পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে (পাতা ১) - বটগাছ - বিবিধ - প্রজন্ম ফোরাম
আজ ৫ চৈত্র ১৪১৬ বাংলা

আপনি প্রবেশ করেন নি। দয়া করে নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করুন


পাতা 1

উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ বা নিবন্ধন করতে হবে

আরএসএস

পোস্টঃ [ ১১ ]

টপিকঃ পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

সম্প্রতি বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটলো তাতে পরাজিত হওয়ার একটা বাজে অনুভুতি হচ্ছে।

এই ধরণের পরিকল্পিত ঘটনা ঘটানোর সময় প্রথমেই একটা গ্রুপ সেন্টিমেন্টাল ইস্যূ খুঁজে বের করে, যেটা ঐ মূহুর্তে সৈন্যদের খেপিয়ে তুলতে পারে। জানা কথা গুলি চালানো শিক্ষা পাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বেশিরভাগেরই মগজ হাটুতে চলে আসে -- সুতরাং সহজেই তাঁদেরকে বিভ্রান্ত করে ভুল করানো সম্ভব হয়।

এই গ্রুপের কাজ হল তাতিয়ে তোলা, তারপর শুরু হয় হত্যাযজ্ঞ। আগের গ্রুপ উন্মাদনা ছড়িয়ে দিলেও পাইকারী খুন করানোর মত অবস্থা করতে পারে না। বিভ্রান্তি ছড়ায় এই বলে যে ওরা তাদের অফিসারদের মেরেছে .... আবার ওদের কাছে গিয়ে বলে এরা মেরে ফেলেছে ... সবাইকে বলে তোমাদের একজন জওয়ানকে অফিসার গুলি করেছে। আর এদিকে কিন্তু কিলার গ্রুপ ঘুরে ঘুরে খুন করতে থাকে, ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মত। দলীয় বা মিছিলে মানুষের ব্যবহার পাল্টে যায় (মব বিহেভিয়ার বলে আলাদা শব্দই আছে) ... রক্তের বন্যায় কিছু দূর্বল চরিত্রের জওয়ানও খুনিদের মত আচরণ করতে থাকে।

আরেকটি গ্রুপ বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত থাকে। চিল্লিয়ে মিডিয়াকে জানায় মনগড়া কিন্তু বেশ মর্মস্পর্শী কিছু কাহিনী। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সেটা সময় পাইয়ে দেয় কসাইদের, অগোচরে নিরাপদে বের হয়ে চলে যাওয়ার জন্য। এদের আসা যাওয়া সহজ করার জন্য বাইরের দিকে এলোপাথারি গুলিও চলতে থাকে। খবর ছড়ানো হয় যে, সেনাবাহিনীর অগ্রসর ঠেকানোর উদ্দেশ্যে এই গুলি। আর্মার্ড কার বলে এক ধরণের বাহন আছে যেটা দিয়ে এই গুলির মধ্যেও চাইলে সেনারা এগোতে পারতো।

বাইরের এজেন্টরা মিছিল করায়, মিছিলের সাথে মিশে বেরিয়ে যায় আরো কিছু ঘাতক; অগ্রসরমান ট্যাঙ্ক বহরকে আটাকানোর চেষ্টা করে পাবলিক সেন্টিমেন্ট দিয়ে। বেশিরভাগের চোখকে ধুলা দিয়ে কী রকম সাবলিল ভাবে এ্যাত বড় একটা নিখুত ক্ষতি করে দিয়ে গেল দেশের সেনাবাহিনীর!

---
বুলডগকে শক্রুকে কামড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ দিলে সেটা মালিককের গাল চাটবে না .. তাদের দিকেও দাঁত খিচাবে .... এই বৈশিষ্টের বুলডগই দরকার। তাই বুটের লাত্থি খাওয়া ব্লাডি সিভিলিয়ান হলেও সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নাই। তাঁদের এ্যাতজন উন্নত স্ট্র্যাটেজিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চৌকস শীর্ষ কর্মকর্তা হারানো সেনা কর্মকান্ডে একটা বিরাট শূণ্যতার সৃষ্টি করবে নিঃসন্দেহে।

---
সেনাবাহিনী মাথাশূণ্য হলে কার লাভ? যাদের লাভ তারাই করিয়েছে ... এটা বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নাই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে চৌকস এবং ঈর্ষনীয় একটা সেনাবাহিনীতে পরিণত হচ্ছিলো ... জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে তাঁদের দক্ষ অংশগ্রহণে এটা পুরা পৃথিবীর কাছেই প্রতীয়মান হয়েছে। এই সেনাবাহিনী অস্থিরতায় টালমাটাল দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনলো; ক্ষমতা দখলের বদলে, দেশকে উপহার দিলো জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ডেটাবেস। ... সেনাবাহিনীকে কেন্দ্র করে একটা দেশের এ্যাতসব সফলতা কাদের চক্ষুশূল হতে পারে?

