পৃষ্ঠা: ১ ২
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্খা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি স্কুলগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সারাদেশে ৩৭ হাজার ৫০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য সরকারি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ইটারনেট চার্জ ৭৫ ভাগ কমানো হয়েছে ।
গ্রামের সাধারণ মানুষকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং এ থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য বিটিআরসিএ উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের প্রাইমারি স্কুলের সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা ইন্টারনেট প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে পরিচিত হতে পারবেন অতি সহজে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড অথবা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের মাধ্যমে সংযোগ নিতে পারবে।
সরকারি স্কুলগুলোতে ইন্টারনেট চার্জ ৭৫ ভাগ কামনোয় বাংলাদেশে ইনটারনেট ব্যবহার দিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার ‘বোল’-এর প্রধান নির্বাহী সামিউল ওয়াহিদ। বাংলাদেশে সাড়ে চার লাখের মতো লোক বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ।
সূত্র নয়াদিগন্ত
আমি গতকাল সংবাদটা শুনেছি। আমি বুঝতে পারছি না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেটর কারা ব্যবহার করবে। শিক্ষকরা না ছাত্রছাত্রীরা? এতে কে লাভবান হবে। এখানে বলা হয়েছে গ্রামের সাধারণ মানুষরা এতে উপকৃত হবে। আমার তা মনে হয় না।
এখন দেখার বিষয় এ ক্ষেত্রে কার পকেট ভারি হয় আর কে কত প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি হয়।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিমেহেদী আকরাম লিখেছেন:
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্খা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি স্কুলগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সারাদেশে ৩৭ হাজার ৫০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য সরকারি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ইটারনেট চার্জ ৭৫ ভাগ কমানো হয়েছে ।
গ্রামের সাধারণ মানুষকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং এ থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য বিটিআরসিএ উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের প্রাইমারি স্কুলের সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা ইন্টারনেট প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে পরিচিত হতে পারবেন অতি সহজে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড অথবা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের মাধ্যমে সংযোগ নিতে পারবে।
সরকারি স্কুলগুলোতে ইন্টারনেট চার্জ ৭৫ ভাগ কামনোয় বাংলাদেশে ইনটারনেট ব্যবহার দিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার ‘বোল’-এর প্রধান নির্বাহী সামিউল ওয়াহিদ। বাংলাদেশে সাড়ে চার লাখের মতো লোক বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ।
সূত্র নয়াদিগন্তআমি গতকাল সংবাদটা শুনেছি। আমি বুঝতে পারছি না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেটর কারা ব্যবহার করবে। শিক্ষকরা না ছাত্রছাত্রীরা? এতে কে লাভবান হবে। এখানে বলা হয়েছে গ্রামের সাধারণ মানুষরা এতে উপকৃত হবে। আমার তা মনে হয় না।
এখন দেখার বিষয় এ ক্ষেত্রে কার পকেট ভারি হয় আর কে কত প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি হয়।
সরকার অযথা এই উদ্যোগ নিচ্ছে।এতে কোন লাভ হবে না।মফস্বল এলাকায় হাইস্কুলেই তাই শিক্ষকের অভাবে কম্পিউটার প্যাক হয়ে পড়ে থাকে আর প্রাইমারী স্কুল্।
অফলাইন
স্পাইডারম্যান লিখেছেন:
সরকার অযথা এই উদ্যোগ নিচ্ছে।এতে কোন লাভ হবে না।মফস্বল এলাকায় হাইস্কুলেই তাই শিক্ষকের অভাবে কম্পিউটার প্যাক হয়ে পড়ে থাকে আর প্রাইমারী স্কুল্।
সহমত আমিও তাই দেখেছি। আসলে আমি বুঝি না স্কুলে ইন্টারনেট দিলে তো সেটা ছাত্র/ছাত্রী ব্যবহার করবে তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে এর সুফল পাবে ?
