মোকাবিলার জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া দরকার
নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে পোলট্রি শিল্পের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আমাদের অর্থনীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে পোলট্রি শিল্প। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং বছরে এ শিল্পের টার্ন-ওভার প্রায় ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার কোটি টাকা। এ শিল্পে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বার্ড ফ্লু ভাইরাস সংক্রমণের ফলে ইতিমধ্যে প্রায় ২০ লাখ থেকে ২৫ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় ৫০ শতাংশ খামার। ইতিমধ্যে চার হাজার ১৬৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় পোলট্রি শিল্পকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। নতুন খামার গড়ে তুলতে সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া দরকার।
এখনই কিছু নিয়মের মধ্যে আসা দরকার। যেমন, খামারের মুরগির মতো দেশি মুরগিও বদ্ধ জায়গায় পালন করা প্রয়োজন। আমরা এ বছর যেটা লক্ষ করেছি, দেশি মুরগি সবচেয়ে বেশি এ ভাইরাস ছড়িয়েছে। খামারি নিবন্ধন করা প্রয়োজন, সে যে ধরনের খামারই হোক না কেন। নিবন্ধন না করা হলে পোলট্রি খামার করার কোনো ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া ঠিক হবে না। এ রকম নিয়মের মধ্যে থাকলে খামারের জীব নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
স্থায়ীভাবে বার্ড ফ্লু ভাইরাস মোকাবিলার জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া দরকার। তবে এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যে ধরনের বা যে স্ট্রেইনের ভাইরাস পাওয়া গেছে, সেই স্ট্রেইনের ভাইরাসের ভ্যাকসিন আমদানি বা স্থানীয়ভাবে তৈরি করা যেতে পারে।
বার্ড ফ্লু সংকট সময়ে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্বব্যাংক এবং এডিবির পক্ষ থেকে যেসব সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সে অর্থে আমরা এ দেশে বার্ড ফ্লু ভ্যাকসিন প্লান্ট তৈরি করতে পারি। ভ্যাকসিন তৈরিতে যে এসপিএফ ডিমের দরকার হয়, তা আমাদের নেই। দেশে এ ধরনের ডিম উৎপাদন করতে অনেক সময় দরকার হয়। সে জন্য আমরা প্রয়োজনমতো এসপিএফ ডিম বিদেশ থেকে আমদানি করতে পারি। এতে দ্রুত ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব হবে।
পশু সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় হওয়া দরকার। সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইলে এসএমএস পাঠানোর ফলে ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। এতে বাজারে হাঁস, মুরগি ও ডিম বিক্রিও বেড়েছে।
পোলট্রি শিল্পের নীতিমালা খাতা-কলমে তৈরি হলেও বাস্তবে এর কোনো বাস্তবায়ন নেই। নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য আমরা অনেক কথাই শুনতে পাই। আমরা এ শিল্পের সঙ্গে যারা যুক্ত, তারা অপেক্ষায় আছি। তবে দীর্ঘ অপেক্ষা সুখকর হবে না।
মশিউর রহমান
সমন্বয়ক, পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন
মাংস ফ্রোজেন করলে ভাইরাসের জীবনীশক্তি বেড়ে যায়
আমাদের পোলট্রি খামারে জীব নিরাপত্তাব্যবস্থা একেবারেই নেই বললেই চলে। বার্ড ভাইরাসসহ যেকোনো ভাইরাস ও রোগ থেকে খামার মুক্ত রাখার জন্য জীব নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই। এ কাজে পশু সম্পদ বিভাগের ভুমিকা সবচেয়ে বেশি দরকার।
খামারিদের সচেতনতা না থাকায় ভাইরাস সংক্রমিত মুরগি গোপনে বিক্রি করে দেওয়ায় এ রোগের বিস্তার হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত খামার এলাকা চিহ্নিত করে ছয় মাস পর পর ভাইরাস চেক করতে হবে। সরকারি তরফ থেকে কোনো সার্ভিলেন্স বা নিবিড় রোগ অনুসন্ধান না থাকায় আমরা এ সময়ের বড় ধরনের ক্ষতির মধ্যে পড়লাম। খামারের জীব নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার জন্য জীবাণুনাশক স্প্রে, খামারি সচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