তাই এমন আক্রমণ অস্বাভাবিক বা অনাকাঙ্খিত ছিল না। কিন্তু সেটা ঠেকাতে না পেরে নিজেরা বিভ্রান্ত হয়ে একে অপরকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত ছিলাম ... প্রতিপক্ষের ফাঁদে পা দিয়েছিলাম সবাই .... পারলাম না ক্ষতিটা ঠেকাতে।

---
৭১'এর ১৪ই ডিসেম্বরে দেশের বুদ্ধিজীবিদের হত্যা না করা হলে এ্যাতদিনে হয়তো তাঁদের কাছ থেকে সঠিক দিক নির্দেশনা পেয়ে দেশ হিসেবে আমরা মালয়েশিয়া/সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যেতাম। কিন্তু প্রতিপক্ষ কার্যকর ক্ষতির জন্য সঠিক নীলনকশা বাস্তবায়ন করে আমাদের চরম ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছিল। ঐটি ছিল যুদ্ধে এদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি।

আবার, শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের হারিয়ে একই রকম একটা বড় ক্ষতির সম্মূখীন হল দেশ। ভবিষ্যতে এই চৌকস কর্মকর্তাদের অভাবে না জানি কতদিন বিভিন্ন ভুলের পূনঃপৌনিক বৃত্তে ঘুরপাক খেতে হবে। কত ক্ষেত্রেই না জানি অন্য দেশগুলোর চাইতে পিছিয়ে পড়বো।

আসলেই আন্তর্জাতিক কুটকৌশলের কাছে আমরা আবার পরাজিত হলাম খারাপভাবে। মুখতা তিতা হয়ে গেছে ... সাথে রক্তের লোনা স্বাদটাও রয়ে গেছে।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (01-03-2009 03:32)

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

হুম!
বার বার ক্ষতিগুলো কেন যেন আমাদের ই  হয়!:(
যে ক্ষতি হয়ে গেলো আগামী ১০-১৫ বছরেও কি এর অভাব পূরন হবে ?
এতো গুলো ফ্যামিলী কি করে চলবে? সরকারকেই তো এর অভাব পূরন করতে হবে!মানুষগুলো হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারবে না!কিন্তু অন্য ভাবে সাহায্য করাও তো চাট্টিখানি কথা না!
মুম্বাই হামলার কারনেই কি ভারত ক্ষেপে গিয়ে এমন করলো?
আর্মি অফিসারদের মধ্যে কয়েকজন করাপ্টেড থাকতে পারে-অস্বীকার করছি না!! সেই ইস্যু থেকে এতো বড় হত্যাকান্ড হবে---এইটা মেনে নেওয়া যায় না! বাংলাদেশের নাগরিকরা তো আর মুখে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকে না!!!
রাগের মাথায় ১/২ জন অফিসার কে হত্যা করলেও ব্যাপারটা মেনে নেওয়া যেত যে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য তারা সোচ্চার হয়ে উঠেছে!!
কিন্তু এই নারকীয় তান্ডব অন্য কোন ঘটনার ই ইঙ্গিত দেয়!
চোখ থেকে এখনো মুছতে পারছি না - সেই স্ত্রীর কথা যার স্বামীর গলা ফুটো করে বুলেট চলে গেছে, আর যেই রক্ত মাখা বুকে শেষ বারের মত মাথা রেখে হাউমাউ করছে স্ত্রী!!
কত সন্তান মা-বাবা হারালো! কত পিতা-মাতা সন্তান!আর কত স্ত্রী হারালো তাদের প্রিয় স্বামী কে!
নিজেকে ওই অবস্থায় কল্পনা করার মত শক্তিও নেই আমাদের হয়তো!! অথচ মেনে নেওয়া ছাড়াও কিছু করার নেই!!
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি- সত্যিকারের অপরাধীদের কে যে কোন মূল্যেই খুঁজে বের করা হোক!! তাদেরকেও একই ভাবে শাস্তি দেওয়া হোক!!!
শামীম ভাই আপনার লেখা পড়ে এই সকালেই খুব মন খারাপ হলো!!! অবশ্য এই ৪ দিনের কখনই মন ভালো করতে পারি নি!!

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রূপসী-রাক্ষসী (01-03-2009 08:23)

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে, শেষ কথা যাও ব'লে!
সময় পাবে না আর, নামিছে অন্ধকার!
গোধূলিতে আলো-আঁধারে-পথিক যে পথ ভোলে!!

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

খুব মন খারাপ বোধ করি। বার বার চোখ ভিজে আশে যখন টিভির সামনে বসি। আতঙ্কিত হই, হতাশা বোধ করি, ক্রোধ বোধ করি। যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করি। লাভ হয় না। বার বার মনে হয় কি করব? কিছুই কি করার নেই?