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


কার পকেট ভারী হবে, সেটা এখন না দেখে আমি এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগতম জানালাম। অন্তত প্রাইমারী লেভেল থেকেই একটা শিশু ইন্টারনেট সম্পকে জানতে পারছে, এটাই বা কম কি। ![]()
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


সামিউল লিখেছেন:
স্পাইডারম্যান লিখেছেন:
সরকার অযথা এই উদ্যোগ নিচ্ছে।এতে কোন লাভ হবে না।মফস্বল এলাকায় হাইস্কুলেই তাই শিক্ষকের অভাবে কম্পিউটার প্যাক হয়ে পড়ে থাকে আর প্রাইমারী স্কুল্।
সহমত আমিও তাই দেখেছি। আসলে আমি বুঝি না স্কুলে ইন্টারনেট দিলে তো সেটা ছাত্র/ছাত্রী ব্যবহার করবে তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে এর সুফল পাবে ?
সাধারন মানুষের বাচ্চারাই তো এসে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শিখবে, সুতরাং সাধারন মানুষের কোন প্রয়োজনে তাদের বাচ্চারা বা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকরা তাদের সহযোগিতা করতে পারবে। এতে করে কি সাধারন মানুষ সুফল পাবে না। 


অফলাইন
সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে এটাই বড় কথা। আগে তো মানুষ সেটা ও পেতোনা। সুযোগ থাকলে তার বাবহার হবেই। যদি একজন ও উপকৃত হয় তা ও ভালো। I highly appreciate this.
অফলাইন
আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই
। একটু চিন্তা করে দেখুন, এটা বাস্তবায়ন করা হলে সবারইতো লাভ। প্রশাসন থেকে শুরু করে ঠিকাদার পর্যন্ত যেমন লাভবান হবে তেমনি অন্তত দেশের ৫০% ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেট+বেসিক কম্পিউটিংটা শিখে যাবে। শুধু পোলাপাইনদেরকে ইন্টারনেট ব্যাবহার বিষয়ে একটু কন্ট্রোল করতে হবে এই যা। ঠিকমত গাইড করতে পারলে পরের প্রজন্ম কি কি করতে পারবে তা অনুমান করা কঠিন কিছু না। কারন উনারা এমনিতেই আমাদের থেকে দশ ফুট আগাইয়া চিন্তা করে
।
অফলাইন
জুয়েল লিখেছেন:
আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই
। একটু চিন্তা করে দেখুন, এটা বাস্তবায়ন করা হলে সবারইতো লাভ। প্রশাসন থেকে শুরু করে ঠিকাদার পর্যন্ত যেমন লাভবান হবে তেমনি অন্তত দেশের ৫০% ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেট+বেসিক কম্পিউটিংটা শিখে যাবে। শুধু পোলাপাইনদেরকে ইন্টারনেট ব্যাবহার বিষয়ে একটু কন্ট্রোল করতে হবে এই যা। ঠিকমত গাইড করতে পারলে পরের প্রজন্ম কি কি করতে পারবে তা অনুমান করা কঠিন কিছু না। কারন উনারা এমনিতেই আমাদের থেকে দশ ফুট আগাইয়া চিন্তা করে
।
জুয়েল ভাই ভয়টা সেখানেই। পোলাপানরা কি করে তা আপনি জানেন না। আমি নবম শ্রেণী থেকে কম্পিউটার বিষয় নিয়েছি আমি জানি। এবং পোলাপানরা যে কত ইচরে পাকা হবে তা আমার ধারণা আছে। আর পোলাপাইনগো দোস দিব কি পোলাপাইনগো আগে আমাদের স্যারেরাই তো দেখা শুরু করবে (আশা করি বুঝতে পেরেছেন)। ১০০% এর মধ্যে ৫% শিশু ভাল কাজ শিখবে বলে আমি মনে করি। তবে যদি আমাদের বর্তমান কলেজের মত সাইট বন্ধ করা যায় (আমাদের রেপি, ইউটিউব সহ আরও অনেক সাইট + এমপিথ্রি, ভিডিও ফরম্যাট) ব্লক করা যায় তাহলে সুফল কিছুটা পাওয়া যাবে। কিন্তু সমস্যা হল বাংলাদেশে সাইট ব্লক করা নিয়ম এখনো তেমন চলু হয় নাই।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???প্রায় সব কিছুরই ভাল মন্দ দিক থাকে। এক্ষেত্রে উদ্দ্যোগটা ভাল হবে বলে মনে হয় না।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


তথ্য-প্রযুক্তির এই অপেন যুগে আপনি কাউরে আটকিয়ে রাখতে পারবেন না। যাদের ইন্টারনেট নাই তার কাছ কি এই সব ( বুঝে নেন) সহজ লভ্য না। পাড়ায় পাড়ায় ভিভিওর দোকান, ১০ টাকাতেই রেইন্ট পাওয়া যায়। তাই এই চিন্তা ভাবণা না করে ভালোটা নিয়ে ভাবুন। সব চেয়ে বড় কথা হল এই সব ছেলেরা তথ্য-প্রযুক্তির ছোয়া পাচ্ছে।
তবে নিয়ন্ত্রণ করাটা ও জরুরী। ![]()
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (১৮-০৬-২০০৮ ১৫:২৩)
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
প্রায় সব কিছুরই ভাল মন্দ দিক থাকে। এক্ষেত্রে উদ্দ্যোগটা ভাল হবে বলে মনে হয় না।
ভাল না হওয়ার কারণ গুলো কি কি , একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
অফলাইন
একে বলে গাছে না উঠতেই এক কাদি।
কম্পিউটার সম্মন্ধে জ্ঞান নাই, কম্পিউটার দেখে নাই, ধরে নাই, তার জন্য ইন্টারনেট!
