যদি ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকেন(
), তবে পৃথিবীতে আপনার দিনযাপন হবে ৮০*৩৬৫। জীবনের অনেক ছোট ছোট মুহুর্ত আমরা প্রতিদিনই উপভোগ করি। সেগুলো থেকে কয়েকটা লিস্ট করা যায় না?
আসুন শুরু করিঃ
১] বাসায়/অফিসে সকালে নাস্তার পরে ধূমায়িত প্রথম কাপ চা/কফি। [অসাধারণ মুহূর্ত]
২] ঝুম বৃষ্টির দুপুর। অফিস নেই। ঘুম ঘুম চোখে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ঘুম।...
[বেশী ঘুমাই]
৩] পুরোনো বন্ধুদের সাথে পুরোনো কোনো জায়গায় (যেমনঃ ইউনিভার্সিটি
) বিকালবেলা ঝালমুড়ি-বাদাম আড্ডা।

৪] হঠাৎ অবসরে প্ল্যান ছাড়াই ৩-৪ জন বন্ধুজড়ো হয়ে পপকর্ন(popcorn) সমেত মুভি দেখা।
৫] ২১শে বইমেলায় একা একা ঘুরে বেড়ানো। দোকানদারের বিরক্তিকর চাহনি উপেক্ষা করে একটানা বইয়ের মলাট উল্টানো। [অসম্ভব ভালো লাগে।]
৬] টু বি কন্টিনিউড...
অফলাইন
কঠিন জৃর থেকে উঠলাম১/ মানুষকে জ্বালাইতে এবং রাগাইতে
২/ ফোরামে সারাদিন বসে থাকতে অথবা পিসি নিয়া গুতাগুতি করতে
৩/ মেটাল গান শুনতে নতুন নতুন ব্যান্ড, ইদানীং আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড গুলা ভালো লাগতেছে
৪/ বাইরে ঘুরা ঘুরি করতে
৫/ সারাদিন ঘুমাইতে
৬/ টাংকি মারতে
এইত আর কিছু ভালো লাগে না
অফলাইন
যখন একটা বিশাল চক্কা হাকাই।
যখন একটা অসাধারন গোল সেভ করি।
যখন খুবই ভাল একটা মুভির চরম মূহুর্তে থাকি।
যখন খুব সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখে উঠি।
যখন খুবই ভাল একটা বই পড়ি।
যখন কেই আমার দ্বাড়া উপকৃত হয়
.......................... আর মাথায় আসছেনা
অফলাইন
ভালো লাগে যখন ক্লাশ থাকেনা কিছু করতে হয়না
ভালো লাগে বৃষ্টিতে ভিজতে
ভালো লাগে অন্যের জন্য সামান্য কিছু হলেও করতে
ভালো লাগে গল্পের বই পড়তে
ভালো লাগে সারাদিন অনলাইনে থাকতে, আর এখানে পোস্টগুলো দেখতে
ভালো লাগে নিজের সংস্কৃতি
ভালো লাগে যখন বলি আমি বাঙ্গালী বাংলাদেশী
ভালো লাগে খেতে
ভালো লাগে রান্না করতে
ভালো লাগে আরও অনেক কিছুই
অফলাইন
কঠিন জৃর থেকে উঠলামআশাবাদী লিখেছেন:
ভালো লাগে যখন ক্লাশ থাকেনা কিছু করতে হয়না
ভালো লাগে বৃষ্টিতে ভিজতে
ভালো লাগে অন্যের জন্য সামান্য কিছু হলেও করতে
ভালো লাগে গল্পের বই পড়তে
ভালো লাগে সারাদিন অনলাইনে থাকতে, আর এখানে পোস্টগুলো দেখতে
ভালো লাগে নিজের সংস্কৃতি
ভালো লাগে যখন বলি আমি বাঙ্গালী বাংলাদেশী
ভালো লাগে খেতে
ভালো লাগে রান্না করতে
ভালো লাগে আরও অনেক কিছুই
ভালো লাগে মুজতবা নামক এক পিচ্চি কে ঝাড়ি মারতে 
অফলাইন
ঔ মিয়া (এটাও ঝাড়ি) তোমাকে আমি ঝাড়ি মাত্র দুবার দিয়েছি,,, তাতেই এই?? 
অফলাইন
কিছুই ভালোলাগেনা...প্রথমত: আমি এত্তদিন বাঁচতে চাই না (৮০ বছর!)
