সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (২৬-১০-২০১০ ১১:৫০)

টপিকঃ বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

ইউএনএফপিএ এবং সরকারি পরিসংখ্যানে পার্থক্য দেড় কোটি হওয়ায় দেশের মোট জনসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর জাতিসংঘ সংস্থাটির ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, নিউ ইয়র্কে তৈরি ওই প্রতিবেদনটি তারা প্রকাশ করেছেন মাত্র।

অন্যদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপাত্ত ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিলেও সরকারি এ দপ্তরের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকারী এক সাবেক উপদেষ্টা।

গত বুধবার ইউএনএফপিএ 'বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি-২০১০' প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৪ লাখ দেখানো হয়।

তবে ২০০১ এর আদমশুমারির তথ্য হালনাগাদ করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বলছে, দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৬৬ লাখ।

তারতম্য রয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারেও। সরকারের হিসাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২৯ বলা হচ্ছে, সেখানে ইউএনএফপিএ বলছে তা ১ দশমিক ৪০।

ইউএনএফপিএ'র প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। প্রতিবেদনের তথ্য গ্রহণ বা বর্জন কোনোটিই না করে তিনি সেদিন বলেন, "দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি বড় সমস্যা, এটাই বড় কথা।"

খাদ্যমন্ত্রী না করলেও অর্থমন্ত্রী রোববার এক আলোচনা সভায় ইউএনএফপিএ'র প্রতিবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "তারা অনধিকার চর্চা করেছে। তাদের এ ধরনের অধিকার নেই। ৮/১০ বছর ধরে একটি দুষ্টচক্র এ কাজ করে চলেছে। আমরা ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করবো না।"

ইউএনএফপিএ'র প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার অনেক বেশি দেখানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি লাখে ৫৭০ জন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) তাদের প্রতিবেদনে এ সংখ্যা ৩৪৮ জন উল্লেখ করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ বুলেটিনে এ সংখ্যা বলা হয়েছে ২৯০।

তবে প্রজনন হার (টিএফআর) সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে কম দেখা গেছে ইউএনএফপিএ'র প্রতিবেদনে। এতে টিএফআর ২ দশমিক ২৫ বলা হলেও সরকারি পরিসংখ্যানে তা ২ দশমিক ০৭।

জনসংখ্যার পরিসংখ্যান নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইউএনএফপিএ'র টানাপোড়েন বেশ পুরনো। ২০০১ সালের আদমশুমারির (প্রভিশনাল) প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে। তাতে দেশের জনসংখ্যা ১৩ কোটি ৩০ হাজার বলা হয়। তবে ওই বছরের অক্টোবর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল জানায়, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৬৭ লাখ। তৎকালীন সরকারও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলো।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আদমশুমারি উইংয়ের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ সংস্থাটির তখনকার প্রতিনিধি সুনিতা মুখার্জির কাছে প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্যের উৎস জানতে চেয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছিলো।

ইউএনএফপিএ'র একজন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "প্রতি বছরই বিষয়টি নিয়ে সমস্যা হয়। আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ব্যাখ্যা পাঠাতে হয়।"

ইউএনএফপিএ'র ঢাকা কার্যালয়ের স্ট্রাটেজিক পরিচালক তৌহিদ আলম অবশ্য বলেন, "বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য নিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিপোর্টটি তৈরি করে ইউনাইটেড নেশনস ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনোমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স। সদর দপ্তর থেকে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে পাঠানোর পর আমরা কেবল পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সেই তথ্য প্রকাশ করি।"

প্রতিবেদনের তথ্যের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে না পারেননি তৌহিদ। তিনি জানান, তারাও সরকারের পরিসংখ্যানই ব্যবহার করেন।

ইউএনএফপিএ'র প্রতিবেদনের উৎস স্পষ্ট নয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক নূর-উন-নবীর কাছেও।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ঠিক কিসের ভিত্তিতে তারা এ হিসাব দিয়েছে, আমি তা বুঝতে পারছি না।"

"তবে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কিন্তু এক প্রকার স্থবিরই বলা চলে", একইসঙ্গে যোগ করেন অধ্যাপক নবী।

জনসংখ্যার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া উপাত্ত ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিলেন ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকারী উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান।

তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কাজের স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, "আমার তিন মাসের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, কাজের ক্ষেত্রে বিবিএস অনেক অদক্ষ। নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে সেখানে। ফলে তাদের পরিসংখ্যানও প্রশ্নবিদ্ধ।"

বিবিএসকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "১০ বছর পর পর আদমশুমারি হয়। সময় মতো রিপোর্ট প্রকাশ করতে না পারলে তো সঠিক হিসাব আসবে না।"

সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য মধ্যবর্তী একটি নমুনা জরিপের ওপর গুরুত্ব দেন সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক হাফিজউদ্দিন।