গ্রাম এলাকায় তো শিক্ষকরাই কম্পিউটারে অজ্ঞ (কমপক্ষে ৯৮%) । ছাত্রদের শিখাবে কি?
তারা তো বলবে "এই, এটা ধরে না। ধরলে নষ্ট হয়ে যাবে"।
যে সব শিক্ষকরা কিছুটা জানে তারা ইন্টারনেটে পর্ণো ছাড়া আর কিছু দেখবে বলে মনে হয় না। ইউটিউব, রেপি অনেক পরে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শিপলু (১৮-০৬-২০০৮ ১৫:২৮)
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


শিপলু লিখেছেন:
একে বলে গাছে না উঠতেই এক কাদি।
কম্পিউটার সম্মন্ধে জ্ঞান নাই, কম্পিউটার দেখে নাই, ধরে নাই, তার জন্য ইন্টারনেট!
গ্রাম এলাকায় তো শিক্ষকরাই কম্পিউটারে অজ্ঞ (কমপক্ষে ৯৮%) । ছাত্রদের শিখাবে কি?
তারা তো বলবে "এই, এটা ধরে না। ধরলে নষ্ট হয়ে যাবে"।
যে সব শিক্ষকরা কিছুটা জানে তারা ইন্টারনেটে পর্ণো ছাড়া আর কিছু দেখবে বলে মনে হয় না। ইউটিউব, রেপি অনেক পরে।
তাই বলে এদের জন্য অবকাঠামোর সে সুযোগ তৈরি হচ্ছে সেটা বন্ধ হয়ে যাবে, তাছাড়া তাদের কাছে কম্পিউটার নেই বলেই তো তারা এই সম্পর্কে অজ্ঞ, এখন যেটা আমার কাছে নাই সেটার ব্যবহার আমি কি করে জানবো। ইন্টারনেট বদৌলতে তাদের কাছে কম্পিউটারও আসবে। যে কোন জিনিস হাতের কাছে এলেই তা ধীরে ধীরে মানুষের আয়াত্বে চলে আসে।
অফলাইন
শিপলু লিখেছেন:
একে বলে গাছে না উঠতেই এক কাদি।
কম্পিউটার সম্মন্ধে জ্ঞান নাই, কম্পিউটার দেখে নাই, ধরে নাই, তার জন্য ইন্টারনেট!
গ্রাম এলাকায় তো শিক্ষকরাই কম্পিউটারে অজ্ঞ (কমপক্ষে ৯৮%) । ছাত্রদের শিখাবে কি?
তারা তো বলবে "এই, এটা ধরে না। ধরলে নষ্ট হয়ে যাবে"।
যে সব শিক্ষকরা কিছুটা জানে তারা ইন্টারনেটে পর্ণো ছাড়া আর কিছু দেখবে বলে মনে হয় না। ইউটিউব, রেপি অনেক পরে।
সহমত ১০০%। আমার স্কুলের স্যারেরা আমাদের ধরতে দিতেন না। পরে কিভাবে কিভাবে যেন জেনেছিল আমার বাসায় কম্পিউটার আছে পরে আমাকে ধরতে দিত এবং আশ্চর্য হতাম যখন দেখতাম তারা তেমন কিছু জানে না। এমনকি কম্পিউটার রুমে স্যার থাকলে আমি যকন খুশি যেতে পারতাম। স্যার বলতেন তাকে শিখাতে। অবশ্য ঐ স্যার কিছুদিনের মধ্যেই বদরি হয়ে একজন জাদরেল স্যার এসে আমার সেই সুযোগ নষ্ট করে দিছে। এই ফাকে ক্লাশ ফাঁকি দিতে পারতাম স্যারের কথা বলে 

।
এবার আসি গ্রামের স্কুলের দিকে। আপনারা হয়ত জানেন যে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর গ্রামে ওনার নামকরণে একটি স্কুল আছে। সেই স্কুলের কম্পিউটার রুম (হাই স্কুল) এ কেউ জায় না কারণ কেউ জানে না এবং সরকার কোন স্যারও নিয়োগ দেননি। তাই আমার মত হল ইন্টারনেটের আগে সব স্কুলে স্যারদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা। এরপর ইন্টারনেট সম্পর্কে জানিয়ে ইন্টারনেট দেওয়া।
অফলাইন
ভবঘুরে জীবন বেশি ভালো ভাবছি তাই সন্যাসী হবোশিপলু লিখেছেন:
একে বলে গাছে না উঠতেই এক কাদি।
কম্পিউটার সম্মন্ধে জ্ঞান নাই, কম্পিউটার দেখে নাই, ধরে নাই, তার জন্য ইন্টারনেট!
গ্রাম এলাকায় তো শিক্ষকরাই কম্পিউটারে অজ্ঞ (কমপক্ষে ৯৮%) । ছাত্রদের শিখাবে কি?
তারা তো বলবে "এই, এটা ধরে না। ধরলে নষ্ট হয়ে যাবে"।
যে সব শিক্ষকরা কিছুটা জানে তারা ইন্টারনেটে পর্ণো ছাড়া আর কিছু দেখবে বলে মনে হয় না। ইউটিউব, রেপি অনেক পরে।
সহমত
অফলাইন
অনেকগুলো মন্তব্য পড়লাম। আমি বলব, ভালো-খারাপ তো সবকিছুরই থাকে, তাই বলে তো যারা ভালো করবে তাদের সেই ভালো করা থেকে বঞ্চিত করা ঠিক না। আর যারা খারাপ করবে তারা সারা জীবনই খারাপে ওস্তাদ। তাদের রোধ করতে গেলে কিছু কিছু সাইট ব্লক করা উচিত, যেমন বহির্বিশ্বের দেশগুলোতে আছে। আসলে এসবের আগে ট্রেনিং-এর একটা ব্যাপারও আছে যেটা নিশ্চিত করা উচিত সরকারের, কিছু অভিজ্ঞ স্যারদের। আমি জানি আমার কাজিন ভাই-বোনরা যারা কুমিল্লায় আছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ কম্পিউটার কিনেছে, ইন্টারনেটও নিয়েছে। কিন্তু যখন তাদের বড় বোন ঢাকা থেকে যায় তখনই তারা সেটা ব্যবহার করে, নতুবা নয়, হয়তবা ভয় পায় যদি নষ্ট হয়ে যায়, গেলও তো মেশিনটা। তাদের ক্ষেত্রে এটা হয়তবা যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিসামিউল লিখেছেন:
শিপলু লিখেছেন:
একে বলে গাছে না উঠতেই এক কাদি।
কম্পিউটার সম্মন্ধে জ্ঞান নাই, কম্পিউটার দেখে নাই, ধরে নাই, তার জন্য ইন্টারনেট!
গ্রাম এলাকায় তো শিক্ষকরাই কম্পিউটারে অজ্ঞ (কমপক্ষে ৯৮%) । ছাত্রদের শিখাবে কি?
