টপিকঃ ২০১০ সালে সারাদেশে ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট
নাজনীন নাহার
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনে বর্তমানে আলোচিত হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি। গত ২০০৮ সালের প্রথমভাগে বহু আলোচনা-সমালোচনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ৩টি প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদানের ঘোষণা দেয়। লাইসেন্স ফি ধার্য করা হয় ২১৫ কোটি টাকা। বিশাল অঙ্কের ফি প্রদান করা লাইসেন্সপ্রাপ্ত দুটি প্রতিষ্ঠান কিস্তিতে ফি পরিশোধসাপেক্ষে লাইসেন্স গ্রহণ করে। কিন্তু ২০০৮ থেকে সেপ্টেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত এখনও দেখা মেলেনি অত্যাধুনিক ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবার।
আসছে ওয়াইম্যাক্স
অন্যদিকে আগ্রহী গ্রাহকদের ধৈর্যেরও সহসা অবসান হচ্ছে না। লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান অজের ও বাংলালায়ন উভয়ই সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে সেবা উন্মোচনের তারিখ ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি আজও। গত মে মাসে ওয়াইম্যাক্স চালুর ঘোষণা দিয়ে থাকলেও তা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। কারণ হিসেবে কারিগরি সমস্যাকে দায়ী করে কর্তৃপক্ষ। তবে এত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাতে সম্প্রতি বাংলালায়ন ঘোষণা দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স সেবা চালুর। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সেবা চালু করেছে বাংলালায়ন। প্রাথমিকভাবে 'ফ্রেন্ডলি টেস্ট ইউস' প্রোগ্রামের আওতায় ঢাকা জেলার ১৫টি এলাকায় চালু হয়েছে সেবাটি। এলাকাগুলোর মধ্যে আছে উত্তরা, গুলশান, নাখালপাড়া ও মতিঝিল। আপাতত ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারকারীরা পাবেন ১ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা। প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ হাজার ব্যবহারকারী আশা করছে কর্তৃপক্ষ। সেপ্টেম্বরের শুরুতে কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলক সেবা কার্যক্রম শুরু হলেও পরিপূর্ণ পরীক্ষামূলক সেবা কার্যক্রম শুরু হবে চলতি মাসে। পুরো ঢাকায় ১৫টিরও বেশি বেজ স্টেশন স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় বাংলালায়ন সূত্র। আরও ৩৭টি বেজ স্টেশন স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশজুড়ে প্রাথমিক নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ শেষ করতে পারবে বলে উদ্যোক্তা আশা করছেন। আগামী ২০১০ সালের মধ্যে পুরো দেশ পরিপূর্ণভাবে ওয়াইম্যাক্স ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার আওতাভুক্ত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলালায়ন।
অত্যাধুনিক ফোরজি প্রযুক্তির সেবা গ্রাহকদের দেবে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সেবার সঙ্গে ডাটা, ভয়েজ ও ভিডিও সেবা। অজের বাংলাদেশ নামের অন্য ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটিও চেষ্টা করছে অচিরেই বাণিজ্যিক সেবায় আসতে। আশা করা যাচ্ছে, অচিরেই দেশের মানুষ স্বল্পমূল্যে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবে। ফলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত হবে। আর সর্বস্তরে তথ্যপ্রযুক্তির সার্বিক ব্যবহার নিশ্চিত হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে।

আপনারা কেউ কি বুঝতে পারছেন? কবে ফিরে পাব আবার সেই আগের মত সুন্দর একটা ফোরাম?







অক্টোবর পার হইয়া একন তারা ২০১০ এ দেবে? 