যদিও কিছু ফাউল জইতিশি আমার জীবনের পূর্ণচ্ছেদ, ওটার নেবারহুডে আছে বলে রায় দিয়েছেন
যাহোক,
০০ ভালোলাগে প্রত্যুষের আলস্য,
০০ ইউনি বিহীণ দিনে গ্যাজানো,
০০ হঠাৎ উদয় হওয়া কবিতার পংক্তিতে শব্দগুলিকে নিরন্তর বিন্যাস/সমাবেশ,
০০ প্রক্বতির রংবদলের খেলা দেখা,
০০ ঝুম বৃষ্টিতে ঈষৎ শীতার্ত হৃদয়ে কল্পনার কবোষ্ণ উত্তাপ নেয়া,
০০ এলোমেলো উদ্দেশ্যবিহীণ হাঁটা,
০০ প্রিয়জনদের সাথে কথপোকথন
আরও অনেক কিছু..........................
অফলাইন
ভাল লাগে প্রবল ঝড়ে বা মুষলধারা বৃষ্টির মাঝে ভিজতে
ভাল লাগে চাঁদনি রাতে গ্রামের নিস্তব্ধ মেঠো পথ ধরে হাঁটতে
ভাল লাগে গাছের মগডালের পাকা আম পেড়ে খেতে
ভাল লাগে ক্যামেরায় ২-১টা ছবির জায়গা থাকতে অসাধারণ কোন ছবি তুলতে পারলে
ভাল লাগে আলুভর্তা দিয়ে ভাত খেতে...
এগুলো যে প্রতিদিন করি বা করতে পারি তা না কিন্তু করতে ভাল লাগে......
অফলাইন
আবার রেপি, আই এম হ্যাপী...পরিশ্রমের পরে যখন হাতে কিছু টাকা-পয়সা আসে।
কেউ কোন বিপদে পড়লে যখন তাকে সাহায্য করতে পারি।
রাতে ঘরে ফিরে এসে যখন দেখি মা জেগে আছে, এখনো খাবার খাইনি বলে। (এই প্রবাসে মা কে ভীষণ মনে পড়ে )
বষার বৃষ্টিতে ভিজতে
নতুন কিছু জানতে
আর মজার মজার সব খানা দানা
অফলাইন
ধুশ! মানুষের সময় এতো কম। অল্প কয়েকজন লিস্ট দিলো।
উদাসীন আর কারিগরের সাথে অনেকগুলো কমন পড়ে গেছে।
৬] ছাতা নিয়ে ঝুম বৃষ্টি-দুপুরে রাস্তায় হাঁটা। আর সেটা ইউনিভার্সিটির ঘাস-গুল্মের মাঠ দিয়ে হলে তো কথাই নেই।
৭] রিক্সা ভ্রমণ আর কবিতার পংক্তি ভেবে মনে মনে অকাব্যিক লাইন সাজানো!
৮] মাস শেষে "স্যালারী" নামক 'মেইলটি' দেখতে অন্যরকম লাগে।
[শুধু মেইল। অর্থকে প্রয়োজন হিসেবেই বিবেচনা করা ভালো।
]
৯] রাস্তায় অনেক মানুষকে পর্যবেক্ষণ করতে। একেক পেশা-একেক রং-একেক ব্যস্ততা। ভিন্ন ভিন্ন গতি।
১০] একটি প্রাণ বাঁচাতে পারলে।
১১] যখন দেখি একজন ঘর্মাক্ত রিক্সাওয়ালা বিশ্রামের সময় পেছনের সিটে বসে নামাজ/ তার ধর্ম বিশ্বাস অনু্যায়ী প্রার্থনা করছে। দৃশ্যটি আমার কাছে অদ্ভুত সুন্দর লাগে। থমকে যাই।
১২] টু বি কন্টিনিউড...
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমন (০৮-০৪-২০০৮ ১০:২২)
অফলাইন
আমি যেগুলো বলতে চেয়েছিলাম বেশিরভাগই সবাই বলে দিয়েছে। দেখি নতুন কিছু বের করতে পারি নাকি... 
ভাল লাগে...
১। শীতের সকালে সূর্য ওঠার আগেই হাঁটতে বের হয়ে যেতে... এরপর বাসায় এসে এক মগ গরম কফি খেতে।
২। অবশ্যই বৃষ্টিতে ভিজতে, এটা কমন একটা ভাল লাগা 
৩। সারাদিন কম্পিউটার নিয়ে গুতাতে, কম্পিউটারে নতুন কিছু শিখতে।
৪। ছবি তুলতে, এবং নিজের তোলা ছবির কেউ প্রশংসা করলে।
৫। অনেক আগে ছোটবেলায় খুব ভোরে ঘুম ভেঙে বিছানায় শুয়ে নানার কুরআন তেলওয়াত শুনতে। অসাধারণ অনুভূতি! এখনো মন থেকে মুছে যায়নি।
৬। আকাশ-কুসুম কল্পনা করতে... যে কল্পনার কোন মাথামুন্ডু নাই এবং যা কোনদিনই সত্যি হবে না।
৭। ইন্টারনেটে মানুষকে খুঁচাতে(সেভারাস দাদুর মত
)।
তবে ফোরামে খুব একটা খুঁচাই না, ভাল হয়ে থাকি 
৮। অতীতের মধুর স্মৃতি রোমন্থন করতে, এবং সেসব দিনের কথা মনে করে মানসিক প্রশান্তি পেতে।
আপাতত এই কয়টাই, পড়ে আর কিছু মনে পরলে জানাবো...
অফলাইন
age janle Tor vanga noukai chortam naআমার কিচ্ছু ভালো লাগে না
অফলাইন
কঠিন জৃর থেকে উঠলামamanat লিখেছেন:
আমার কিচ্ছু ভালো লাগে না
কেন ভাই?
অফলাইন
ভালো লাগে ভোর বেলা ঘুমাতে (কারন তখন শয়তান পা টিপতে থাকে)
ভালো লাগে দেরীতে অফিসে যেতে
ভালো লাগে অফিসে Metallica, Children of Bodom, Iron Maiden ছেড়ে কলিগদের জ্বালাতে
ভালো লাগে প্রজন্মতে ঢুকে থাকতে
ভালো লাগে গল্পের বই পড়তে
ভালো লাগে বৃষ্টির শব্দ শুনতে
ভালো লাগে নগ্ন গাত্রে গোসল করতে (যদিও Anti-শরিয়ত মোতাবেক)
অফলাইন
যাচ্ছি...দূর থেকে দূরে...সবকিছু ঝাপসা!এখন সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে কাঁদতে
। একবার ফুলকোর্সে কাদার পর যে রকম একটা অনুভুতি হয় আর মজা লাগে তা বলে বুঝানো যাবেনা....

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন jewel_smart (০৮-০৪-২০০৮ ১৮:৪৭)
অফলাইন
jewel_smart লিখেছেন:
এখন সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে কাঁদতে
। একবার ফুলকোর্সে কাদার পর যে রকম একটা অনুভুতি হয় আর মজা লাগে তা বলে বুঝানো যাবেনা....
কাইন্দে লাভ নাই, হুদাই শরীরের এ্যাকুয়া আর সোডিয়াম ক্লোরাইড লস ![]()
মেয়েরা বেশি কাঁদে বলেই পুষ্টিহীনতায় ভোগে
তাদের দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইডের ঘাটতি আছে।
অফলাইন
যাচ্ছি...দূর থেকে দূরে...সবকিছু ঝাপসা!আলোকিত লিখেছেন:
কাইন্দে লাভ নাই, হুদাই শরীরের এ্যাকুয়া আর সোডিয়াম ক্লোরাইড লস
মেয়েরা বেশি কাঁদে বলেই পুষ্টিহীনতায় ভোগেতাদের দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইডের ঘাটতি আছে।
তাই নাকি আগে জানতামনাত, থাক এখন থেকে শুধু হাসব। ওহো, হাসলেও আবার ক্যালোরি অপচয়- কি করি বলেনতো?- এইটা ভাবলেইতো আবার কান্না আসে
।
অফলাইন
১. সকালে ঠিক মত কলেজে যাওয়ার বাসটা পেয়ে গেলে। (যদি লাক ভালো হয়)
২. কলেজের টেকনিক্যাল ডিজাইনের ক্লাশে উইকিপেডিয়া ঘাটতে। (ফাকি-বাজী)
৩. কলেজ থেকে এলেই গরম ভাত খেয়ে, অনিচ্ছাকৃত বিছানায় ঘুম ঘুম অবস্থায় বসলে। (ঘুম পায়)
৪. বিকেলে এক-কাপ চা এর সাথে যদি বোন কিছু টা বানায় তাহলে তো কথা-ই নাই।
৫. আমার ঘরের জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখতে।
৬. রাতে ঘুমানোর আগে সারাদিনের কথা একটু চিন্তা করতে। (কিভাবে ব্যস্ত সারাদিন চলে গেল)
চলবে.........................
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
কাইন্দে লাভ নাই, হুদাই শরীরের এ্যাকুয়া আর সোডিয়াম ক্লোরাইড লস
মেয়েরা বেশি কাঁদে বলেই পুষ্টিহীনতায় ভোগেতাদের দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইডের ঘাটতি আছে।
your body creates a slightly toxic substance known as prolactin. Womens bodies create much higher amounts than men. Prolactin is released through tears so by crying you are flushing toxic compounds from your body.
নেট ঘাটিয়া
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেভারাস (০৯-০৪-২০০৮ ০৩:২২)

অফলাইন