টপিকঃ হামিদুর রহমানের আবিষ্কার কীভাবে ভুমিকা রাখতে পারে পরামর্শ কামনা করছি।
হামিদুর রহমানের আবিষ্কার কীভাবে ভুমিকা রাখতে পারে পরামর্শ কামনা করছি।
বিস্তারিতঃ
মোঃ হামিদুর রহমান,গ্রামঃমেকুরটারি,ডাকঘর ও উপজেলাঃরাজারহাট,জেলাঃকুড়িগ্রাম।বিগত ২০০১সালের ১৭ইমে কুড়িগ্রাম জেলার প্রেসক্লাব চত্ত্বরে আমার উদ্ভাবিত পানি আর্সেনিক মুক্তকরন ফিল্টার পদ্ধিত প্রদর্শন করা্ই।এই অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলাপ্রশাসক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী ।বিশেষ অতিথি ছিলেন জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহীপ্রকৌশলী রংপুর এম এ রশিদ,কুড়িগ্রাম পৌর চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম,কেয়ার,আরডিআরএস এবং ব্র্যাকের আর্সেনিক বিশেষজ্ঞগন।সকলের সামনে আমার আবিষ্কৃত প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি থেকে আর্সেনিক দূষণ মুক্ত করে দেখাই।এর পর বিশেষজ্ঞগন নিপসন ও মার্কসের পদ্ধিতির মাধ্যমে এই পানি পরিক্ষা করে এতে আর কোন আর্সেনিক দেখতে পাননি।আর্সেনিক বিশেষজ্ঞ,প্রকৌশলী,ডাক্তার, এনজিও এবং সরকারি কর্মকর্তা,সাংবাদকি ও দর্শকমন্ডলি এই পদ্ধিতি উচ্ছসিত প্রশংসা করেন এই প্রযুক্তি যাতে জাতিয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে গৃহীত হতে পারে সে ব্যাপারে বাংলাদেশ আর্সেনিক দুরীকরন পানি সরবরাহ প্রকল্প ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ আরো পরক্ষিা-নিরীক্ষা চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রএিকায় খবর প্রকাশ করেন।অথচ ৮বছরে কোন প্রকার উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর নেয়নি।তাই আমি নিজে পদ্ধতিটার উপযুক্ততা বিশদভাবে পরক্ষিা-নিরীক্ষা গ্রান্ট এর জন্য আবেদন করি ।বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ভাল সমাধান হতে পার।এ পদ্ধতিতে পানি আর্সেনিক দূর করার জন্য এককালীন প্রাথমিক খরচ২৫০টাকা।তবে প্রয়োজনীয় সমস্তকিছুই সহজলভ্য এবং পরিচলন খরচ শূন্য।আমি নিজে পারিবারিক ও পাড়া পর্যায়ে এ পদ্ধতিতে আর্সেনিক দুর করার যন্ত্র পরীক্ষামূলক কাজ করি ।এ পদ্ধতি সহজলভ্য, পাইকারীভাবে অনেকসংখ্যক ফিল্টার বানাতে গেলে বেশি পরিমানে সস্তায় সরবরাহ করা যাবে ফলে দাম দারাবে২০০টাকা।ফিল্টারের কার্যক্ষমতা অন্যান্য ফিল্টারের চেয়ে অনেক গুন বেশি।বাংলাদেশ সরকার কেন সহজলভ্য পদ্ধতির দিকে নজর দিলেন না।তা আমার জানা নাই।





