হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলছেন।
তবে দু'টোর মধ্যে পার্থক্য আছে - ওদের ক্রেডিট কার্ড মোটামুটি আর দশটা সাধারণ ক্রেডিট কার্ডের মতই। আপনার পেপাল এ্যাকাউন্টের ফান্ড ওটাতে ব্যবহার করতে পারবেন না (তবে পুরোপুরি শিওর না)। লাভের মধ্যে ওটা দিয়ে কেনাকাটা করলে পেপাল-এ কিছু পয়েন্ট পাবেন আর ইবে-তে ৯০ দিন (কম বেশিও হতে পারে) পর্যন্ত ক্রেডিটে কেনাকাটা করতে পারবেন।
আর ডেবিট কার্ড দিয়ে আপনার পেপাল এ্যাকাউন্টের ফান্ডের টাকা সরাসরি এটিএম থেকে তুলতে পারবেন - আমি ধরে নিয়েছিলাম আপনার উদ্দেশ্য ওটাই। (আমি মূলত: এই উদ্দেশ্যেই ইউএস এ্যাকাউন্ট করিয়ে নিয়েছিলাম
) আমার এ্যাকাউন্টে লগ-ইন করলে শুধুমাত্র ডেবিট কার্ডের অফারই দেখায়।
প্যাট্রিয়ট আইনের কারণে এখন নন-সিটিযেনরা আর ইউএস ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলতে পারেনা, তবে বেশ কিছু লূপহোল আছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পন্থা হলো ই-ট্রেড এ্যাকাউন্ট (এরা মূলত: ব্রোকারেজ হাউস, তবে লিমিটেড ব্যাংকিং সার্ভিস দেয়)। এছাড়া কিছু মালয়শিয়ান ব্লগারের কথা জানি, যারা নিউ মেক্সিকোর টমেটো ব্যাংক এবং এই ধরণের কিছু দুইনম্বরী ব্যাংকে এ্যাকাউন্ট খুলে পেপাল ভেরিফাই করেছে। অনেক আগে ট্রুকার্ডস, সাইমন সে'জ ইত্যাদি কিছু সাইটে ভেরিফাইড পেপাল, ইবে এ্যাকাউন্ট বিক্রি করতো। এগুলো এখনো আছে কিনা জানিনা - গুগল করে দেখুন।
অফটপিক - ডেবিট কার্ডটাতে ইন্টারন্যাশনাল ট্রানয্যাক্সন করা যায় কিনা কে জানে? ক্রেডিট কার্ড ফ্রডের কারণে ওদের দেশে সাধারণত: ডমেস্টিকটা এনাবল করা থাকে, আমেরিকানরা দেশের বাইরে গেলে ক্রেডিট কোম্পানীতে যোগাযোগ করে ইন্টারন্যাশনালটা আনব্লক করে নেয়। পেপাল-এর ডেবিট কার্ডেও এরকম কোনো সীমাবদ্ধতা আছে কিনা কে জানে?