১৪১

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

safiqul লিখেছেন:

আমি দুক্ষিত কথা গুলো এভাবে বলার জন্য, তবুও আমাকে বলতে হচ্ছে।

        টপিকটা ভালোই লাগলো। তবে একটা বিষয় পরিস্কার বুঝা গেলো যে, এই পৃথিবীতে এখোনো অনেক মানুষ রুপি বান্দর বেচে আছে, আমি ভেবে ছিলাম গত সুনামিতে বোধ হয় সব ধংস হইছে।

        আমি যখন ক্লাস সেভেন-এ, তখন আমাদের হেড মাস্টার আমাদের বলেছিলেন,
.... ..... ....

       যিনি এই টপিক শুরু করেছেন তার উচিত, তার উদ্দেশ্য পরিস্কার করা। এবং এ ধরনের বিতরকিত টপিকের জন্য ক্ষমা চাওয়া। আমরা কোনো দায়িত্তশীল লোকদের কাছে থেকে এ ধরনের কান্ডজ্ঞানহীন টপিক আশা করিনা।

ফোরামে সদস্য হয়েই ৩টি পোস্ট করে ব্যাখ্যা চাওয়াটা দোষের কিছু না। আমি বা অন্য যারা যেই কথা বলছেন তাঁদের জ্ঞানের এবং বুঝের স্তর থেকে বলছেন। কাজেই সবগুলোই ঠিক ... যার যার লেভেল থেকে যা দেখা যায় সেটাই আপাত সত্য।

বিনয়ের সাথে বলতে চাই, হাই স্কুলের হেডমাস্টার সব বিষয়ে জানবেন - এটা আবশ্যম্ভাবী নয়। ওভাবে তুলনা করলে বলতে চাই ... আমি নিজেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক: হেডমাস্টার সাহেব যেমন যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে হাইস্কুলের হেডমাস্টার হয়েছেন তেমনি আমিও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হয়েছি। আমিও যে সবকিছু জানবো সেটাও আবশ্যম্ভাবী নয়। আমি আমার বুঝার লেভেল থেকে বলেছি ... আপনি আপনার বুঝার লেভেল থেকে আমার বুঝাকে কান্ডজ্ঞানহীন বলেছেন ... সমস্যা নাই। সবাই সবকিছু বুঝবে এটা সম্ভবত সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্য নয়।

এবার আমার উদ্দেশ্য আপনার খাতিরে পরিষ্কার করে বলছি:
আমরা যাঁদের নেতা মেনে অন্ধের মত ভক্তি করি ... তাঁরা নির্ভুল ঈশ্বর নয় ... তাঁরাও মানুষ এবং ভুল করতে পারেন। সুতরাং তাঁদের মুখে সবসময় ঝাল না খেয়ে নিজে থেকে সত্য অনুসন্ধান করুন। -- এটা বলাই উদ্দেশ্য।

ফোরামে স্বাগতম।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৩-০২-২০০৯ ১৬:২৯)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

safiqul লিখেছেন:

টপিকটা ভালোই লাগলো। তবে একটা বিষয় পরিস্কার বুঝা গেলো যে, এই পৃথিবীতে এখোনো অনেক মানুষ রুপি বান্দর বেচে আছে, আমি ভেবে ছিলাম গত সুনামিতে বোধ হয় সব ধংস হইছে।

        আমি যখন ক্লাস সেভেন-এ, তখন আমাদের হেড মাস্টার আমাদের বলেছিলেন, তোরা জানিস, ডারউইন নামে একজন বিজ্ঞানী ছিলেন, তিনি বলেছিলেন, "মানুষ আসলে মানুষ না, মানুষ ছিলো বান্দর। যদি বিশ্বাশ না হয়, তাহলে সবাই পাছার ধারে হাত দিয়ে দেখ, মেরুদন্ডের শেষে একটু উচা উচা আছে, ওই জায়গায় লেজ ছিলো, ওই লেজ খইসা বান্দর মানুষে পরিনত হইছে।" আমরা সবাই পাছায় হাত দিলাম। তাইতো, একটু উচা উচা লাগতেছে। ছারে জিজ্ঞাসা করলো "তোরা জানিস, বড় বান্দর কে?" আমাদের একজন উত্তর দিলো, "আমরা তো সবাই ছোট, তাইলে তো ছার আপনি ই ......।" ছার কোনো রাগ করলো না, কইলো, নারে বোকার দল, ডারউইন ছিলো বড় বান্দর, আর যারা ডারউইন কে বিশ্বাশ করে তারা হইলো আর এক বান্দর।

ফোরামে স্বাগতম।

হুমমম, বিবর্তনের ফলে মানুষের প্রজাতিগত কিছু উন্নতি হয়েছে দেখছি। আমাদের এক অংক স্যার ক্লাসে সবসময় বলতেন "তোরা হগগলে গাধা, রামছাগল এক একটা!" lol

তবে ভাই চিন্তার কোন কারণ নাই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সুনামী, ক্যাট্রিনা, সিডরে ধ্বংস না হলেও অদূর ভবিষ্যতে "মানুষরূপী বান্দর"দের খবর আছে, কারণ এদের জায়গা দখল করতে আসছে...

*** বান্দররূপী মানুষ ***! lol2lol2=))

গত এপ্রিলের স্টেটসম্যানঃ Half man, half chimp

বাই দ্যা ওয়ে, আপনার পাছার যে যায়গায় একটু "উচা উচা আছে", ওই ৪-৫টি হাড্ডির অফিশিয়াল নাম কক্সিক্স (coccyx)। ওটা খসেও পড়েনি, বড়বান্দর ডারউইনের প্রপিতামহ কলাখেকো গেছো বান্দরের লেজেও যেমন ছিলো, ডারউইনেরও পশ্চাদ্দেশে ছিলো। সাইজে একটু বড় ছোট এই যা।

কিছু আগে এ্যাটাভিজমের কথা বলেছিলাম যার প্রভাবে মানুষের মধ্যে তার পূর্বপুরুষের অনেক বিদঘুটে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, এই যেমন ধরুন কোন কোন শিশু "লেজ" নিয়ে জন্ম নেয়। এই যে একটি ৬ বছরের মেয়েশিশু, বেচারির পেছনদিকে নরম কি যেন একটা বেরিয়ে থাকতো সবসময়। ডাক্তাররা স্পাইনাল এক্সরে করলেনঃ
http://www.talkorigins.org/faqs/comdesc/images/tail.jpg
দেখা গেলো, মেয়েটির C1-C3 পর্যন্ত কক্সিক্স বোনগুলো অস্বাভাবিকভাবে লম্বা ছিলো, (বেশিরভাগ মানুষেরই তা অত্যন্ত ছোট হয়ে থাকে)। যাই হোক, কসমেটিক কারণে মেয়েটির এই শারিরীক অ্যানোম্যালী পরে সার্জারীর মাধ্যমে ঠিক করা হয়েছিলো। Bar-Maor-এর রচিত এই থিসিসটি বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত মেডিক্যাল আর্কাইভ পাবমেড-এ সংরক্ষিত আছেঃ
Bar-Maor et al. 1980 ওই রিসার্চ পেপারে মেয়েটি ছাড়াও আরও ২টি অ্যাটাভিস্টিক শিশুর বিশদ বিবরণ দেয়া আছে।

মেডিকাল আর্কাইভ ঘাটলে কমপক্ষে ১০০টি রিসার্চ পেপার পাওয়া যায়, যাদের গবেষণার বিষয় ছিলো এ্যাটাভিস্টিক ইনফ্যান্ট। (Dao and Netsky 1984, Dubrow et al. 1988, Grange et al. 2001, Spiegelmann et al.)। দুনিয়ার তাবড় তাবড় জাদঁরেল বিজ্ঞানীরা মনে হয় গঞ্জিকা সেবন করে গবেষণা করেছিলেন। hmm

