টপিকঃ Arsenic

এ দেশে তৈরি আর্সেনিক দূরীকরণ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার করেছিল হামিদুর রহমান
আপনি প্রবেশ করেন নি। দয়া করে নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করুন

এ দেশে তৈরি আর্সেনিক দূরীকরণ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার করেছিল হামিদুর রহমান
কী পদ্ধতিতে আর্সেনিক মেপেছিলো ... সেটা ঠিক হলো কি না সেটাই বা যাচাই হলো কীভাবে?
আর্সেনিক দূরীকরণ করেছিলো কীভাবে? সেটা কি আসলেই ওনার আবিষ্কার নাকি অন্য কোথাও ইতিমধ্যেই আবিষ্কৃত হয়েছে কিন্তু উপস্থিত দর্শক এবং সাংবাদিকের জানা নাই ..... .....
এসব ক্ষেত্রে স্বীকৃতি পাওয়ার স্বীকৃত উপায় হল প্রতিষ্ঠিত সায়েন্টেফিক জার্নালে এ সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশ করা।

আর্সেনিক বিষয়ে একটা ইয়াহু গ্রুপ আছে: arsenic crisis
আপনার আগের বক্তব্য বোধগম্য হয়নি।
আমি নিজেও (hussainuzzaman) আর্সেনিক দূরীকরণ পদ্ধতি নিয়ে বেশ কিছুদিন গবেষণা করেছিলাম। যেই দুটি পদ্ধতিতে ওখানে পরীক্ষা করা হয়েছিলো সেগুলো আর্সেনিক পরীক্ষা করার ফিল্ড-কিট; বিভিন্ন কারণে ওগুলোর ফলাফলের উপরে অতিমাত্রায় নির্ভর করাটা ঠিক হবে না।
কোন কোন বিশেষজ্ঞ ওখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের নাম জানা গেলে একটু ভরসা পাইতাম।
খবরটা দেখে মনে হচ্ছে, উনি একটা ফিল্টার বানিয়েছেন। ফিল্টারগুলোর সমস্যা হল, এগুলো আর্সেনিক ভালোভাবে দুর করতে পারলেও এদের ক্ষমতা সীমিত, অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি পানি এগুলো দিয়ে পরিশোধন করা যায় না; এই নির্দিষ্ট পরিমানটা নির্ভর করে পানিতে আর্সেনিক ও অন্যান্য ধাতুর ঘনত্বের উপর। ঘনত্ব বেশি হলে, বেশ দ্রুত এই ফিল্টার সম্পৃক্ত হয়ে যায়।
ফিল্টার সামগ্রীর আরেকটা সমস্যা হল সহজলভ্যতা। ওনার ঐ বস্তু পাইকারীভাবে অনেকসংখ্যক ফিল্টার বানাতে গেলে বেশি পরিমানে সস্তায় সরবরাহ করতে পারবেন বলে মনে হয় না। কারণ, হিসাব করতে হবে, ঠিক কত লিটার পানি শোধনের পর ওটার ক্ষমতা শেষ হয়ে যায় .... মোট খরচকে সেই লিটার দিয়ে ভাগ করলেই লিটারপ্রতি খরচটা জানা যাবে। যদিও এটা খুব নিখুত পদ্ধতি না, কারণ পানিতে আর্সেনিক ও অন্য ধাতুর মাত্রা অনুযায়ী এই শোধনকৃত পানির পরিমান ভিন্ন হবে।
এই ধরণের আরো কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা বের হয়ে আসতে পারে .... বিস্তারিত লিখতে হলে রাত/সপ্তাহ পার হয়ে যাবে হয়তো।
সেজন্যই, ওনার উচিত বুয়েটের কোনো বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে এটা পরীক্ষা করানো। হয়তো কোনো মাস্টার্স বা আন্ডারগ্রাজুয়েট থিসিসের ছাত্রকে দিয়ে পদ্ধতিটার উপযুক্ততা বিশদভাবে নিরীক্ষা করে উনি রিপোর্ট করতে পারেন। এটা থিসিসের বিষয় হিসেবে ঢুকিয়ে দিলে আর এজন্য কোনো আলাদা খরচ দেয়া লাগবে না। শুধু একজনের আবিষ্কার যেন অন্যজনের নামে চলে না যায় সেই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে। আমার মাস্টার্সের সুপারভাইজার প্রফেসর আশরাফ আলী স্যারকে বিষয়টা বলা যেতে পারে।
যদি ঐ ব্যক্তির যোগাযোগের ঠিকানা/ফোননং জানা যায় আমাকে জানাবেন প্লিজ। আমার নিজের গ্রামের বাড়িও কুড়িগ্রামে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (20-09-2009 23:21)

