জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি (পাতা ১) - সংবাদ বিশ্লেষন - দৈনন্দিন - প্রজন্ম ফোরাম
আজ ৭ চৈত্র ১৪১৬ বাংলা

আপনি প্রবেশ করেন নি। দয়া করে নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করুন


2 পাতা থেকে পাতা 1

পাতা পরের পাতা

উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ বা নিবন্ধন করতে হবে

আরএসএস

পোস্টঃ [ ১ থেকে ২০ মোট ৩০ ]

টপিকঃ জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

খবর: প্রথম আলো, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

জামায়াতের দাবি
যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাবি করেছে, তাদের নেতাদের যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে বিচারের দাবি তোলা সংবিধান ও আইনের দৃষ্টিতে আপত্তিকর। দলটি বলেছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় যুদ্ধের পরই। আর কোনো তালিকাভুক্ত যুদ্ধাপরাধী পালিয়ে থাকলে পরে তার বিচার হয়। কিন্তু যেসব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে, তাদের কারও নামে স্বাধীনতার পর কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।

গতকাল রোববার বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভায় এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, জামায়াতের কোনো নেতা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, লুটতরাজ বা অগ্নিসংযোগের মতো কোনো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিচারের আগেই জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধী বলে যে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, তা সংবিধান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতির পরিপন্থী।

জামায়াতের মতে, ‘স্বাধীনতার স্থপতি, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ সরকারের প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান নিজে যেখানে যুদ্ধাপরাধী প্রশ্নের ইতি ঘটিয়েছেন, এমনকি যেখানে দালাল আইন বাতিল হয়ে গেছে, সেখানে অযৌক্তিকভাবে বিনা প্রমাণে স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িত করে নানা রকম মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে।’
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ (বিচার) আইন অনুযায়ী বিচারের দাবিরও সমালোচনা করেছে জামায়াত। দলটি মনে করে, এই আইনের অধীনে বিচার হলে বিচারের নামে প্রহসন হবে এবং তা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মানবাধিকারবিরোধী পদক্ষেপ হবে। জামায়াতের যুক্তি, ‘বাদীপক্ষের নিযুক্ত বিচারকের আদালতে কখনো সুবিচার পাওয়ার আশা করা যায় না।’

রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে প্রস্তাবে বলা হয়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী হিসেবে এসব বাহিনী সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
যুদ্ধাপরাধ দুই পক্ষেই হতে পারে বলেও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধী তারাই, যারা যুদ্ধ করতে গিয়ে নারী, শিশু, বৃদ্ধ, অসহায় মানুষকে হত্যা তথা গণহত্যা করে এবং ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে।

প্রস্তাবে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর স্বাধীনতা-উত্তর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার ১৯৫ জনকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্ণিত করে। ’৭৩ সালের ১৭ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এদের বিচারের কথা ঘোষণা করে সরকার। এই তালিকায় কোনো বেসামরিক ব্যক্তি বা বাংলাদেশির নাম ছিল না।

এদের বিচারের জন্য সংসদে ’৭৩-এর ১৯ জুলাই আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ (বিচার) আইন ১৯৭৩ করা হয়। কিন্তু ’৭৪ সালের ৯ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা শেষে একটি চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীকে ‘ক্ষমা’ করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়। সুতরাং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ উদ্ভূত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইস্যুর ইতি ঘটে।

প্রস্তাবে দাবি করা হয়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দেয়নি কিংবা রাজনৈতিক বিরোধিতা করেছে কিংবা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগিতা করেছে কিংবা কোনো অপরাধ করেছে, তাদের বিচারের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি দালাল আইন প্রণয়ন করে। এই আইনের আওতায় লক্ষাধিক লোককে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্য থেকে ৭৫২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ‘৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দালাল আইনটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