ও হ্যাঁ, এইপ (ape) এবং মাঙ্কী (monkey) এক প্রাণী নয়।

আমার এক শ্রদ্ধেয় সার্জন শিক্ষক (উনার মুখ খুব খারাপ ছিলো big_smile)-এর কথা মনে পড়ে গেলো। ভাইভা পরীক্ষায় চাপা মেরে গোঁজামিল উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলে স্যার আমাদের উদ্দেশ্যে বলতেন, "ঘোড়ার ছবি দেখে কেউ যদি এটাকে গাধা বলে, তাহলে সেই বলদ প্রমাণ করে দেয় সে গাধাও চেনে না, ঘোড়াও চেনেনা।" donttell

Calm... like a bomb.

১৪৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন babuks (২৪-০২-২০০৯ ১০:৫০)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

harculis লিখেছেন:
স্পাইডারম্যান লিখেছেন:

জাকির নায়েক সত্য মিথ্যা যাই বলুক বিবর্তনবাদ ভুল প্রমাণের জন্য কোরআন হাদিসের সুস্পষ্ট বর্ননা কি যথেষ্ট নয়?

বিবর্তনবাদ এখন সর্বজন স্বীকৃত । কোরআনে কি লিখা আছে, বাইবেলে কি আছে - তাতে কী আসে যায়?:-@

আপনার জানায় ভুল আছে। বিবর্তনবাদ কখনোই Theory থেকে Scientific Fact হয়নি। থিওরিকে প্রমাণ করার জন্য এতো মাথা ব্যথা কেন?

সচলায়তনের পোস্টের মতো আরো হাজার হাজার ইসলাম বিরোধী আছে যারা ইন্টারনেটে এরকম পোস্ট লিখে বেড়ায়। তাদের উত্তর দেবার জন্যও অনেক অনেক ওয়েবসাইট আছে। সচলায়তনের পোস্টটি (একচুয়ালি মূল পোস্টটি) কে সবাই সত্য বলে মেনে নিচ্ছে। তারা এটা পর্যন্ত দেখছে না সচলায়তনের পোস্টটিতে যারা জাকির নাইককে ভন্ড বলছে, তাদের কথার পেছনে জোর কতটুকু। আমি একটি ওয়েবসাইটে জাকির নাইকের বিরুদ্ধে অনেক কথা পড়েছি। সেটা ছিল জাকির নাইক ও ড. ক্যাম্পবেলের বিতর্ক নিয়ে। জাকির নাইক নাকি তাতে অনেক মিথ্যাচার করেছেন। তারপর যেসব যুক্তি দিয়েছেন তার অনেকগুলোই হাস্যকর।

ড. ক্যাম্পবেলকে খৃস্টানরা এনেছিলো জাকির নাইক এবং ইসলামকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য। চাঁদের নিজস্ব আলো নেই-এই কথাটি কোরআন থেকে প্রমাণ দিয়েছিলেন জাকির নাইক। তাকে প্রমাণ করার জন্য ড. ক্যাম্পবেল জাকির নাইকের ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। সেই ডিবেটের আগাগোড়া কোথাও এভোলুশনের কোন বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলা হয়নি। আমেরিকান খৃস্টানরা এতোই বোকা যে তারা এভোলুশনে জাকির নাইক 'মিথ্যাচার' করে 'ভুয়া' তথ্য দিয়েছেন, তা ধরতেই পারে নি। কথাটা কেমন হাস্যকর হয়ে গেলো না?

সচলায়তনের পোস্টে কিছু বিষয় হাস্যকর লাগলো। একটা শব্দ মেলাতে না পারাতে তারা নিজেরা অনেক শব্দ নিজে থেকে বানাচ্ছেন এবং তার উপর বেইজ করে জাকির নাইককে তুলোধুনো করছেন।

সেখানকার কমেন্টগুলোও 'মজার'। বোঝাই যায়, জাকির নাইকের প্রতি এক রাশ ঘৃণা নিয়ে কিছু লোকের সমাবেশ ঘটেছে সেখানে। এমনটি যখন হবে তখন সেখানে নিরপেক্ষ কিছু আশা করা বোকামি।

