আমি পশ্চিম ধানমন্ডির জাফরাবাদ থাকি, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যওয়ায় ভোটার হতে পারিনি। তারপর যখন ঢাকায় আসলাম তখন এখানে ভোটার তালিকার কাজ শেষ। তখন জানতে পারলাম ধানমন্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাদ পড়া ভোটার দের তলিকা হবে। সেখানে গেলাম, কিন্তু সেখানেও স্যমসা। সেখানে ওয়ার্ড কমিশনার না থাকলে মানে তার অনুমতি ছাড়া ভোটার হওয়া যাবে না। শেষমেষ ফিরে এলাম। এখন ভোটার ঢাকায় হতে পারব কিনা জানিনা।
এভাবে কি ভোটার তালিকার কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবে?
অফলাইন
ইমন লিখেছেন:
আমি পশ্চিম ধানমন্ডির জাফরাবাদ থাকি, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যওয়ায় ভোটার হতে পারিনি। তারপর যখন ঢাকায় আসলাম তখন এখানে ভোটার তালিকার কাজ শেষ। তখন জানতে পারলাম ধানমন্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাদ পড়া ভোটার দের তলিকা হবে। সেখানে গেলাম, কিন্তু সেখানেও স্যমসা। সেখানে ওয়ার্ড কমিশনার না থাকলে মানে তার অনুমতি ছাড়া ভোটার হওয়া যাবে না। শেষমেষ ফিরে এলাম। এখন ভোটার ঢাকায় হতে পারব কিনা জানিনা।
এভাবে কি ভোটার তালিকার কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবে?
অবশ্যই পাবেন, যারা ভোটার হতে পারে নাই তাদের জন্য সম্ভবত ৩১শে মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আপনা ঢাকায় স্থানীয় হাজী ক্যাম্পে যোগাযোগ করতে পারেন। চট্টগ্রামে হলে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারতাম।<চট্টগ্রাম বিভাগীয় ষ্টেডিয়াম>
অফলাইন
ইমন লিখেছেন:
আমি পশ্চিম ধানমন্ডির জাফরাবাদ থাকি, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যওয়ায় ভোটার হতে পারিনি। তারপর যখন ঢাকায় আসলাম তখন এখানে ভোটার তালিকার কাজ শেষ। তখন জানতে পারলাম ধানমন্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাদ পড়া ভোটার দের তলিকা হবে। সেখানে গেলাম, কিন্তু সেখানেও স্যমসা। সেখানে ওয়ার্ড কমিশনার না থাকলে মানে তার অনুমতি ছাড়া ভোটার হওয়া যাবে না। শেষমেষ ফিরে এলাম। এখন ভোটার ঢাকায় হতে পারব কিনা জানিনা।
এভাবে কি ভোটার তালিকার কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবে?
ইমন ভাই কোন চিন্তা করবেন না। ভোটার হওয়ার জন্য এত উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারন নাই। এই জন্য যে যারা নির্বাচন করবে তাদের অনেকেই এখনও পলাতক আছে। আমার মোটামুটি একরকম জোড়া তালি দেওয়া আত্মিয় গত বিএনপি-র আমলে এমপি হইছিল। তার সরকারী সুযোগ সুবিধার অংশ আমিও পাইছি। এই যেমন সরকারী প্যাড, দামি কাগজ কলম, বিভিন্ন ষ্টেশনারী সামগ্রী, গাড়িতে চড়ে যেখানে সেখানে যাওয়া (এই ধরুন ৪০০ মিটার দুরের দোকান থেকে গাড়িতে চড়ে কাবাব আর তন্দু রুটি আনা ) । খুবই ভাল মানুষ। এই জন্য কিছু দিন আগে তার ১৩ বছরের জেল হইছে।
এই সব ভাল মানুষগুলো এখনও পালিয়ে আছে। তাদের সাঙ্গ পাঙ্গরাও পালিয়ে আছে। তারাও তো ভোটার হবে। আর নির্বাচন এগিয়ে এলে তারাই আপনার ভোটার হওয়ার ব্যাবস্থা করে দেবে। কাজেই এটা নিয়ে দু:শ্চিন্তা না করাই ভাল। আর বাংলাদেশে যত সুক্ষ তালিকাই হোক না কেন গলাবাজী করার ৫ মিনিট পুর্বেই যে ১৮ বছর পুরা করল তারেই ধরে সুবিধা বন্চিত অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের নেতা কর্মীরাই চিৎকার দিয়ে বলবে যে, এই দেখুন ১৮ বছরের পোলা বাদ পড়ছে। এটা সঠিক তালিকা হয় নাই।
( উল্লেখ্য আমি গত ১২ তারিখে মোহাম্মাদপুর পিটি কলেজে ভোটার হতে গিয়ে হয়রান হয়ে পড়ে ভুয়া বর্তমান ঠিকানা দিয়ে খামার বাড়িতে ভোটার হইছি। তবে স্থায়ী ঠিকানা ঠিকই দিয়েছি। তবে আমি সুধু ন্যাশনাল আইডি-র জন্য ভোটার হইছি। আমি কোন দিনই ভোট দেইনি, দেবও না মনে হয়। )
অফলাইন