সাধারণ ক্ষমতা বিষয়ে প্রস্তাবে বলা হয়, সাধারণ ক্ষমায় হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধকে ক্ষমা করা হয়নি। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর দালাল আইন বলবৎ থাকা অবস্থায় দুই বছর এক মাসে ওই চার অপরাধের জন্য ওই আইনে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। সম্ভবত এ কারণেই জিয়াউর রহমান আইনটি বাতিল করেন।
প্রস্তাবে বলা হয়, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ ও তার পরামর্শদাতারা এই জোট ভাঙার জন্য কৌশল হিসেবে যুদ্ধাপরাধী ইস্যুটি সামনে নিয়ে আসে। সংবাদপত্র, স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ছাড়াও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম গঠন করে কোটি কোটি টাকা খরচ করে জামায়াতের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রচার যুদ্ধ’ চালায়।

জামায়াত বলেছে, ‘যুদ্ধাপরাধী হিসেবে যারা চিহ্ণিত হয়, তাদের বিচার হয় যুদ্ধের পরই। অবশ্য কোনো তালিকাভুক্ত যুদ্ধাপরাধী পালিয়ে থাকলে যখনই সে ধরা পড়ে তখনই বিচার হয়। যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেসব চিহ্ণিত যুদ্ধাপরাধী পালিয়েছিল, পরে যখনই তারা ধরা পড়েছে, তখনই তাদের বিচার হয়েছে। এখনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তারপরও জামায়াত কেন এত বড় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে−জানতে চাইলে দলের জ্যেষ্ঠ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্বামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। আজ আর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে যাব না।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

বেইমানের দল!!~X(~X(
মিত্যাচারের একটা সীমা আছে।:-@:-@

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

ব্যাঙ্গকরে বললে বলতে হবে- ওই সময়ে দেশে সর্ব স্থানে যে হারে খুন আর ধর্ষন হয়েছে- এত নেতা কর্মী কী তাদের আছে বা ছিলো সমগ্র দেশে?
সুতরাং জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি (তাদের ভাষায়) মানা যায়।

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

Taher লিখেছেন:

ব্যাঙ্গকরে বললে বলতে হবে- ওই সময়ে দেশে সর্ব স্থানে যে হারে খুন আর ধর্ষন হয়েছে- এত নেতা কর্মী কী তাদের আছে বা ছিলো সমগ্র দেশে?
সুতরাং জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি (তাদের ভাষায়) মানা যায়।

আমার একটা প্রশ্ন আছে। জামাতের নেতা কর্মীরা এত খুন, হত্যা, ধর্ষণ করলো অথচ তাদের নামে ১৯৭১ সালের পরে কোনো মামলা হলো না, ৩৮ বছর পরে এসে মামলা হচ্চে। বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত মনে হচ্ছে। নির্বাচনে জামাতের ভরাডুবি মনে হয় এই প্রচারণার জন্যই। ১৯৯৫ সালে আওয়ামীলীগের সাথে জামাত যুগপৎ আন্দোলন করেছিল। তখন আওয়ামীলীগের কারো মনে হয় নি যে জামাতের নেতা কর্মীরা যুদ্ধপরাধী? কিংবা আওয়ামীলীগ এর আগেও ৫ বছর ক্ষমতায় ছিল তখন মনে ছিল না? আওয়ামীলীগের এটি একটি ট্রাম কার্ড ছাড়া আর কিছুই না। একটু চমক দেখানো আরকি।

আরাফাত রহমান, Web Application Developer
চি‌ৎকার করতে করতে গলাটা ফাইট্টা গেছে (প্রজন্ম ফোরামে)

আরাফাত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আরাফাত লিখেছেন:

