তাদের আমি পিট্টি দিবফোরামে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লেখায় বিভিন্ন সদস্য বিভিন্ন আঙ্গিকে তাদের ছোটাবেলার গল্প শেয়ার করেছে! শিশুবেলার অনেক অ-নে-ক টুকরো স্মৃতি যেমন একলা সময়ে হঠাৎ হঠাৎ মুখে এক টুকরো হাসি এনে দেয়, তেমনি অন্যদের জন্যও অদ্ভুত, মজাদার কিছু গল্প হয়ে যায়।
চলেন না শেয়ার করি ছোটবেলার টুকরো কিছু মধুর স্মৃতিকে!
কেউ চাইলে সাথে ছোটবেলার দুই - একটা ছবিও শেয়ার করুন না গল্পের সাথে! 
ফোরামের বিভিন্ন সময়ে লেখা কয়েকজনের ছোটবেলার কাহিনীর কিছু লিংক দিলাম। পড়তে মজাই লাগে কিন্তু! 
কোডার ভাই 
রুমন ভাই 
তাহলে শুরু করা যাক? 


অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবঅনেক অনেক টুকরো কিছু মধুর স্মৃতি মাথায় চলে আসছে!!
গল্পগুলো পরেই নাহয় লিখি, আমার জীবনের সবচে' প্রথম ছড়াটাই তুলে দেই এখানে এই চান্সে!
ক্লাস থ্রী বা ফোরে থাকতে লেখা! 
পঁচা মুন কচা কুন
খায় দায় না
তাই তার মা বলে
পঁচা মুন ভালো না। 
খায় না দায় না
সারাদিন পঁচা থাকে,
আইসক্রীম খাবে বলে
জ্বালায় সে তার মাকে।
চাইনিজ পেলে মুন
আর কিছু চায় না,
পড়াশুনা করে না সে
স্কুলে যায় না।
তাই মা রাগ করে
কোন কিছু রাঁধে না।
মুন খায় দুধ-ভাত
আর কিছু খায় না।
আমার বরাবরই চাইনীজ সবচে অপছন্দের একটা খাবার। পিসকি বেলায় কি ভাবে যে এরকম একটা ছড়া লিখেছিলাম কে জানে। আর হ্যা, ছন্দে আম্মু আর ভাইয়ার কিছুটা হস্তক্ষেপ ছিল। তাই একদম অরিজিনালটা দিতে পারলাম না।
তবে লেখাটা অরিজিনাল 


অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...আমার একটা ছড়া মনে পড়ে, এটা ৪ লাইনের না ২ লাইনের হবে আমি বলতে পারব না, আমি ৪ লাইনেই লিখলামঃ
শান্তশিষ্ঠ
লেজবিশিষ্ট,
লেজের আগায়
অবশিষ্ট।
ছোট বেলায় এই ছড়াটা বলে আমার বড়ড়া আমাকে ক্ষেপাতো, আর আমিও ক্ষেপতাম। কারন আমার ডাকনাম শান্ত এই জন্য মনে হয়
। এখন অবশ্য আর ক্কেপি না।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নবাজ (২৯-০৫-২০০৮ ১১:৪৯)
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


বেলা শুরু গল্প
আছে মনে অল্প
এসব এখন আবছা
সৃম্তি গুলিও ঝাপসা
আজ তবে তুলে রাখি
আগামীর জন্য খাকলো বাকি

অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেনিজেরটা ঠিক মনে পড়ছে না!!!
কিন্তু এই মুহূর্তে এক জনের ছেলেবেলায় লিখা একটা কবিতা মনে পড়ছে --
রবিন হুড
তার সুড (should)


জনগনের সেবা করা 



অফলাইন
ছোটভাইয়ের সাথে যৌথোদ্দোগে লিখিত ছড়াখানা এরকম...
এক বলে ছয়রান
না করিতে পারলে মোদের যাবে যে সম্মান..
কি করি কি করি
তীরে এসে এবার বুঝি ডুবলো আশার তরী
বোলিঙে এমদাদ
.....
মনেন্নায়্যিয়ার.....
তবে এটার পরিমারজিত ও সম্পাদিত ভারসনটা আছে..
আপনাদের মতন তুখোড় স্মৃতিশক্তি আমার নাইক্কা...
তাই
রবিন হুড
তার সুড
টাইপের কিছু
খুজে পাওয়া গেলোনা.......
অনলাইন
শান্তিস্বপ্নবাজ লিখেছেন:
আমার একটা ছড়া মনে পড়ে, এটা ৪ লাইনের না ২ লাইনের হবে আমি বলতে পারব না, আমি ৪ লাইনেই লিখলামঃ
শান্তশিষ্ঠ
লেজবিশিষ্ট,
লেজের আগায়
অবশিষ্ট।
ছোট বেলায় এই ছড়াটা বলে আমার বড়ড়া আমাকে ক্ষেপাতো, আর আমিও ক্ষেপতাম। কারন আমার ডাকনাম শান্ত এই জন্য মনে হয়। এখন অবশ্য আর ক্কেপি না।
ভাল বুদ্ধি । যেন কেউ না ডাকে এখানে ।

অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবআমি কি সবার কাছে ছোটবেলায় জীবনের লেখা/পড়া প্রথম ছড়া কবিতা জানতে চেয়েছি!!! 
এটা ছড়া/ কবিতা বিভাগ না কিন্তু!

আমার ছোটবেলার আরেকটা গল্প শেয়ার করি!
ক্লাস ফাইভ কি সিক্সে পড়তাম তখন! কথার মধ্যে ইয়ে বলার স্বভাবটা বড্ড বেড়ে গিয়েছিল আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে! মেঝ ভাই একদিন বলল "চল্ একটা খেলা খেলি। 'ইয়ে' না বলে কে কতক্ষণ কথা বলতে পারে!
"
প্রথমে ভাইয়া শুরু করল! ২ কি ৩টা বাক্য বলতে না বলতে ইয়ে...
আমি তো মহাখুশী। আমি তো নি:সন্দেহে ২, ৩টার বেশিই বাক্য বলতে পারব! অতিরিক্ত শতর্কতা হিসেবে, মনে মনে আগে ৫ ৬ লাইন বানিয়ে নিলাম, এটা বলব, তারপর এটা বলব, তারপর সেটা...
ওদিকে বোর হচ্ছে বাকি খেলোয়াররা! 
তাগাদা দিল, "কই বল!"
আমি তাড়াতাড়ি করে বলতে গিয়ে মুখ ফসকে বলে ফেললাম ইয়ে!
:-#
আমি তো সবার ছোট, ঘ্যান ঘ্যান করতে লাগলাম, না না হয় নি, ওরা আমাকে তাড়া দেওয়াতে ভুল হইছে, হেন হইছে, তেন হইছে, আলু হইছে, বেগুন হইছে ...
আমাকে আরেকবার সুযোগ দিতে হবে!!!
যাক! দেওয়া হল সুযোগ!! আমি এবার আরও সিরিকাস!! কোনও ভাবেই ভুল করা চলবে না! আগের চেয়ে আরও বেশি সময় নিয়ে, আরও বেশি ভাব নিয়ে বললাম...
ইয়ে!
লজ্জা পেয়ে গেলাম! বার বার তিন বার, এবার আর আমাকে আকুতি করতে হইল না, এমনিই সুযোগ দেওয়া হল, ইয়ে ছাড়া কথা বলার জন্য!
বলাই বাহুল্য, আগের চেয়ে বেশি প্র্যাকটিস করেও আমার মুখ দিয়ে তৃতীয়বারও খালি ইয়ে ছাড়া আর কিছু বের হল না!

ততক্ষণে হাসির রোল পড়ে খেলা ওখানেই সাঙ্গ!!!



অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআমার ছোট বেলার একটা ঘটনা এতো হাসির...


















ঘটনা এক্সাম এর পর বলবো...এখন আপনারা হেসে নিন...
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???আমাদের গ্রামে সালাম নামে একজন ব্যক্তি ছিলো (এখনো আছে), সম্পর্কের চাচা হয়।
ছোট বেলায় কাউকে সচারচর সালাম দেওয়ার অভ্যাস না থাকলের একদিন সালাম চাচা কে সালাম দিলাম। বেচারা মনে হয় মাইন্ড খাইলো এবং বাসায় এসে নালিশ করে গেল (ইত্যাদি ইত্যাদি)।
সন্ধায় আব্বা বাসায় এসে শুনলো এবং যথারীতি.................
আসলে আব্বা আম্মার পিটুনিতে অভ্যস্থ হয়ে পরেছিলাম।
অনলাইন
পালানোর স্বভাব সেই পিচ্চি কালথেকে.... ৩ বছর বয়সে আমাকে প্রথম খুজে পায় না,
প্রথম বার খুজে বের করেছে এক নারকেলের দোকান থেকে হাজারীবাগের..
দ্বিতীয়বার বয়সটা মনে নেই..তবে পিচ্চিই ছিলাম, হাজারীবাগ থেকে কেরানীগঞ্জ নানী বাড়ী একা চলে গিয়েছিলাম,
কাউকে না জানিয়েই...তৃতীয়বার নানীদের বাসা থেকে হাজারীবাগ চলে আসা...ওই একি পদ্ধতি...
চতুর্থবার নানীদের বাসা থেকে মুন্সিগঞ্জ আমার দাদীর দেশে চলে গিয়েছিলাম...
ওগুলো ছিল আমার পিচ্চি কালের কাহিনী... প্রতিবার আমাকে মাইকিঙ করে, ভিবিন্ন জায়গায় ভিবিন্ন মানুষকে দিয়ে খুজে,এমনকি পেপারে বিজ্ঞাপন দিয়ে খুজেছিল.......
এখন সেগুলোর কথা মনে পড়লে খুব হাসি পায়..... গত ডিসেম্বরে নানী বাড়ী গিয়েছিলাম (ইটালীতে আমার নানার ভাইও থাকে, সেখানে) আমার নানী আমারে দেখলো, কি করি না করি... তিনদিন থাকার পর যখন এসে পড়ব গাড়ীতে আমাকে বলছে..."তুই এমন সোজা হইছস কেমনে?"
অনেকে প্রচন্ড অবাক হয় এখন আমাকে দেখলে, ইচরে পাকা, দুষ্ট, এই ছেলেটা এত সোজা হল কিভাবে! (নিজের ঢোল ভালোই বাজাইলাম
)
বড় হয়ে দুইটা পাগলামীর কথা খুব মনে পড়ে..আর এই দুইটাই ছিল মেয়ে গঠিত..একটি মেয়েকে ভালোবাসি সেই মেয়েটির বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বলে আমি ইটালীতেও কাউকে না বলে দেশের যেতে নিয়েছিলাম, ভাগ্যিস যাওয়া হয়নি... তবে ব্যপারটা লুকোনও যায়নি.......
আর শেষের পাগলামী...এখানে
অফলাইন
ছোট বেলা কাহিনীর সাথে কিছু বড় বেলারও কাহিনী যোগ করে দিলাম..জীবনের একটা কথা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম....
আমি একটা পাগল আগে বলত মানুষ এখন বলি আমি নিজে....
কেউ কিছু মনে করবেন...অনেক গভীরের কিছু কথা বলে ফেল্লাম.....
অফলাইন
উদ্ভট সব স্মৃতি খুব ভালো মনে আছে। যেগুলো কোনো ঘটনাই না। কিন্তু, হুবুহু মনে করতে পারি।
যেমনঃ দ্বিতীয় শ্রেণীতে যখন পড়ি তখন পুরোনো ঢাকার একটা বাড়ীতে থাকতাম। বাড়ীটা ছিল ৩ তলা, দুই ইউনিট করে। প্রথম তলায় বড় চাচা, দ্বিতীয় তলায় ছোট চাচা আর ৩য় তলায় আমরা থাকতাম। অন্য ইউনিটগুলোতে আমাদের বয়সী অনেকগুলো ছেলে-মেয়ে ছিল। বাসার সামনে বড় খালি জায়গা; ওইটাই আমাদের মাঠ। ওই বয়সে মাঠটিকে বিশাল মনে হত। বিকাল-বেলা ৩তলা থেকে তাকিয়ে পুরো মাঠ জুড়ে শুধু আমাদের মাথা দেখা যেত-- দৌড়াদৌড়ি করছে।
স্কুল ছিল কাকরাইলে। দ্বিতীয় শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষে আম্মুর হাত ধরে নাঁচতে নাঁচতে বাসায় এসেছি। পুরো ডিসেম্বর মাস ছুটি। সিনিয়র পুঁচকেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরীক্ষা শেষ হলে ব্যাডমিন্টনের কোর্ট কাঁটা হবে। আমাদের লাফালাফি দেখে কে? বাসায় এসে দেখি নতুন স্পঞ্জের স্যান্ডেল কেনা হয়েছে। ওইটা দেখেও কত্ত আনন্দ। আম্মু গোসল করিয়ে ভাত খাইয়ে দিলেন। এরপর শাসিয়ে দিলেন, “খবরদার রোদের মধ্যে মাঠে নামবি না। বিকালে যাবি।” এরপর আম্মু যেই ঘুমোতে গেছেন, নতুন স্যান্ডেল পড়ে মাঠে দৌড়। ভর দুপুর, কেউ নেই, পুরো মাঠ আমার। রোদে ধূলোর মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করে আবার নিজের পায়ের দিকেই তাকিয়ে আছি। নতুন স্যান্ডেল পুরোনো হয়ে যায়নি তো? 
পুঁথিগত বিদ্যা হিসেবে জানি, মানুষের মস্তিষ্কের উপরের অংশে সেরিব্রাল কর্টেক্স নামক ধূসর আচ্ছাদন থাকে। এখানে নাকি সব স্মৃতি ছড়িয়ে থাকে।
কিভাবে ক্ষুদ্র, পুরোনো স্মৃতি সেরিব্রাল কর্টেক্স জীবন্ত করে রাখে-- এইটা জানতে ইচ্ছা করে। দ্বিতীয় শ্রেণীর ওই পুঁচকের নতুন স্পঞ্জ স্যান্ডেল পড়ে দৌড়ানোর আনন্দ এখনও যে ভুলি নাই!
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবটপিকের নামটা বোধহয় বেশি কাব্যিক হয়ে গেছে। তাই কেউ দেখেও না! ছোটবেলার গল্পও শেয়ার করে না। 
একদম পিসকি বেলা ভাইয়ার সাথে ঘরের মধ্যেই যাবতীয় অদ্ভুত সব খেলা খেলতাম! খবরের কাগজ মুড়ায় পলিথিন পেঁচিয়ে ফুটবল বানিয়ে খেলতাম ফুটবল! কখনও জিততে পারি নাই। 
ব্যাডমিন্টন ব্যাট আর পিং পং বল দিয়ে খেলতাম ক্রিকেট!
বিশাল বিশাল কাহিনী হতো। যেমন একদিন ডাল ভর্তি বাটি পিং পং বলের আঘাতে ঠুশশশশ্....। 
কারো শিশুকালের কথা মনে না থাকলে একটু বড় বেলার গল্প দিলেও চলবে! 


অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআমি যখন ছোট ছিলাম তখন আম্মু আর আপুরা মার্কেটে গেলে আমি পিছে পিছে দৌড়ায় দৌড়ায় যেতাম আর বলতাম " আমার জন্য গেঞ্জী-প্যান্ট,আমার জন্য গেঞ্জী-প্যান্ট,আমার জন্য গেঞ্জী-প্যান্ট,আমার জন্য গেঞ্জী-প্যান্ট................." যতক্ষন না আম্মুর মুখ থেকে শুন্তাম" আচ্ছা,আনবো তো" ততক্ষন!

আবার যখন কয়েক জন মিলে কথা বলতো তখন আমি কিছু বলতে চাইলে নির্দিষ্ট করে যাকে বলতে চাইতাম জোর করে তার গাল টা আমার দিকে ফিরায় নিতাম।সে সরায় অন্য কারো দিকে ফিরে কথা বল্লে আমি আবার একই কাজটা করতাম!!
এই ভাবে ৮/১০ বার করার পর রাগান্নিত হয়ে সে আমার কথা শুনত
বেশিরভাগ সময় আমার আম্মু আর আপুরা এইটার শিকার হতেন

অনেক কষ্টে এই বাজে স্বভাবটা দূর করছি

আরো কত ঘটনা যে আসে..................


অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


বেশিরভাগ সময় আমার আম্মু আর আপুরা এইটার শিকার হতেন
এর পর এখন এর শিকার কে হবে


S
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবমুন মানে হলো চাঁদ।
এই মুন নামটা আমার খুউব পছন্দ।
যখন আমি খুউব ছোট্ট, আমার তখনও নাম হয় নি, বড়'পুও তখন পিচ্চি। ঠিকমতো কথা বলতে পারে না। ও আমাকে খুজে বেড়াচ্ছিল, বলছিল, আমার মুন কোথায়, আমার মুন। বোন বলতে পারছিল না, তাই মুন বলেছিল। তখন আমার নাম হয়ে গেল মুন।
শুধু আমাদের ৫ ভাই-বোনকে নিয়েই আম্মুর কেটে যেত। আমরা এতোই জ্বালাতাম, যে আম্মুর আর কিছুই করা হতো না।
বেড়ানোও হতো না। আন্টিরা এসে বলত, কেমনে কি? আম্মু বলত, ভালোই তো আমি, ঘরের মধ্যেই চাঁদ দেখি
।
আমাকে কেউ আদর করেও যদি মুন মুন বলে ডাকত, আমি বলতাম আমার নাম শুধু মুন। আমি একটাই মুন। 
ছোট্ট বেলায় জন্মবিদুল নিয়ে ফ্যান্টাসী ছিল। জীবনে একবারই কেক কেটে জন্মদিন করা হয়, তাও কেক আমি কাটি নি, বড় আপু কেটেছিল, আমি নাকি ছোট, কাটতে পারব না। আমার যে কি মন খারাপ হলো। পিসকি ছিলাম তো।
যখন কলেজ লাইফের পর ঢাকায় চলে আসছি, তার ক'দিন আগেই আমার জন্মদিন ছিল। আর একবার জন্মদিন করেছিলাম। কলেজের বান্ধবীদের সাথেই করলাম সেটা। আমার পাগলামী ছিল, আমার জন্মদিনে আমার সব বন্ধুদের আমিই গিফ্ট দিতাম। খুউব মজা লাগত। বিকেল করে বাসায় ফিরলাম। আম্মু রান্নাবান্না করেছিল, উপহার কিনেছিল। হাজার চাইলেও ওই দিনটাকে ফিরে পাবো না আর। ব্যাস এই শেষ।
তারপর আবার জন্মদিন মানে গোটা কতক উইশ। বন্ধুরা শুভেচ্ছায় শুভেচ্ছায় রঙিন করে তোলে দিনটা। বাদবাকি সবই আর দশটা সাধারন দিনের মতোই। আমার কাছে কোন দিবসেরই খুউব বেশি কোন তাৎপর্য নেই আসলে। কিন্তু ওই স্মৃতিগুলো চির অমলিন। জন্মদিন মানে ওই দুইটা দিন। যাকে একটু অন্যভাবে পেলে আরও আরও ভালো লাগত। বাকিগুলো ধূসর, একটাও মনে নেই, কোন স্পেশালিটিও ছিল না।
যখন স্কুলে পড়তাম, প্রায়ই সবচে কাছের বন্ধুটি স্কুল ছেড়ে চলে যেত বদলি হয়ে। একদিন যখন অনেক বন্ধু হল, আমিই চলে এলাম, আসতেই হলো। আপুকে খুউব মিস করছি এই জন্মদিনে, কয়দিন পর কে জানে, হয়ত আমিই চলে যাব। মানুষ একাই তো আসে, একাই চলে যায়.....
এই যে এসব ছোট খাট-
পাইনি এদের কূল কিনারা।
'তুচ্ছ' দিনের গানের পালা,
আজও আমার হয় নি সারা
ওদের আছে অনেক চাওয়া,
ওরা করুক অনেক জড়ো।
আমি শুধু গেয়ে বেড়াই,
চাই না হতে আর বড়ো।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুন (২৬-১০-২০০৮ ১৫:৪৩)


অফলাইন
কেজি বা প্রথম শ্রেণীতে পড়ি তখন।
এক ভর দুপুরে ভিডিও ক্যাসেট এনে ভাইয়া এবং আমি ভিসিপিতে কার্টুন দেখতে বসেছি। মহা যন্ত্রণা। একটু পরপর ছবি(!) ঝাপসা হয়ে যায়।
ক্যাসেটের ফিতা অ্যানালাইসিস করা হলো কিছুক্ষণ। এরপর ভাইয়া (সেও তখন পিচ্চি, আড়াই বছরের বড়) একটা স্ক্র-ড্রাইভার জোগাড় করে আনলো। ভিসিপি খোলা হল (কভার বক্স)। সার্কিট বোর্ডের দিকে দুইজন গভীর মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে থাকলাম। সমস্যাটা কোথায়? 
এরপর ভাইয়া মিলিয়ন ডলার বুদ্ধি দিলো। "সম্ভবত হেডে ময়লা জমে যাচ্ছে বারবার। চল এইটা বালতির পানিতে ডুবায়ে রাখি। এরপর ছাদে রোদে শুকাবো।" আমি মাথা নেড়ে বিলকুল রাজী হয়ে গেলাম। বাবা-মা দুইজনেই ঘুম। কে দেখবে? কার্টুন অবশ্যই দেখতে হবে। ক্যাসেট ভাড়াও ১০ টাকা।
বড় বালতিতে পানি ভরে ভিসিপি নিমজ্জিত করা হলো। আমরা মোটামুটি নিশ্চিন্ত। ভিসিপি ঝকঝকে-তকতকে হয়ে উঠবে। তো আমরা ছাদে গেলাম। ছাদটা অনেক বড়। টেনিস বল দিয়ে ফুটবল খেলা যায়। কিন্তু, বিধিবাম! কিছুক্ষণের মধ্যেই আব্বাজানের হুংকার শুনলাম। ঘুম থেকে উঠে টয়লেটে ঢুকেই দেখেন, বালতিতে জাপানি ভিসিপি ডুবানো !
বাকিটা নাহয় নাই বললাম। 


অফলাইন
টেনশন? হেইডা আবার কেডা?আমার তো দেখি কিছু মনে পড়ে না
তবে রুমন ভাইয়ের টা পড়ে অনেক মজা পেয়েছি। মাথায় কিডনী ছিল (এখনও আছে নাকি কে জানে
) বলতে হবে।
অফলাইন