সেই একই কথা কাজ কাজ আর কাজআমি গত এক বছর থেকে প্রজন্ম ফোরামের প্রায় নিয়মিত সদস্য । যতগুলো বাংলা ফোরাম আছে প্রায়ই সব গুলো ফোরামের সদস্য আমি । তবে সবগুলো ফোরামের আমি নিয়মিত নয়। আমি এক কথাই বলতে পারি প্রজন্ম ফোরাম আমার কাছে থুব ভাল লাগে তাই এথানে আমার বিচরণ । তাছাড়া এথানে নিজের মায়ের ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করা যায় তাই আমার মনেই হয় না আমি প্রবাসে আছি ।
প্রজন্ম ফোরাম সম্পর্কে সবার মন্তব্য আশা করছি
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন খালেকুজজামান (১৩-০৭-২০০৮ ২৩:০০)

অফলাইন
বাংলা আমি প্রথম দেখি সামহয়্যারই এ। তো সেখানে কিছু দিন সময় দিয়েছি কিন্তু এমন প্রজন্মতে যে মজা তা আর কোথাও নাই। এখানের রুল গুলো সবসময় মেনে চলা হয় বিধায় মনে হয় এটা ভাল জনপ্রিয় হবে।
১০০ তে ১০০ দিলাম। ![]()
অফলাইন
অনেক অনেক ভাল । ১০০ মধ্যে ২০০ দিতে ইচ্ছা করে ![]()
![]()
![]()
অফলাইন
আমি ভাসবো যে জলে তোমায় ভাসাবো সে জলেমজা আছেই বলেই এখানে আছি
অফলাইন
asraful_3883 লিখেছেন:
অনেক অনেক ভাল । ১০০ মধ্যে ২০০ দিতে ইচ্ছা করে
টাট্টুহর্স লিখেছেন:
মজা আছেই বলেই এখানে আছি
সহমত 
অফলাইন
ভালোই আছি 
তবে সবগুলো ফোরামের আমি নিয়মিত নয়। আমি এক কথাই বলতে পারি প্রজন্ম ফোরাম আমার কাছে থুব ভাল লাগে তাই এথানে আমার বিচরণ
একমত ![]()
অফলাইন
রেডিও শুনছিআমি তো এমনি এমনিই মজা পাই, প্রানটা খুলে এখানে দুষ্টামী করতে পারি। 




অফলাইন
নাগবাবা একদিন মেসেঞ্জারে এসে বলল, "সারাদিন তো অনলাইনে থাকিস, এই ফোরামটা দেখ"।
আমি দেখে বললাম, "বাহ! এটা দেখি বাংলায় করা"।
"সদস্য হ! তারপরে অভ্যর্থনা কক্ষে পরিচয় দিস", বললেন নাগবাব।
আমি অবাক, "আমাকে অভ্যর্থনা দিবে নাকি? "।
এরপর হয়ে গেলাম।
তখন প্রুযুক্তি ফোরাম ছিলনা। ১/২ মাসের মধ্যেই সেটা শুরু হল। এদুটার সদস্যই শুধু।
যখন আসি এখানে তখন "লিনাক্স" আর "ওপেনসোর্স" নিয়ে বেশ কথা হত। সেগুলো দেখে নিয়মিত হয়ে পড়লাম। 
অফলাইন
রমাদান মোবারক! ফোরামের জন্মের সাথে সাথেই প্রায় সদস্য হই। (প্রথম মাসেই!)
পিএইচপি এক্সপার্টস ইয়াহু গ্রুপ থেকে জানতে পারি প্রজন্মের কথা! কিন্তু নিয়মিত হওয়া হয় নি। মাঝে মাঝে মেইলে ডাইজেস্ট গুলো পড়তাম! স্পেশাল নোটিশগুলো সবসময় পড়তাম! ![]()
তবে বাংলা প্ল্যাটফর্মে লেখার উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলাম!
আমাকে নিয়মিত করার যাবতীয় দোষ এই পোস্টটার...

এবং আরাফাত ভাইয়ার। আর এইটারও কিছুটা ।

আমার মূল্যবান সময়গুলো এখন প্রজন্ম ফোরামেই... 


অফলাইন
১০০ তে ১০০ না দিয়ে পারলাম না
বাংলাই গান গাই
বাংলাই কথা বলি
এখন বাংলাই আবার নেটে লিখি।
খুবই অসাধারন একটি সাইট
ধন্যবাদ প্রজন্ম........................................................................।।
মনের কথা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।
অফলাইন
বাংলা সাইট সম্পর্কে কমই জানতাম। প্রজন্মে আসলাম কিভাবে তা ও এক অন্য রকম কাহিনী। না কোন লম্বা গল্প বলা শুরু করব না। একবার পেপারে তিশার ওয়েব সাইটের সন্ধান পেলাম। যেটা আমাদের মনি করেছিল। ওখান থেকে কোন কোম্পানির হোস্ট করা বের করলাম। এরপর জেনেক্স এর সাইটে গেলাম। ওদের সব ক্লাইন্টের সাইট দেখতে লাগলাম। এর মধ্যে প্রজন্ম সাইটটা দেখলাম এবং দেখলাম যে একটা বাংলা ফোরাম। দেখার পর কিছু কমেন্টস পড়েই সদস্য হয়ে গেলাম। তবে এখনো আমার পরিচয় দেয়া হয়নি 