আমার একটা প্রশ্ন আছে। জামাতের নেতা কর্মীরা এত খুন, হত্যা, ধর্ষণ করলো অথচ তাদের নামে ১৯৭১ সালের পরে কোনো মামলা হলো না, ৩৮ বছর পরে এসে মামলা হচ্চে। বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত মনে হচ্ছে। নির্বাচনে জামাতের ভরাডুবি মনে হয় এই প্রচারণার জন্যই। ১৯৯৫ সালে আওয়ামীলীগের সাথে জামাত যুগপৎ আন্দোলন করেছিল। তখন আওয়ামীলীগের কারো মনে হয় নি যে জামাতের নেতা কর্মীরা যুদ্ধপরাধী? কিংবা আওয়ামীলীগ এর আগেও ৫ বছর ক্ষমতায় ছিল তখন মনে ছিল না? আওয়ামীলীগের এটি একটি ট্রাম কার্ড ছাড়া আর কিছুই না। একটু চমক দেখানো আরকি।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে তথা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী সকল জনগণই চায়। ১৯৭১সালের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি সেটা তখনকার সময়কার রাষ্ট্রপরিচালকদের ভুল। আর মানুষ ভুল থেকেই শিক্ষা নেয়। তাই বলে এখন বিচার করা যাবে না তা তো নয়। তৎকালীন সময়ে কে বিচার শুরু করল বা কে করল না সেটা নিয়ে কাদা ছুড়াছুড়ি না করে আসল বিষয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে সকলেরই একমত হওয়া উচিত। যুদ্ধাপরাধী যুদ্ধাপরাধীই। সে যে কোন দল বা মতের হতে পারে। আওয়ামীলীগ কখনই বলেনি যে আমরা জামায়াতের বিচার চাই। সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মানেই জামায়াতের বিচার এটা ভাবা ঠিক না।

কথায় আছে "ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি কলা খাই না"। প্রেস কনফারেন্স করে জামায়াতের এই দাবী আসলে তাদের যুদ্ধাপরাধের সংশ্লিষ্টতাই প্রমাণ করে।

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি। যুদ্ধাপরাধী আর দূর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। সেটা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ বা মহাজোটকে সামনে পেয়েছে। তাই তারা জিতেছে। আওয়ামী লীগের কোন ক্রেডিট নাই এই নির্বাচনে জেতার।

মানুষ সত্যিকারভাবেই এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়। এখন আওয়ামী লীগ মাঝখানে ফায়দা লুটতে পারবে। এই আর কি!

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

স্বপ্নচারী লিখেছেন:

জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি। যুদ্ধাপরাধী আর দূর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। সেটা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ বা মহাজোটকে সামনে পেয়েছে। তাই তারা জিতেছে। আওয়ামী লীগের কোন ক্রেডিট নাই এই নির্বাচনে জেতার।

মানুষ সত্যিকারভাবেই এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়। এখন আওয়ামী লীগ মাঝখানে ফায়দা লুটতে পারবে। এই আর কি!

১.২.৩........৯৯.......১০০% টিক কথা।(y)

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

ভারতীয় এত বিশাল বাহিনী + আমাদের দেশের জনগত = কয়েক কেটি
জামায়াতের সদস্য সংখ্যা তখন কত ছিলো। যাদের অত্যাচারের কোটি কোটি মানুষ আমরা অসহায় হযে গিয়ে ছিলাম ?

CHITTAGONG (BL G A+)

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

হায়রে আমার সোনার বাংলাদেশ!!!!
এখনো দেখি কিছু কিছু মানুষ (রাজাকার সাপোর্টার:-@) স্বাধীন বাংলাকে ঘৃনা করে।~X(~X(~X(
তারা তখনও পাকিস্তানকে চেয়েছিলো।
যাক নিজে নিজে রাগ করেও লাভ নাই!!:-SS:-SS

অ:ট: আর আপনাদেরকে বলছি (রাজাকার সাপোর্টার:-@) বাংলায় কথা না বলে ঊর্দুতে কথা বলুন এবং লেখুন। কারন ঊর্দুর জন্য আপনারা বাংলাদেশের মানুষের উপর খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ কে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন।:-@:-@

১০

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আউল লিখেছেন:

ভারতীয় এত বিশাল বাহিনী + আমাদের দেশের জনগত = কয়েক কেটি
জামায়াতের সদস্য সংখ্যা তখন কত ছিলো। যাদের অত্যাচারের কোটি কোটি মানুষ আমরা অসহায় হযে গিয়ে ছিলাম ?