আইন পড়তে গিয়ে আমি একটি জিনিস ভালো করে বুঝেছি। কখনোই কোন বিষয় একতরফা শোনা যাবে না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অনেকবার দেখেছি, যে কোন ডিসিপউটে এক পক্ষকে শোনার পর অপর পক্ষ সম্পর্কে যে খারাপ ধারণা জন্মায়, দ্বিতীয় পক্ষের কথা শোনার পর আবার তা ব্যালেন্স হয়ে যায়। জাকির নাইকের কথাগুলো মিথ্যে বলার পর মনে হবে, তাই তো, লোকটা কত খারাপ! এবার মুদ্রার অপর পিঠ দেখুন। এই সাইটটিতে জাকির নাইকের নামে মিথ্যাচারকারীদের জন্য কিছু জবাব আছে:

http://www.answering-christianity.com/ac.htm

এখানে রিবাটাল সেকশনটি অবশ্যই দেখবেন।

দু'পক্ষের বক্তব্যই পড়ুন। তারপর বিচার করুন। শুধু সচলায়তনের একতরফা পোস্ট পড়েই কারো বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগবেন না।

১৪৪

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

invarbrass লিখেছেন:
google লিখেছেন:

এটি একটি চরম ফাউল টপিক
@ invarbrass
"পৃথিবী নয়, সূর্য্যই পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে" এই কথাটি কোরআনেই আছে । কি উদ্দেশে এটি বলা হয়েছে তা ঐ বই তে আছে। আর সকল নক্ষত্র ই ঘুরছে গ্লাক্সিতে।

আর তসলিমা নাসরিন কোরআন edit করতে বলে ছিল (নাউজ্জুবিলাহ) তার সাথে কি আপনারা এক মত ? যারা হাল্কা পাতলা agree করেন  তসলিমা নাসরিন সাথে তারা ******* ***** *********** ****** angry

দয়া করে ঠিক কোন সূরায় কত নং আয়াতে আছে তা জানাবেন।

তস্লিমা নাসরিন আর বিবর্তন মতবাদ কি এক হলো? এই ধরণের ফালতু প্রশ্ন না করলেই হয়।

আর এডিট করার কথাই যখন তুললেন (খুব সম্ভবতঃ এই টপিক নিয়েই রীতিমত ফ্লেইম ওয়ার শুরু হয়ে যাবে) তখন প্রশ্ন করি, আপনিই বা কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন আজকে যে কোরআন পড়ছেন, সেটা ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া মূল পরিপূর্ণ কোরআন, যার থেকে কোন আয়াতই বাদ পড়েনি? রাযম এবং রাযাইতা সম্পর্কিত আয়াত-এর বিতর্কিত ব্যাপারটি সম্পর্কে শুনেছেন কখনো? সেই ছাগলটির কান্ডকির্তী সম্পর্কে জানেন? সূরা আল-আহযাবের আয়াত সংখ্যা আসলে কত, ৭২ নাকি ৭৩টি?

আপনার জ্ঞান অর্জন কোন খাতে বইছে তা তো পরিষ্কার বুঝতে পারছি। কোরআনের বিশুদ্ধতার বিরুদ্ধে যত লেখা আছে সবই মনে হয় পড়েছেন। এখানেই তো তিনটি বলে দিলেন। উত্তর আমার কাছে আছে। কিন্তু লাভ কি? আপনি কি মানবেন? আপনি সেই কোরআন-বিরোধীদের হাবি জাবিই পড়বেন।

পৃথিবীতে হাজার হাজার হাফেজে-কুরআন ঘাস কাটছেন না। বছরের পর বছর, শতাব্দির পর শতাব্দি একই কুরআন দুনিয়ার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে একই ভাবে পঠিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের এক হাফেজ যা পড়বেন, আমেরিকা বা ইউরোপের হাফেজও তাই পড়ছেন। তাই আপনার প্রতি অনুরোধ, এসব বাদ দিন, আর ইসলাম সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করুন; ইসলাম-বিরোধী সোর্স থেকে না, ইসলামের পক্ষের সোর্স থেকে। তারপর নাহয় ইসলাম বিরোধী সোর্স থেকে জানলেন।

আর আপনার জ্ঞাতার্থে- সমগ্র গ্রহ নক্ষত্র মহাশূন্যে ঘুরছে এই আয়াতটি আপনি পাবেন সূরা ইয়াসীন-এ. সম্ভবত পড়েছেনও আয়াতটি - 'কুল্লুন ফি ফালাকিন ইয়াসবাহুন' অর্থ 'সকলেই (গ্রহ-নক্ষত্র) মহাশূন্যে ঘুরছে।'

১৪৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৪-০২-২০০৯ ১৩:৫৫)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

দূঃখিত, ভুল বললেন। এই ব্যাপারে তথ্য আপনার "ইসলাম-বিরোধী সোর্স থেকে না, ইসলামের পক্ষের সোর্স থেকে"-ই পেয়েছি। al-islam.org সহ বিভিন্ন ইসলামিক ফোরামে (ইংরেজী) দেখেছি একই টপিকে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে বহুবার। এই বিষয়ে যথাযথ ব্যাখ্যা যদি থেকে থাকে আপনার কাছে, তাহলে জানানোই সমীচীন হবে মনে করি।

Calm... like a bomb.

১৪৬

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

এই টপিকে এক দল ব্যক্তি কোরানের ভুল ধরবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। তারা যত বড় বিখ্যাত লোকই হোক না কেন। তাদের এইসব কটাক্ষ বাক্য(ইনডারেক্টলি বলা কথাগুলো-মানুষ এত বোকা না যে কি বলা হচ্ছে তা আ-কার ই-কার দেখে বুঝবেন না) এইখানে তুলার জন্য নয়। এইখানে বেশী র ভাগ সদস্যই মুসলিম আস্তে আস্তে যেই দাঁনা বাধতে শুরু করেছে তা যে কোনো সময় ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। আশা করি খ্যাতি নামা ব্যক্তিগন জাকির নায়েকের ভুল পর্যন্তই সন্তুষ্ট থাকবেন মহান আল্লাহ তায়ালার ভুল ধরার চেষ্টা এই ফোরামে করবেন না। আমার মনে হয় ব্যাপার টার ফল খুব একটা ভালো হবে না। টপিক টা বন্ধ করার অনুরোধ করছি মডুদের সবদিক বিবেচনা করে। আমার নিজের লজ্জা লাগছে প্রজন্মের মত ফোরামে ইসলাম ধর্ম বিরোধী লোক দেখে। আমি ব্লগিং করা ছেড়েছি একই কারণে কিছু লোক যারা বেশী জানত তারাই পরিবেশ নষ্ট করত। মনে হচ্ছে এই ফোরাম চিরতরে ত্যাগ করতে হবে। এর থেকে আরো বড়ো বিখ্যাত তাদের যারা নাস্তিক আছে বই পড়ি তাও অনেক কিছু জানতে পারবো। অন্তত আমাদের পবিত্র কোরান কোনো মুসলিম এর কারণে অপদস্থ হচ্ছে এইরকম পাবলিক ফোরামে এইটা মেনে নেয়া কষ্টকর। দয়া দয়া করে কেউ বলবেন না এইখানে খুব ভালো বিতর্ক হচ্ছে যার থেকে অনেক কিছু শিখা যায় বা এইখানে ধর্ম কে আঘাত করা হচ্ছে না। যারা বলবেন তাদের সংখ্যা কম কিন্তু যারা আসলেই বিশ্বাসী তারা আশা করি বুঝতে পেরেছেন কি হচ্ছে এখানে।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪৭

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

@মুজতবা,

একটু খেয়াল করলেই দেখবেন "জাকির নায়েক" এবং "ইসলাম" কিছু পোস্টে সমার্থক হিসেবে উল্লেখ হচ্ছে .... এটা খুবই মারাত্নক একটা কথা। জাকির নায়েক তো ছদ্মবেশীও হতে পারেন .... আর না হলেও ওনাকে ইসলামের ধারক-বাহক ধরে নেয়াটা খুবই মারাত্নক পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে।