পরিচয় বিভাগে আমার কোন পরিচয় পোস্ট নাই 


। তবে আপনারা নিশ্চয়ই এখন আমাকে চিনেন
সেই থেকে শুরু। মাঝখানে ৩ মাস ছিলাম না প্রবাসে চলে আসার কারণে। তাও লগিন না করে মাঝে মাঝে ঢুকে পড়তাম। আর সামহোয়্যার বা সচলায়তন এ খুব বেশী যাই না। কারণ ওখানের পরিবেশ প্রজন্মের মত না। প্রজন্মে আমার মনের কথা ভাল করে বলতে পারি। এখানকার পরিবেশ অনেক ভাল। অনেক সমস্যার সমাধান পেয়েছি। বিশেষ করে রাজু ভাইকে অনেক জ্বালিয়েছি
আর মানচু ভাইর পিছনে তো লেগেই আছি। সময় নাই অসময় নাই সমস্যায় পড়লেই ওনাকে নক করি। আর এখানে এসে আমার অনেক অনেক বন্ধু হয়েছে এর মধ্যে যাদের নাম উল্লেখ না করলেই নয় তারা হল মনি (বর্তমানে প্রাণের দোস্ত), রবি (আমাকে সব সময় সাহায্য করে), উড়ালপঙ্খি, টক্স (নেট এ এখন কম থাকে), কাতার ভাই (নতুন বন্ধু), খাপু (নতুন বান্ধবী নাকি বন্ধু?), বাবু, স্পাউডার ম্যান (নতুন বন্ধু) আরও অনেক। সবার নাম বলে শেষ করা যাবে না। আর অন্যান্য নিয়মিত ফোরামিক রা তো আছেই। প্রজন্ম ফোরাম এগিয়ে চলুক এই প্রত্যাশা করি।
অফ.ট. লিখব না লিখব না করেও অনেক বড় কাহিনী লিখে ফেললাম। 
অফলাইন
অফিসেআমি এই ফোরামের ঠিকানা পাই google এ সার্চ করে, ঠিক মনে নাই কি সার্চ করতে যেয়ে পাই । সেই থেকে সদস্য হলাম, যদিও আমার পোষ্ট কম, কিন্তু নিয়মিত পড়ি।
আর কেমন লাগে এটা বলতে গেলে এক কথায় চমৎকার, ফোরামের স্লোগান অনুযায়ি, এখানে করতে পারি আমার মায়ের ভাষায় চিৎকার। এই ফোরামের পরিবেশ বন্ধুসুলভ, অনেক সমস্যার সমাধান আমি এই ফোরাম থেকে পেয়েছি।
ফোরামের জয়যাত্রায় নিজেকে যুক্ত করতে পেরে ধন্য, প্রজন্ম ফোরাম আরও প্রসারিত হউক এই প্রত্যাশা করি।
অনলাইন
মন বলছে সুখে আছিভাল না লাগলে কি এই কয়েক দিনে এতো পোষ্ট করতে পারি।
অফলাইন
No Status!!!!ঘটনা হইতেছে আমি সামহোয়ারে অনেক নিয়মিত ছিলাম এই সামহোয়ারের নেশা প্রজন্ম দিয়ে কেটে গেছে এখন প্রজন্ম আর প্রযুক্তি তে নিয়মিত কারণ এসব জায়গায় ফালতু জিনিস খুব কম সব গঠন মূলক আলোচনা সমালোচনা আর রুলস গুলার অনেক পছন্দের তাই আর ছাড়বো না যতদিন পারি থাকবো এখানেই ![]()
অফলাইন
পোস্ট করতে সময় না পেলেও প্রতিদিন ঢুঁ মারা না হলে পেটের ভাত হজম হয় না! 
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.ভাল লাগে তাই এখনো পুংটামি করে যাচ্ছি
ভাল লাগে তাই সাথে সাথে পোষ্টও করে যাচ্ছি,
ভাল লাগে তাই বউকেও প্রজন্মে নিয়ে আসছি
ভাল লাগে তাই সব বন্ধুদের প্রজন্মে নিয়ে আসছি.......প্রজন্ম রুলজ

অফলাইন
কলেজের ফাঁকে ফাঁকে প্রজন্মে আসা...প্রজন্মের খোঁজ পাই সম্ভবত গুগল সার্চ করে। কি কারণে পাইছিলাম তা ঠিক মনে নাই। তবে সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গত বছরের ঘটনাটাকে নিয়েই আমার প্রথম পোস্ট কারণ তখন এই ঘটনাটা ঘিরে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তার সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করতে কিছু খুঁজছিলাম। তখন সচলায়তন/সামহোয়্যারের খবর জানতাম না। এভাবেই আসা। তারপর যতটা সম্ভব চেষ্টা করেছি নিয়মিত হতে। যদিও অনেক সময় পোস্ট কম করতাম, কিন্তু ফোরামে ঢুকতাম বা না ঢুকেও পড়তাম পোস্ট। ভালো লাগে কিছু সমমনা বাঙালীর সাথে এই সাত সমুদ্র তের নদীর পাড়ে বসে বাংলায় কথা বলতে। এই আর কি!
অফলাইন
Watching "Die Hard"ভাল লাগে না। অত্যন্ত বাজে লাগে।
সে কারণেই প্রজন্মের ঠিক শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এর সাথে আটকে আছি। 
আটকে থাকার শুরুটা একবার বলেছিলাম।
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে (মানে আজাইড়া পোস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে
) নিয়মিত থেকে প্রজন্মাসক্ত হয়েছি । টাইটেলটা 'অনিয়মিতদের মধ্যে সবচেয়ে নিয়মিত' হলে বোধ হয় ঠিক হতো। 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুশাফ (১৫-০৭-২০০৮ ০০:০৫)
অফলাইন
মুশাফ লিখেছেন:
টাইটেলটা 'অনিয়মিতদের মধ্যে সবচেয়ে নিয়মিত' হলে বোধ হয় ঠিক হতো।








অফলাইন