আপনার জানা উচিত ছিল যে, ভারতীয় বাহিনী নভেম্বর'৭১ এ মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে সম্মিলিত ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।

১১

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আউল লিখেছেন:

ভারতীয় এত বিশাল বাহিনী + আমাদের দেশের জনগত = কয়েক কেটি
জামায়াতের সদস্য সংখ্যা তখন কত ছিলো।

জানা নাই, একটু বলবেন? ভারতীয় 'বিশাল' বাহিনীর আকারটা স্পেসিফিক্যালি জানতে চাচ্ছি। তার জনগণের প্রতিরোধমূলক অস্ত্র-শস্ত্রও ব্যাপারেও একটু বিশদ জানতে চাচ্ছি। দয়া করে একটু জানান প্লিজ।

ইয়াহিয়াকে চেনেন? বলেন তো ইয়াহিয়া নিজ হাতে কয়টা বাঙালি খুন করেছে? জানেন না? উত্তর হচ্ছে একটাও না। তার নির্দেশে পাকিস্তানি পদাতিক বাহিনীর সৈন্যরা সাধারণ মানুষ খুন করেছে। এবার বলুন তো দেখি আপনি কয়টা পাকিস্তানি সৈন্যের নাম জানেন?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (17-02-2009 03:38)

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:

জানা নাই, একটু বলবেন? ভারতীয় 'বিশাল' বাহিনীর আকারটা স্পেসিফিক্যালি জানতে চাচ্ছি। তার জনগণের প্রতিরোধমূলক অস্ত্র-শস্ত্রও ব্যাপারেও একটু বিশদ জানতে চাচ্ছি। দয়া করে একটু জানান প্লিজ।

ইয়াহিয়াকে চেনেন? বলেন তো ইয়াহিয়া নিজ হাতে কয়টা বাঙালি খুন করেছে? জানেন না? উত্তর হচ্ছে একটাও না। তার নির্দেশে পাকিস্তানি পদাতিক বাহিনীর সৈন্যরা সাধারণ মানুষ খুন করেছে। এবার বলুন তো দেখি আপনি কয়টা পাকিস্তানি সৈন্যের নাম জানেন?

clapclap:clap::clap:

১৩

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:
আউল লিখেছেন:

ভারতীয় এত বিশাল বাহিনী + আমাদের দেশের জনগত = কয়েক কেটি
জামায়াতের সদস্য সংখ্যা তখন কত ছিলো।

জানা নাই, একটু বলবেন? ভারতীয় 'বিশাল' বাহিনীর আকারটা স্পেসিফিক্যালি জানতে চাচ্ছি। তার জনগণের প্রতিরোধমূলক অস্ত্র-শস্ত্রও ব্যাপারেও একটু বিশদ জানতে চাচ্ছি। দয়া করে একটু জানান প্লিজ।

ইয়াহিয়াকে চেনেন? বলেন তো ইয়াহিয়া নিজ হাতে কয়টা বাঙালি খুন করেছে? জানেন না? উত্তর হচ্ছে একটাও না। তার নির্দেশে পাকিস্তানি পদাতিক বাহিনীর সৈন্যরা সাধারণ মানুষ খুন করেছে। এবার বলুন তো দেখি আপনি কয়টা পাকিস্তানি সৈন্যের নাম জানেন?

আপনার কী মনে পড়ে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাসদ আন্দোলন করেছিলো - এবং তারা  অত্যাচারী হয়েছিলো, ভারতীয় বাহিনী দেশ ত্যাগের জন্য........................

CHITTAGONG (BL G A+)

১৪

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আউল লিখেছেন:

আপনার কী মনে পড়ে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাসদ আন্দোলন করেছিলো - এবং তারা  অত্যাচারী হয়েছিলো, ভারতীয় বাহিনী দেশ ত্যাগের জন্য........................