বার্ড ফ্লু ভাইরাসের এ বছরের সংক্রমণ ও পোলট্রি শিল্পের এই বিশাল ক্ষতির মধ্যেও এখন পর্যন্ত সরকারি তরফ থেকে কোনো জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে না। আমাদের পাশের দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে যুদ্ধকালীন তৎপরতা আমরা লক্ষ করেছি। বিভিন্ন প্রদেশ থেকে পশুচিকিৎসক এনে তাদের কাজে লাগানো হয়েছে। আর আমাদের দেশে মাঠপর্যায়ে পশু সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তৎপরতা খুব একটা দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে সরকারি কোনো পরিকল্পনাও নেই। বার্ড ফ্লু ভাইরাস মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যে "হু" ও বিশ্বব্যাংকের সাহায্য এসেছে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বলেন, বিদেশি সাহায্যের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। এতে বোঝা যায়, বার্ড ফ্লু ভাইরাস মোকাবিলায় আমরা কোন দিকে হাঁটছি।
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ডিমবাহিত কোনো রোগ নয়। সংক্রমিত মুরগি বা পাখির শ্লেষ্ক্না, লালা ও মল থেকে এটি ছড়ায়। ডিমের খোসার ওপরে বিষ্ঠা লেগে থাকলে তাতে ভাইরাস থাকতে পারে। কিন্তু ডিমের ভেতরে কোনো ভাইরাস থাকে না। এটি এগবোর্ন বা ডিমবাহিত কোনো রোগ নয়। আমরা একটি বিষয় লক্ষ করছি, পশু সম্পদ অধিদপ্তর থেকে সংক্রমিত খামারের ডিম ও মুরগি নিধন করা হচ্ছে। কিন্তু মুরগির বিষ্ঠা, যা সবচেয়ে ভয়ের; তা ধ্বংস করা হচ্ছে না। এটা বিপজ্জনক। সরকারিভাবে সার্ভিলেন্স বা রোগ অনুসন্ধান একেবারেই হচ্ছে না বলা যায়। স্থায়ীভাবে এ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে হলে ভ্যাকসিন করা যেতে পারে। তবে ভ্যাকসিন অবশ্যই স্থানীয় ভাইরাসের হতে হবে। ভাইরাস এক হলেও দেশে দেশে এগুলোর স্ট্রেইন এক হয় না। ভ্যাকসিন করা মুরগিদের আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার। বার্ড ফ্লু ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে ভ্যাকসিন করা দরকার। তবে তা অবশ্যই "ওআইই" নিয়মনীতি মেনে।
অনেকেই মনে করেন, ফ্রোজেন মুরগি নিরাপদ। এই তথ্য সঠিক নয়। ভাইরাস সংক্রমিত কোনো মুরগি জবাই ও ড্রেসিং করে ফ্রোজেন করলে ভাইরাসের জীবনীশক্তি বেড়ে যায়। রান্না করা মাংস ও সেদ্ধ ডিম খেলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যারা মুরগি কেনাবেচা, জবাই এবং মাংস কাটাকুটি কাজে ব্যস্ত থাকে; তাদের হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক এবং কাজ শেষে গরম পানিতে বা সাবান দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
ডা. মনজুর আজিজ
পশুরোগ বিশেষজ্ঞ
ভ্যাকসিন করার ক্ষেত্রে "ওআইই" কৌশল অনুসরণ করতে হবে
বার্ড ফ্লু ভাইরাস সংক্রমিত খামারে যেভাবে ঘাড়-মটকে এবং অনেক জায়গায় বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মুরগি মেরে ফেলার দৃশ্য আমরা টেলিভিশনে দেখছি, তা অমানবিক। মুরগিগুলোর যন্ত্রণাহীন মৃত্যু নিশ্চিত করা দরকার। ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের সার্ভিলেন্স পরিকল্পনা খাতা-কলমে থাকলেও বাস্তবে ছিল না। সংক্রমিত হওয়ার পর তা চিহ্নিত করতে তিন থেকে চার দিন লেগে যায় নমুনা পাঠানো এবং তা পরীক্ষা করতে। এতে রোগের বিস্তার আরও বেশি হয়। রানিক্ষেত নামে মুরগির একটি সাধারণ রোগের সঙ্গে বার্ড ফ্ল ভাইরাস সংক্রমণের মিল থাকায় অনেকেই রানিক্ষেতের চিকিৎসা করতে থাকে। এতেও ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের দেশের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় খামার করা হয়নি। বলা যায়, পুরো দেশই একটা খামার। এই খামারঘন দেশে এবং বিপুলসংখ্যক দেশি হাঁস-মুরগি ঘুরে বেড়ায় সে রকম পরিবেশে যে পর্যায়ের সার্ভিলেন্স বা রোগ অনুসন্ধান করা দরকার ছিল, তা একবারেই অনুপস্িথত। এটি আমাদের পশুসম্পদ অধিদপ্তরের চরম ব্যর্থতা। যদিও সার্ভিলেন্স করার পুরো দায়িত্ব সরকার একাই নেয়।
এই ভাইরাস যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তাতে এর থেকে মুক্ত হওয়া অনেকটা কঠিন হয়ে পড়বে। দ্রুত ভাইরাস চিহ্নিত করার ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি জীবনিরাপত্তা ব্যবস্থা বলতে যা বোঝায় তা নিশ্চিত করা দরকার। এর পাশাপাশি ভ্যাকসিন দেওয়া দরকার।
জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে নিয়মিত এবং তা দীর্ঘমেয়াদি চালিয়ে যেতে হবে। তা না হলে এর থেকে কোনো ফল পাওয়া যাবে না। সংক্রমিত খামারের মুরগি যেন এক কিলোমিটারের মধ্যে না আসতে পারে সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। খামারের সব লিটার পুড়িয়ে বা মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সংক্রমিত খামারে পুনরায় চালু করার ব্যাপারে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সরকারি অনুমতি দেওয়ার পরই তা চালু করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