তারা তো বলবে "এই, এটা ধরে না। ধরলে নষ্ট হয়ে যাবে"।
যে সব শিক্ষকরা কিছুটা জানে তারা ইন্টারনেটে পর্ণো ছাড়া আর কিছু দেখবে বলে মনে হয় না। ইউটিউব, রেপি অনেক পরে।সহমত ১০০%। আমার স্কুলের স্যারেরা আমাদের ধরতে দিতেন না। পরে কিভাবে কিভাবে যেন জেনেছিল আমার বাসায় কম্পিউটার আছে পরে আমাকে ধরতে দিত এবং আশ্চর্য হতাম যখন দেখতাম তারা তেমন কিছু জানে না। এমনকি কম্পিউটার রুমে স্যার থাকলে আমি যকন খুশি যেতে পারতাম। স্যার বলতেন তাকে শিখাতে। অবশ্য ঐ স্যার কিছুদিনের মধ্যেই বদরি হয়ে একজন জাদরেল স্যার এসে আমার সেই সুযোগ নষ্ট করে দিছে। এই ফাকে ক্লাশ ফাঁকি দিতে পারতাম স্যারের কথা বলে
।
এবার আসি গ্রামের স্কুলের দিকে। আপনারা হয়ত জানেন যে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর গ্রামে ওনার নামকরণে একটি স্কুল আছে। সেই স্কুলের কম্পিউটার রুম (হাই স্কুল) এ কেউ জায় না কারণ কেউ জানে না এবং সরকার কোন স্যারও নিয়োগ দেননি। তাই আমার মত হল ইন্টারনেটের আগে সব স্কুলে স্যারদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা। এরপর ইন্টারনেট সম্পর্কে জানিয়ে ইন্টারনেট দেওয়া।
আমার স্কুলের কম্পিউটার রুমের চাবিই তো আমার কাছে থাকত।স্কুলের কোন কিছু টাইপিং এর দরকার হলে আমাকে প্রায়ই করতে হত।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিদত্ত লিখেছেন:
অনেকগুলো মন্তব্য পড়লাম। আমি বলব, ভালো-খারাপ তো সবকিছুরই থাকে, তাই বলে তো যারা ভালো করবে তাদের সেই ভালো করা থেকে বঞ্চিত করা ঠিক না। আর যারা খারাপ করবে তারা সারা জীবনই খারাপে ওস্তাদ। তাদের রোধ করতে গেলে কিছু কিছু সাইট ব্লক করা উচিত, যেমন বহির্বিশ্বের দেশগুলোতে আছে। আসলে এসবের আগে ট্রেনিং-এর একটা ব্যাপারও আছে যেটা নিশ্চিত করা উচিত সরকারের, কিছু অভিজ্ঞ স্যারদের। আমি জানি আমার কাজিন ভাই-বোনরা যারা কুমিল্লায় আছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ কম্পিউটার কিনেছে, ইন্টারনেটও নিয়েছে। কিন্তু যখন তাদের বড় বোন ঢাকা থেকে যায় তখনই তারা সেটা ব্যবহার করে, নতুবা নয়, হয়তবা ভয় পায় যদি নষ্ট হয়ে যায়, গেলও তো মেশিনটা। তাদের ক্ষেত্রে এটা হয়তবা যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।
আমরাও চাই আগ্রহীরা সুযোগ পাক।কিন্তু গুটি কয়েকজন আগ্রহীর জন্য দেশের কোটি কোটি টাকা লুটেরাদের হাতে চলে যাক সেটাতো আমরা বরদাশত করতে পারি না।
এই প্রজেক্টেও দেখবেন অন্য সব প্রজেক্টের মত কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ হবে।
অফলাইন
স্পাইডারম্যান লিখেছেন:
আমরাও চাই আগ্রহীরা সুযোগ পাক।কিন্তু গুটি কয়েকজন আগ্রহীর জন্য দেশের কোটি কোটি টাকা লুটেরাদের হাতে চলে যাক সেটাতো আমরা বরদাশত করতে পারি না।
এই প্রজেক্টেও দেখবেন অন্য সব প্রজেক্টের মত কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ হবে।
তাহলে তো সেটা কর্তা ব্যক্তিদের দোষ। পোলাপানদের তো দোষ না। কর্তারা নিজেরা শুদ্ধ হয়ে নিক তবেই মনে হয় এই উদ্যোগ সফল হবে।
অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! এখানে কাজের কাজ কিছু হবে না আসলে প্রাইমারী স্কুলের কয়টাতে কম্পিউটার আছে?? বলতে গেলে নাইই কোথাও সুতরাং যারা উদ্যোগ নিবে তারাই পকেট ভারী করে বসে থাকবে 
অনলাইন
পৃষ্ঠা: ১ ২