সূত্র : http://www.bdnews24.com/bangla/details. … ;id=139684

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ কোটির বেশী হবে সেটাতো আইডিয়া করেই বলা যায়। ইউএনএফপিএ রিপোর্টটাইতো মোটামুটি সঠিক বলে মনে হচ্ছে। তারপরও বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো, সঠিক পরিসংখ্যানটা কি আমরা জানতে পারবো না?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন imran ahmed (২৫-১০-২০১০ ২১:৪৮)

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

শান্ত বালক লিখেছেন:

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ লাখের বেশী হবে সেটাতো আইডিয়া করেই বলা যায়।

ভাই আরোও ৩০০ বছর আগেও বাংলাদেশে এই রেটের লোকসংখ্যা ছিলো কিনা কে যানে। হা হা হা

অল্প কিছু শব্দের মাধ্যমে অনেক সওয়াব পেতে হাদীস অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোই যথেষ্ট।
সুবহানাল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ।
অর্থ:-  আল্লাহু সুমহান , আল্লাহ-র জন্যই সমস্ত প্রশংসা,আল্লাহু ছাড়া কোনো ইলাহ নেই,আল্লাহ বিরাট ( মহান ) ।

imran ahmed'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রাজ হাসান (২৫-১০-২০১০ ২২:৫৪)

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

আমি কোনো জরিপ টরিপ বুঝি না.................
যেটা বুঝি সেটা হল বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ২০(বিশ) কোটির উপরে।৯৬ সালেই শুনেছি যে ১৪কোটি জনসংখ্যা,এই পনের বছরে কি পাঁচ ছয় কোটি জনসংখ্যা বারে নাই???

কে জানি বলেছিল[সঠিক মনে নাই],

এই পৃথিবীর ভিতর সবচেয়ে উর্বর মানুষ এর বাস হচ্ছে বাংলাদেশে।আর তা না হলে কি প্রতি বছর বছর ....................। angry angry angry

আমাদের দেশের সকল রাজনীতিবিদদের প্রতি আকুল আবেদনঃ- "আপনারা আপনাদের পরিবারকে যতটুকু ভালবাসেন,জনগনের টাকাকে যতটুকু ভালবাসেন তার চেয়েও কিঞ্চিত পরিমান কম হলেও এই দেশটাকে ভালবাসুন।দেশের মানুষদের ভালবাসুন।দেখবেন সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে"।

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

আগের চেয়ে অনেক পালটাইছে আগে পরিবার পরিকল্পনা ছিলনা এখন অনেকেই ২টার বেশি বাচ্চা নিবার চায় না আর তাই আগের মত জনসংখা বারে না । আমার কাছে একটা বিষয় অবাক লাগে এবং ভয়ও হয় আবাদি জমিত কোমে যাচ্চে তাহলে খামু কি? roll

Blood group = O+ 
কিভাবে ভাল হওয়া যায়?  হিংষা মানুষকে পশু বানায় , লোভ বানায় অন্ধ।
ম্যানপাওয়ার করে বিদেশে যান বৈধ ভাবে এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথে।

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

নিপু লিখেছেন:

আমার কাছে একটা বিষয় অবাক লাগে এবং ভয়ও হয় আবাদি জমিত কোমে যাচ্চে তাহলে খামু কি?

এটা নিয়ে ভয় পাবার কিছু নেই। কারণ সবাইতো ঢাকায়ই থাকে। ঢাকার বাইরে তো জনসংখ্যা কম।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

শান্ত বালক লিখেছেন:

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ লাখের বেশী হবে সেটাতো আইডিয়া করেই বলা যায়।

  surprised surprised surprised surprised surprised
হায় হায় কি কন?

নাহ! জাতি পেলাচ বাটনের ব্যাবহার ভূলে গেছে.....

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

আজ সংবাদে দেখলাম আমাদের টাকা কড়ি মন্ত্রী বলেছেন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটির একটু বেশি।
তার এই তথ্যটি কি আপনাদের ঠিক মনে হয়।

Allah is a better planner... so whenever u'r plan fails, cheer up... Allah has a better plan for you

Shahanur79'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (২৬-১০-২০১০ ১২:৩০)

Re: বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা আসলে কতো?

imran ahmed লিখেছেন:
শান্ত বালক লিখেছেন:

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ লাখের বেশী হবে সেটাতো আইডিয়া করেই বলা যায়।

ভাই আরোও ৩০০ বছর আগেও বাংলাদেশে এই রেটের লোকসংখ্যা ছিলো কিনা কে যানে। হা হা হা

আশিফ শাহো লিখেছেন:
শান্ত বালক লিখেছেন:

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ লাখের বেশী হবে সেটাতো আইডিয়া করেই বলা যায়।

  surprised surprised surprised surprised surprised
হায় হায় কি কন?

dontsee ভাই, আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত। লেখার সময় অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিলাম হয়তো তাই কোটির জায়গায় লাখ লিখে ফেলেছি  tongue । আমি এক্ষুনি এডিট করে ঠিক করে দিচ্ছি। ধন্যবাদ।