টপিকঃ আফ্রিকায় কৃষি খাতে বিনিয়োগ করা হবে
আফ্রিকার অনাবাদি জমি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগ করবে বাংলাদেশ। এতে শুধু খাদ্যনিরাপত্তাই নিশ্চিত হবে না, কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে।
তবে বিদ্যমান মুদ্রানীতি বহাল থাকলে তা সম্ভব হবে না। আফ্রিকায় বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করতে তাই মুদ্রানীতি পরিবর্তন করা হবে।
গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আফ্রিকায় কৃষি-বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান এসব কথা বলেছেন।
স্থানীয় এনজিও জোট (সিএলএনবি) আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংসদ মতিউর রহমান, সাংসদ সানজিদা খানম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক ওয়ালিউর রহমান, ইলিয়াস ইফতেখার রসুল প্রমুখ।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি পরিবর্তন করে দেশের ব্যবসায়ীদের বিশেষ করে আফ্রিকা মহাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় সব দেশে বিপুল পরিমাণ জমিতে কোনো চাষবাস হয় না। অথচ এসব জমি খুবই উর্বর। এসব জমি অনাবাদি থাকার কারণ হলো কৃষিপ্রযুক্তির অভাব। সম্প্রতি চীন ও ভারত আফ্রিকার দেশগুলোতে বিনিয়োগ করছে। এসব দেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পেও বিনিয়োগ করছে চীন ও ভারত।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সুনামের সঙ্গে কাজ করার ফলে আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশ অনেক জনপ্রিয় বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
ফারুক খান বলেন, জাম্বিয়া, কঙ্গো, সুদানসহ অনেক দেশের সরকার বাংলাদেশকে অনেক সুযোগ-সুবিধাসহ বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের কারণে তা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে পাঁচ হাজার ডলারের বেশি দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্য বক্তারাও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় কৃষিজমি কম। ফলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া যাচ্ছে না। অথচ আফ্রিকার দেশগুলোতে কৃষিজমি ব্যবহার বা কৃষিকাজ না জানার ফলে লাখ লাখ একর জমি অনাবাদি পড়ে আছে।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষকেরা এসব জমি ৯৯ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে চাষ করতে পারলে বিপুল পরিমাণ শস্য ফলাতে পারবেন। এসব শস্য বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও সরবরাহ করতে পারবেন। আর এ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আড়াই লাখ কৃষিশ্রমিক আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
বক্তাদের মতে, সরকারের সমর্থন পেলে আফ্রিকা মহাদেশে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতসহ আরও অনেক খাতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এতে বিপুল পরিমাণ মানুষের জন্য আফ্রিকায় থাকা ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা সম্ভব।
সূত্রঃ প্রথমআলো
দেশেই তো চিপায় চাপায় অনেক অনাবাদী জমি পড়ে আছে। সেইগুলার খবর নাই এখন আফ্রিকায় যেয়ে চাষ করতে হবে।
আর এখন নারীদের দেখলে পুরুষরা লজ্জা পায়!
হায়রে আধুনিকতা......
