ভাবছিকাতার ভাইয়ের জন্য পাত্রী খোঁজা- ২য় পর্ব
ঢাকায় অনেক পাত্রী দেখা হল। কিন্তু মনমত কাউকেই পাওয়া গেল না। সবদিক মিলিয়ে একটা ভাল বউ জোটানো যে কি কঠিন কাজ তা মোশাররফ ভাই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। প্রায় সব জায়গায়ই চষে বেড়িয়েছেন। কিন্তু মনের মত একজন মানুষ পেলেন না। উনি মনে মনে চিন্তিত, তাহলে কপালে কি বউ নাই।
পাত্রী দেখতে যেয়ে হাজার ধরনের অভিজ্ঞতা। কাউকে বাসায় দেখেছেন, কাউকে চাইনিজে কাউকে বা শপিং মলে। আর দেখার পর মোহরানা দিতে দিতে ক্লান্ত। সারাজীবন যা কামিয়েছেন তা হয়ত বউ খুজতে খুজতে শেষ হয়ে যাবে। বিয়ে করার আগেই এত টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে আল্লাহ মালুম বিয়ের পর বউ পালতে না কত খরচ হবে। এই ভয়ে একবার ভাবেন যে বিয়েই করবেন না। সোহেল মোহরানার ব্যাপারে একটা সূত্র দিয়েছে। পাত্রী পছন্দ হলে ২ হাজার না হলে ১ হাজার আর অ্যাপায়ন যদি খারাপ হয় তাহলে ৫০০। তাই একটু বাচা গেছে।
এমন কিছু বাদ রাখেন নাই করার। পত্রিকার বিজ্ঞাপন পর্যন্ত দেখেছেন। বিজ্ঞাপনে বেশির ভাগই ডিভোর্সী মেয়ের প্রোফাইল। অপরূপা সুন্দরী , অঢেল সম্পত্তির মালিক, বিয়ে করলে একবারে টাকাপয়সায় হাবুডাবু। মোশাররফ ভাই একবার সোহেল ভাইকে বলে ফেললেন, একটা ডিভোর্সী মেয়েই বিয়ে করি সারাজীবন বসে খেতে পারব। বয়স দেওয়া ২৫। সোহেল ভাই বললেন পাগল হয়ে গেলি নাকি। এইখানে ২৫ মানে কমপক্ষে ৩৫। পত্রিকায় একটা অবিবাহিত মেয়ের প্রোফাইল পাওয়া গেল। ৫'২" , ফর্সা, ২৩ বছর। দুই বন্ধু যোগাযোগ করে গেলেন। চাইনিজে দেখা হবে। মেয়ে দেখেই মনে হল অনেক বয়ষ্ক। ২৩ বছর কথাটা ভুয়া। সোহেল ভাই একটু পোংটামি করলেন। কথায় কথায় জিগেস করে ফেললেন এস.এস.সি কোন ইয়ার। সে তাড়াতাড়ি উত্তর দিতে গিয়ে বলে ফেলল সত্য কথা। ১৯৯৬। মোশাররফ ভাই মনে মনে বলেন, তাহলে তুমি ১১ বছরে এস.এস.সি দিয়েছ!!!
এমনকি রাস্তাঘাটে কাউকে পছন্দ হলে তার খোজ নেয়ার ব্যর্থ চেষ্টাও বাদ যায়নি। একবার তো সোহেল ভাই মাইর খাওয়ার বন্দোবসত করেছিলেন। এক ফাস্ট ফুডে দুই জন বসে আছেন। সামনে এক অপরূপা। সোহেল ভাই জিগেস করলেন কেমন রে? মোশাররফ ভাই বললেন ভালই তো। সোহেল ভাই বললেন দাড়া কথা বলে আসি। উঠে যাবেন ঠিক ঐ মুহুর্তে অপরূপার বয়ফ্রেন্ড এসে হাজির। ভাগ্য ভাল, ঐ যাত্রায় বেচে গেছেন। সোহেল ভাই কাতার ভাইকে ঝাড়ি। শা# একটা প্রেম করতে পারলি না। তাহলে এত ঝামেলা হত না। দেখছ না আমি একটা বড়লোকের মেয়েকে পটিয়ে রেখেছি। মোশাররফ ভাই বললেন, তোর গার্লফ্রেন্ড তো অনেক মোটা। সোহেল ভাই বললেন, বড়লোকের মেয়ে মোটা তো হবেই। বাপের এত টাকা ভাল মত খাবে না।
এক মাস হয়ে গেল। মোশাররফ ভাই এখন চিটাগাং-এ। পাত্রী এখনও পাওয়া গেল না। তিনি তার মাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে বিয়ে করবেন না। পাত্রী দেখা বন্ধ কর। এমন সময় ঢাকা থেকে খালা আবার ফোন করছে। একটা মেয়ে খুব পছন্দ হয়েছে। তার ননদের বোনের ননাশের মেয়ে। আত্মীয়ের মধ্যে। মোশাররফ ভাই বললেন যেতে পারবেন না। অনেক দেখেছেন এমন ভাল মেয়ে। আর না। খালা বললেন কথা দিয়ে ফেলেছি যে আগামী শু্ক্রবার তুই দেখতে যাবি। খালা বিপদে ফেলে দিলেন। খালার কথা রাখতে আবার ঢাকা যেতে হবে।