নাহ, এই মূহুর্তে মনে পড়ছে না। এই মুহুর্তে খালি একটাই জিনিস পড়ে পড়ছে যে, আমি কিছু প্রশ্ন করলাম আপনি যার উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

জাসদের কথা তো পড়ে, আগে ভারতীয় 'বিশাল' সেনাবাহিনী নিয়ে নিষ্পত্তি হোক, তারপর ভারতের সেনা হটাও আন্দোলনে আসি। ও ভাল কথা, সেই সাথে ভারতীয় সেনারা কোথা দিয়ে কোথায় ঢুকে কোন কোন গ্রামে-গঞ্জে "আমাদের দেশের জনগন"-কে রক্ষা করছিল সেটাও একটু বলবেন প্লিজ।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আমি জানতে চাচ্ছিলাম সেই সময়ে, সারা দেশে জামায়াতের সদস্য সংখ্যা কত ছিলো? যা দ্বারা তাদের অত্যাচারের আমরা কোটি কোটি মানুষ অসহায় হযে গিয়ে ছিলাম এই সুযোগে তারা খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেছে? আজ ২০০৯ সালেও আমি জানি এমন অনেক জেলা আছে যে খানে জামাতের কোন সংগঠনই নেই।
জামাতের এত শক্তি বা ক্ষমতা যে হে তু সেই সময়ের নির্বাচনে - তাদের দল কতটি আসন প্রয়েছিলো? কোনদল তখন ম্যাজরিটি প্রয়েছিলো?

আমি যুদ্ধঅপরাধী এবং রাজারার/আলবদর (ভারতীয় বা পাকিস্থানী) কে ঘৃনা করি। তবে প্রশ্স আসে তাদের সেই সময়ে এত অত্যাচারের রহস্য কি, শক্তি কোথায়?

CHITTAGONG (BL G A+)

১৬

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আউল লিখেছেন:

আমি জানতে চাচ্ছিলাম সেই সময়ে, সারা দেশে জামায়াতের সদস্য সংখ্যা কত ছিলো? যা দ্বারা তাদের অত্যাচারের আমরা কোটি কোটি মানুষ অসহায় হযে গিয়ে ছিলাম এই সুযোগে তারা খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেছে? আজ ২০০৯ সালেও আমি জানি এমন অনেক জেলা আছে যে খানে জামাতের কোন সংগঠনই নেই।
জামাতের এত শক্তি বা ক্ষমতা যে হে তু সেই সময়ের নির্বাচনে - তাদের দল কতটি আসন প্রয়েছিলো? কোনদল তখন ম্যাজরিটি প্রয়েছিলো?

আমি যুদ্ধঅপরাধী এবং রাজারার/আলবদর (ভারতীয় বা পাকিস্থানী) কে ঘৃনা করি। তবে প্রশ্স আসে তাদের সেই সময়ে এত অত্যাচারের রহস্য কি, শক্তি কোথায়?

আউলা দা আউলা ঝাউলা কথা বলার পুরানো অভ্যাসটা এখনো যায় নাই।আপনি কি দিয়ে লেখা শুরু করেন আবার কি দিয়ে শেষ করেন কি অর্থ বোঝাতে চান মাথায় ঢোকে না।
আপনার মত লোকজনের পাছায়বাড়ি না পড়লে সোজা হবে না। এখনো এদের সাফাই গান লজ্জা লাগেনা?:-@
বি.দ্র: আমার কথা খেপে গিয়ে নয়া বাজপাখি নিয়া আইসেন না। জামায়াত প্রীতি ছাড়েন তাইলে কপালে চুমা দিমুনে;q

১৭

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আপনাদের মত ইসলাম বিদ্বেশী ভারতিয় দালল বা দেশীয় কুত্তা গুলানের পাছায় আগে লাথি মারা উচিৎ, যারা যুক্তিতে না পেরে অসভ্য ভাষায় গালি গালাজ করে।
গালি গালাজ করছেন কেন - যদি যুক্তি থাকে যুক্তি উপস্থাপন করুন। আমি জানি আপনার মোগজে কোন যুক্তি নেই- তা আগেই ............তাই ক্ষেপে যাচ্ছেন?
আসলে আপনি ব্যাক্তিগতভাবে ইসলাম বিদ্বেশী। তাই জামাত আর ইসলামের পার্থক্য বুঝেন না। আর আমি কি এমন লিখেছি???????????????????
আমি জামাতের রাজনীতি করি না বা সমর্থন করি না- যুক্তির খাতিরে যুক্তি আসতে পারে।

CHITTAGONG (BL G A+)

১৮

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আউল লিখেছেন:

আমি জানতে চাচ্ছিলাম সেই সময়ে, সারা দেশে জামায়াতের সদস্য সংখ্যা কত ছিলো?

এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আপনাকে ইতিহাস ঘাঁটতে হবে। চায়ের দেকানে বসে গরম গরম আড্ডায় পাওয়া আধো আধো তথ্য দিয়ে কাজ হবে না। কারণ, আপনি ধরে নিচ্ছেন "১৯৭১-এ জামায়াতে ইসলামী, পাকিস্তান" নামক একখানই দল ছিল যারা রাজাকারগিরি করার সোল (sole) ডিলারশিপ পেয়েছিল। এইটা একটা ভুল ধারণা ব্রাদার। দয়া করে খোঁজখবর করে শুধরে নিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর কর্মীরা মূলত ছিল মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ, পূর্ব পাকিস্তান শান্তি ও কল্যাণ কাউন্সিল ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সদস্য। স্বাধীনতার পর কেউ বিদেশে পালিয়ে গেছে, কেউ স্বাভাবিকভাবে মরে গেছে। বাকিরা যারা ছিল, তাদের বেশিরভাগই পরে জামায়াতে ইসলামীতে গিয়ে যোগ দেয়।

জামাতের এত শক্তি বা ক্ষমতা যে হে তু সেই সময়ের নির্বাচনে - তাদের দল কতটি আসন প্রয়েছিলো? কোনদল তখন ম্যাজরিটি প্রয়েছিলো?

বাহ্, বাহ্, দারুণ একখান স্টাস্টিকস দেখাইলেন তো! '৭০ এর নির্বাচনে সামরিক সমর্থিত পিপলস পার্টি কয়টা আসন পেয়েছিল? আর পরে সামরিক অভিযান পরিচালনা করার কথা জানবার পরও গনতন্ত্রের জন্য হেঁদিয়ে বেড়ানো ভুট্টো কেন চুপ করেছিল?

১৯৭১ সালের যুদ্ধটা সামরিক যুদ্ধ ছিল। ফলে এইখানে নির্বাচনী ফলাফল প্রাসঙ্গিক নয়। আর সাধারণ জ্ঞান-বুদ্ধি বলে ওই নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিলে হয়ত যুদ্ধটা শুরু হত না।

যা দ্বারা তাদের অত্যাচারের আমরা কোটি কোটি মানুষ অসহায় হযে গিয়ে ছিলাম এই সুযোগে তারা খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেছে?

ভাইজান, একটা সিম্পল কথা কেন বুঝতেছেন না, যে এইসব লোক ছিল বাংলাদেশের ভুখন্ডে জন্মানো, এই দেশের মানুষের সাথে মিশে থাকা লোকজন। এবং এদের ব্যবহার করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। পেছনে ছিল সেনাবাহিনীর ব্যাকআপ আর রাস্তাঘাট, লোকজন ছিল পরিচিত। ভাইয়ের পিঠে ছুরি মারাটা বাইরের লেকের চেয়ে আরেক ভাইয়ের জন্য অনেক বেশি সোজা, তাই না।?

১৯৭১ এর যুদ্ধের কথা বাদ দিই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা বলি। এই যুদ্ধে সিভিলিয়ান মারা গেছে প্রায় দুই কোটি। আপনার কি ধারণা, এই দুই কোটি সিভিলিয়ান মারার জন্য পাঁচ কোটি সৈন্য দরকার ছিল?