ভ্যাকসিন করার ক্ষেত্রে "ওআইই" কৌশল অনুসরণ করতে হবে। হ্যাচারিতে এক দিনের বাচ্চাকে ভ্যাকসিন দিয়ে খামারিদের কাছে সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ব্রয়লার মুরগির ক্ষেত্রে হ্যাচারিতে একবার ভ্যাকসিন দিলেই হবে। লেয়ার মুরগির ক্ষেত্রে একবার বা দুবার কিল্ড ভ্যাকসিন ডিম পাড়ার আগে দিলেই হবে। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় জরুরি, যে টাইপের ভাইরাস সংক্রমণ ঘটিয়েছে, সেই টাইপের ভাইরাসের ভ্যাকসিন দিতে হবে। এইচ-ফাইভ সংক্রমণের ক্ষেত্রে এইচ-ফাইভ এবং এইচ-নাইন সংক্রমণের ক্ষেত্রে এইচ-নাইনযুক্ত ভ্যাকসিন দিতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় আমদানি করা ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। পরে "ওআইই" গাইডলাইন অনুযায়ী ল্যাবরেটরিতে ভ্যাকসিন তৈরি করা যেতে পারে।
ভ্যাকসিন রোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন কথা শোনা যায়, ভ্যাকসিন প্রদানের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে মুরগিগুলো আগে থেকে সংক্রমিত কি না। "ওআইই" গাইডলাইন অনুযায়ী ইন-অ্যাক্টিভেটেড বা মৃত ভ্যাকসিন থেকে রোগ সৃষ্টির কোনো আশঙ্কা নেই। লাইভ ভ্যাকসিন বার্ড ফ্লু বা এভিয়েন-ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা নিষেধ। তবে রিকম্বিনেন্ট ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এইচ-ফাইভের জিন পক্স বা রানিক্ষেত ভাইরাসের ভেতর গ্রাফটিং করা হয়।
এ ক্ষেত্রে শুধু এইচ-ফাইভ এন্টিজেন ব্যবহার করা হয়, তাহলে প্রটেকশন তৈরি হবে এবং নতুন ভাইরাস জন্ন নেওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে অনুমোদনহীন এবং "ওআইই" গাইডলাইন অনুযায়ী যেসব ভ্যাকসিন তৈরি নয় কিংবা স্থানীয়ভাবে অটোজেনাস প্রক্রিয়ায় তৈরি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বিশুদ্ধতা এবং ইনঅ্যাক্টিভেশন প্রক্রিয়া যথেষ্ট নয়−এ ধরনের ভ্যাকসিন রোগ প্রতিরোধের জায়গায় রোগ বিস্তার ঘটাতে পারে। আমাদের আশপাশের দেশে এ রকম উদাহরণ রয়েছে।
হ্যাচারিতে এক দিনের বাচ্চাদের রিকম্বিনেন্ট অথবা ইনঅ্যাক্টিভেট ভ্যাকসিন দুই-ই ব্যবহার করা যেতে পারে। ভ্যাকসিন করা মুরগি অনেক বেশি নিরাপদ। এসব মুরগি যদি কোনো কারণে সংক্রমিত হয়ও তাহলে এদের মুরগির বিষ্ঠা থেকে অনেক কম পরিমাণ ভাইরাস নির্গত হবে। এ ক্ষেত্রে ভাইরাসের চ্যালেঞ্জ অনেক কমবে। পৃথিবীর অনেক দেশে ভ্যাকসিন করে ভালো ফল পেয়েছে। যেমন−চীন, ভিয়েতনাম, হংকং, ইতালি, ম্যাক্সিকো, গুয়েতেমালা এসব। আমাদের দেশের এই ভাইরাস এখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। এটি আমাদের আশার খবর। কিন্তু মানুষের মধ্যে যেন না ছড়ায় সেজন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। বিষয়টি হালকা করে দেখার কিংবা সময়ক্ষেপণের কোনো সুযোগ নেই।
এম এম খান
পশুরোগ বিশেষজ্ঞ
কোলরিনেটেড ওয়াটার দিয়ে মাংস ও ডিম ধুয়ে ফেলতে হবে
বাজারে যারা মুরগি বিক্রি করে, তাদের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তাদের মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও চশমা পরা দরকার। যেন তারা কোনোভাবে সংক্রমিত না হয়। কোলরিনেটেড ওয়াটার দিয়ে মুরগি ও ডিম ধুয়ে ফেলতে হবে। যেন ক্রেতারা জীবাণুমুক্ত ডিম ও মাংস পায়। মুরগির নাড়িভুঁড়ি, চামড়া এবং সব বর্জ্য সিটি করপোরেশনের নির্দিষ্ট পাত্রে রাখতে হবে। দিন শেষে মুরগি বিক্রির জায়গা ভালোভাবে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। মুরগির খাঁচাও জীবাণুনাশক স্প্রে করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সহজে পরিষ্ককার করা যায় সে ধরনের খাঁচা ব্যবহার করা দরকার।
ডা. এ কে এ সিরাজুল হক
সাবেক রেজিস্ট্রার
বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল
সূত্রঃপ্রথম-আলো ০৮/০৩/২০০৮
কৃতজ্ঞতাঃ মুর্শেদের ইউনিকোড লেখনী ও পরিবর্তক ২.১.০

অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
কপি-পেস্ট
কপি পেস্ট তো দেখলেই বুঝা যায়, তাই বলে কি অন্যের সুনাম খারাপ লাগে নাকি শুনতে?