আবার সোহেল ভাইকে নিয়ে ঢাকা । দুই বন্ধু গেলেন । এবার কেন জানি প্রথম সাক্ষাতেই মেয়ে পছন্দ হয়ে গেল। মোশাররফ ভাই নিজেই অবাক। মেয়ে যে খুব আহামরি সুন্দরী তাও না। ৫'২" হবে, ফর্সা। কিন্তু চেহারাটায় এত সরলতা আগে দেখেননি। মেয়েটা একটুও প্রসাধন লাগায়নি। তারপরও খুব ভাল লাগছে। চরিত্রের শুদ্ধতাটা চেহারায় ফুটে উঠেছে। প্রথম দেখায়ই সে মন কেড়ে নিল। খুব একটা কথা বলল না। লাজুক প্রকৃতির মেয়ে। সোহেল ভাইও পছন্দ করেছেন।
মোশাররফ ভাইয়ের মা খালা সবাই এসে দেখে গেলেন। সবারই খুব পছন্দ। সবাই একমত খুব শান্ত একটা মেয়ে। সহজ সরল একটা মন। মেয়েপক্ষও চিটাগাং-এ যেয়ে মোশাররফ ভাইকে এবং তার বাড়ি ঘর দেখে এলেন। সব প্রায় ঠিকঠাক।
মেয়ের বড় বোন এবং খালা মিলে একটা বুদ্ধি করলেন। ছেলে মেয়ে যাতে একে অপরের সাথে একটু ফ্রি হতে পারে তাই তাদের একটু সাক্ষাৎ করানো প্রয়োজন। বাসায় সবাইকে জানানো হয় নাই। একটু লুকোচুড়ি ভাব আছে। মোশাররফ ভাই ও মনে মনে খুশি। মেয়েটার সাথে দুই একবার ফোনে কথা হয়েছে। খুব অল্প কথা বলেছে। ৫ টা প্রশ্ন করলে একটা উত্তর। তাই এবার সামনাসামনি আলাপ করা যাবে।
মোশাররফ ভাই, সোহেল ভাই আর খালা গেলেন। মেয়ে আসল তার বড় বোনের সাথে। চাইনিজে খাবেন দুপুরে। খাওয়া দাওয়ার পর মোশাররফ ভাই বললেন সে তার হবু স্ত্রীকে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবেন। হবু ভাবী লজ্জায় একাকার। যেতে চাচ্ছিলেন না কিছুতেই। অবশেষে রাজি হলেন। দুই জন রিক্সায় ঢাকা ভার্সিটি এলাকায়। বৃষ্টি হচ্ছে। মোশাররফ ভাই হুড লাগালেন না। দুই জনই আজ ভিজবেন। হবু ভাবী প্রথমে বেশি কথা বলতে পারছিলেন না। কিন্তু একটু পরই ফ্রি হতে পারলেন। তারপর অনেক গল্প হল। দুই জনের মনে অনেক মিল। বিধাতা বোধহয় একে অপরের জন্য তাদের বানিয়েছেন। হবু ভাবী মোশাররফ ভাইর কাছে একটা গোলাপ চাইল। শাহবাগ মোড় থেকে তিনি তাকে এক গুচ্ছ লাল গোলাপ কিনে দিলেন। হবু ভাবী খুব খুশি। মোশাররফ ভাই মনে মনে বললেন, তোমাকে আমি প্রতিদিন একটা করে গোলাপ কিনে দিব। ভাবী হয়ত তার মনের কথা শুনতে পারলেন। একটা স্মিত হাসি দিলেন। এমন করে সময় কেটে গেল একটা স্বপ্নের মত। যাওয়ার সময় দুই জনই চুপ। মোশাররফ ভাই মনে মনে শপথ করছেন, এই সহজ সরল মেয়েটাকে যে করেই হোক তিনি সুখী করবেন। আর অপর দিকে হবু ভাবীও মনে মনে এই ধরনের শপথ করলেন, এই ছেলেমানুষীভরা লোকটাকে সুখী করার আপ্রান চেষ্টা করবেন। এটাই জীবনের লক্ষ্য এবার। কেউ কারও কথা শুনলেন না। হয়ত বিধাতার কাছে স্বাক্ষী হয়ে থাকল।
বিয়ের ডেট ঠিক হয়ে গেছে। কার্ড ছাপাতে দেওয়া হয়েছে। আমরা, প্রজন্মবাসীরা অধীর আগ্রহে বসে আছি বিয়ের দাওয়াত পাব এই আশায়। ভাল মন্দ খাওয়ার একটা সুযোগ আসছে....(সমাপ্ত)
( কাতার ভাই হয়ত সম্প্রতি ডিসিশন নিয়েছেন নেক্সট ইয়ার বিয়ে করবেন। তাই আমরা প্রজন্মবাসী রা দোওয়া করি উনি যাতে উনার মনের মত একজন জীবনসঙ্গী পান। আর উনার দাম্পত্য জীবন যেন সবসময় সুখে কাটে। সবাই বলেন আমিন।)
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন প্রলয় (১০-০৭-২০০৮ ২১:৩৮)
অফলাইন
আমিন___ আমিন____আমিন