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

গত দুবছরের তত্বাবধায়ক সরকারের শাষন আমলের আর্থাৎ ম.উ. আহমেদ সহ যারা ইদানিং ফকরুদ্দীন আহমেদের বিচার চাইছে
সেইসব রাজনীতিবিদদের কথা ভূলে যাচ্ছি...

দুবছর প্রশাষনের সবকিছুর মধ্যমনি ছিল এই আর্মি প্রধানরাই...
এটা একটা রাজনৈতিক প্রতিশোধও হতে পারে। হয়ত মূল হোতারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকেই যাবে।
প্রশ্নটা আসছে কারণ এখনো দশ ট্রাক আস্ত্রের মূল নায়ককে খুঁজে পাওয়া যায়নি! অনেক হত্যাকান্ডের বিচার এখনো হয়নি।

এই ঘটনাটি ঠিক আগের দিন ঘটলে হাসিনা'র কি হতো? যারা এতবড়ো ঘটনার জন্ম দিতে পারে তাদের দিয়ে সবই সম্ভব!!!
পরদিন হলো কেন? কারণ টার্গেট আর্মি নিধন।
আর দেশের গোয়েন্দারা কি খাটি সরিষার তেল নাকে দিয়ে ঘুমাচ্ছিল?

http://i37.tinypic.com/2lmaryu.gif
                                                       http://i34.tinypic.com/28vvtwg.gif

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

কি আর বলব, প্রথমদিন ভালই লাগছিল। ছাত্রদের সাথে তাদের পাকিস্তানি সেনাদের মত ব্যবহার এ জীবনে ভুলবার নয়। তখন থেকেই মনে হচ্ছিল এ তো পাকিস্তানি আর্মি'র ই উত্তরপুরুষ! তাই বিডিআরদের কে বাহবা দিয়েছিলাম। দূর্ণীতিবাজ দুএকটা মরলে জাতির কিছু যাবে আসবে না। জনগনের টাকায় তারা চলে অথচ জনগণের কাছে কোন জবাবদিহিতা নাই বরং নিজেদেরকে একটা এলিট শ্রেণী মনে করে। এর কিছু উদাহরণও জেনেছি ভোটার আইডি প্রজেক্টের সময়! কিন্তু প্রকৃত ঘটনা জানলাম তখন আমি পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর। পুরো অনুভূতিটাই অন্য রকম হয়ে গেল। আগের অন্ধ সমর্থণের কারণে নিজের উপরেও একটু অভিমান হচ্ছিল। তবে আমাদের তো দোষ নেই। শামীম ভাইয়ের মত আমিও বলতে চাই 'আমরা তো ব্লাডি সিভিলিয়ান'। সুতরাং আমাদের এসব ভুল হতেই পারে।

তবে তাদের (আর্মি) যে ধৈর্যের পরিচয় দেখেছি একটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় যদিও জনগনের পোষ্য হিসেবে এটা তাদের দ্বায়িত্ব!

http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png
what to do?

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

খবর, টক শ, সংবাদপত্র যতটা পেরেছি এড়িয়ে চলেছি সবসময়। অন্তত চেষ্টা করেছি। কিন্তু সবসময় পারা যায় না। সবসময়ের আক্রোশ এখন হতাশায় রূপ নিচ্ছে। brokenheart গায়ে কাঁটা দিচ্ছে নিত্যনতুন খবরগুলো!

আমার দেশে এই খবরগুলো দেখলাম-

জে শাকিলের ফোন-

সেনাসদস্যদের ক্ষুব্ধ প্রশ্ন

আমাদের পত্রিকাগুলো ইউনিকোডে কবে হবে?:-@

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

আমাদেরকে সারা জীবন ব্লাডি সিভিলিয়ান বানিয়ে রাখার জন্যই এক হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে।
আমরা কাদের উপর নির্ভরশীল? কোন কোন দেশের ক্রেতা আমরা? কারা আমাদের ব্যাবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী?
আমরা যদি উন্নত হই তাহলে তো ব্যবসা বন্ধ।

হিসাব টা আসলে খুব সোজা ।
বর্তমান বিশ্বে সবকিছু চলছে ব্যাবসায়িক কারনে।  যারা চায় আমরা সারাজীবন শুধু ক্রেতাই থাকি কখনো যাতে বিক্রেতা হওয়ার যোগ্যতা না অর্জন করি এটা তাদের ই কাজ। বার বার আঘাত করছে বিভিন্ন রূপে। আর আমরা বোকার মতো একেঅপরকে দোষ দিচ্ছি.........:-x 

কষ্ট একটায় তারা আমাদের ধরাছোয়ার বাহিরে.........।

আমাদের জাতীয় স্বভাব হলো নিজেরে খুব সেয়ানা ভাবা।:-@ তাই এটা থেকেও শিক্ষা  নেবনা।:-j
পরে আবার একটা কিছু হলে আবার একে অপরকে দোষ.........তদ্ন্ত কমিটি...........হা হুতাশ,.......
তারপর আবার আমরা বাঙালি........................:D

I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

তবে তাদের (আর্মি) যে ধৈর্যের পরিচয় দেখেছি একটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় যদিও জনগনের পোষ্য হিসেবে এটা তাদের দ্বায়িত্ব!