মুশকিল হলো, ইসলামকে ভালবেসে কিছু ব্যক্তি আবেগে আপ্লুত হয়ে তাঁর সীমাবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে সবকিছুকে ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করেন। যেহেতু সমস্ত বিষয়ে সেই ব্যক্তির সম্যক ধারণা নাই, তাই অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাঁকে গোঁজামিল দিতে হয় (যদিও সঠিক ব্যাখ্যা দিলে ঐ গোঁজামিল ছাড়াই সব ঠিক থাকতো)। এরপর যেটা হয় সেটাকে সম্ভবত মৌলবাদ বলা হয় ..... .... ঐ গোঁজামিলওয়ালা ব্যাখ্যাকেই ডিফেন্ড করতে চেষ্টা করে ... আর যতই সেটা পারে না .. তথ্য প্রমাণ এর বিপক্ষে যেতে থাকে তখন শেষ উপায় হিসেবে ইসলাম গেল রে ... বলে শোরগোল তোলে। ঠিক একই রকম না হলেও, সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর লেখা 'লালসালু' পড়ে থাকলে এ ধরণের পরিস্থিতি অনুধাবন করতে সুবিধা হবে।

ইসলামে ভুল আছে এ পর্যন্ত কোন পোস্টে সেটা বলা হয় নি। জাকির নায়েক=ইসলাম এরকম ভাবধারার একটি পোস্টেই বরং ইসলাম কি ভুল তবে ... এরকম সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে; পোস্টকারী জাকির নায়েককে ইসলামের সমার্থক বলে গুলিয়ে ফেলেছেন ... ... ... এ ধরণের মুসলিমগণ যখন নিজেকে ইসলামের রিপ্রেজেন্টেটিভ ভাবেন তখন ব্যাপারটা অত্যন্ত দূঃখজনক হয়।

সবশেষে একটা কথা বলি .... সীমিত জ্ঞান দ্বারা ভুল/গোঁজামিল যুক্ত ব্যাখ্যা দেয়াটা যেমন একটা ভুল পথ তেমনি সেটাকে ভুল বলে ইসলাম ভুল বলাটাও একই রকম ভুল। কারণ উভয় পক্ষই সেই ভুল ব্যাখ্যা=ইসলাম ধরে কাজ করছেন। যতদিন না অহংবোধ ছেড়ে, আমিও ভুল করতে পারি -- এই রকম বিনয় আমাদের মধ্যে আসবে না ততদিন এই রকম অযথা বিরোধ চলতেই থাকবে।

এই পোস্ট আমি শুরু করেছি। তাই এটা বন্ধ করার জন্য মডারেশন ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব/বিবেচনা অন্য মডারেটরদের উপর ছেড়ে দিলাম।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪৮

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েকের মিথ্যাচার (ইসলাম বনাম বিবর্তনবাদের বিতর্কে পরিণত!)

এই টপিকে অনেকে অনেক তথ্যপূর্ণ লেখা দিয়েছেন। যার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় আছে যার সমাধান এভাবে একের পর এক যুক্তি/লেখা দিয়ে সম্ভব নয়। আমার কাছে মনে হয়েছে এই টপিকটাও তেমনই। কিন্তু কখনও কখনও কিছু সময়ে ভাল কিছু ছাড় দিতে হয় আরও ভাল কিছু পাবার জন্য। এখন ফোরামের স্বার্থে, ফোরামের সদস্যদের মাঝে আন্ত সম্পর্ক অটুট রাখার স্বার্থে এই টপিকের আলোচনা এখানেই সমাপ্তি টেনে দেয়া হল। হয়তো অনেকের আরও কিছু বলার ছিল বা উত্তর দেয়ার ইচ্ছা ছিল। আমি তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি টপিকটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য।

জোবায়ের সুমন
রক্তের গ্রুপ: B(-)