টপিকঃ ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)
সস্তায় উচ্চক্ষমতার ইন্টারনেট-সেবা
এবার ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স দেবে বিটিআরসিউচ্চক্ষমতার ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সেবা নিয়ে দেশে শিগগিরই আসছে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি। তারবিহীন এই প্রযুক্তিতে সস্তায় সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সেবা পাওয়া যাবে। জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে এ সংক্রান্ত লাইসেন্স দেবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন−বিটিআরসি। ফলে এ বছরের মধ্যেই ওয়াইম্যাক্সের সেবা পাবে দেশের মানুষ।
এ লক্ষ্যে র্যাডিসন হোটেলে ১২ মে থেকে দুই দিনের কর্মশালার আয়োজন করেছে বিটিআরসি। কর্মশালায় পাওয়া দিকনির্দেশনা মাসখানেকের জন্য বিটিআরসির ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হবে। সবার মতামত পর্যালোচনা করে চুড়ান্ত নীতিমালা তৈরি করা হবে এবং সে অনুযায়ী জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে লাইসেন্স দেওয়া হবে।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মনজুরুল আলম আশা প্রকাশ করেছেন, এই বছরের মধ্যেই ওয়াইম্যাক্সের সংযোগের সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। ওয়াইম্যাক্সের পর একই ধরনের ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি থ্রিজির লাইসেন্স দেওয়া হবে।‘হাউস্টাফওয়ার্কস’ নামে একটি ওয়েবসাইটের সমীক্ষায় বলা হয়, গ্রাহক পর্যন্ত ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ব্রডব্যান্ড পৌঁছাতে খরচ হয় আট ডলার। অপরদিকে অন্যান্য প্রযুক্তিতে ব্রডব্যান্ডের সংযোগের ক্ষেত্রে খরচ ৩০ ডলার থেকে শুরু করে এক হাজার ২৫০ ডলার পর্যন্ত। ওয়াইম্যাক্স খাতে বিনিয়োগও তার থ্রিজি কিংবা অন্যান্য প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কম।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ব্রডব্যান্ড সস্তা, সরল, ক্ষুদ্র এবং ব্যবহার সুবিধাজনক। এই প্রযুক্তি কম ফ্রিকোয়েন্সি বা বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় তরঙ্গে চলতে সক্ষম।বিটিআরসি বলছে, মাত্র একটি টাওয়ার দিয়ে চার থেকে পাঁচ বর্গকিলোমিটার এলাকায় তারবিহীন ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়া যাবে ওয়াইম্যাক্সে। মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে মাত্র একটি ক্ষুদ্র চিপ দিয়েই এর ইন্টারনেট-সেবা পাওয়া যাবে। ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব এমন সব মোবাইল বা ল্যাপটপে ওয়াইফাই প্রযুক্তির যন্ত্র বসানো থাকে। তাদের জন্য আলাদাভাবে আর ওয়াইম্যাক্সের চিপ সংযোজন করতে হবে না।
ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স সারা দেশের জন্যই দেওয়া হবে। তবে লাইসেন্স উন্নুক্ত নিলাম পদ্ধতিতে নাকি শর্তসাপেক্ষে অপেক্ষাকৃত যোগ্যকে দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে বিটিআরসি এখনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি।সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছে, ইউরোপের কয়েকটি দেশে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ডের আরেক প্রযুক্তি থ্রিজির লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া নিলামের মাধ্যমে হওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত পুরো বিনিয়োগ ভেস্তে যায়। নিলামে লাইসেন্সের বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ এবং এর অবকাঠামো তৈরির পর সংযোগের দাম অনেক বেড়ে যায়। অপরদিকে যোগ্যতার ভিত্তিতে লাইসেন্স দেওয়া হলে লাইসেন্স খাতে খরচ হয় না, খরচ শুধু হয় অবকাঠামো খাতে।
বিটিআরসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, টেলিযোগাযোগে নেটওয়ার্কের জন্য দেশে আর কোনো নতুন টাওয়ার নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। সব কোম্পানিকেই বিদ্যমান টাওয়ার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবহার করতে হবে। এ ব্যাপারে শিগগিরই দিকনির্দেশনা প্রকাশ করা হবে। ফলে যারা ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স পাবে তারা বিদ্যমান টাওয়ারগুলোই ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এতে অনেক কম খরচে কাজ করা সম্ভব হবে।
সূত্র প্রথম আলো ১১-০৫-০৮
আমার মনে হয় ওয়াইম্যাক্সের সার্ভিস চালু হলে নতুন যুগের সুচনা হবে।
আমার জানা মতে বর্তমানে বাংলাদেশে কোন মোবাইল অপারেটর লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে না।
আমার বর্তমান এবং স্থায়ী আবাস।
www.shamokaldarpon.com। যেখানে আমি কথা কই, আপন মনে


লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত