টপিকঃ অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী কথায় কথায় ডিকশোনারি।

ইদানিং সবাইকেই দেখছি ব্লগে লিখতে.. দেখে আমার কেন জানি হিংসেই হল..
তাই নিজের জন্য আলাদা একটা ব্লগ বানালাম..আসলে বানিয়েছি অনেক আগেই কিন্তু
কোন লেখা লিখিনি.. আজ থেকে চিন্তা করলাম.. জীবনে যা কিছু শিখেছি..শিখছি.. শিখব
সব লিখে ফেলব।
তো শুরু করে ফেল্লাম।
হুমম.. গত তিন বছর ধরে আর্কিটেক্টচারের উপর পড়াশুনা করছি, কিন্তু নিজের কাছে তেমন পছন্দ হয়নি বিষয়টি,
আর যে বিষয়টি আমার নিজেরই ভালো না লাগে, সেটা করে কোন লাভ আছে?
আমার একটা কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে..সেই কাজেই আমার সবচেয়ে বেশি শ্রম এবং সময দিতে হবে!
তো.. এমন একটা কাজ নিশ্চই আমি করব না যেটা আমার ভালো না লাগে!
তো সেপ্টেম্বর থেকে বিষয় পরিবর্তন করছি, গ্রাফিক্স এন্ড পাবলিসিটিতে ভর্তি হলাম।
যেদিন নতুন কলেজে গেলাম একটু কলেজটাকে দেখতে, সেদিন-ই মনের মধ্যে একটা অন্য রকম মজা অনুভব
করতে লাগলাম, মনে হল আমি পারব। যদিও এখনও কিছুই জানি না..
তবুও নিজের মন নিজেকে সায় দিল..আমি মনে হয় পারব।
তো আর কি.. ছোট খাট কিছু কাজ দেখাতে হবে.. এবং মজা করে একটা কথাও বলে দিলাম..
যে আমি নিজেও ওয়েব ডিজাইন করি..তো আর কি... আমার কিছু
প্রজেক্ট দেখতে চাইল ম্যাডাম। ১ সপ্তাহ সময় পেলাম এর মধ্যে। কিছু নেট থেকে বই নামালাম..তারপর দেখালাম..
ফন্ট ডিজাইনের একটা ব্যপার দেখলাম বই-তে.. অটোক্যাড আমার জানাই ছিল..
তো চিন্তা করলাম, বানিয়ে দেখি একটা ফন্ট। নিজের মন মত আকা-বাকা তেরা যা হয় তাই-ই..
অল্প বিদ্যা খুবই ভয়ংকর.. কিন্তু আমি পার পেয়ে গেলাম.. কারন আমি এই উপরের ফন্টগুলোর প্রজেক্ট ম্যাডামকে দেখালাম...
ম্যাডাম তো দেখে খুশি... আমি নিজেও খুশি ।। মনে হয় এডমিশনটা হয়ে যাবে ।।
ফুর্তিতে যাচ্ছে দিনগুলো..
২০০৮ সাল খুবই ব্যাজাইল্লা সাল.... মাঝে মাঝে খুব দুঃখ দেয়..মাঝে মাঝে খুবই আনন্দ দেয়।












