তবের দুর্বলতাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এভাবে ????

Re: এ কী শাস্তি?

aliakbarnl লিখেছেন:

"ছবিটি একর্টি প্রতিক"।মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে নারীর উপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ৷ এই সম্পর্কে তথ্য দিয়েই প্রভাবিত আর্টিকেলর্টি।ছবিটির আড়ালে জগত্ মুগ্ধ বাস্তবের নারীর বস্তুপুঞ্জে ঠাসা বাস্তবের দুর্বলতাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এভাবে ????

আলি আকবর ভাই,
আমি যেভাবেই হোক বুঝতে পেরেছি আপনি কী বলতে চেয়েছেন। কিন্তু আপনার জটিল বাক্যবিন্যাস, অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝানোর থেকে আরো দূর্বোধ্য করে তুলেছে। আপনি সহজ করে লেখার চেষ্টা করুন। অযথা কঠিন বাক্য ব্যবহার না করলেও চলে। আর ছবিটি একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক....বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারক!(আমার মতামত)
যাহোক, আরো লিখুন। ভালো থাকুন।

-উদাসীন

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: এ কী শাস্তি?

উদাসীন লিখেছেন:
aliakbarnl লিখেছেন:

"ছবিটি একর্টি প্রতিক"।মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে নারীর উপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ৷ এই সম্পর্কে তথ্য দিয়েই প্রভাবিত আর্টিকেলর্টি।ছবিটির আড়ালে জগত্ মুগ্ধ বাস্তবের নারীর বস্তুপুঞ্জে ঠাসা বাস্তবের দুর্বলতাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এভাবে ????

আলি আকবর ভাই,
আমি যেভাবেই হোক বুঝতে পেরেছি আপনি কী বলতে চেয়েছেন। কিন্তু আপনার জটিল বাক্যবিন্যাস, অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝানোর থেকে আরো দূর্বোধ্য করে তুলেছে। আপনি সহজ করে লেখার চেষ্টা করুন। অযথা কঠিন বাক্য ব্যবহার না করলেও চলে। আর ছবিটি একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক....বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারক!(আমার মতামত)
যাহোক, আরো লিখুন। ভালো থাকুন।

-উদাসীন

"বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারক দূর্বোধ্য বুঝতে"  মতামতকে প্রাধ্যন দিয়ে ছবিটি ব্যবহার হলো না  উঠে গেলে ছবিটি আর্টিকেল হতে ।