হয়ত তারা আসলেই এলিট, তাই শক্তি ও ক্ষমতা থাকা সত্বেও তাদের দৃষ্টিতে ব্লাডি সিভিলিয়ান জনগনের পোষ‍্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করতে পারে।

“All our dreams can come true if we have the courage to pursue them.” - Walt Disney
http://www.amanpages.com/

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

আমান লিখেছেন:
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

তবে তাদের (আর্মি) যে ধৈর্যের পরিচয় দেখেছি একটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় যদিও জনগনের পোষ্য হিসেবে এটা তাদের দ্বায়িত্ব!

হয়ত তারা আসলেই এলিট, তাই শক্তি ও ক্ষমতা থাকা সত্বেও তাদের দৃষ্টিতে ব্লাডি সিভিলিয়ান জনগনের পোষ‍্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করতে পারে।

অবশ্য অডিও টেপটা শোনার পর আমার ঐ মন্তব্যের স্বার্থকতা নিয়ে সন্ধিহান!

http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png
what to do?

১০

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

বাণিজ্য মন্ত্রী জঙ্গি কানেকশন থিওরী প্রচার করে চলেছেন .. .. কারণটা নিয়ে কৌতুহলী মনে একটু নাড়াচাড়া করতো ... তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বের হওয়ার আগেই মিডিয়াকে ব্যস্ত রাখা কেন? নাকি দুষ্টু(!) মিডিয়ার মনোযোগ ঘুরিয়ে রাখা ... ...

মনোযোগ ঘুরিয়ে রাখাই মনে হচ্ছে ... একেবারে নামসহ লীগের ১৫ আর দলের ৮ জন নেতার জড়িত থাকার কথা কানে ভেসে আসলে এসবই মনে হওয়া স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রীর সাথে সেনাসদস্যদের কথাবার্তার টেপ শুনলেও দুই-এ দুই-এ চার মনে হয় (এই টেপ সম্পর্কে কোনোরকম আগ্রহ ছিল না ... শুধু শুধু কচ্ছপগতির নেটওয়র্কে ফালতু ডাউনলোড; কিন্তু কিছু সাইট আনঅফিসিয়ালি চোরের মত করে ব্যান করাতে মনে হল কাহিনী আছে ... তাই ডাউনলোড করতে হল)। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় সেনাবাহিনী তো অনেককেই বেশ ভালোরকম নাজেহাল করেছিলো ... ... কাজেই ঐ পুঞ্জিভূত ক্ষোভের আইটেমটাকে মূল পরিকল্পনাকারী ব্যবহার করবে - এটা স্বাভাবিক; এরকম ক্যারাবেরা লাগানো কোনো পরিকল্পনা করলে স্থানীয় বিরূদ্ধ সব ফ্যাক্টরগুলোকেই ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় - তাই করা উচিত। sad

১১

Re: পরাজয়ের তেতো স্বাদ মুখে

শামীম ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ, এমন চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ একটা লেখা এখানে কেন দিয়েছেন !

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...             [আড্ডার আসর ! ~ এসো দেই জমিয়ে আড্ডা, মিলি প্রাণের টানে...]

পোস্টঃ [ ১১ ]

পাতা 1

উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ বা নিবন্ধন করতে হবে

সম্পর্কিত বিষয়

শিরোনাম উত্তর সমূহ প্রদর্শন সর্বশেষ পোস্ট

  • ১৬ উত্তর সমূহ
  • ১৩৯৩ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 12-09-2009 22:43 লিখেছেন শিপলু
  • ১৮ উত্তর সমূহ
  • ৭৭৯ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 05-09-2009 14:03 লিখেছেন masud3011
  • উত্তর সমূহ
  • ১৪৯ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 02-08-2009 15:18 লিখেছেন jakir420
  • উত্তর সমূহ
  • ১১৫ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 20-02-2010 00:05 লিখেছেন নীল আকাশ

চ্যালেঞ্জের মুখে কৃষি গবেষণা

লিখেছেন খালেকুজজামান

  • উত্তর সমূহ
  • ৩৬০ প্রদর্শন
  • সর্বশেষ পোস্ট 19-10-2008 15:25 লিখেছেন হাঙ্গরিকোডার

X




Currently installed 10 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.




English Pad: