নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???ছোট বেলাতে মুখস্থ করেছি আইনের চোখে সবাই সমান কিন্তু যখন বুঝতে শিখেছি আইন কি, তখন থেকেই দেখেছি আইন সবার জন্য সমান নয় বা আইনের চোখে সবাই সমান নয়। এমন নজির হাজারো দেখা যায়। কয়েক হাজার টাকা চুরি করে বা বিনা বিচারে অনেকেই যেমন জেল খাটছে আর কোটি কোটি টাকা চুরি করে বহাল তবিয়তে ডিভিশন নিয়ে অনেকে জেলে থাকছে। অর্থাৎ আইন তৈরী হয়েছে বড় চোরদের অধিক সুবিধা দেওয়ার জন্য। এমতবস্থায় বর্তমান সামরিক মদনপুষ্ট অন্তরবর্তীকালিন সরকার অনান্য রাজনৈতিক সরকার থেকে যেমন ভিন্ন তেমনই এদের লক্ষ্যও ভিন্ন। ফলে এই সরকারের কাছে পূর্বের অন্য যে কোন সরকারের চেয়ে আইনের সঠিক প্রয়োগ বা নিরপেক্ষতা আশা করা স্বাভাবিক| অতীতে সকল রাজনৈতিক সরকার আইন এবং প্রশাসন এমনকি আদালতকে তাদের পক্ষে ব্যবহার করেছে নিজেরদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। গড়িমসি করে তারা বিচার বিভাগ পৃথক করেনি। এমনবস্থায় বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেবার পরে মনে হলো একমাসের মধ্যে বিচার বিভাগ পৃথক হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি যা বলছে তাতে এ সরকার ক্ষমাতায় থাকা অবস্থায় বিচার বিভাগ পৃথক করবে বলে মনে হয় না কারণ বিচার বিভাগ পৃথক হলে তার উপরে সরকারের কর্তৃত্ব থাকে না।
বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ নগ্নভাবে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করছে, যা পূর্বের রাজনৈতিক সরকারও করেনি। আমি এখানে ন্যায় অন্যায়ের কথা বলছি না। যারা এতদিনে দেশের সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, সম্পদ পাচার করেছে, গাড়ি বাড়ি করেছে, খুন ধর্ষণ করেছে, শোষণ নিপিড়ন করেছে বা বিভিন্ন ধরনের অন্যায় অপকর্ম করেছে তাদের অবশ্যয় শাস্তি হওয়া উচিৎ। কিন্তু তাদেরকে শাস্তি দেবার জন্য প্রচলিত আইনের বাইরে গিয়ে নতুন আইন করে বা বিচার বিভাগ প্রভাবিত করে তাদেরকে আটকানো অন্ধকার নিয়ে অন্ধকার দুর করা মতই। আইন তৈরী, পরিবর্তন বা সংশোধন যদি এতই সহজে করা যায় তাহলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী, যার ফল যতটানা উনারা (যারা আইন তৈরী করে, পরিবর্তন বা সংশোধন করে নিজেদের পছন্দমত) ভোগ করবেন তার চেয়ে বেশী ভোগ করবো আমরা সাধারণ মানুষ। এভাবে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করায় জনমনে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই বিচার বিভাগের উপরে সাধারণ মানুষের আস্থাও কমে গেছে। মোট কথা অনান্য সরকারের মতই এই সরকারের ইচ্ছামতই বিচার বিভাগ প্রচালিত হচ্ছে। এতে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা এবং ন্যায় বিচার পাবার শংকা রয়েছে, যা কখনওই ভাল ফল এনে দেবে না।
অফলাইন
দেখুন বিচার বিভাগ পৃথকিকরনের পূর্বে প্রয়োজন ছিল আইন পরিমার্জনের ও নতুন আইন প্রনয়নের। আমাদের দেশের বেশির ভাগ আইনই ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা হয়েছে। এখনও অনেক আইন পরিমার্জন ছাড়া আগের নিয়ম অনুযায়ী চলছে যা সুষ্ঠ বিচারকে ব্যাহত করছে।
আর বর্তমান সরকারকর্তৃক বিচারবিভাগের নগ্ন ব্যবহার সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই। বিচারবিভাগ তার গতি অনুযায়ী কাজ করতে থাকলে একযুগের আগে আদালতে কেস উঠতোনা। দুর্নীতিবাজ নেতারা মরে ভূত হয়ে যেতেন তারপরও রায় বের হতোনা। এরচেয়ে বিচারবিভাগের ব্যবহার করে একটু মেনিপুলেট করা আমার মতে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলার সমান মনে হয় আধার দিয়ে আধার দূর করা নয়।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???আসল কথা হচ্ছে আইন যারা প্রনয়ণ করে তারা নিজেদের কথা আগে ভাবে।
অফলাইন
mehdiakram লিখেছেন:
আসল কথা হচ্ছে আইন যারা প্রনয়ণ করে তারা নিজেদের কথা আগে ভাবে।
আকরাম ভাই আপনার লেখাটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়লাম। আপনার লেখা পড়ে মনে হল আপনি সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক বা নেতা কর্মীর পর্যায়ে আছেন। যদি বর্তমান সময়ে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জড়িত থাকেন তাহলে আমার বলার কিছু নাই। কারন বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাজনৈতিক দলগুলোই বিপদে আছে আর তাই বর্তমান সরকারকে কিছুতেই তারা সহ্য করতে পারছে না। কারন তাদের রাজনিতি ব্যাবসা এখন খুবই মন্দা। কিন্তু আমি ব্যাক্তি গত ভাবে মনে করি এই সরকারকে যদি দেশের সকল জনগণ সঠিকভাবে সহযোগীতা করত এবং বর্তমান প্রশাশনে থাকা লোক গুলো সাহায্য করত তাহলে অতিতের যেকোন সরকারের চেয়ে কয়েকগুন বেশি সাফল্য নিয়ে আসতে পারত। আর বর্তমান সময়ে অনেক নেতা কর্মীরা নিজের মন্তব্য বলে সুন্দর একটা বানী বলছেন আর তা হচ্ছে জনগনের দাবি। আমি এই দেশেই থাকি মোটামুটি ভাল করেই জানি কয়জন নেতা কয়যায়গায় যাচ্ছে আর জনগনের সাথে কথা বলে তবেই বলছে যে এটা জনগনের দাবি।
যে কারনে দেশে বর্তমান সরকার এসেছে আপনি কি মনে করেন যে রাজনৈতিক দলগুলো পরিষ্কার হতে পেরেছে। সরকার তো বলে দিল ২০০৮ সালেই নির্বাচন হবে। আমার প্রশ্ন হল নির্বাচন নয় রাজনৈতিক দলগুলো কতটা গনতান্ত্রিক হয়েছে? আগের ধারা থেকে কতটা পরিষ্কার হতে পেরেছে? আপনার লেখাতেই পড়লাম, আপনি অন্যায়কারীদের বিচার চেয়েছেন, শেখ হাসিনা খালেদা জিয়া কি বুঝতে পারেন নাই যে তাদের দলে দুর্নিতিবাজ নেতা আছেন। যদি বুঝে থাকেন তাহলে তারা তাদের বিচার করলেন না কেন? আর যদি বুঝতে না পারেন তাহলে তো দল চালানোর যোগ্যতাই তো থাকার কথা না। দলের যেকোন দেশদ্রোহী কাজ কমের্র দায় দায়িত্ব কোন শীর্ষ নেতৃত্বই এড়িয়ে যেতে পারে না। কাজেই তাদের বিচার শুরু হয়েছে। আর এরই মাঝে দাবী উঠেছে দুই নেত্রির মুক্তি চাই। আপনার লেখা পড়েও এরকমই আভাস পেলাম। নেতারা যা বলছে আপনারও সেই একই সুর।
ভাই আমি নিজের বিবেক বিসর্জন দিয়ে নেতার চামটাগিরি করি না। নেতাদের কথা যতটা আদবের সাথে নিই তার দশভাগের একভাগ আল্লাহর আদেশ মেনে চলার চেষ্টা করলেও হয়ত পরকাল সুখের হবে।
অফলাইন
mehdiakram লিখেছেন:
বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ নগ্নভাবে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করছে, যা পূর্বের রাজনৈতিক সরকারও করেনি। আমি এখানে ন্যায় অন্যায়ের কথা বলছি না। যারা এতদিনে দেশের সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, সম্পদ পাচার করেছে, গাড়ি বাড়ি করেছে, খুন ধর্ষণ করেছে, শোষণ নিপিড়ন করেছে বা বিভিন্ন ধরনের অন্যায় অপকর্ম করেছে তাদের অবশ্যয় শাস্তি হওয়া উচিৎ। কিন্তু তাদেরকে শাস্তি দেবার জন্য প্রচলিত আইনের বাইরে গিয়ে নতুন আইন করে বা বিচার বিভাগ প্রভাবিত করে তাদেরকে আটকানো অন্ধকার নিয়ে অন্ধকার দুর করা মতই।
আপনি বলছেন যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিৎ। আবার বলছেন প্রচলিত আইনের বাইরে তাদের আটক করে বিচার করা যাবে না। তাহলে কি আপনি বলতে চাচ্ছেন যে, প্রচলিত আইনের বাইরে যে আইন করা হচ্ছে তা আসামীদের ছেড়ে দেবার জন্য? ব্যাপারটা পরিষ্কার করে বলুন।
( আমিতো মনে করি প্রচলিত আইনের বাইরে আইন করে দেশের যারা ক্ষতি করেছে তাদের সরাসরি কুকুরের মত গুলি করে মারা উচিৎ। পুলিশ দেখে সন্ত্রাসীরা ভয় পেত না কিন্তু rab দেখে ভয় পায় কেন বলতে পারবেন? আর rab কয় জন ভাল মানুষ মারছে তার হিসাব জানা থাকলে একটু বলবেন )
এভাবে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করায় জনমনে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই বিচার বিভাগের উপরে সাধারণ মানুষের আস্থাও কমে গেছে। মোট কথা অনান্য সরকারের মতই এই সরকারের ইচ্ছামতই বিচার বিভাগ প্রচালিত হচ্ছে। এতে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা এবং ন্যায় বিচার পাবার শংকা রয়েছে, যা কখনওই ভাল ফল এনে দেবে না।
আপনি কয়জন সাধারণ মানুষের খবর জানেন। নাকি টেলিভিশনে নেতাদের মুখের কথা শুনে নিজেকে রাজনিতিবিদ তকমা লাগানোর পথে পা বাড়িয়েছেন?
কোন কোন ক্ষেত্রে এই সরকার ইচ্ছামত বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করেছে তার প্রাথমিক ৫ টি উদাহরণ বলুন । অবশ্যই উপযুক্ত যুক্তি ও প্রমাণ সহ। এটা নিয়ে ফোরামে লম্বা আলোচনা হতে পারে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন m_Kafi (১৮-০৪-২০০৮ ০০:০১)
অফলাইন
তারেক এর আরো শাস্তি চাই । দেশটাকে ছোবড়া বানাইআ ফালাইছে।
চ্যলেন্জ-----------------
এমন একটা জায়গার নাম বলেন যেখান থেকে ও টাকা খায় নাই।
শিক্ষিত লোক কিভাবে লোকটার মুক্তি চায়?
যদিও আমি অন্ধ ভাবে বিএনপি করি ---
কিন্তু ওই লোকটার কথা মনে হলে গা ঘিনঘিন করে।
একটা জায়গার নাম বলেন -----------------------------
অফলাইন
hozmola লিখেছেন:
তারেক এর আরো শাস্তি চাই । দেশটাকে ছোবড়া বানাইআ ফালাইছে।
চ্যলেন্জ-----------------
এমন একটা জায়গার নাম বলেন যেখান থেকে ও টাকা খায় নাই।
শিক্ষিত লোক কিভাবে লোকটার মুক্তি চায়?
যদিও আমি অন্ধ ভাবে বিএনপি করি ---
কিন্তু ওই লোকটার কথা মনে হলে গা ঘিনঘিন করে।
একটা জায়গার নাম বলেন -----------------------------
আইন তার নিরপেক্ষতা প্রমান করে তাকে সকল মামলায় জামিন দিয়েছৈ। তথাপী কারো গা ঘিনঘিন ( ৪/৫টি একই পোষ্ট)করলে আইন এই ক্ষেত্রে কি করবে?
অফলাইন
নিজেকে খুঁজছি মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
আসল কথা হচ্ছে আইন যারা প্রনয়ণ করে তারা নিজেদের কথা আগে ভাবে।
কথায় বলেনা, যে যায় লংকায় সেই হয় রাবণ...
অফলাইন