আমার আগের মন্তব্যটি এডিট করে লেখা যোগ করা হয়েছে:
আমার নিজের ল্যাবে আর্সেনিক পরীক্ষার নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নাই(ফিল্ড কিট আছে অবশ্য)। তা নাহলে আমার কয়েকজন আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্রকেই হয়তো এ বিষয়ে লাগিয়ে দিতে পারতাম।
====সংযোজন==
খবরগুলো ২০০১ সালের। এখন কী অবস্থা?
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (20-09-2009 23:26)
আপনার আগে আর্সেনিক দূরীকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন হামিদুর রহমান,.javascript:insert_text('%20:-w',%20'');
ভাই Robu,
আপনি যেহেতু আপনার পরিচয়টি এখনো আমাদের জানান নি, তাই আপনার এই পোস্টগুলো আসলে বিজ্ঞাপনের মত লাগছে, যা হামিদুর রহমানের আবিষ্কারকে মহামান্বিত করার চাইতে সস্তা করে ফেলছে বেশি।
দয়া করে পরিচয় দিন।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (21-09-2009 00:52)
আপনার আগে আর্সেনিক দূরীকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন হামিদুর রহমান,.javascript:insert_text('%20:-w',%20'');
অবশ্যই... কারণ আমি কোনো আর্সেনিক দূরীকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করিনি। আমি বিজ্ঞানী বা আবিষ্কারক নই, আমি ইঞ্জিনিয়ার। আমার কাজ ছিল/হল, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারকে মানুষের ব্যবহারোপযোগী করে তোলা।
শামীম আমি sorry.
শামীম ভাই আপনার Help me.
শামীম ভাই কি করতে পারি?আমরা বিজ্ঞানীরা যখন গ্রান্ট এর জন্য আবেদন করি, তখন আমরা এমন ভাবে আবেদনপত্র লিখি যে মনে হয় গ্রান্টটি পেলে বিজ্ঞানের জন্য খুব বড় সড় কাজ হবে। কিন্তু যার কাছে আবেদন করছি, তাঁরা সাধারণত হয় রাজনীতির লোক কিংবা এডমিনিস্ট্রেটর- তারা তো বিজ্ঞান বুঝেননা। আমি যখন তাদের বুঝাতে যাই, তখন প্রথমে ভবিষ্যতে আমাদের সামনে কি কি সমস্যা আছে তা প্রথমে উল্লেখ করি, তারপরে তা সমাধানে আমি একজন বিজ্ঞানী হয়ে কি করতে পারি, আমার উদ্ভাবিত প্রযুক্তি কিভাবে ভূমিকা রাখবে ...........


শামীম ভাই আমি ফোরামে newতাই ভুল হয়ে যায়।ভাই ফোরামে আর্সেনিক বিষয়ে কথা বলার জন্য আপনার সাহায্য প্রয়োজন।
আপনার সাহায্য প্রয়োজন।
9 minutes and 47 seconds after:
শামীম ভাই ভুল ত্রুটিকে পেছনে ফেলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।পরামর্শ কামনা করছি।

হামিদুর রহমানের আর্সেনিক দূরীকরণ ফিল্টার...
হামিদুর রহমানের আবিষ্কার কীভাবে ভুমিকা রাখতে পারে পরামর্শ কামনা করছি।
বিস্তারিতঃ
যথাবিহিত সস্মান প্রদর্শন পূর্বক নিবেদন এই যে,আমি মোঃ হামিদুর রহমান,গ্রামঃমেকুরটারি,ডাকঘর ও উপজেলাঃরাজারহাট,জেলাঃকুড়িগ্রাম।বিগত ২০০১সালের ১৭ইমে কুড়িগ্রাম জেলার প্রেসক্লাব চত্ত্বরে আমার উদ্ভাবিত পানি আর্সেনিক মুক্তকরন ফিল্টার পদ্ধিত প্রদর্শন করা্ই।এই অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলাপ্রশাসক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী ।বিশেষ অতিথি ছিলেন জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহীপ্রকৌশলী রংপুর এম এ রশিদ,কুড়িগ্রাম পৌর চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম,কেয়ার,আরডিআরএস এবং ব্র্যাকের আর্সেনিক বিশেষজ্ঞগন।সকলের সামনে আমার আবিষ্কৃত প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি থেকে আর্সেনিক দূষণ মুক্ত করে দেখাই।এর পর বিশেষজ্ঞগন নিপসন ও মার্কসের পদ্ধিতির মাধ্যমে এই পানি পরিক্ষা করে এতে আর কোন আর্সেনিক দেখতে পাননি।আর্সেনিক বিশেষজ্ঞ,প্রকৌশলী,ডাক্তার, এনজিও এবং সরকারি কর্মকর্তা,সাংবাদকি ও দর্শকমন্ডলি এই পদ্ধিতি উচ্ছসিত প্রশংসা করেন এই প্রযুক্তি যাতে জাতিয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে গৃহীত হতে পারে সে ব্যাপারে বাংলাদেশ আর্সেনিক দুরীকরন পানি সরবরাহ প্রকল্প ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ আরো পরক্ষিা-নিরীক্ষা চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রএিকায় খবর প্রকাশ করেন।অথচ ৮বছরে কোন প্রকার উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর নেয়নি।তাই আমি নিজে পদ্ধতিটার উপযুক্ততা বিশদভাবে পরক্ষিা-নিরীক্ষা গ্রান্ট এর জন্য আবেদন করি ।বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ভাল সমাধান হতে পার।এ পদ্ধতিতে পানি আর্সেনিক দূর করার জন্য এককালীন প্রাথমিক খরচ<strong>২৫০</strong><strong>টাকা</strong>।তবে প্রয়োজনীয় সমস্তকিছুই সহজলভ্য এবং পরিচলন খরচ শূন্য।আমি নিজে পারিবারিক ও পাড়া পর্যায়ে এ পদ্ধতিতে আর্সেনিক দুর করার যন্ত্র পরীক্ষামূলক কাজ করি ।এ পদ্ধতি সহজলভ্য, পাইকারীভাবে অনেকসংখ্যক ফিল্টার বানাতে গেলে বেশি পরিমানে সস্তায় সরবরাহ করা যাবে ফলে দাম দারাবে২০০টাকা।ফিল্টারের কার্যক্ষমতা অন্যান্য ফিল্টারের চেয়ে অনেক গুন বেশি।বাংলাদেশ সরকার কেন সহজলভ্য পদ্ধতির দিকে নজর দিলেন না।তা আমার জানা নাই।