যুদ্ধ মানে বিধবার সাদা শাড়ী, রক্তমাখা সার্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মা, হারিয়েছে সালীনতা বোন,
তারপরও কি আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা? প্রশ্ন জাগে তখন যখন দেখি নির্যাতিত হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধারা, তারপরও সারকারে নেই কোন প্রতিবাদ। তাহলে ভাবতে পারি আমরা এখন রাজাকারদের শাষনেই আছি, আমরা এখনো পাইনি আমাদের স্বাধীনতা। তবে কি বলতে হয় ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ছিল বৃথা, রক্তে মাখা সার্ট হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মায়ের কান্না তাও ছিল এক অভিনয়। 


সেদিনের দৃশ্য (যা দেখেছিলাম পত্রিকার পাতায়) দেখে চোখের পানি আর রাখতে পারিনি।
সতরাং আসুন একসাথে প্রতিবাদ জানাই বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের ধংস করি।
অফলাইন
আলম লিখেছেন:
সুতরাং আসুন একসাথে প্রতিবাদ জানাই বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের ধংস করি।
প্রতিবাদ আপনি বা আমি জানাতে পারব শুধু। আর সেই প্রতিবাদ শুধু ইন্টারনেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কি লাভ করে? আপনি যদি দেশে বসে প্রতিবাদ করেন তাহলে ওরা আপনার ক্ষতি করবে। ওদের হাত অনেক লম্বা। কথায় আছে আইনের হাত লম্বা। আইনের হাত যদি ৪০ ফুটও হয় তাহলে রাজাকারদের হাত ৪০০০০০০০০০ ফুট। আপনি আমি শুধু বাংলাদেশের বাইরে বসেই চিল্লাইতে পারব। দেশে বসে কিছুই করতে পারব না 
কারণ যেখানে ওদের লালন পালন করা হয় সেই দেশে বসে ওদের নিশ্চয়ই বিচার করা যায় না।
দুঃখিত আমার বক্তব্যে কেউ আঘাত পেলে।
অফলাইন
সামিউল লিখেছেন:
আলম লিখেছেন:
সুতরাং আসুন একসাথে প্রতিবাদ জানাই বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের ধংস করি।
প্রতিবাদ আপনি বা আমি জানাতে পারব শুধু। আর সেই প্রতিবাদ শুধু ইন্টারনেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কি লাভ করে? আপনি যদি দেশে বসে প্রতিবাদ করেন তাহলে ওরা আপনার ক্ষতি করবে। ওদের হাত অনেক লম্বা। কথায় আছে আইনের হাত লম্বা। আইনের হাত যদি ৪০ ফুটও হয় তাহলে রাজাকারদের হাত ৪০০০০০০০০০ ফুট। আপনি আমি শুধু বাংলাদেশের বাইরে বসেই চিল্লাইতে পারব। দেশে বসে কিছুই করতে পারব না
কারণ যেখানে ওদের লালন পালন করা হয় সেই দেশে বসে ওদের নিশ্চয়ই বিচার করা যায় না।
দুঃখিত আমার বক্তব্যে কেউ আঘাত পেলে।
আপনার কথাটা বেশ সুন্দর হয়েছি। কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন যে চেষ্টা না করে যদি আমরা বলি আমি ১০০ পাবার যোগ্য, তাহলে কি হয়? ১০০ পেতে হলে কষ্ট করতে হবে। গান্ধীর একটা ঘটনা হয়েছিলো যেখানে সে বলেছিলো শান্তিতে প্রতিবাদ করবে। এবং সেটা কিভাবে করেছিলো জানলে কষ্ট পাবেন। তারা অফিসের সামনে দাড়িঁয়ে ছিলো এবং পরে ব্রিটেনের তারা তাদেরকে মারতে শুরু করে। এবং চলতে থাকে অনেক সময় ধরে কিন্তু যারা প্রতিবাদ করছিলো, তারা কিছু বলেনি। এবং পরে যেই সৈনিকরা মারছিলো, তারাই থেমে গিয়েছে।
এটার প্রধান কাজটা হচ্ছে যে আমাদের চেষ্টা করতে হবে। ভয় পেয়ে যদি আমরা রাস্তায় না যাই, তাহলে আমরা রাস্তা চিনবো কিভাবে?
অফলাইন
আলম ভাইয়ের সাথে একমত। সাথে সাথে সামিউল ভাইয়ের কথারও যুক্তি আছে। এখন আমি মনে করি এই বিশ্বে (কমপক্ষে বাংলাদেশে, এখনো বাংলাদেশ বলি, কবে জানি পিশাচেরা নামটা পাকিস্তান আবার বানায়া দেয়) পাপে-তাপে ভরে যাচ্ছে। এর থেকে মুক্তি পেতে সৎ লোকের প্রয়োজন। সেই ৭১-রে সৎ লোক ছিল বলেই পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে ৭কোটি বাঙালী মাথা ঝেড়ে উঠেছিল। আজো যদি আমরা সকলে (স্বাধীনতার স্বপক্ষীয়রা) যারা আমরা দেশের মঙ্গল চাই, আসুন যদি আমরা দল-মত-বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে রুখে দাঁড়াই, হয়ত কিছু প্রাণ ঝড়বে, কিন্তু এই প্রাণত্যাগের জন্য ত্যাগীরা নিশ্চয়ই পরপারে পুরস্কিত হবে, তাহলে যত বড় শক্তিই হোক না কেন, এই নরপিশাচদের নিধন সম্ভব। কারণ আমি বিশ্বাস করি সৎ কোন কাজে ঈশ্বর সদা সাথে থাকেন, আর আমাদের এই উদ্দেশ্য যেহেতু মহৎ তাহলে সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায়তা করবেনই এই কাজে।
ধন্যবাদ
অফলাইন
সন্যাস জীবন বেশি ভালো ভাবছি তাই সস্যাসী হবোআমরা কি সত্যিই স্বাধীন
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.প্রতিবাদ তো সব সচেতন বাংলাদেশীরা প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষাভাবে জানাছে....আর কত প্রতিবাদ করবেন...প্রতিবাদ করতে করতেই তো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানে জাতির জনক আর জিয়ার কামড়া কামড়ি.....প্রতিবাদ করতে করতেই কত কিছুই হয়ে গেল,মুক্তিযুদ্ধের দলিল পরিবর্তন হলো,রাজাকাররা পাচ বছর শাসন করে গেল.......আবশ্য সাধারণ মানুষের সাধ্যইবা কতটুকু......তারপরও আশাহত নাই........আমি আশাবাদী রাজাকারদের বিচার হবে আমার দেশ মা প্রকৃত স্বাধীনতায় স্বাধীন হবে.

অফলাইন