বসে অাছিবিগত কয়েক বছর ধরেই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাসের গড় হার ও জিপিএ প্রাপ্তির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে না ওঠার কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিষয়ে ভর্তি হতে পারছে না। চলতি বছরেও প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী এ সমস্যার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও গবেষণা ব্যুরো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, দেশের ৭টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২,৭৭,০০০। জিপিএ-৫ অর্জনকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১,১৪০। এ সংখ্যার বিপরীতে সার্বিকভাবে ১,৪৫০টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যা ১,৭৬,৫৯২। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত ১৭০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৭৬,৫৯২ জন শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি এবং ১ লাখ শিক্ষার্থী পাস কোর্সে পড়ার সুযোগ পায়। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যেহেতু অনার্স ডিগ্রিই প্রধান মানদ-, তাই পাস কোর্সের এই ১ লাখ আসন আলোচ্য পরিসংখ্যানের অন্তর্ভুক্ত হবে না। এ ছাড়া
৫২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৫,০০০ শিক্ষার্থী বর্তমানে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে। অর্থাৎ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত কলেজে অনার্স ডিগ্রি, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি ইউনিভার্সিটিতে ১,৭৬,৫৯২টি আসন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫,০০০ আসন মিলিয়ে ২,৭৭,০০০ উত্তীর্ণ প্রার্থীর বিপরীতে আসন রয়েছে ১,৯১,৫৯২। অর্থাৎ প্রায় ৮৫,৪০৮টি আসন এই হিসাবে ঘাটতি থাকে। আসন ঘাটতির পাশাপাশি ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির চাহিদার বিপরীতে জিপিএ-৫-এর সংখ্যা কম-বেশি এক হওয়ায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী অনেক প্রার্থী তাদের পছন্দমত বিষয় কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে না।
ডেসটিনি
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেলফ_স্যাটার্ড (২৯-০৮-২০০৭ ১৪:৪৯)
অফলাইন