কথা রেখেছেন বিপুল দেবনাথ। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায়ও তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছেন। চায়ের দোকানে কাজের পাশাপাশি পড়ালেখা করে ২০০৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি। ঢাকা ক্যামব্রিয়ান কলেজের সহযোগিতায় সেখান থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দেন বিপুল।
বিপুল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিমা গ্রামের বিমল দেবনাথের ছেলে। বিমল দেবনাথ জানান, কালীগঞ্জ শহরের কলেজ রোডে একটি টং-দোকানে চা বিক্রি করেন তিনি। বাবা-ছেলে মিলে কাজ করে প্রতিদিন ৫০-৬০ টাকা আয় করতেন। তা দিয়েই চলত পাঁচজনের সংসার।
বিপুল জানান, এসএসসিতে ভালো ফল করায় প্রথম আলোতে তাঁকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। পরে ঢাকার ক্যামব্রিয়ান কলেজ কর্তৃপক্ষ সহযোগিতার হাত বাড়ায়। তারা ঢাকায় থাকা ও বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ করে দেয়। পাশাপাশি লোকনাথ ব্রমচারী আশ্রম ও মন্দির কর্তৃপক্ষও তাঁকে মাসিক কিছু টাকা সাহায্য দিত। এভাবে চলেছে তাঁর দুটি বছর। এবারও তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনি আরও পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চান। কিন্তু আর্থিক কষ্ট আবারও সামনে এসে দাঁড়িয়েছে তাঁর। তাই পড়ালেখাটা শেষ করতে পারবেন কি না তা নিয়ে শঙ্কিত বিপুল।
সুজনের জন্য অনুদান
রাজশাহীর পুঠিয়ার গোটিয়া অজপাড়াগাঁয়ের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সুজনকে তিন হাজার ৩০০ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।
সুজন এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় পুঠিয়া ধোপাপাড়া হাইস্কুল থেকে গোল্ডেন প্লাস পান। প্রথম আলোয় গত ৭ আগস্ট ‘গল্পের সুজন আর তাঁর মা হাজির হলেন মঞ্চে’ শিরোনামে একটি খবর ছাপা হয়। এরপরই গত বুধবার পুঠিয়ায় ১৪টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সুজনকে সংবর্ধনা এবং লেখাপড়ার জন্য অনুদান দেওয়া হয়।সূর্যমুখীর কুঁড়ি সবসময়ে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে কেন?
সূত্রঃ প্রথম আলো

অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???হুম
পত্রিকাতে পড়েছিলাম।
প্রথম আলোর লিংক দিয়ে লাভ নাই। কারণ প্রথম আলো পুরাতন কিছু ফ্রি পড়তে দেয় না।
অফলাইন