মোশা ভাবীর নামটা বলবেন না ? নামটা শুনতে যে মন আনচান কর্তেসে 

অফলাইন
পড়ছি রহস্যপত্রিকাকথায় কথায় জিগেস করে ফেললেন এস.এস.সি কোন ইয়ার। সে তাড়াতাড়ি উত্তর দিতে গিয়ে বলে ফেলল সত্য কথা। ১৯৯৬। মোশাররফ ভাই মনে মনে বলেন, তাহলে তুমি ১১ বছরে এস.এস.সি দিয়েছ!!!
ভালো বুদ্ধি তো। 


অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.প্রলয় দা বেশ চমৎকার.....ভিন্নতায় সচল গল্পের চাকা,প্রায়শঃ দৃশ্যত আরেকটা সময়ের প্রাণ..সাবাশ..বেশ ভাল হয়েছে..
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Pongta-lyricist (১০-০৭-২০০৮ ২০:৫৪)

অফলাইন
আর ভাল লাগে না!যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অনলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


যাক বাবা, অবশেষে আমার কপালে পাত্রী জুটলো




দুই জন রিক্সায় ঢাকা ভার্সিটি এলাকায়। বৃষ্টি হচ্ছে। মোশাররফ ভাই হুড লাগালেন না। দুই জনই আজ ভিজবেন। হবু ভাবী প্রথমে বেশি কথা বলতে পারছিলেন না। কিন্তু একটু পরই ফ্রি হতে পারলেন। তারপর অনেক গল্প হল। দুই জনের মনে অনেক মিল। বিধাতা বোধহয় একে অপরের জন্য তাদের বানিয়েছেন। হবু ভাবী মোশাররফ ভাইর কাছে একটা গোলাপ চাইল। শাহবাগ মোড় থেকে তিনি তাকে এক গুচ্ছ লাল গোলাপ কিনে দিলেন। হবু ভাবী খুব খুশি। মোশাররফ ভাই মনে মনে বললেন, তোমাকে আমি প্রতিদিন একটা করে গোলাপ কিনে দিব। ভাবী হয়ত তার মনের কথা শুনতে পারলেন। একটা স্মিত হাসি দিলেন। এমন করে সময় কেটে গেল একটা স্বপ্নের মত। যাওয়ার সময় দুই জনই চুপ। মোশাররফ ভাই মনে মনে শপথ করছেন, এই সহজ সরল মেয়েটাকে যে করেই হোক তিনি সুখী করবেন। আর অপর দিকে হবু ভাবীও মনে মনে এই ধরনের শপথ করলেন, এই ছেলেমানুষীভরা লোকটাকে সুখী করার আপ্রান চেষ্টা করবেন। এটাই জীবনের লক্ষ্য এবার। কেউ কারও কথা শুনলেন না। হয়ত বিধাতার কাছে স্বাক্ষী হয়ে থাকল।
প্রলু আসো ভাই কোলাকলি করি, একদম আমার মনের কথা গুলি তুমি বলে দিয়েছো।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!











অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেকাতার ভাই।ভাবির ছবি দেখান

।...
এতো ভালো মেয়ের ছবি না দেখলে কি হয় বলেন????
লেখা ভালো হইসে
অফলাইন
কাতার ভাইয়ের বিবাহোত্তর জীবনের শুভকামনা রইল। পাত্রী খোঁজা তো ভয়ানক ব্যাপার দেখা যাচ্ছে। ভাগ্যিস আগেই পিরিতি কইরা ফালাইছিলাম 
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.microqatar লিখেছেন:
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!
বিবাহ করিতে পারিবার আনন্দে এতো খুশি হইওনা প্রেম আছে কিন্তু মেয়ের রাগ কেমন তা কিন্তু প্রলয় বাবু বলেন নাই..তাই দোয়া দরুদ পড়েন.....

অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


স্বপ্নচারী লিখেছেন:
কাতার ভাইয়ের বিবাহোত্তর জীবনের শুভকামনা রইল। পাত্রী খোঁজা তো ভয়ানক ব্যাপার দেখা যাচ্ছে। ভাগ্যিস আগেই পিরিতি কইরা ফালাইছিলাম
পিরিতি অভিজ্ঞতাটা শেয়ার করা যায় না। 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (১০-০৭-২০০৮ ২২:৪১)
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


Pongta-lyricist লিখেছেন:
microqatar লিখেছেন:
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!
বিবাহ করিতে পারিবার আনন্দে এতো খুশি হইওনা প্রেম আছে কিন্তু মেয়ের রাগ কেমন তা কিন্তু প্রলয় বাবু বলেন নাই..তাই দোয়া দরুদ পড়েন.....











দোয়া.... রাব্বানা আতিনা........
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


রূপসী-রাক্ষসী লিখেছেন:
কাতার ভাই।ভাবির ছবি দেখান
।...
এতো ভালো মেয়ের ছবি না দেখলে কি হয় বলেন????
এখানে আছে দেখে নাও
এবার কেন জানি প্রথম সাক্ষাতেই মেয়ে পছন্দ হয়ে গেল। মোশাররফ ভাই নিজেই অবাক। মেয়ে যে খুব আহামরি সুন্দরী তাও না। ৫'২" হবে, ফর্সা। কিন্তু চেহারাটায় এত সরলতা আগে দেখেননি। মেয়েটা একটুও প্রসাধন লাগায়নি। তারপরও খুব ভাল লাগছে। চরিত্রের শুদ্ধতাটা চেহারায় ফুটে উঠেছে। প্রথম দেখায়ই সে মন কেড়ে নিল। খুব একটা কথা বলল না। লাজুক প্রকৃতির মেয়ে। সোহেল ভাইও পছন্দ করেছেন।





অফলাইন
কাতার ভাই শেষ পর্যন্ত আপনার বিয়ে হলো। কিন্তু আমাদের কি হইল 





প্রলয় কোন শ্যালিকার খোজঁ দাও নাই কেন 






হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!








স্বপ্নচারী লিখেছেন:
পাত্রী খোঁজা তো ভয়ানক ব্যাপার দেখা যাচ্ছে। ভাগ্যিস আগেই পিরিতি কইরা ফালাইছিলাম
পিরিতির অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন 
অফলাইন
C শিখতে হবে। সবার সাহায্যে লাগবেআমিন। শুভ বিবাহ। দাওয়াত পাওনা কিন্তু ভুইলেন না আবার।
সামিউল লিখেছেন:
কাতার ভাই শেষ পর্যন্ত আপনার বিয়ে হলো। কিন্তু আমাদের কি হইল
প্রলয় কোন শ্যালিকার খোজঁ দাও নাই কেনহাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যাক, তাহলে কাতার ভাই ও ইন্তেকাল ফরমাইতেছেন। কুলখানি'র দাওয়াত না দিলে কিন্তু খবর আছে!
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
পাত্রী খোঁজা তো ভয়ানক ব্যাপার দেখা যাচ্ছে। ভাগ্যিস আগেই পিরিতি কইরা ফালাইছিলাম
পিরিতির অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন
সামিউল ভাই আমগো কি হইবো।




অফলাইন
নীল আকাশ লিখেছেন:
সামিউল ভাই আমগো কি হইবো।
আরে পোলাপাইন কি শুরু করল। আগো আমার লগে ..... হউক। এর পর তোমাগে আমার মাইয়ার লগে টাংকি মারার সুযোগ দিমু নে।
অফলাইন
দিন গেল............কাতার ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক দোয়া।

অফলাইন
এটা কি হলো আমি কোথায়ছিলাম কাতার ভাই?
এ বিয়ে হবে না: হলেও টিকবে না;
এ বউ বদলাতে হবে;
নইলে শালিকে আমার সাথে নিকাহ্ দিতে হবে।
আর না হইলে বাংলা সিনেমার মত প্যাচ লাইগাইয়া দিমু কইল।
অফলাইন
অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
অফলাইন
আসলেই সুখ নাই............ইয়ানূর লিখেছেন:
এটা কি হলো আমি কোথায়ছিলাম কাতার ভাই?
এ বিয়ে হবে না: হলেও টিকবে না;
এ বউ বদলাতে হবে;
নইলে শালিকে আমার সাথে নিকাহ্ দিতে হবে।
আর না হইলে বাংলা সিনেমার মত প্যাচ লাইগাইয়া দিমু কইল।
















অফলাইন