টপিকঃ হায়রে পুলিশ
নওগাঁর মান্দা থানা হাজতে আটক এক নারী মঙ্গলবার গভীর রাতে 'শ্লীলতাহানি'র শিকার হয়েছেন। তবে তার শ্বশুর অমূল্য কুমার অভিযোগ করছেন, পুত্রবধূকেࠠধর্ষণ করা হয়েছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, রাতে ঘুমিয়ে থাকার সময় শাহদৎ হোসেন নামের এক পুলিশ কনস্টেবল হাজতের গ্রিলের ফাঁক দিয়ে তার গায়ে হাত দেয়। এ ঘটনায় শাহদৎ হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
নওগাঁর সহকারী পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) সোহেল রেজা বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে টেলিফোনে জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে থানা হাজতে আটক ভার্শো গ্রামের ওই নারী ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় কনস্টেবল শাহদৎ গ্রিলের বাইরে থেকে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেয়। এতে তিনি জেগে উঠে দৌড়ে হাজত ঘরের অপর অংশে চলে যান। তার চিৎকারে অন্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
পুলিশ সুপার বলেন, "বিষয়টি জানাজানি হলে আমাকে ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্তে শ্লীলতাহানির সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর কনস্টেবল শাহদৎকে সাময়িক বরখাস্ত ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মান্দা থানার উপ-পরিদর্শক জুলফিকার আলীকে নওগাঁ পুলিশ লাইনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।"
এ ঘটনার পর শ্লীলতাহানির শিকার ওই নারী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান সোহেল রেজা। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে আর কোনো পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত ওই নারীকে আদালতের নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ওই নারীর শ্বশুর অমূল্য কুমার বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "পুত্রবধূ আমাকে বলেছে, গভীর রাতে পুলিশ তাকে থানা হাজতের বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেছে।"
নওগাঁ থানা পুলিশ জানায়, মিলন নামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে বহির্ভুত প্রেমে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারীকে এলাকাবাসী মঙ্গলবার রাতে আটক করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করে। পরদিন বিকেলে চেয়ারম্যান প্রেমিকসহ তাকে থানায় সোপর্দ করেন।
সুএ: http://www.bdnews24.com/bangla