অফলাইন
সেভারাস লিখেছেন:
আলোকিত লিখেছেন:
কপি-পেস্ট
কপি পেস্ট তো দেখলেই বুঝা যায়, তাই বলে কি অন্যের সুনাম খারাপ লাগে নাকি শুনতে?
জ্বে না।
ফোরামের সবচেয়ে নিয়মিত সদস্য সব লেখা কপি-পেস্ট করে দিলে মানায় না।
সূত্র উল্লেখ সহ কপি-পেস্ট করলে কোনই অসুবিধা নাই। কিন্তু সেই সাথে আপনার কাছ থেকে নিজের লেখা বিশ্লেষণমূলক এবং তথ্যবহুল টপিকও আশা করি। আপনি যে সাবজেক্টে পড়াশুনা করেন সে বিষয়েই মাঝেমধ্যে লিখতে পারেন 
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !বার্ড ফ্লু নিয়া চিল্লাফাল্লা কইরা তো আমগো পোলট্রি শিল্প খাইলেন
অথচ এখন পর্যন্ত একজনের কথাও শুনলাম না বাংলাদেশে যে কিনা এই রোগে মারা গেছেন।
একটু বাড়াবাড়ি মনে হয় তাই এইসব
অফলাইন
ফোরামে পড়ালেখা করার সখ কারও নাই, এখানে মূলত মানুষের সাথেই পরিচিত হতে আসা । তোমার কোনো কাজ না থাকলে তুমিই পড়ালেখার বিষয় নিয়ে টপিক পোস্ট করো

অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !ফোরামে পড়ালেখা করার সখ কারও নাই, এখানে মূলত মানুষের সাথেই পরিচিত হতে আসা । তোমার কোনো কাজ না থাকলে তুমিই পড়ালেখার বিষয় নিয়ে টপিক পোস্ট করো
কিসের সাথে কি!





ফোরামের উদ্দেশ্য পরিচিত হওয়া??
বার্ড ফ্লু ভাইরাস স্থায়ী প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের মতামত
এই শিরোনামে এত বড় পোস্ট দিয়ে আপনি কার সাথে পরিচিত হলেন এখানে তো মুরগী নাই
এইরকম অবান্তর কমেন্ট করে নিজেকে হালকা করবেন না ![]()
![]()
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
আপনি যে সাবজেক্টে পড়াশুনা করেন সে বিষয়েই মাঝেমধ্যে লিখতে পারেন
সেভারাস লিখেছেন:
ফোরামে পড়ালেখা করার সখ কারও নাই, এখানে মূলত মানুষের সাথেই পরিচিত হতে আসা । তোমার কোনো কাজ না থাকলে তুমিই পড়ালেখার বিষয় নিয়ে টপিক পোস্ট করো
@ মুজতবা: তুমি আমার সাথে খামাখা তর্ক করতে এসো না, কেমন বাচ্চাদের মত কিছু না বুঝেই কমেন্ট করে ফেল। আস্ত একটা টিউবলাইট
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেভারাস (১৮-০৪-২০০৮ ০১:২৫)

অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !সেভারাস ভাই খুচাবিদ পদ আপনি একা দখল করে থাকলে কেমনে হবে??
এর আগেও আপনি কোট করে কমেন্ট করেন নাই
আমার মনে হয় কাজ গুলা আপনি ইচ্ছে করে ঝামেলা করার জন্য করেন
অফলাইন
তোমার মত টিউবলাইটদের জন্য এরপর থেকে কোট করতে হবে দেখি

অফলাইন