যুদ্ধের কী দরকার!(পূর্বে আমার ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিলো)
চিল্লালে বা চিৎকার করলে যে মানসিক চাপ কমে (স্ট্রেস রিলিজ) তা বেশ আগে থেকেই জানতাম। দুই একবার জোরে চিল্লায়ও দেখছি দারুন কাজে দেয় .... ... সমস্যা একটাই – চারপাশের লোকজন কেমন কেমন করে জানি তাকায়!
জাপানে প্রথম যখন এসেছিলাম তখন আমার অফিস/ল্যাবের কাছেই দেখতাম প্রতিদিন বিকালে প্রায় একঘন্টা একদল ছেলে মেয়ে দল বেধে চিল্লায়। প্রথমে খানিকটা অবাকই হয়েছিলাম, আর তখন ভাষাটাও বুঝতাম না মোটেও। পরে দেখি আরেক কারবার, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে (আমি আসছিলাম অক্টোবর মাসে) এখানে ইউনিভার্সিটি ফেস্টিভ্যাল হয় ... ... ওখানে এক পাশে এই দলটা দাড়িয়ে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বিরামহীন ভাবে চিল্লিয়ে যায়। ধরেন প্রতি মিনিটে ১ বার ; পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছেন, হটাৎ একসাথে ২০/২৫ জন হো...... করে চিল্লায় উঠল --- পিলা চমকায় উঠে!
মাঝে মাঝে মনে হয় ওদের সাথে গিয়ে চিল্লাই – মনটা ফুরফুরা লাগবে। কিন্তু পারিনা ... ... ভাষাগত সমস্যা রয়ে গেছে। কিন্তু খুব চিল্লাতে ইচ্ছা করে। বাসায় দুই একবার চিল্লাইছি ... ... কিন্তু বউ ভয় পায় – আবার প্রতিবেশি কমপ্লেন না করে বসে! ভাষাটা ভাল জানলে এখানকার আবাসিক এলাকার লিডারকে প্রস্তাব দিতাম সপ্তাহে অন্তত একঘন্টা চিল্লানোর জন্য ফ্রী করে দেয়ার জন্য – ঐ সময়ে যে কেউ কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে চিল্লায় আসতে পারবে। আর ইচ্ছা আছে যে, ভবিষ্যতে দেশের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড কমিটিকে প্রস্তাব দিব – স্বাস্থ্যকর বাসার পূর্বশর্ত হিসেবে, প্রতিটি আবাসিক বিল্ডিংএ একটা করে সাউন্ডপ্রুফ রূম রাখতে হবে।
আরেকটা কথা চুপি চুপি বলে রাখি ... ... কাঁচের জিনিস ভাঙ্গলেও রাগ কমে - সত্য সত্যই দুইবার আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে দেখছি। সুবিধা হচ্ছে, শব্দ তেমন একটা বেশি হয় না; তবে সমস্যা একটাই – ভাঙ্গা টুকরাগুলো পরিস্কার করা। তবে ভাঙ্গাভাঙ্গির কাজটা নিজ মালিকানাধীন জিনিস দিয়ে হওয়া উচিৎ। আর ভাঙ্গার জন্য বেছে নিন ছোট সাইজের আর কম আসবাবযুক্ত ঘর – পরিস্কার করা সহজ হবে!
কাজেই আর দেরী নয় – ভাঙ্গা যায় এমন পুরানো/বাতিল কাঁচ/সিরামিকস এর তৈজসপত্র আলাদা করে রাখুন; রাগ উঠলেই ঠুস্ ।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (১৯-০৪-২০০৮ ১২:১৩)
অফলাইন
শামীম ভাই আরও একটি ভালো উপায় আছে
আপনি রেগে গেলে যার উপর রেগে গেছেন তার সামনে থেকে সরে আসুন। এবার একটু নিজের মনে হাটাহাটি করুন। যদি খোলা জায়গা থাকে মানে গাছে ঘেরা আকাশ দেখা যায় তাহলে তো আরও ভালো। আপনার আসে পাশে কি হচ্ছে তা দেখুন। মনকে অন্য দিকে প্রবাহিত করুন দেখবেন ভালো লাগবে একসময় 
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
.......
বহু মূল্যবান- স্বাস্থকর উপদেশের জন্য ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (১৯-০৪-২০০৮ ১৩:৩০)
অফলাইন
শামীম ভাই লিখেছেন:
(পূর্বে আমার ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিলো)
চিল্লালে বা চিৎকার করলে ............. ভাঙ্গা যায় এমন পুরানো/বাতিল কাঁচ/সিরামিকস এর তৈজসপত্র আলাদা করে রাখুন; রাগ উঠলেই ঠুস্ ।
ওয়াও, চিল্লানোর এত সুফল !!! তাহলে আমরা ফোরামের সবাই একদিন চিল্লাপাল্লা ডে পালন করতে পারি


[বি:দ্র @ আউল ভাই, আপনি পুরো লেখা কোট না করে এরকম বা আরও সুন্দর করে কম জায়পায় কোট শেষ করলে আপনার পোষ্টগুলো পড়তে সময় কম লাগবে.......একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত]
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উড়ালপঙ্খি (১৯-০৪-২০০৮ ১৩:৩১)

অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! ধ্বংসাত্নক চিন্তাভাবনা এইরকম করলে তো আমাকে বাসা থেকে বের করে দিবে দুই দিন পরে
কারণ আমি অনেক রগচটা
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


আমরা এই ফোরামে, আমাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য চিল্লা চিল্লির ব্যবস্থা চাচ্ছি, সেই সাথে ভাঙ্গচুরেরও
"কই সব গেল পোলাপান
দাবী মানতে শুরু কর অনশন"
অফলাইন
C শিখতে হবে। সবার সাহায্যে লাগবেmicroqatar লিখেছেন:
আমরা এই ফোরামে, আমাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য চিল্লা চিল্লির ব্যবস্থা চাচ্ছি, সেই সাথে ভাঙ্গচুরেরও
"কই সব গেল পোলাপান
দাবী মানতে শুরু কর অনশন"
জ্বি বস হাজির।
শুরু করেন।
অফলাইন
microqatar লিখেছেন:
আমরা এই ফোরামে, আমাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য চিল্লা চিল্লির ব্যবস্থা চাচ্ছি, সেই সাথে ভাঙ্গচুরেরও
"কই সব গেল পোলাপান
দাবী মানতে শুরু কর অনশন"
বেশি বেশি কবিতা লিখেন, কবিতায় ভাঙচুর আর চিল্লাফাল্লা করে আরাম বেশি 
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবকম রাগ উঠলে - জোড়ে ধুমধাড়াক্কা গান শুনি...
আরো বেশি উঠলে - পুরোনো কাগজ ছিড়ি, আমার ব্যক্তিগত ডাইরী সব কটা শেষ! ব্লগ পোস্ট- ডিলিট! 
আরো বেশি রাগ হলে- কেঁদে ফেলি 
আর এমন সময় একলা থাকতে ভালোলাগে... কেউ যদি অকারনে বিরক্ত করতে আসে.............. আমার কি দোষ!!!! 


অফলাইন
পরিস্থিতিতে না পড়লে অনেক ব্যাপার আগে থেকে বুঝি না। নিজেকে খুবই ঠান্ডা মাথার বলে বিবেচনা করতাম। কিন্তু, ২/১ বার অফিসে দেখা গেলো কোনো একজন সিনিয়রের সাথে তুচ্ছ বিষয়ে মতনৈক্য হয়ে গেছে। জুনিয়র বলে অকারণ ঝাড়িও খেলাম। এইসব ব্যাপারে ক্ষুব্ধতা নিয়ন্ত্রণ করে রাখা একটু কঠিন।
অন্যের আচরণগত কারণে বেশীরভাগ ক্ষোভ তৈরী হয় বলে এরপর থেকে সরাসরিই কথা বলি।
একবার একজন সিনিয়রকে সরাসরি বিনীতভাবে বলেছি, এই ধরনের আচরণ deserve করি না। এরপর থেকে ওনার সাথে আর কখনো সমস্যা তৈরী হয় নাই।
এই পদ্ধতি ভালো কাজ দেয় আমার জন্যে।
অনলাইন
মুন লিখেছেন:
কম রাগ উঠলে - জোড়ে ধুমধাড়াক্কা গান শুনি...
আরো বেশি উঠলে - পুরোনো কাগজ ছিড়ি, আমার ব্যক্তিগত ডাইরী সব কটা শেষ! ব্লগ পোস্ট- ডিলিট!
আরো বেশি রাগ হলে- কেঁদে ফেলি
এতো ভার্চুয়াল হয়ে গেল। এটাতে যে কাজ হয় তাতেই আমি অবাক হচ্ছি।
সিডি ভাঙার চেষ্টা করে দেখতে পার। এটা ভাঙা একটু কঠিন। আর ভালই শব্দ হয়। তাই বেশ কজের। যদিও ২/৩ বার ভেঙেছি মাত্র। আমি আসলে অনেকের মত passionate সিডি ব্রেকার না।
প্রায়ই দেয়ালে ঘুষি মারি। এটাও খারাপ না।
আর চিৎকারতো প্রতিদিনই করি। "ধুরও! সমস্যা কি?", "আরই, এই সিম্পল জিনিষ কাম করে না"







অফলাইন
শিপলু লিখেছেন:
"ধুরও! সমস্যা কি?", "আরই, এই সিম্পল জিনিষ কাম করে না"
শুনেছি রাগের মাথায় অনেক মানুষ নিজের চুল নিজেই ছিড়ে ফেলে।
শিপলু কি ওই ক্যাটাগরীতে?
[টিভিতে কি একটা অ্যাড দেয় নাঃ 40 বছর ধরে কদুর তেল মেখে মাথা ঠান্ডা রাখছে।
]
এইটা কিন্তু অনটপিক কমেন্ট।
অনলাইন