Forum, Projanmo, projonmo, Bangla Forum, Bangladeshi Forum,Bangladesh,Adda, bangla, community, bulletin board, software, hardware, information technology, mobile, politics, history, culture, friendship, tutorial,get together, university, study, higher study, computer, trouble, troubleshooting, telecome
30% Discount in Hosting

#১ ২৩-০৬-২০০৭ ১১:২০

সেভারাস
প্রজন্ম গুরু
Current Status...বিদায় প্রজন্ম। সবাই ভালো থেকো। ভাগ্যে থাকলে আবার দেখা হবে সূদূর ভবিষ্যতে
থেকে: এন.এস.ইউ
নিবন্ধিত হয়েছেন: ৩০-০১-২০০৭
পোস্ট: ৩৫২৮
ওয়েবসাইট

আবার দেশকে লজ্জায় ফেলে পলায়ন

উন্নত জীবনের আশায় আবার এক অ্যাথলেটের বিদেশে পলায়ন এনে দিল দেশের জন্য লজ্জা। এভাবে দেশকে আর কত লজ্জা পেতে হবে?crying

এস এম মাহবুব মুর্শেদ ও অরূপ কামাল এর কনভার্টার ব্যবহার করেঃ

ইতালিতে একটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে পালিয়ে গেলেন এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী অ্যাথলেট মাহফুজুর রহমান মিঠু। জানা যায়, মালয়েশিয়ায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষে এ মাসের প্রথম সপ্তাহে ইতালি যান তিনি। ইতালি অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের আমন্ত্রণেই ওই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যান তিনি। প্রতিযোগিতা শেষে মিঠু আর ফেরেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের এক কর্মকর্তা জানান, মিঠু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শেষে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) কাউকেই রিপোর্ট করেননি। বিদেশে কোন টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে ক্রীড়াবিদদের পালানোর ঘটনা নতুন নয়। ১০০ মিটার হার্ডলস মিঠুর ইভেন্ট। ওই ইভেন্টে অংশ নিতে গিয়েই লাপাত্তা হন তিনি। তার সঙ্গে আরেক অ্যাথলেট সুমিতা রানী দাসও পালিয়েছেন বলে জানা যায়। তবে ফেডারেশন এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। এর আগে জানা যায়, মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন তারা। সেখান থেকে ইতালি। উদ্দেশ্য একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া। এরপর আর কোন খবর নেই বাংলাদেশের দুই অ্যাথলেট মাহফুজুর রহমান মিঠু ও সুমিতা রানীর। তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) চিঠি দিয়েছিল মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। উত্তরে তারা জানায়, ইতালি যাওয়ার পর কোন খোঁজ নেই মিঠু ও সুমিতার। বিওএ’র কাছে কোন খবর নেই এ দুই অ্যাথলেটের। দু’জনই লাপাত্তা। বিদেশে অ্যাথলেটদের পালিয়ে যাওয়া কোন নতুন ঘটনা নয়। পরিসংখ্যান বলছে, বিদেশে এ পর্যš- যে সব ক্রীড়াবিদ পালিয়েছেন তাদের মধ্যে অ্যাথলেটদের সংখ্যাই বেশি। সেই আশির দশকে বিমল চন্দ্র তরফদার দিয়ে শুরু। এরপর একে একে অনেক ক্রীড়াবিদ বিদেশে পালিয়ে গেছেন। কেউ কেউ ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন ধরা পড়ে। আবার কেউ কেউ রয়ে গেছেন ভিনদেশে। বিভিন্ন সময়ে ক্রীড়াবিদদের বিদেশে পালানো রোধ করতে কড়া পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হলেও তা কোন দিনই বা¯-বায়ন করা সম্ভব হয়নি অতীতের কোন সরকারের পক্ষেই। ক্রীড়ামহল মনে করেন, বর্তমান নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্রীড়াঙ্গন থেকেও দুর্নীতি দূর করার যে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন, তার বাইরে বিদেশে ক্রীড়াবিদদের পালানো রোধ করার জন্যও বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিতে পারেন। কেননা বিদেশে কোন ক্রীড়াবিদ পালিয়ে গেলে তা দেশের ভাবমূর্তি অনেকখানি ক্ষুণœ করে। তাই এখনই এই অসুস্থ প্রবণতা রোধ করা জরুরি। ক্রীড়ামহলের আশা, বর্তমান সরকারের পক্ষেই সম্ভব এই অসুস্থ ধারা রোধ করা। ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর জবাবদিহিতার প্রশ্নও এখানে জড়িত। যে সব ফেডারেশনের খেলোয়াড় বিদেশে গিয়ে আর ফিরবেন না সে সব ফেডারেশনকে অনুদান দেয়া বন্ধ করে শা¯ি-র ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে বলে ক্রীড়ামহল মনে করেন।

মূল সংবাদ


-----------------------
রক্তের গ্রুপঃ b+ 
http://forum.projanmo.com/uploads/2008/03/134_severus_snape.jpg

অফলাইন

 

Board footer

এটি তৈরি করা হয়েছে পানবিবি ইঞ্জিনের উপর
অনুবাদ ও পরিচালনা: দ্যা হাঙ্গরিকোডার
পানবিবি'র স্বত্ব:  পানবিবি
তথ্য বিনিময় (সিন্ডিকেশন)

[ Generated in 0.034 seconds, 9 queries executed ]