বিশ্বযুদ্ধের কথাও বাদ দিলাম, সাম্প্রতিক দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির কথায় আসি। এক শ্রেণীর অসাধু মজুতদারের কারণে পুরো দেশের বাজারে কোন কারণ ছাড়াই দ্রব্যমূল্য হু হু করে বেড়ে গেল এবং পুরো দেশের মানুষ ভুগল। বলেন তো দেখি, এই ১৮ কোটির দেশে কি ১৮ কোটি মজুতদার ছিল? ভুগছে কিন্তু সবাই।

এইবার আসি রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে। বলা হচ্ছে অমুক রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসীদের কাছে আজ দেশের মানুষ জিম্মি। এর মানে কি? ১৮ কোটির দেশে ৩৬ কোটি সন্ত্রাসী?

বাস্তব কথায় আসি। দেখি কমনসেন্স কি বলে। মনে করুন, আপনার বাড়িতে সদস্য সংখ্যা ১০ জন। এখন আপনার বাড়ি ৩ জন লোক তিনটে বন্দুক নিয়ে হামলা করল। আপনি তঝন কি করবেন? প্রাণ ভয়ে সবাই দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করবেন? নাকি দাঁড়িয়ে বলবেন দেখ ব্যাটারা আমরা সংখ্যায় কত বেশি!

আউল ভাই, খালি তর্কের খাতিরে তর্ক না করে একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন প্লিজ। অন্য যুক্তি থাকলে দিন, দয়া করে এই মাথা গোনা যুক্তি দিয়েন না। এটা খুবই হাস্যকর যুক্তি।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (19-02-2009 15:15)

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

আজকে দেশে কয়জন মাস্তান আছে? কয়জন ক্যাডার আছে? কয়জনের হাতে অস্ত্র আছে?

সংখ্যা ছোট-বড় কোন ব্যাপার না। ক্ষমতা থাকলে যে কেউ যে কারও উপর অত্যাচার করতে পারে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে যেমন তাদের অত্যাচার শুরু হয়। বিএনপি গেলেও তাদের অত্যাচার সইতে হয়। এমন না যে, আওয়ামী লীগের সময় বিএনপি ক্যাডাররা মরে যায়, বা বিএনপির আমলে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা মরে যায়।

জামাতের ক্ষমতা তখন ছিল পাকিস্তানী আর্মি। অস্ত্র ও ক্ষমতা যার হাতে থাকে, সে যত ছোটই হোক তার বাহুবলই বেশি। এটুকু না বোঝার মত আউলা অবশ্যই নন আপনি।

২০

Re: জামায়াতের দাবি: যুদ্ধের সময় তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেনি

এক কথায় আমরা যুদ্ধঅপরাধী এবং রাজারার/আলবদরদের বিচার চাই, কিন্তু আজকের দাবি গুলি জামাতি ইসলামের বিচার চাই--এটা একটু কেমন যেন লাগে। তবে যাই হোক এবার এর একটা সমাধান হওয়া উচিত----।

Present_to_future U can find me in ur HEART  if u can change ur vission.

পোস্টঃ [ ১ থেকে ২০ মোট ৩০ ]

পাতা পরের পাতা

উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ বা নিবন্ধন করতে হবে

সম্পর্কিত বিষয়

শিরোনাম উত্তর সমূহ প্রদর্শন সর্বশেষ পোস্ট

ছড়া: যুদ্ধের কী দরকার!

লিখেছেন শামীম

  • উত্তর সমূহ
  • ১০০৪ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 16-11-2008 20:18 লিখেছেন শামীম

জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য

লিখেছেন দত্ত ( পাতাগুলি    )

  • ৪৩ উত্তর সমূহ
  • ৬৩১৯ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 25-12-2007 01:45 লিখেছেন শামীম
  • ২৩ উত্তর সমূহ
  • ৩৬৯৮ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 13-06-2008 02:11 লিখেছেন স্পাইডারম্যান
  • ৯৫ উত্তর সমূহ
  • ১২০৭৯ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 10-01-2009 09:28 লিখেছেন স্বপ্নবাজ
  • উত্তর সমূহ
  • ২১৪ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 24-12-2008 02:15 লিখেছেন harculis

X




Currently installed 10 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.




English Pad: